ঢাকা রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

দুইবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী ফুটবলারের মৃত্যু

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২১ জুলাই ২০২৬, ১১:৫৫ এএম
কেভিন কিগান। ছবি: সংগৃহীত

ফুটবল বিশ্বে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। ইংল্যান্ডের কিংবদন্তি ফুটবলার, সাবেক জাতীয় দলের কোচ এবং দুইবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী কেভিন কিগান ৭৫ বছর বয়সে ক্যানসারের সঙ্গে দীর্ঘ লড়াই শেষে মারা গেছেন। সোমবার (২০ জুলাই) পরিবারের পক্ষ থেকে দেওয়া এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়।

চলতি বছরের শুরুর দিকে কিগানের শরীরে ক্যানসার ধরা পড়ে। পরবর্তীতে রোগটি চতুর্থ ধাপে (স্টেজ-৪) পৌঁছায়। জীবনের শেষ সময় তিনি স্ত্রী ও দুই কন্যার সান্নিধ্যে ছিলেন। ফুটবল অঙ্গনে তিনি সবার কাছে ‘কিং কেভ’ নামেই পরিচিত ছিলেন।

খেলোয়াড়ি জীবনে ১৯৭২ থেকে ১৯৮২ সালের মধ্যে ইংল্যান্ড জাতীয় দলের হয়ে ৬৩টি ম্যাচ খেলেন কিগান। এ সময় তিনি ২১টি গোল করেন এবং ৩১টি ম্যাচে দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেন।

ক্লাব ফুটবলেও ছিল তার বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ার। লিভারপুলের জার্সিতে তিনটি ইংলিশ লিগ শিরোপা, একটি এফএ কাপ এবং একটি ইউরোপিয়ান কাপ জয়ের গৌরব অর্জন করেন। পরে জার্মান ক্লাব হামবুর্গে যোগ দিয়ে নিজেকে ইউরোপের অন্যতম সেরা ফুটবলার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন।

হামবুর্গের হয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে ১৯৭৮ ও ১৯৭৯ সালে টানা দুইবার ইউরোপের বর্ষসেরা ফুটবলারের সম্মাননা ব্যালন ডি’অর জেতেন কিগান।

আরও পড়ুন

খেলোয়াড়ি জীবন শেষে কোচিংয়েও সফলতা পান এই ইংলিশ কিংবদন্তি। নিউক্যাসল ইউনাইটেডকে রেলিগেশন থেকে বাঁচিয়ে শীর্ষ লিগে প্রতিষ্ঠিত করেন এবং ১৯৯০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে ক্লাবটিকে প্রিমিয়ার লিগের রানার্স-আপ বানান। ১৯৯৯ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত ইংল্যান্ড জাতীয় দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া ম্যানচেস্টার সিটি ও ফুলহ্যামের ম্যানেজার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

