ঢাকা রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

দেশে ফিরে লাল গালিচার সংবর্ধনা পেল আর্জেন্টিনা

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২১ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫৩ এএম
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের কাছে হেরে শিরোপা ধরে রাখার স্বপ্নভঙ্গ হলেও দেশে ফিরে উষ্ণ অভ্যর্থনা পেয়েছে আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দল। রাজধানী বুয়েনস এইরিসের এজেইজা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাল গালিচা, অর্কেস্ট্রার সুর এবং হাজারো সমর্থকের ভালোবাসায় বরণ করে নেওয়া হয় লিওনেল স্কালোনির শিষ্যদের।

সোমবার (২০ জুলাই) সন্ধ্যায় দলের চার্টার্ড বিমান এজেইজা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বিমান থেকে নামেন আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) সভাপতি ক্লদিও তাপিয়া, প্রধান কোচ লিওনেল স্কালোনি, কোচিং স্টাফ এবং ১৯ জন ফুটবলার। তবে অধিনায়ক লিওনেল মেসি ও কয়েকজন ফুটবলার নিজ নিজ গন্তব্যে চলে যাওয়ায় দেশে ফেরেননি।

দলকে স্বাগত জানাতে বিশেষ আয়োজন করে এএফএ। খেলোয়াড়দের জন্য বিছানো হয় লাল গালিচা, আর গ্রানাদেরোস অর্কেস্ট্রা পরিবেশন করে সমর্থকদের জনপ্রিয় গান ‘মুচাচো’। বিশ্বকাপ ট্রফি না থাকলেও পুরো পরিবেশজুড়ে ছিল জাতীয় দলের প্রতি সমর্থকদের অকৃত্রিম ভালোবাসার প্রকাশ।

প্রতিকূল আবহাওয়া ও বৃষ্টি উপেক্ষা করে বিমানবন্দরের বাইরে জড়ো হন হাজারো সমর্থক। জাতীয় পতাকা, জার্সি ও ব্যানার হাতে প্রিয় দলকে স্বাগত জানান তারা। হতাশার ছাপ থাকলেও সেটিকে ছাপিয়ে যায় দলের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা।

বিশ্বকাপ জিততে না পারায় এবার কোনো বিজয় উৎসবের আয়োজন করা হয়নি। এরপরও বিমানবন্দর থেকে ছাদখোলা বাসে করে শহরের পথে যাত্রা করেন স্কালোনির শিষ্যরা। রাস্তার দুই পাশে দাঁড়িয়ে সমর্থকেরা স্লোগান ও হাত নেড়ে ফুটবলারদের অভিনন্দন জানান। খেলোয়াড়েরাও হাত নেড়ে সেই ভালোবাসার জবাব দেন।

সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন। এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে দর্শকদের সমর্থন ছিল অসাধারণ। টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জয়ের লক্ষ্য পূরণ না হলেও দলের ঐক্য ও পারস্পরিক বন্ধন অটুট থাকবে বলেও উল্লেখ করা হয়।

দেশে না ফিরলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমর্থকদের উদ্দেশে আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন লিওনেল মেসি। তিনি লিখেছেন, ফাইনালের হার কাটিয়ে উঠতে সময় লাগবে। তবে এই বিশ্বকাপের অসংখ্য স্মৃতি তিনি আজীবন মনে রাখবেন। একই সঙ্গে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দলের পাশে থাকা সমর্থকদের ধন্যবাদ জানান এবং নতুন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেনকে অভিনন্দন জানান আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।

এদিকে বিশ্বকাপ শেষে আর্জেন্টিনা দলের ভবিষ্যৎ নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। ফাইনালের পর প্রধান কোচ লিওনেল স্কালোনি দায়িত্ব ছাড়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন। অন্যদিকে জাতীয় দলে নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত জানাননি মেসি। ফলে তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে।

