ঢাকা রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

ফাইনালে এনজোর লাল কার্ড নিয়ে ভিএআরের ব্যাখ্যা

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২১ জুলাই ২০২৬, ১২:০৪ পিএম
এনজো ফার্নান্দেজের লাল কার্ড। ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপের মঞ্চে আবারও আলোচনার কেন্দ্রে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর)। সদ্য সমাপ্ত ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনালে দুটি সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হলেও পরবর্তী বিশ্লেষণে সেগুলোকে সঠিক বলেই দাবি করা হয়েছে।

ইএসপিএনের বিশদ বিশ্লেষণ অনুযায়ী, আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজের লাল কার্ড এবং স্পেনের নিকো উইলিয়ামসের বাতিল হওয়া গোল দুই ক্ষেত্রেই রেফারি ও ভিএআর সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

ম্যাচের ৯৩তম মিনিটে এনজো ফার্নান্দেজ দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন। এর কিছুক্ষণ আগে রেফারির সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের কারণে প্রথম হলুদ কার্ড দেখেছিলেন তিনি। পরে স্পেনের ডিফেন্ডার পাও কুবার্সির ওপর দেরিতে ও বেপরোয়া ট্যাকল করলে রেফারি তাকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখিয়ে বহিষ্কার করেন।

বর্তমান ভিএআর প্রোটোকল অনুযায়ী দ্বিতীয় হলুদ কার্ডের ঘটনাও পর্যালোচনার সুযোগ রয়েছে। তবে রিপ্লে দেখে ভিএআর মাঠের সিদ্ধান্তই বহাল রাখে। বিশ্লেষকদের মতে, এনজো বল স্পর্শ করতে ব্যর্থ হন এবং প্রতিপক্ষকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে বেপরোয়া ট্যাকল করেন। তাই বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্কের সুযোগ নেই।

নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনাল পরিচালনা করেন স্লোভেনিয়ার রেফারি স্লাভকো ভিনচিচ। আর্জেন্টিনার জন্য তিনি যেন আবারও অশুভ স্মৃতি হয়ে থাকলেন। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে সৌদি আরবের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার ২-১ গোলের পরাজয়ের ম্যাচেও দায়িত্বে ছিলেন এই রেফারি।

এনজোর বহিষ্কারের মাধ্যমে বিশ্বকাপ ফাইনালের ইতিহাসে লাল কার্ড দেখা খেলোয়াড়ের সংখ্যা দাঁড়াল ছয়ে। পাশাপাশি ২০১০ সালের পর এই প্রথম কোনো ফুটবলার বিশ্বকাপের ফাইনালে লাল কার্ড দেখলেন।

অন্যদিকে অতিরিক্ত সময়ের ষষ্ঠ মিনিটে নিকো উইলিয়ামস বল জালে জড়ালেও গোলটি বাতিল করেন রেফারি। কারণ, গোলের আগে স্পেনের মিকেল মেরিনো আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডার নিকোলাস ওতামেন্দির পায়ে ফাউল করেছিলেন।

ঘটনাটি ভিএআর পর্যালোচনা করলেও মাঠের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা হয়নি। রিপ্লেতে দেখা যায়, মেরিনোর পা সত্যিই ওতামেন্দির পায়ে লেগেছিল। ফলে ভিএআর প্রোটোকল অনুযায়ী মাঠের সিদ্ধান্তকে ‘স্পষ্ট ভুল’ প্রমাণ করা সম্ভব হয়নি। তাই গোল বাতিলের সিদ্ধান্তও বহাল থাকে।

যদিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেক সমর্থক দাবি করেছেন, ওতামেন্দি ঘটনাটিকে বাড়িয়ে দেখিয়েছেন। তবে ভিএআরের নিয়ম অনুযায়ী স্পষ্ট ও সুস্পষ্ট ভুলের প্রমাণ না থাকলে রেফারির সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের সুযোগ নেই।

