ঢাকা শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

মরক্কোয় নির্মাণ হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুটবল স্টেডিয়াম

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৮ জুলাই ২০২৬, ০৮:১৬ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

ফুটবল বিশ্বের নজর এখন মরক্কোর দিকে। দেশটির কাসাব্লাঙ্কার কাছে নির্মাণাধীন গ্র্যান্ড হাসান ২ স্টেডিয়াম বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুটবল স্টেডিয়াম হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে। প্রায় ১ লাখ ১৫ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতার এই স্টেডিয়ামকে ২০৩০ সালের ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনাল আয়োজনের অন্যতম প্রধান ভেন্যু হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

২০২৪ সালের আগস্টে স্টেডিয়ামটির নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৮ সালের মধ্যেই নির্মাণ শেষ হবে। এরপর বিশ্বকাপের আগে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ম্যাচ ও প্রতিযোগিতার মাধ্যমে স্টেডিয়ামটির সব ধরনের প্রস্তুতি যাচাই করা হবে।

২০৩০ সালের ফিফা বিশ্বকাপ যৌথভাবে আয়োজন করবে মরক্কো, স্পেন ও পর্তুগাল। সেই আসরের ফাইনাল নিজেদের মাটিতে আয়োজনের লক্ষ্যেই মরক্কো এই মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।

স্টেডিয়ামটির নকশা তৈরি করেছে মরক্কোর স্থাপত্য প্রতিষ্ঠান ওয়ালালু অ্যান্ড হোই এবং আন্তর্জাতিক ক্রীড়া অবকাঠামো নির্মাতা প্রতিষ্ঠান পপুলাস। আধুনিক স্থাপত্যের সঙ্গে মরক্কোর ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতির সমন্বয় ঘটানো হয়েছে এর নকশায়।

স্টেডিয়ামটির অন্যতম বিশেষত্ব হলো এর অনন্য ডিজাইন। নকশার অনুপ্রেরণা নেওয়া হয়েছে মরক্কোর ঐতিহ্যবাহী ‘মৌসেম’ উৎসবের বিশাল তাঁবু থেকে। বিশাল অ্যালুমিনিয়ামের ছাদ এমনভাবে নির্মাণ করা হবে, যাতে পুরো মাঠ ও দর্শক প্রবেশপথের ওপর একটি ভাসমান ছাউনির অনুভূতি তৈরি হয়।

প্রকল্পটি কাসাব্লাঙ্কা থেকে প্রায় ৩৮ কিলোমিটার উত্তরে এল মানসুরিয়া এলাকায় ১০০ হেক্টরেরও বেশি জমির ওপর গড়ে তোলা হচ্ছে। শুধু একটি স্টেডিয়াম নয়, পুরো কমপ্লেক্সজুড়ে থাকবে সবুজ উদ্যান, উন্মুক্ত স্থান এবং দর্শনার্থীদের জন্য বিভিন্ন বিনোদনমূলক সুবিধা। প্রকল্পটির আনুমানিক ব্যয় ধরা হয়েছে ৫০০ মিলিয়ন ইউরো।

ফুটবলের বাইরেও বছরজুড়ে স্টেডিয়ামটিকে সচল রাখতে এখানে নির্মাণ করা হবে একটি আধুনিক হোটেল, শপিং সেন্টার, ইনডোর সুইমিং পুল এবং আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের জন্য অত্যাধুনিক মিডিয়া সুবিধা। লক্ষ্য, এটিকে একটি বহুমুখী বিনোদন ও সেবাকেন্দ্রে পরিণত করা।