আরও পড়ুন

শিরোপা জয়ের স্বপ্ন অপূর্ণ থাকলেও দেশে ফেরার দিনে আবারও প্রমাণ হয়েছে, আর্জেন্টিনার ফুটবলপ্রেমীদের কাছে এই দল এখনো গর্ব ও আবেগের প্রতীক। বিশ্বকাপ ট্রফি ফিরিয়ে আনতে না পারলেও সমর্থকদের অফুরন্ত ভালোবাসা নিয়েই দেশে ফিরেছে আলবিসেলেস্তেরা।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
শ্রীলঙ্কার ত্রিদেশীয় সিরিজের দলে বড় চমক, বাদ আসালাঙ্কা
পাকিস্তান ও ইংল্যান্ডকে নিয়ে হতে যাওয়া ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের জন্য ১৬ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট। কুশল মেন্ডিসকে অধিনায়ক করে ঘোষিত এই দলে জায়গা হয়নি সাবেক অধিনায়ক চারিথ আসালাঙ্কার। চোটের কারণে দল থেকে ছিটকে গেছেন অলরাউন্ডার ভানিন্দু হাসারাঙ্গাও। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সদ্য সমাপ্ত ওয়ানডে সিরিজে ব্যাট হাতে ব্যর্থ ছিলেন আসালাঙ্কা। তিন ম্যাচে তার সংগ্রহ যথাক্রমে ১, ১১ ও ৭ রান। বাজে পারফরম্যান্সের প্রভাব পড়েছে দল নির্বাচনে। অন্যদিকে, হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটের কারণে আসন্ন সিরিজে খেলতে পারবেন না হাসারাঙ্গা। এই দুই ক্রিকেটারের পরিবর্তে দলে ফিরেছেন আভিষ্কা ফার্নান্দো ও সাহান আরাচ্চিগে। তবে দলে জায়গা পেলেও ফিটনেস পরীক্ষার বাধা পেরোতে হবে পাথুম নিশাঙ্কাকে। চোটের কারণে ইংল্যান্ড সফরের পর তার ফিটনেস নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। পাকিস্তানের উদ্দেশে রওনা হওয়ার আগে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেই দলের সঙ্গে যোগ দিতে পারবেন এই ব্যাটার। আগামী ১৮ অক্টোবর রাওয়ালপিন্ডিতে স্বাগতিক পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজের অভিযান শুরু করবে শ্রীলঙ্কা। এরপর ২২ অক্টোবর ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে লঙ্কানরা। লাহোরে দ্বিতীয় পর্বের ম্যাচগুলো শেষে ২৯ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে শেষ লিগ ম্যাচ। আর টুর্নামেন্টের ফাইনাল মাঠে গড়াবে ৩১ অক্টোবর। শ্রীলঙ্কার ওয়ানডে দল: কুশল মেন্ডিস (অধিনায়ক), পাথুম নিশাঙ্কা, আভিষ্কা ফার্নান্দো, কামিল মিশারা, পাভান রত্নায়েকে, সাহান আরাচ্চিগে, কামিন্দু মেন্ডিস, জানিথ লিয়ানাগে, দাসুন শানাকা, দুনিথ ভেল্লালাগে, মাহিশ থিকশানা, সাচিন্দু কলম্বাগে, দুসমান্থা চামিরা, আসিথা ফার্নান্দো, দিলশান মাদুশাঙ্কা ও ইশান মালিঙ্গা। আরটিভি/এসকে
শ্রীলঙ্কার ত্রিদেশীয় সিরিজের দলে বড় চমক, বাদ আসালাঙ্কা
ক্রীড়াবিদ বাছাইয়ে সংখ্যার চেয়ে মানকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
ক্রীড়াবিদদের তালিকা নির্দিষ্ট সংখ্যায় পূরণ করার চেয়ে যোগ্য ও সম্ভাবনাময় ক্রীড়াবিদ বাছাইকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