কেভিন কিগানের মৃত্যুতে বিশ্ব ফুটবল হারালো এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। খেলোয়াড় ও কোচ দুই ভূমিকাতেই তার অবদান ফুটবল ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ক্রীড়াবিদ বাছাইয়ে সংখ্যার চেয়ে মানকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
ক্রীড়াবিদদের তালিকা নির্দিষ্ট সংখ্যায় পূরণ করার চেয়ে যোগ্য ও সম্ভাবনাময় ক্রীড়াবিদ বাছাইকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
ক্রীড়াবিদ বাছাইয়ে সংখ্যার চেয়ে মানকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
মেসির শেষ ম্যাচ কবে, কখন ও কোথায়?
আর্জেন্টিনার জার্সিতে লিওনেল মেসির শেষ ম্যাচ ঘিরে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ। বুয়েনস আইরেসের ঐতিহাসিক মনুমেন্টাল স্টেডিয়ামে বেনিনের বিপক্ষে মাঠে নামার কথা রয়েছে আর্জেন্টাইন মহাতারকার। বাংলাদেশ সময় ৭ অক্টোবর ভোর ৫টায় শুরু হবে ম্যাচটি।
মেসির শেষ ম্যাচ কবে, কখন ও কোথায়?
ব্রাজিল কেন ঘুরে ঘুরে বিদেশের মাটিতে প্রীতি ম্যাচ খেলে?
বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি সমর্থক ব্রাজিলের। পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দলটির খেলা দেখতে মুখিয়ে থাকেন ফুটবলপ্রেমীরা। সেই জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রীতি ম্যাচ খেলে থাকে ব্রাজিল। তবে এর পেছনে রয়েছে বড় অঙ্কের আর্থিক হিসাব, স্পন্সরশিপ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে নিজেদের ব্র্যান্ডের বিস্তারের কৌশল। শনিবার (৩ অক্টোবর) ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামে ব্রাজিল। ম্যাচটির মধ্য দিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন শহরে খেলার তালিকায় যুক্ত হয় কলকাতার নাম। দেশের বাইরে গিয়ে প্রীতি ম্যাচ খেলা ব্রাজিলের জন্য নতুন কিছু নয়; বরং সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এটি দলটির নিয়মিত রুটিনে পরিণত হয়েছে। গত এক দশকে দেশের বাইরে ৪৩টি ম্যাচ খেলেছে ব্রাজিল। বিপরীতে নিজেদের মাটিতে খেলেছে মাত্র চারটি ম্যাচ। ২০১৭ সাল থেকে ব্রাজিলের মোট প্রীতি ম্যাচের ৯১.৫ শতাংশই অনুষ্ঠিত হয়েছে দেশের বাইরে। বিশ্বকাপজয়ী দলগুলোর মধ্যে বিদেশের মাটিতে প্রীতি ম্যাচ খেলার ক্ষেত্রে সবার ওপরে রয়েছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। এ তালিকায় ব্রাজিলের পরেই রয়েছে দক্ষিণ আমেরিকার দুই দেশ উরুগুয়ে ও আর্জেন্টিনা। ২০১৭ সাল থেকে উরুগুয়ে তাদের ৮৫.৭ শতাংশ প্রীতি ম্যাচ খেলেছে দেশের বাইরে। আর আর্জেন্টিনার ক্ষেত্রে এই হার ৮০.৫ শতাংশ। ব্রাজিলভিত্তিক সংবাদমাধ্যম বোলাভিআইপি প্রকাশিত এক গবেষণায় উঠে এসেছে এসব তথ্য। ইউরোপের বিশ্বকাপজয়ী দলগুলোর চিত্র অবশ্য কিছুটা ভিন্ন। ২০১৭ সাল থেকে ইতালি তাদের ৬৫.২ শতাংশ প্রীতি ম্যাচ খেলেছে দেশের বাইরে। স্পেনের ক্ষেত্রে এই হার ৩৬ শতাংশ, জার্মানির ৩৪.২ শতাংশ এবং ইংল্যান্ডের ২৫ শতাংশ। তালিকার সর্বনিম্নে রয়েছে ফ্রান্স, যাদের মাত্র ১৭.