ঢাকা শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

ছেলে থেকে মেয়ে হয়ে এবার ক্রিকেটে ফেরার অনুমতি পেলেন অনায়া

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৭ আগস্ট ২০২৬, ০৫:১০ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

একসময় ভারতের মুম্বাই অনূর্ধ্ব-১৯ দলের হয়ে ক্রিকেট খেলেছেন। পরে লিঙ্গ পরিবর্তনের প্রক্রিয়ার কারণে প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেট থেকে দূরে সরে যেতে হয়েছিল তাকে। তবে এবার আবারও ক্রিকেটে ফেরার সুযোগ পেয়েছেন ভারতের সাবেক ক্রিকেটার সঞ্জয় বাঙ্গারের সন্তান অনয়া বাঙ্গার।

ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার (সিএ) সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আপাতত অস্ট্রেলিয়ার কমিউনিটি ক্রিকেটে খেলতে পারবেন ২৫ বছর বয়সী অনয়া। সব শর্ত পূরণ করতে পারলে ২০২৭ সালের মার্চ থেকে এলিট পর্যায়ের নারী ক্রিকেটেও খেলার সুযোগ তৈরি হতে পারে তার সামনে। এমনকি মেয়েদের বিগ ব্যাশ লিগেও খেলার সম্ভাবনা রয়েছে।

দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অনয়ার বিষয়টি নিয়ে সরাসরি কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। তার চিকিৎসাসংক্রান্ত তথ্য, অস্ত্রোপচারের নথি, হরমোন ও টেস্টোস্টেরনের মাত্রা, ক্রিকেট খেলার অভিজ্ঞতা এবং খেলার ভিডিওসহ বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা করেছে বিশেষজ্ঞদের একটি প্যানেল।

ভারতের সাবেক অলরাউন্ডার ও কোচ সঞ্জয় বাঙ্গারের সন্তান অনয়ার আগের নাম ছিল আরিয়ান বাঙ্গার। ২০২২ সালে তিনি লিঙ্গান্তর প্রক্রিয়া শুরু করেন। চলতি বছরের মার্চে জেন্ডার-অ্যাফার্মিং সার্জারির পর আবার ক্রিকেটে ফেরার সুযোগ খুঁজতে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করেন তিনি।

ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার নীতিমালা অনুযায়ী, নারী বিভাগের সর্বোচ্চ পর্যায়ের ক্রিকেটে খেলতে হলে একজন খেলোয়াড়ের রক্তে সিরাম টেস্টোস্টেরনের মাত্রা টানা ১২ মাস প্রতি লিটারে ১০ ন্যানোমোলের নিচে থাকতে হবে। অনয়ার ক্ষেত্রে এই ১২ মাসের সময়সীমা পূর্ণ হবে ২০২৭ সালের মার্চে।

এরপর অস্ট্রেলিয়ায় গিয়ে তাকে আবার রক্ত পরীক্ষা করাতে হবে। সেই পরীক্ষায় টেস্টোস্টেরনের মাত্রা নির্ধারিত সীমার মধ্যে থাকলে এবং নীতিমালার অন্যান্য শর্ত পূরণ হলে এলিট পর্যায়ের নারী ক্রিকেটে খেলার যোগ্যতা পাবেন তিনি।

তবে তার আগেই অস্ট্রেলিয়ার যেকোনো রাজ্য বা অঞ্চলের প্রিমিয়ার লিগে খেলতে পারবেন অনয়া। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার নিয়মে প্রিমিয়ার ক্রিকেটকে কমিউনিটি ক্রিকেটের আওতায় রাখা হয়েছে।

অনয়ার সর্বশেষ রক্ত পরীক্ষায় টেস্টোস্টেরনের মাত্রা পাওয়া গেছে প্রতি লিটারে ০.৬ ন্যানোমোল। তার দাবি, এই মাত্রা পরীক্ষাগারের নারী রেফারেন্স রেঞ্জের মধ্যেই রয়েছে।

ক্রিকেটে ফেরার সুযোগ পাওয়াকে নিজের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে দেখছেন অনয়া। কয়েক বছর প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটের বাইরে থাকার পর আবার প্রিয় খেলায় ফেরার সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় উচ্ছ্বসিত তিনি।

অনয়ার ভাষায়, ক্রিকেট তার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। লিঙ্গ পরিবর্তনের প্রক্রিয়া শুরু করার সময় তার সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তা ছিল, হয়তো ক্রিকেটে আর কখনো তার জায়গা হবে না। দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে তিনি ফেরার পথ খুঁজেছেন। অবশেষে সেই পথের একটি দরজা খুলেছে তার সামনে।

ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়াতেও সন্তুষ্ট অনয়া। তার মতে, বিষয়টি কোনো স্বয়ংক্রিয় বা অনানুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে হয়নি। বরং ন্যায্যতা, প্রতিযোগিতার স্বচ্ছতা এবং নারী খেলাধুলায় অন্তর্ভুক্তির বিষয়গুলো বিবেচনা করেই তার আবেদন পর্যালোচনা করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

এখন ২০২৭ সালের মার্চের অপেক্ষা। নির্ধারিত সব শর্ত পূরণ করতে পারলে কমিউনিটি ক্রিকেট পেরিয়ে এলিট নারী ক্রিকেটেও দেখা যেতে পারে অনয়া বাঙ্গারকে।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপ / রাতুলের গোলে গ্যাবনকে হারিয়ে ফাইনালে বাংলাদেশ
শিরোপার লড়াই থেকে আর মাত্র একধাপ দূরে বাংলাদেশ। আফ্রিকার গ্যাবনকে হারিয়ে ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপ ও ফেস্টিভ্যালে প্লেট পর্বের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশের যুবারা।  বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সেমিফাইনালে আজারবাইজানের বাকুতে গ্যাবনকে ১-০ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৫ দল। ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেওয়া গোলটি এসেছে ১৪ মিনিটে। রাতুলের করা সেই একমাত্র গোলেই জয় নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের। বাকি সময়ে আর কোনো গোল না হওয়ায় ১-০ ব্যবধানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এই জয়ে টুর্নামেন্টের ফাইনালে উঠে শিরোপা জয়ের স্বপ্ন আরও এক ধাপ এগিয়ে নিল বাংলাদেশের কিশোর ফুটবলাররা। এখন তাদের সামনে অপেক্ষা করছে শিরোপার লড়াই। আরটিভি/এসআর
রাতুলের গোলে গ্যাবনকে হারিয়ে ফাইনালে বাংলাদেশ
সেঞ্চুরির পর সমালোচকদের কড়া জবাব দিলেন সাদমান
টেস্টে ক্রিকেটে নিয়মিত রান করেন ওপেনার সাদমান ইসলাম। কিন্তু ভালো শুরু করে বড় ইনিংস খেলতে না পারায় অনেক সমালোচনার শিকার হয়েছেন তিনি। তবে এসব সমালোচনাকে মাথায় নিতে চান না মিরপুর টেস্টে সেঞ্চুরি হাঁকানো টাইগার ওপেনার। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি। নিজের প্রস্তুতি নিয়ে সাদমান বলেন, গত কিছুদিন আমি এটা নিয়ে অনেক কাজ করছি। আমার কাছে মনে হচ্ছিল ফিটনেস ইস্যু হতে পারে। আমি ফিটনেস নিয়ে ভালো কাজ করছি, হয়তো ব্যাটিংয়েও সমস্যা ছিল। কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলেছি। আশরাফুল ভাই ছিলেন, সালাউদ্দিন স্যার ছিলেন। তারাও বলেছেন, কিছু কাজ করলে হয়তো ভালো সাফল্য আসতে পারে। মিরপুরের উইকেটে ব্যাটিংয়ের চ্যালেঞ্জও মাথায় রাখতে হয় বলে মনে করেন সাদমান। তবে উইকেট নিয়ে আগেভাগে বেশি চিন্তা না করে বল বুঝে খেলার পরিকল্পনাতেই আস্থা রেখেছেন তিনি।  তার ভাষায়, উইকেট নিয়ে প্রথম থেকেই চিন্তা করিনি। যে বল আসবে, সেটাই খেলব—এটাই সবসময় পরিকল্পনা ছিল। আমরা দেখেছি, মিরপুরের উইকেটে সকালবেলা বা দিনের শেষে ব্যাটারদের একটু সমস্যায় ফেলে। ক্রিকেট জীবনে এসব আসবেই। ব্যাটিংয়ে ধারাবাহিকতা নিয়ে কাজ করলেও সমালোচনা তার প্রস্তুতিতে প্রভাব ফেলতে দিতে চান না সাদমান। তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ হলো নিয়মিত অনুশীলন, পরিশ্রম এবং নিজের প্রক্রিয়ায় স্থির থাকা।  এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সমালোচনা আসবেই জীবনে। আমি এসব নিয়ে খুব কম চিন্তা করি। আমার কাজ খেলা, প্র্যাকটিস করা, হার্ডওয়ার্ক করা। আমি সবসময় এই প্রক্রিয়ার মধ্যে থাকার চেষ্টা করি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে রান পাওয়াকে পরিশ্রমের পাশাপাশি ভাগ্যের সঙ্গেও মিলিয়ে দেখছেন সাদমান। তবে সাম্প্রতিক সময়ে বড় ইনিংস খেলতে না পারার যে ঘাটতি ছিল, তা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা চালিয়ে যেতে চান তিনি।  টাইগার ওপেনার বলেন, আমার কাজ খেলা, আমি খেলি। কে কখন আসবে, কোন দল আসবে, এটা হয়তো আল্লাহ আমাকে এভাবে রেখেছেন যে ওদের সঙ্গে রান করতে হবে। পুরোটাই হার্ডওয়ার্ক আর লাক। আরটিভি/এসআর
সেঞ্চুরির পর সমালোচকদের কড়া জবাব দিলেন সাদমান
মিরপুর টেস্ট / তাইজুলের জোড়া আঘাতে স্বস্তি নিয়ে দ্বিতীয় দিন শেষ করল বাংলাদেশ
