ঢাকা বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩

বিশ্বকাপে কবে মুখোমুখি হতে পারে আর্জেন্টিনা-পর্তুগাল

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৪ জুন ২০২৬, ০৩:৩৭ পিএম
লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। ছবি: সংগৃহীত

ফুটবল বিশ্বের কোটি ভক্তের দীর্ঘদিনের অপেক্ষা বিশ্বকাপের মঞ্চে মুখোমুখি হবেন দুই মহাতারকা লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। ক্লাব ফুটবল থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত অর্জনের লড়াইয়ে দুই দশকের বেশি সময় ধরে একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী হলেও, বিশ্বকাপে কখনও একে অপরের বিপক্ষে মাঠে নামেননি তারা। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে সেই আক্ষেপ ঘুচতে পারে বলে মনে করছেন ফুটবল বিশ্লেষকরা।

৪৮ দলের নতুন ফরম্যাটে আয়োজিত এবারের বিশ্বকাপে নকআউট পর্বের জটিল সমীকরণ তৈরি করেছে একাধিক সম্ভাবনা। বর্তমানে আর্জেন্টিনা রয়েছে ‘জে’ গ্রুপে এবং পর্তুগাল খেলছে ‘কে’ গ্রুপে। গ্রুপ পর্বের ফলাফল ও পরবর্তী ব্র্যাকেট বিন্যাসের ওপর নির্ভর করছে দুই দলের সম্ভাব্য সাক্ষাৎ।

গ্রুপ পর্বে নিজেদের প্রথম দুই ম্যাচ জিতে ইতোমধ্যে ৬ পয়েন্ট সংগ্রহ করেছে আর্জেন্টিনা। তাদের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী অস্ট্রিয়ার পয়েন্ট ৩। শেষ ম্যাচে হারলেও হেড-টু-হেড সুবিধার কারণে গ্রুপ সেরা হিসেবে পরের রাউন্ডে ওঠার সম্ভাবনাই বেশি আলবিসেলেস্তেদের।

অন্যদিকে, দুই ম্যাচ শেষে পর্তুগালের সংগ্রহ ৪ পয়েন্ট। বর্তমানে তারা গ্রুপের দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। শেষ ম্যাচে কলম্বিয়াকে হারাতে পারলে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুযোগ রয়েছে রোনালদোদের। তবে অন্যান্য ম্যাচের ফলাফলের ওপর নির্ভর করে তারা গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন, রানারআপ কিংবা সেরা তৃতীয় দল হিসেবেও নকআউটে জায়গা করে নিতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, আর্জেন্টিনা ও পর্তুগাল উভয় দল যদি নিজ নিজ গ্রুপে শীর্ষস্থান অর্জন করে এবং রাউন্ড অব ৩২ ও রাউন্ড অব ১৬ পেরিয়ে যায়, তাহলে কোয়ার্টার ফাইনালেই মুখোমুখি হতে পারে দুই দল। সেক্ষেত্রে ১১ জুলাই কানসাস সিটির অ্যারোহেড স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হতে পারে ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম প্রতীক্ষিত লড়াই।

এবারের বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো সেরা আটটি তৃতীয় স্থানধারী দলও নকআউট পর্বে খেলার সুযোগ পাচ্ছে। যদি আর্জেন্টিনা গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয় এবং পর্তুগাল সেরা তৃতীয় দল হিসেবে নকআউটে ওঠে, তাহলে রাউন্ড অব ৩২-তেই মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।

পর্তুগাল যদি ভিন্ন অবস্থানে থেকে নকআউটে ওঠে, তাহলে ব্র্যাকেটের বিন্যাস বদলে যেতে পারে। বিশেষ পরিস্থিতিতে দুই দলের দেখা হতে পারে সেমিফাইনালেও।

আবার আর্জেন্টিনা গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন এবং পর্তুগাল গ্রুপ রানারআপ হলে তারা ভিন্ন ব্র্যাকেটে চলে যাবে। সেক্ষেত্রে নকআউট পর্বের শুরুতে মুখোমুখি হওয়ার সুযোগ থাকবে না। দুই দলই যদি সব বাধা পেরিয়ে এগিয়ে যায়, তবে নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালেই দেখা হতে পারে মেসি ও রোনালদোর।