২ শতাংশ প্রীতি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে দেশের বাইরে। কেন বিদেশের মাটিতে বেশি খেলে ব্রাজিল? এর প্রধান কারণ অর্থনীতি। ব্রাজিলের মতো জনপ্রিয় দলের খেলা দেখতে ইউরোপ, এশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ রয়েছে। এসব অঞ্চলে টিকিট বিক্রি, সম্প্রচারস্বত্ব, বাণিজ্যিক চুক্তি ও স্পন্সরশিপ থেকে বড় অঙ্কের অর্থ আয়ের সুযোগ থাকে। ফলে বিদেশের বিভিন্ন শহরে ব্রাজিলের ম্যাচ আয়োজন করতে আগ্রহী থাকে আয়োজক ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলো। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রাজিলের ফুটবল ব্র্যান্ডের জনপ্রিয়তা ধরে রাখা এবং নতুন দর্শকদের কাছে পৌঁছানোর ক্ষেত্রেও বিদেশ সফর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিশেষ করে এশিয়ার বাজারে ব্রাজিলের ম্যাচ আয়োজন স্থানীয় সমর্থকদের আকৃষ্ট করার পাশাপাশি বাণিজ্যিক অংশীদারদের জন্যও বাড়তি সুযোগ তৈরি করে। অন্যদিকে ইউরোপের জাতীয় দলগুলোর ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সূচি বড় একটি বিষয়। উয়েফা নেশনস লিগ, ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের বাছাইপর্ব এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতার ব্যস্ত সূচির কারণে ইউরোপের দলগুলো তুলনামূলকভাবে কম প্রীতি ম্যাচ খেলার সুযোগ পায়। ফলে ব্রাজিলের মতো ঘন ঘন বিদেশ সফরের প্রবণতা তাদের মধ্যে ততটা দেখা যায় না। বিদেশের মাটিতে প্রীতি ম্যাচ খেলার হার ২০১৭ সাল থেকে বিশ্বকাপজয়ী দলগুলোর দেশের বাইরে প্রীতি ম্যাচ খেলার শতকরা হার— ব্রাজিল-৯১.৫% উরুগুয়ে-৮৫.৭% আর্জেন্টিনা-৮০.৫% ইতালি-৬৫.২% স্পেন-৩৬% জার্মানি-৩৪.২% ইংল্যান্ড-২৫% ফ্রান্স-১৭.২% বিদেশ সফরের এই ধারাবাহিকতা আগামী দিনেও বজায় রাখার পরিকল্পনা রয়েছে ব্রাজিলের। নভেম্বরের আন্তর্জাতিক বিরতিতেও দেশের বাইরে খেলবে দলটি। সূচি অনুযায়ী, সিঙ্গাপুরে ১৪ নভেম্বর জাপানের মুখোমুখি হওয়ার কথা ব্রাজিলের। এর তিন দিন পর স্বাগতিক সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে মাঠে নামার কথা পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের। সব মিলিয়ে, ব্রাজিলের বিদেশ সফর কেবল মাঠের ফুটবলে সীমাবদ্ধ নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বাণিজ্যিক স্বার্থ, বৈশ্বিক জনপ্রিয়তা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করার কৌশল।   আরটিভি/এসকে
ব্রাজিল কেন ঘুরে ঘুরে বিদেশের মাটিতে প্রীতি ম্যাচ খেলে?
ক্রীড়াবিদদের জন্য ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
ক্রীড়া কার্ডপ্রাপ্ত খেলোয়াড়দের ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে প্রতি চার মাস পরপর ক্রীড়াবিদদের মূল্যায়ন করে তালিকা হালনাগাদ করা হবে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।
ক্রীড়াবিদদের জন্য ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
৩১ ক্রীড়াবিদের ভাতা বাদ, নতুন যুক্ত হচ্ছেন ৯৫ জন
আমিনুল হক বলেন, ক্রীড়া ভাতার জন্য ৫০০ জনের কোটা নির্ধারণ করা হলেও এখনই তা পূরণ করা হবে না। চার মাস পর পর পর্যালোচনার মাধ্যমে যোগ্য ক্রীড়াবিদদের তালিকায় যুক্ত করা হবে এবং প্রয়োজন হলে বর্তমান তালিকা থেকে কাউকে বাদ দেওয়া হবে।
৩১ ক্রীড়াবিদের ভাতা বাদ, নতুন যুক্ত হচ্ছেন ৯৫ জন
আরও পড়ুন
মোটরসাইকেলের হেলমেট মাথায় তুলে ক্রিকেট বদলে দেন যে কিংবদন্তি
ব্যান্টনের সেঞ্চুরিতে শ্রীলঙ্কাকে উড়িয়ে সিরিজ জিতল ইংল্যান্ড
৫ গোলের রোমাঞ্চে ইংল্যান্ডকে হারাল স্পেন
ইংল্যান্ড-স্পেনের খেলাসহ টিভিতে আজকের খেলা