আলোর স্বল্পতা ও বেরসিক বৃষ্টির কারণে আগেভাগে শেষ হয়েছে মিরপুর টেস্টের দ্বিতীয় দিনের খেলা। শেষ দিকে মিরাজ ও তাইজুলের জোড়া শিকারে পরিস্থিতি বদলে লড়াইয়ে ফিরেছে বাংলাদেশ। ৪ উইকেটে ১৩৪ রানে দ্বিতীয় দিন শেষ করেছে সফরকারীরা। তারা পিছিয়ে ১৩৮ রানে।  বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ৩ উইকেটে ২১৩ রান নিয়ে দিন শুরু করা স্বাগতিকরা ২৭২ রানে গুটিয়ে গেছে। তার পর ব্যাট হাতে দারুণ জবাব দেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দ্বিতীয় সেশনের ‍শুরুতে হাসান মাহমুদের বলে একটি উইকেট হারালেও জন ক্যাম্পবেলের ফিফটিতে ১ উইকেটে ৮৯ রান নিয়ে চায়ের বিরতিতে যায় দুই দল।  মেঘলা আকাশের কারণে বিরতিটা আগেভাগেই নিতে হয়েছে। তার পর বৃষ্টির কারণে দেরিতে শুরু হয় খেলা।  বিরতির পর মাঠে ফিরেই ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দেয় বাংলাদেশ। মেহেদী হাসান মিরাজের পর তাইজুল ইসলামের জোড়া আঘাতে মিরপুর টেস্টে চাপে রয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।  বৃষ্টির কারণে খেলা বন্ধ থাকার পর ৩১তম ওভারে বাংলাদেশকে প্রথম সাফল্য এনে দেন মিরাজ। আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে ৭৮ বলে ৫৪ রান করা জন ক্যাম্পবেলকে ফিরিয়ে দেন তিনি। ক্যাম্পবেলের ইনিংসে ছিল ছয়টি চার ও দুটি ছক্কা। তার পর ইনিংসের ৩৬তম ওভারে পরপর দুই ব্যাটারকে সাজঘরে ফেরান তাইজুল ইসলাম। প্রথমে কাভেম হজকে ৭ রানে ফিরিয়ে দেন তিনি। এরপর কোনো রান না করেই তাইজুলের শিকার হন আমির জাঙ্গু। তাতে মিরাজের পর তাইজুলের এই জোড়া আঘাতে ম্যাচে শক্তভাবে ফেরে বাংলাদেশ। ছোটখাটো ধসের পর অবশ্য কোনও ঝামেলা ছাড়াই দিন পার করেন তেজনারায়ণ চন্দরপল (৪৩) ও জাস্টিন গ্রিভস (১৫)। তাইজুল ৪৪ রানে দুটি উইকেট নিয়েছেন। একটি করে নিয়েছেন হাসান মাহমুদ ও মেহেদী হাসান মিরাজ।  আরটিভি/এসআর
তাইজুলের জোড়া আঘাতে স্বস্তি নিয়ে দ্বিতীয় দিন শেষ করল বাংলাদেশ
অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপ / মন্টেনেগ্রোর জালে ১ হালি দিয়ে সেমিতে বাংলাদেশ
ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপ ও ফেস্টিভ্যালে সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশ। কোয়ার্টার ফাইনালে মন্টেনেগ্রোকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে বাংলাদেশের কিশোররা।  বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বাংলাদেশের হয়ে জোড়া গোল করেছেন পাভেল। বাকি দুটি গোল এসেছে বায়জিদ ও শাবকের পা থেকে। এদিন ম্যাচের ৯ মিনিটেই বায়জিদের গোলে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। ২৪ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন পাভেল। প্রথমার্ধের শেষ দিকে আরও দুই গোল করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নেয় বাংলাদেশের যুবারা।  ৩৪ মিনিটে শাবক গোল করার দুই মিনিট পর, ৩৬ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন পাভেল। চার গোলের লিড নিয়ে বিরতিতে যায় বাংলাদেশ। দ্বিতীয়ার্ধে আর কোনো গোল হয়নি। শেষ পর্যন্ত ৪-০ ব্যবধানের বড় জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশের কিশোররা। এই জয়ে প্রতিযোগিতার সেমিফাইনালে উঠেছে দলটি। আরটিভি/এসআর
মন্টেনেগ্রোর জালে ১ হালি দিয়ে সেমিতে বাংলাদেশ
বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদ বিশ্বনাথ দে ধারার মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতির শোক
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঠাকুরগাঁওয়ের বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদ ও ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজের সাবেক ক্রীড়াশিক্ষক বিশ্বনাথ দে ধারার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদ বিশ্বনাথ দে ধারার মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতির শোক
আরও পড়ুন
নিউজিল্যান্ড-ভারতের ম্যাচসহ টিভিতে আজকের খেলা
চড়া মূল্যে ব্লু স্টারে মেহেদী, পাত্তা পেলেন না রিশাদ
ডি থ্রি টুর্নামেন্টের নিলাম শুরু
ভারত-নিউজিল্যান্ড ম্যাচসহ টিভিতে আজকের খেলা