আরও পড়ুন

গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচগুলো শেষ হওয়ার আগে চূড়ান্ত ব্র্যাকেট নিশ্চিত না হলেও বর্তমান সমীকরণে কোয়ার্টার ফাইনালই দুই কিংবদন্তির সম্ভাব্য মুখোমুখি হওয়ার সবচেয়ে বাস্তবসম্মত মঞ্চ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ফলে ফুটবলপ্রেমীদের চোখ এখন গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচগুলোর দিকে।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
এবার দেশের বড় দায়িত্বে লিওনেল মেসি
ফুটবল মাঠে বর্ণিল ক্যারিয়ারের ইতি টেনে এবার কি রাজনীতির ময়দানে নামতে যাচ্ছেন লিওনেল মেসি? বিশ্বকাপজয়ী আর্জেন্টাইন মহাতারকাকে ঘিরে এমনই এক চাঞ্চল্যকর দাবি ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।
এবার দেশের বড় দায়িত্বে লিওনেল মেসি
বিশ্বকাপ ফাইনালে হার নিয়ে অবশেষে মুখ খুললেন মেসি
২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের কাছে হারের পর আর্জেন্টিনা শিবিরকে ঘিরে ওঠা নানা ‘ষড়যন্ত্র তত্ত্ব’ ও জল্পনা-কল্পনায় এবার ইতি টানলেন লিওনেল মেসি।
বিশ্বকাপ ফাইনালে হার নিয়ে অবশেষে মুখ খুললেন মেসি
ডক্টরেট উপাধি পেলেন মেসি
আর্জেন্টিনার ফুটবল আইকন লিওনেল মেসিকে বুধবারে বেনিনের বিপক্ষে বিদায়ী আন্তর্জাতিক ম্যাচের আগে বুয়েনস আয়ার্স বিশ্ববিদ্যালয় সম্মানসূচক ডক্টরেট উপাধি প্রদান করেছে। গত ১ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দেওয়া মেসি আজ ঘরের মাঠে বেনিনের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার জার্সিতে শেষবারের মতো মাঠে নেমেছেন। আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) অফিসিয়াল এক্স অ্যাকাউন্টে পোস্ট করা হয়, ‘‘আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিও মেসি আজ বুয়েনস আয়ার্স বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘ডক্টর অনোরিস কসা’ উপাধি পেয়েছেন। অভিনন্দন, কিংবদন্তি!” স্পেনের কাছে ১-০ গোলে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ ফাইনালে হারের এক মাসেরও বেশি সময় পর এবং তার বাবা হোর্হে মেসির মৃত্যুর কয়েক দিন পর আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দেন মেসি। গত ৮ আগস্ট আর্জেন্টিনার মধ্যাঞ্চলীয় শহর রোসারিওতে ৬৮ বছর বয়সে মারা যান মেসির বাবা। আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের অধিনায়ক মেসিই দেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলেছেন এবং সর্বোচ্চ গোলদাতাও তিনি। দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবল ইতিহাসেও তিনিই সর্বোচ্চ গোলদাতা। বহু বছর ধরে একের পর এক হতাশার পর, বিশেষ করে ২০১৪ সালের ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে জার্মানির কাছে হারের পর, ২০২২ সালে বিশ্বকাপের শিরোপার স্বাদ পান মেসি। ফাইনালে কিলিয়ান এমবাপ্পের নেতৃত্বাধীন ফ্রান্সকে হারিয়ে শিরোপা জেতে আর্জেন্টিনা। এটি ছিল ৩৬ বছরের মধ্যে আর্জেন্টিনার প্রথম বিশ্বকাপ জয় এবং ইতিহাসে তাদের তৃতীয় বিশ্বকাপ শিরোপা। এর আগে ২০২১ সালে কোপা আমেরিকার শিরোপা জিতে আর্জেন্টিনার ২৮ বছরের ট্রফি-খরা শেষ করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন মেসি। বিশ্বকাপ জয়ের পর ২০২৪ সালের আসরেও কোপা আমেরিকার শিরোপা জিতে টানা দুবার চ্যাম্পিয়ন হয় আর্জেন্টিনা। ২০১৬ সালে কোপা আমেরিকার ফাইনালে চিলির কাছে হারের পরও মেসি প্রথমবার আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছিলেন। তবে পরে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন তিনি এবং ছয় বছর পর কাতারে আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ জেতাতে নেতৃত্ব দেন। কিংবদন্তি এই ফুটবলার ২০০৬ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত ছয়টি ফিফা বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছেন। ৩৪ ম্যাচে করেছেন ২১ গোল। বিশ্বকাপের ইতিহাসে তিনি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা। ফ্রান্সের এমবাপ্পে ২২ গোল করে রেকর্ডটি নিজের করে নিয়েছেন। এ বছরের বিশ্বকাপে মেসি করেছেন আট গোল এবং চারটি গোলে সহায়তা করেছেন। ফলে টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা পারফরমার ছিলেন তিনি। এর মধ্যে আলজেরিয়ার বিপক্ষে নিজের ক্যারিয়ারের প্রথম ফিফা বিশ্বকাপ হ্যাটট্রিকও করেন তিনি। একসময় বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডে জার্মানির কিংবদন্তি মিরোস্লাভ ক্লোসাকে ছাড়িয়ে গিয়েছিলেন মেসি। পরে এমবাপ্পে তাকে টপকে শীর্ষস্থান দখল করেন। তবে ক্লাব ফুটবলে এখনো খেলে যাচ্ছেন মেসি। মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) দল ইন্টার মায়ামির হয়ে তিনি খেলছেন। আরটিভি/এসআর
ডক্টরেট উপাধি পেলেন মেসি
বিদায়ী ম্যাচে মেসিকে যেসব উপহার দিল বেনিন
জাতীয় দলের জার্সিকে বিদায় বলার রাত এমনিতেই লিওনেল মেসির জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকার কথা। সেই স্মরণীয় রাতেই আরও একটি বিশেষ স্মৃতি যোগ করল মেসির শেষ ম্যাচের প্রতিপক্ষ বেনিন। আফ্রিকার দেশটি নিজেদের ইতিহাস ও সংস্কৃতির প্রতীক একটি ভাস্কর্যের ক্ষুদ্র সংস্করণ উপহার হিসেবে তুলে দিয়েছে আর্জেন্টিনা অধিনায়কের হাতে। তবে সেই উপহার আসলে মেসির জন্য নয়, তার স্ত্রী আন্তোনেলা রোকুজ্জোর জন্য। বুয়েনস আইরেসের মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে ম্যাচ শুরুর আগে টসের সময় মেসির সঙ্গে দেখা হয় বেনিন অধিনায়ক সেসি দ’আলমেইদার। সেখানেই মেসির হাতে একে একে তুলে দেওয়া হয় বিশেষ কয়েকটি উপহার।  আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যম টিওয়াইসি স্পোর্টসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেই উপহারগুলোর মধ্যে ছোট ভাস্কর্যের পাশাপাশি ছিল গোলাপ, বেনিনের পেন্যান্ট এবং দলটির খেলোয়াড়দের পক্ষ থেকে লেখা একটি চিঠি। সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ ছিল ভাস্কর্যটি। সেটি বেনিনের কোটোনু শহরে থাকা বিখ্যাত ‘আমাজন মনুমেন্ট’ এর ক্ষুদ্র প্রতিরূপ। দাহোমে রাজ্যের নারী যোদ্ধাদের স্মরণে তৈরি হয়েছে এই স্মৃতিস্তম্ভ। উপহারটি দেওয়ার সময় স্প্যানিশে মেসিকে এর অর্থও বোঝানোর চেষ্টা করেন দ’আলমেইদা। তিনি জানান, এটি আন্তোনেলার জন্য এবং তাদের দেশে এটি নারীর শক্তির