ক্রীড়াবিদ বাছাইয়ে সংখ্যার চেয়ে মানকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
মেসির শেষ ম্যাচ কবে, কখন ও কোথায়?
আর্জেন্টিনার জার্সিতে লিওনেল মেসির শেষ ম্যাচ ঘিরে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ। বুয়েনস আইরেসের ঐতিহাসিক মনুমেন্টাল স্টেডিয়ামে বেনিনের বিপক্ষে মাঠে নামার কথা রয়েছে আর্জেন্টাইন মহাতারকার। বাংলাদেশ সময় ৭ অক্টোবর ভোর ৫টায় শুরু হবে ম্যাচটি।
মেসির শেষ ম্যাচ কবে, কখন ও কোথায়?
ব্রাজিল কেন ঘুরে ঘুরে বিদেশের মাটিতে প্রীতি ম্যাচ খেলে?
বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি সমর্থক ব্রাজিলের। পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দলটির খেলা দেখতে মুখিয়ে থাকেন ফুটবলপ্রেমীরা। সেই জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রীতি ম্যাচ খেলে থাকে ব্রাজিল। তবে এর পেছনে রয়েছে বড় অঙ্কের আর্থিক হিসাব, স্পন্সরশিপ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে নিজেদের ব্র্যান্ডের বিস্তারের কৌশল। শনিবার (৩ অক্টোবর) ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামে ব্রাজিল। ম্যাচটির মধ্য দিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন শহরে খেলার তালিকায় যুক্ত হয় কলকাতার নাম। দেশের বাইরে গিয়ে প্রীতি ম্যাচ খেলা ব্রাজিলের জন্য নতুন কিছু নয়; বরং সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এটি দলটির নিয়মিত রুটিনে পরিণত হয়েছে। গত এক দশকে দেশের বাইরে ৪৩টি ম্যাচ খেলেছে ব্রাজিল। বিপরীতে নিজেদের মাটিতে খেলেছে মাত্র চারটি ম্যাচ। ২০১৭ সাল থেকে ব্রাজিলের মোট প্রীতি ম্যাচের ৯১.৫ শতাংশই অনুষ্ঠিত হয়েছে দেশের বাইরে। বিশ্বকাপজয়ী দলগুলোর মধ্যে বিদেশের মাটিতে প্রীতি ম্যাচ খেলার ক্ষেত্রে সবার ওপরে রয়েছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। এ তালিকায় ব্রাজিলের পরেই রয়েছে দক্ষিণ আমেরিকার দুই দেশ উরুগুয়ে ও আর্জেন্টিনা। ২০১৭ সাল থেকে উরুগুয়ে তাদের ৮৫.৭ শতাংশ প্রীতি ম্যাচ খেলেছে দেশের বাইরে। আর আর্জেন্টিনার ক্ষেত্রে এই হার ৮০.৫ শতাংশ। ব্রাজিলভিত্তিক সংবাদমাধ্যম বোলাভিআইপি প্রকাশিত এক গবেষণায় উঠে এসেছে এসব তথ্য। ইউরোপের বিশ্বকাপজয়ী দলগুলোর চিত্র অবশ্য কিছুটা ভিন্ন। ২০১৭ সাল থেকে ইতালি তাদের ৬৫.২ শতাংশ প্রীতি ম্যাচ খেলেছে দেশের বাইরে। স্পেনের ক্ষেত্রে এই হার ৩৬ শতাংশ, জার্মানির ৩৪.২ শতাংশ এবং ইংল্যান্ডের ২৫ শতাংশ। তালিকার সর্বনিম্নে রয়েছে ফ্রান্স, যাদের মাত্র ১৭.২ শতাংশ প্রীতি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে দেশের বাইরে। কেন বিদেশের মাটিতে বেশি খেলে ব্রাজিল? এর প্রধান কারণ অর্থনীতি। ব্রাজিলের মতো জনপ্রিয় দলের খেলা দেখতে ইউরোপ, এশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ রয়েছে। এসব অঞ্চলে টিকিট বিক্রি, সম্প্রচারস্বত্ব, বাণিজ্যিক চুক্তি ও স্পন্সরশিপ থেকে বড় অঙ্কের অর্থ আয়ের সুযোগ থাকে। ফলে বিদেশের বিভিন্ন শহরে ব্রাজিলের ম্যাচ আয়োজন করতে আগ্রহী থাকে আয়োজক ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলো। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রাজিলের ফুটবল ব্র্যান্ডের জনপ্রিয়তা ধরে রাখা এবং নতুন দর্শকদের কাছে পৌঁছানোর ক্ষেত্রেও বিদেশ সফর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিশেষ করে এশিয়ার বাজারে ব্রাজিলের ম্যাচ আয়োজন স্থানীয় সমর্থকদের আকৃষ্ট করার পাশাপাশি বাণিজ্যিক অংশীদারদের জন্যও বাড়তি সুযোগ তৈরি করে। অন্যদিকে ইউরোপের জাতীয় দলগুলোর ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সূচি বড় একটি বিষয়। উয়েফা নেশনস লিগ, ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের বাছাইপর্ব এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতার ব্যস্ত সূচির কারণে ইউরোপের দলগুলো তুলনামূলকভাবে কম প্রীতি ম্যাচ খেলার সুযোগ পায়। ফলে ব্রাজিলের মতো ঘন ঘন বিদেশ সফরের প্রবণতা তাদের মধ্যে ততটা দেখা যায় না। বিদেশের মাটিতে প্রীতি ম্যাচ খেলার হার ২০১৭ সাল থেকে বিশ্বকাপজয়ী দলগুলোর দেশের বাইরে প্রীতি ম্যাচ খেলার শতকরা হার— ব্রাজিল-৯১.৫% উরুগুয়ে-৮৫.৭% আর্জেন্টিনা-৮০.৫% ইতালি-৬৫.২% স্পেন-৩৬% জার্মানি-৩৪.২% ইংল্যান্ড-২৫% ফ্রান্স-১৭.২% বিদেশ সফরের এই ধারাবাহিকতা আগামী দিনেও বজায় রাখার পরিকল্পনা রয়েছে ব্রাজিলের। নভেম্বরের আন্তর্জাতিক বিরতিতেও দেশের বাইরে খেলবে দলটি। সূচি অনুযায়ী, সিঙ্গাপুরে ১৪ নভেম্বর জাপানের মুখোমুখি হওয়ার কথা ব্রাজিলের। এর তিন দিন পর স্বাগতিক সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে মাঠে নামার কথা পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের। সব মিলিয়ে, ব্রাজিলের বিদেশ সফর কেবল মাঠের ফুটবলে সীমাবদ্ধ নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বাণিজ্যিক স্বার্থ, বৈশ্বিক জনপ্রিয়তা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করার কৌশল।   আরটিভি/এসকে
ব্রাজিল কেন ঘুরে ঘুরে বিদেশের মাটিতে প্রীতি ম্যাচ খেলে?
ক্রীড়াবিদদের জন্য ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
ক্রীড়া কার্ডপ্রাপ্ত খেলোয়াড়দের ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে প্রতি চার মাস পরপর ক্রীড়াবিদদের মূল্যায়ন করে তালিকা হালনাগাদ করা হবে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।
ক্রীড়াবিদদের জন্য ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
আরও পড়ুন
মেসির শেষ ম্যাচ কবে, কখন ও কোথায়?
মেসিকে ছাড়াই বুরকিনা ফাসোকে ৭-০ গোলে উড়িয়ে দিল আর্জেন্টিনা
মেসিকে ছাড়া নতুন যুগে দুর্দান্ত শুরু আর্জেন্টিনার
মেসির পর আর্জেন্টিনার ১০ নম্বর জার্সি উঠবে কার গায়ে, যা বললেন স্কালোনি