আরও পড়ুন

সব মিলিয়ে ইএসপিএনের মূল্যায়ন বলছে, এনজো ফার্নান্দেজের লাল কার্ড এবং নিকো উইলিয়ামসের বাতিল হওয়া গোল দুই ক্ষেত্রেই ভিএআর সঠিক সিদ্ধান্তই দিয়েছে।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ব্রাজিল কেন ঘুরে ঘুরে বিদেশের মাটিতে প্রীতি ম্যাচ খেলে?
বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি সমর্থক ব্রাজিলের। পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দলটির খেলা দেখতে মুখিয়ে থাকেন ফুটবলপ্রেমীরা। সেই জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রীতি ম্যাচ খেলে থাকে ব্রাজিল। তবে এর পেছনে রয়েছে বড় অঙ্কের আর্থিক হিসাব, স্পন্সরশিপ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে নিজেদের ব্র্যান্ডের বিস্তারের কৌশল। শনিবার (৩ অক্টোবর) ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামে ব্রাজিল। ম্যাচটির মধ্য দিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন শহরে খেলার তালিকায় যুক্ত হয় কলকাতার নাম। দেশের বাইরে গিয়ে প্রীতি ম্যাচ খেলা ব্রাজিলের জন্য নতুন কিছু নয়; বরং সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এটি দলটির নিয়মিত রুটিনে পরিণত হয়েছে। গত এক দশকে দেশের বাইরে ৪৩টি ম্যাচ খেলেছে ব্রাজিল। বিপরীতে নিজেদের মাটিতে খেলেছে মাত্র চারটি ম্যাচ। ২০১৭ সাল থেকে ব্রাজিলের মোট প্রীতি ম্যাচের ৯১.৫ শতাংশই অনুষ্ঠিত হয়েছে দেশের বাইরে। বিশ্বকাপজয়ী দলগুলোর মধ্যে বিদেশের মাটিতে প্রীতি ম্যাচ খেলার ক্ষেত্রে সবার ওপরে রয়েছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। এ তালিকায় ব্রাজিলের পরেই রয়েছে দক্ষিণ আমেরিকার দুই দেশ উরুগুয়ে ও আর্জেন্টিনা। ২০১৭ সাল থেকে উরুগুয়ে তাদের ৮৫.৭ শতাংশ প্রীতি ম্যাচ খেলেছে দেশের বাইরে। আর আর্জেন্টিনার ক্ষেত্রে এই হার ৮০.৫ শতাংশ। ব্রাজিলভিত্তিক সংবাদমাধ্যম বোলাভিআইপি প্রকাশিত এক গবেষণায় উঠে এসেছে এসব তথ্য। ইউরোপের বিশ্বকাপজয়ী দলগুলোর চিত্র অবশ্য কিছুটা ভিন্ন। ২০১৭ সাল থেকে ইতালি তাদের ৬৫.২ শতাংশ প্রীতি ম্যাচ খেলেছে দেশের বাইরে। স্পেনের ক্ষেত্রে এই হার ৩৬ শতাংশ, জার্মানির ৩৪.২ শতাংশ এবং ইংল্যান্ডের ২৫ শতাংশ। তালিকার সর্বনিম্নে রয়েছে ফ্রান্স, যাদের মাত্র ১৭.২ শতাংশ প্রীতি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে দেশের বাইরে। কেন বিদেশের মাটিতে বেশি খেলে ব্রাজিল? এর প্রধান কারণ অর্থনীতি। ব্রাজিলের মতো জনপ্রিয় দলের খেলা দেখতে ইউরোপ, এশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ রয়েছে। এসব অঞ্চলে টিকিট বিক্রি, সম্প্রচারস্বত্ব, বাণিজ্যিক চুক্তি ও স্পন্সরশিপ থেকে বড় অঙ্কের অর্থ আয়ের সুযোগ থাকে। ফলে বিদেশের বিভিন্ন শহরে ব্রাজিলের ম্যাচ আয়োজন করতে আগ্রহী থাকে আয়োজক ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলো। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রাজিলের ফুটবল ব্র্যান্ডের জনপ্রিয়তা ধরে রাখা এবং নতুন দর্শকদের কাছে পৌঁছানোর ক্ষেত্রেও বিদেশ সফর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিশেষ করে এশিয়ার বাজারে ব্রাজিলের ম্যাচ আয়োজন স্থানীয় সমর্থকদের আকৃষ্ট করার পাশাপাশি বাণিজ্যিক অংশীদারদের জন্যও বাড়তি সুযোগ তৈরি করে। অন্যদিকে ইউরোপের জাতীয় দলগুলোর ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সূচি বড় একটি বিষয়। উয়েফা নেশনস লিগ, ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের বাছাইপর্ব এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতার ব্যস্ত সূচির কারণে ইউরোপের দলগুলো তুলনামূলকভাবে কম প্রীতি ম্যাচ খেলার সুযোগ পায়। ফলে ব্রাজিলের মতো ঘন ঘন বিদেশ সফরের প্রবণতা তাদের মধ্যে ততটা দেখা যায় না। বিদেশের মাটিতে প্রীতি ম্যাচ খেলার হার ২০১৭ সাল থেকে বিশ্বকাপজয়ী দলগুলোর দেশের বাইরে প্রীতি ম্যাচ খেলার শতকরা হার— ব্রাজিল-৯১.