প্রতীক। মেসিও মনোযোগ দিয়ে তার কথা শোনেন এবং হাসিমুখে উপহার গ্রহণ করেন। বেনিনের কাছে ভাস্কর্যটির গুরুত্বও কম নয়। দেশটির সরকারের তথ্য অনুযায়ী, কোটোনুতে স্থাপিত মূল ভাস্কর্যটি ৩০ মিটার উঁচু এবং ওজন প্রায় ১৫০ টন। ২০২২ সালে উদ্বোধন করা স্মৃতিস্তম্ভটি দাহোমে রাজ্যের ‘আগোজিয়ে’ বা ‘মিনন’ নামে পরিচিত নারী যোদ্ধাদের স্মরণে নির্মিত। সাহস, দৃঢ়তা ও দেশরক্ষায় তাদের ভূমিকার কারণে এই যোদ্ধাদের বেনিনের জাতীয় গৌরবের অংশ হিসেবে দেখা হয়। মেসিকে এমন কিছু দেওয়ার পরিকল্পনা আগেই করেছিল বেনিন দল। ম্যাচের আগে দ’আলমেইদা জানিয়েছিলেন, নিজেদের কাছে অত্যন্ত প্রতীকী এই আমাজন ভাস্কর্যের একটি প্রতিরূপ তারা সঙ্গে করে এনেছেন। এরপর মাঠে বিদায়ের রাতটাও নিজের মতো করেই শেষ করেন মেসি। নিকোলাস ওতামেন্দি ও নিকো পাজের দুই গোলে সহায়তা করার পর পেনাল্টি থেকে নিজেও গোল করেন। বেনিনকে ৩-০ গোলে হারিয়ে আর্জেন্টিনার জার্সিতে ২১ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানেন তিনি। আরটিভি/এসআর
বিদায়ী ম্যাচে মেসিকে যেসব উপহার দিল বেনিন
বিদায়ী ম্যাচে হলুদ ও লাল কার্ড পেলেন মেসি
আন্তর্জাতিক ফুটবলে খেলোয়াড়দের অপরাধের জন্য লাল ও হলুদ কার্ড দেখান রেফারিরা। তবে ক্যারিয়ারের বিদায়ী ম্যাচে লিওনেল মেসি দেখলেন এক ভিন্ন দৃশ্য।   বেনিনের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচটা তখন সবে শেষ হয়েছে মাত্র। মাঠে ক্যামেরার সব আলো তখন মেসির দিকে। শেষ বাঁশি বাজিয়ে আর্জেন্টাইন মহাতাকার দিকে এগিয়ে আসলেন ম্যাচের রেফারি ফার্নান্দো ভেখার।  ভেখারের হাতে ছিল একটি বিশেষ উপহার। লাল ও হলুদ কার্ড— যে দুটি কার্ড দিয়ে ম্যাচে খেলোয়াড়দের শাস্তি দেওয়া হয়, সেগুলোই মেসির হাতে তুলে দেন রেফারি।  তবে এই কার্ডগুলো কোন শাস্তির কার্ড নয়। মেসির আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচের স্মৃতি হিসেবে সম্মান জানিয়ে কার্ড দুটির একটি সেট তুলে দেন ভেখার। ম্যাচের শেষ স্মৃতি হিসেবে সেগুলো নিজের কাছে রেখে দেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।  এর আগে বিদায়ী ম্যাচটাও মেসির জন্য ছিল স্বপ্নের মতো। বেনিনকে ৩-০ গোলে হারানোর ম্যাচে আর্জেন্টিনার তিন গোলেই ছিল তার সরাসরি অবদান। নিকোলাস ওতামেন্দি ও নিকো পাজকে দিয়ে দুটি গোল করানোর পর ৭১তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে নিজেও গোল করেন তিনি।  বিদায়ী ম্যাচে মেসির নামের পাশে থাকল ১ গোল ও ২ অ্যাসিস্ট। আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচে ২০৮তম বার আর্জেন্টিনার জার্সি পরে মাঠে নেমে করলেন নিজের শেষ গোলটিও। আলবিসেলেস্তেদের হয়ে তার নামের পাশে ১২৬ গোল আর ৭০টি অ্যাসিস্ট রইলো।  শুধু কার্ডই নয়, বিদায়ী ম্যাচের বলটিও মেসির হাতে তুলে দিয়ে দিনটি স্মরণীয় করে রাখা হয়।  আরটিভি/এসআর
বিদায়ী ম্যাচে হলুদ ও লাল কার্ড পেলেন মেসি
আরও পড়ুন
বিশ্বকাপ ফাইনালে হার নিয়ে অবশেষে মুখ খুললেন মেসি
বিদায়ী ম্যাচে মেসিকে যেসব উপহার দিল বেনিন
গোল ও জোড়া অ্যাসিস্টে বিদায়ী ম্যাচ স্মরণীয় করে রাখলেন মেসি
মেসিকে সম্মান জানাতে নতুন রূপে সেজেছে জন্মস্থান রোজারিও