আরও পড়ুন

তবে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুটবল স্টেডিয়ামের স্বীকৃতি হয়তো দীর্ঘদিন ধরে রাখতে পারবে না গ্র্যান্ড হাসান ২ স্টেডিয়াম। কারণ, ভিয়েতনামের রাজধানী হ্যানয়ে ত্রং ডং স্টেডিয়াম নির্মাণের পরিকল্পনা ইতোমধ্যে অনুমোদন পেয়েছে। প্রস্তাবিত এই স্টেডিয়ামের ধারণক্ষমতা হবে ১ লাখ ৩৫ হাজার দর্শক। ভবিষ্যৎ অলিম্পিক স্পোর্টস সিটির অংশ হিসেবে নির্মিতব্য স্টেডিয়ামটির কাজ ২০২৮ সালের আগস্টে শেষ হওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
অভিষেক ম্যাচেই ৩২ বছরের অপেক্ষার অবসান জিদানের
জিনেদিন জিদানের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিল ফ্রান্স জাতীয় দলের কোচ হওয়া। খেলোয়াড় হিসেবে ১৯৯৮ বিশ্বকাপজয়ী এই কিংবদন্তির সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে ২০২৬ বিশ্বকাপের পর দিদিয়ের দেশমের বিদায়ের পর। আর দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম ম্যাচেই ইতিহাস গড়লেন জিদান।
অভিষেক ম্যাচেই ৩২ বছরের অপেক্ষার অবসান জিদানের
বিশেষ জার্সিতে মেসির বিদায়
আর্জেন্টিনার জার্সিতে শেষবার মাঠে নামার আগে লিওনেল মেসিকে ঘিরে প্রস্তুত হচ্ছে বিশেষ আয়োজন। বেনিনের বিপক্ষে আগামী ৬ অক্টোবর বুয়েনস এইরেসের মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে বিদায়ী ম্যাচে মেসি পরবেন আকাশি-সাদার সঙ্গে সোনালি ছোঁয়া থাকা বিশেষ স্মারক জার্সি।
বিশেষ জার্সিতে মেসির বিদায়
১১৫ অভিযোগের ১১৪টিতেই দোষী ম্যানসিটি, সামনে কঠিন শাস্তির শঙ্কা
ইংলিশ ফুটবলে বহুল প্রতীক্ষিত সেই আর্থিক অনিয়মের তদন্তে বড় ধাক্কা খেতে যাচ্ছে ম্যানচেস্টার সিটি। প্রিমিয়ার লিগের আর্থিক নিয়ম ভঙ্গের ১১৫টি অভিযোগের মধ্যে ১১৪টিতেই ক্লাবটিকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম।
১১৫ অভিযোগের ১১৪টিতেই দোষী ম্যানসিটি, সামনে কঠিন শাস্তির শঙ্কা
ব্রাজিল সমর্থকদের ধৈর্য ধরার আহ্বান আনচেলত্তির
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে ১-১ গোলে ড্রয়ের পর সমর্থকদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়েছেন ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি। নতুন করে দল সাজানোর পাশাপাশি খেলোয়াড়দের পরখ করে দেখছেন বলে জানিয়েছেন ইতালিয়ান এই কোচ।
ব্রাজিল সমর্থকদের ধৈর্য ধরার আহ্বান আনচেলত্তির
প্যারাগুয়ের কাছে টাইব্রেকারে হেরে আর্জেন্টিনার সোনা হাতছাড়া
দক্ষিণ আমেরিকান গেমসে ফুটবলের সোনা জয়ের স্বপ্ন পূরণ হলো না আর্জেন্টিনার অনূর্ধ্ব-১৯ দলের। ফাইনালে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে নির্ধারিত ৯০ মিনিট গোলশূন্য থাকার পর টাইব্রেকারে ৫-৪ ব্যবধানে হেরে রুপা নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে দিয়েগো প্লাসেন্তের দলকে। রোসারিওর মার্সেলো বিয়েলসা স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই বল দখলে রেখে আক্রমণে ওঠার চেষ্টা করে আর্জেন্টিনা। তবে প্যারাগুয়ের জমাট রক্ষণ ভাঙতে পারেনি তারা। অন্যদিকে প্যারাগুয়েও কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও সেগুলো থেকে গোল আদায় করতে ব্যর্থ হয়। ফলে নির্ধারিত সময় শেষে ম্যাচের স্কোরলাইন থাকে ০-০। শিরোপা নির্ধারণে এরপর ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। সেখানেই ভাগ্য ফেরে প্যারাগুয়ের। পাঁচটি শটের সবকটিই জালে পাঠিয়ে ৫-৪ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে তারা। আর্জেন্টিনার একটি শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ায় ট্রফি হাতছাড়া হয় তাদের। এই আসরে প্যারাগুয়ের কাছে এটি আর্জেন্টিনার দ্বিতীয় হার। গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচেও প্যারাগুয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরেছিল আলবিসেলেস্তেরা। এরপর উরুগুয়েকে ১-০ গোলে হারানোর পাশাপাশি ভেনেজুয়েলার সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করে সেমিফাইনালের টিকিট কাটে তারা। শেষ চারে পেরুকে ১-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালে জায়গা করে নেয় আর্জেন্টিনা। দক্ষিণ আমেরিকান গেমসের ফুটবলে আর্জেন্টিনার সর্বশেষ সোনা এসেছিল ১৯৮৬ সালে। ঘরের মাঠে এবার সেই ৪০ বছরের অপেক্ষা ঘোচানোর সুযোগ তৈরি হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত টাইব্রেকারের হতাশায় রুপা নিয়েই আসর শেষ করতে হলো আর্জেন্টিনাকে। আরটিভি/এসকে
প্যারাগুয়ের কাছে টাইব্রেকারে হেরে আর্জেন্টিনার সোনা হাতছাড়া
আরও পড়ুন
২০৩০ বিশ্বকাপ ফাইনালের আয়োজক দাবি মরক্কোর, যা বলছে ফিফা
দুই দেশ থেকে ৯০৩ কোটি টাকার সার কেনার সিদ্ধান্ত
ইংল্যান্ডের পর মরক্কোতেও বার্সেলোনার নির্ধারিত ম্যাচ বাতিল
প্রেমিকের নাম শুনেই লজ্জায় লাল নোরা!