৫% উরুগুয়ে-৮৫.৭% আর্জেন্টিনা-৮০.৫% ইতালি-৬৫.২% স্পেন-৩৬% জার্মানি-৩৪.২% ইংল্যান্ড-২৫% ফ্রান্স-১৭.২% বিদেশ সফরের এই ধারাবাহিকতা আগামী দিনেও বজায় রাখার পরিকল্পনা রয়েছে ব্রাজিলের। নভেম্বরের আন্তর্জাতিক বিরতিতেও দেশের বাইরে খেলবে দলটি। সূচি অনুযায়ী, সিঙ্গাপুরে ১৪ নভেম্বর জাপানের মুখোমুখি হওয়ার কথা ব্রাজিলের। এর তিন দিন পর স্বাগতিক সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে মাঠে নামার কথা পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের। সব মিলিয়ে, ব্রাজিলের বিদেশ সফর কেবল মাঠের ফুটবলে সীমাবদ্ধ নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বাণিজ্যিক স্বার্থ, বৈশ্বিক জনপ্রিয়তা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করার কৌশল।   আরটিভি/এসকে
ব্রাজিল কেন ঘুরে ঘুরে বিদেশের মাটিতে প্রীতি ম্যাচ খেলে?
ক্রীড়াবিদদের জন্য ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
ক্রীড়া কার্ডপ্রাপ্ত খেলোয়াড়দের ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে প্রতি চার মাস পরপর ক্রীড়াবিদদের মূল্যায়ন করে তালিকা হালনাগাদ করা হবে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।
ক্রীড়াবিদদের জন্য ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
৩১ ক্রীড়াবিদের ভাতা বাদ, নতুন যুক্ত হচ্ছেন ৯৫ জন
আমিনুল হক বলেন, ক্রীড়া ভাতার জন্য ৫০০ জনের কোটা নির্ধারণ করা হলেও এখনই তা পূরণ করা হবে না। চার মাস পর পর পর্যালোচনার মাধ্যমে যোগ্য ক্রীড়াবিদদের তালিকায় যুক্ত করা হবে এবং প্রয়োজন হলে বর্তমান তালিকা থেকে কাউকে বাদ দেওয়া হবে।
৩১ ক্রীড়াবিদের ভাতা বাদ, নতুন যুক্ত হচ্ছেন ৯৫ জন
শচীনের ২২ বছরের রেকর্ড ভাঙলেন রোহিত শর্মা
ভারতীয় ক্রিকেটের কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকারের ২২ বছর ধরে অক্ষত থাকা রেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস গড়লেন রোহিত শর্মা। ওয়ানডে ক্রিকেটে ওপেনার হিসেবে দ্রুততম ১০ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন ভারতের এই তারকা ব্যাটার।
শচীনের ২২ বছরের রেকর্ড ভাঙলেন রোহিত শর্মা
দ্বিতীয় কন্যাসন্তানের বাবা হলেন সাইফউদ্দিন
দ্বিতীয়বারের মতো কন্যাসন্তানের বাবা হয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের অলরাউন্ডার মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। গতকাল রাত সাড়ে ৯টায় তার ঘর আলো করে এসেছে দ্বিতীয় কন্যাসন্তান। রোববার (৪ অক্টোবর) নিজের ফেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এই সুখবর শেয়ার করেছেন টাইগার অলরাউন্ডার। পোস্টের ক্যাপশনে সাইফউদ্দিন লিখেছেন, আলহামদুলিল্লাহ দ্বিতীয় কন্যা সন্তানের বাবা হলাম। মহান আল্লাহর দরবারে লাখ লাখ শুকরিয়া। নিশ্চয়ই উনি আমার ওপর খুশি আছেন, এজন্য আবারও কন্যাসন্তান দিয়েছেন। এর আগে ২০২৪ সালের ১৮ জুন প্রথম কন্যাসন্তানের বাবা হন সাইফউদ্দিন। ২০২৩ সালের মার্চে ফেনী শহরের গ্র্যান্ড সুলতান কনভেনশন হলে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন তিনি। পরিবারের পছন্দেই বিয়ের পিঁড়িতে বসেন এই ক্রিকেটার। তার স্ত্রী কাজী ফাতেমা তুজ জারা বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছেন। এদিকে চোটের কারণে আপাতত মাঠের বাইরে রয়েছেন সাইফউদ্দিন। অনুশীলনের সময় হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পাওয়ায় এশিয়ান গেমসেও খেলতে পারেননি তিনি। আরটিভি/এসআর
দ্বিতীয় কন্যাসন্তানের বাবা হলেন সাইফউদ্দিন
আরও পড়ুন
রেকর্ড দামে ম্যানচেস্টার সিটিতে যোগ দিলেন এনজো ফার্নান্দেজ
ভিএআরের ভুলে আর্জেন্টিনার সুবিধা পাওয়ার ব্যাখ্যায় ফিফা একমত নয়
লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লেন এনজো
বিশ্বকাপে নতুন বিতর্ক ‘মিসটেকেন আইডেন্টিটি’