ঢাকা শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩

বিশ্বকাপজয়ী রুল্লিকে দলে ভেড়াতে আগ্রহী ম্যানচেস্টার সিটি

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ৩০ জুলাই ২০২৬, ১০:২২ এএম
ছবি: সংগৃহীত

নতুন মৌসুমকে সামনে রেখে গোলরক্ষক বিভাগে শক্তি বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে ম্যানচেস্টার সিটি। সেই লক্ষ্যেই আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য জেরোনিমো রুল্লিকে দলে টানতে আগ্রহ দেখাচ্ছে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবটি। ইতালিয়ান ফুটবল সাংবাদিক ফ্যাব্রিজিও রোমানোর তথ্য অনুযায়ী, সিটির সম্ভাব্য গোলরক্ষক তালিকায় বর্তমানে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছেন অলিম্পিক মার্সেইয়ের এই অভিজ্ঞ তারকা।

জেমস ট্র্যাফোর্ডের লিডস ইউনাইটেডে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় তার বিকল্প খুঁজছে ম্যানচেস্টার সিটি। ক্লাবটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, রুল্লিকে প্রথম একাদশের গোলরক্ষক হিসেবে নয়, বরং দলে অভিজ্ঞ ব্যাকআপ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে চায় তারা।

নতুন প্রধান কোচ এনজো মারেস্কা গোলরক্ষক বিভাগে আরও গভীরতা আনতে চান। তার পরিকল্পনায় জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মা থাকবেন প্রথম পছন্দের গোলরক্ষক। আর তার বিকল্প হিসেবে বড় ম্যাচের অভিজ্ঞ ও নির্ভরযোগ্য একজন গোলরক্ষক রাখতে চান তিনি। সেই বিবেচনায় রুল্লির অভিজ্ঞতাই তাকে সিটির আগ্রহের কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে।

৩৪ বছর বয়সী রুল্লি ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য ছিলেন। এছাড়া ২০২৬ বিশ্বকাপে রানার্সআপ হওয়া আর্জেন্টিনা দলের স্কোয়াডেও জায়গা পান তিনি। যদিও দুই টুর্নামেন্টেই এমিলিয়ানো ‘দিবু’ মার্টিনেজের ছায়ায় থাকতে হয়েছে, তবুও জাতীয় দলের দীর্ঘদিনের সদস্য হিসেবে আন্তর্জাতিক ফুটবলে তার অভিজ্ঞতা বেশ সমৃদ্ধ।

এর আগে আর্জেন্টাইন ক্লাব বোকা জুনিয়র্সের গোলরক্ষক আগুস্তিন মার্চেসিন ইনজুরিতে পড়ার পর রুল্লির নাম সম্ভাব্য বিকল্প হিসেবে আলোচনায় এসেছিল। তবে শেষ পর্যন্ত তিনি মার্সেইয়েই থেকে যান। এবার ম্যানচেস্টার সিটির আগ্রহ তার ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে জল্পনা তৈরি করেছে।

আরও পড়ুন

সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে নতুন মৌসুমে ফরাসি লিগ ছেড়ে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে দেখা যেতে পারে জেরোনিমো রুল্লিকে। এখন দেখার বিষয়, এনজো মারেস্কার অধীনে নতুন যুগে ম্যানচেস্টার সিটির স্কোয়াডে শেষ পর্যন্ত জায়গা করে নিতে পারেন কি না এই আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ওয়াহকে পেছনে ফেলে তিনে স্মিথ
ডারবানে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে প্রথম টেস্ট খেলতে নেমে শুরুতে বড় ধাক্কা খায় অস্ট্রেলিয়া। দুই ওপেনার নিক ম্যাডিনসন ও ট্র্যাভিস হেড দ্রুত বিদায় নেন। এরপর চারে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ৮ রান যোগ করতেই কিংবদন্তি স্টিভ ওয়াহকে টপকে যান স্টিভেন স্মিথ। জাতীয় দলের হয়ে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকায় স্মিথ এখন তৃতীয়। এদিন ব্যাটে নামার আগে ১০৯২০ রান ছিল তার নামের পাশে। আর আটটি রান যোগ হতেই ওয়াহকে (১০৯২৭) টপকে যান তিনি।  তার উপরে কেবল রিকি পন্টিং ও অ্যালান বোর্ডার। ১৩৩৭৮ রান নিয়ে শীর্ষে পন্টিং, বোর্ডার ১১১৭৪ রান নিয়ে দুই নম্বরে। সর্বকালের সেরা টেস্ট রান সংগ্রাহকের তালিকায় স্মিথ ১৩তম স্থানে। ওয়াহকে ফেলে এগিয়ে যাওয়ার দিনে তিনি বড় কোনো ইনিংস খেলতে পারেননি। ৫৩ বলে ২৫ রান করে থামেন তিনি। মার্কো ইয়ানসেনের বলে মুল্ডারের ক্যাচ হন স্মিথ। আরটিভি/এসআর
ওয়াহকে পেছনে ফেলে তিনে স্মিথ
লিটন ও মিরাজের ব্যাটে ছুটছে বাংলাদেশ
আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের একমাত্র টেস্টের শুরুটা দুর্দান্ত করেছে বাংলাদেশ দল। প্রথমদিনে তৃতীয় সেশনে লিটন কুমার দাস ও মেহেদী হাসান মিরাজের ব্যাটে এগোচ্ছে টাইগাররা। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৬৮ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২৮২ রান। লিটন ৩৭ ও মিরাজ ২২ রানে ব্যাট করছেন। এর আগে শুক্রবার (৯ অক্টোবর) আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। এটি নিজেদের টেস্ট ইতিহাসে নিরপেক্ষ ভেন্যুতে বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ।  যেখানে স্পিনার নাঈম হাসানের পাশাপাশি অভিজ্ঞ তাইজুল ইসলাম ও মেহেদি হাসান মিরাজ এবং দুই পেসার হাসান মাহমুদ ও এবাদত হোসেনকে নিয়ে শান্ত’র দল একাদশ সাজিয়েছে।  শুরু থেকেই তানজিদের আত্মবিশ্বাসী ব্যাটিংয়ের সামনে তটস্থ ছিল আফগানিস্তানের বোলিং লাইনআপ। শুরুতে সাদমানের কিছু অনিয়ন্ত্রিত শট ছাড়া তাদের স্বস্তির বলতে কিছু ছিল না। তানজিদ আউট হলেও বাংলাদেশের জন্য স্বস্তির সেশন উপহার দিয়েছেন। দ্বিতীয় সেশনেও দুর্দান্ত ব্যাট করতে থাকেন বাংলাদেশের ব্যাটাররা। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে সাদমান ও মুমিনুল মিলে তোলেন ৬০ রান। ব্যক্তিগত ফিফটি পূরণের পর ৬৭ আউট হন সাদমান। ব্যাট হাতে ইতিবাচক ক্রিকেট খেলছিলেন মুমিনুল হক ও দলনেতা নামজুল হোসেন শান্ত। কিন্তু দুজনের কেউই ফিফটি পূরণ করতে পারেননি। ইয়ামিন আহমেদজাইয়ের বলে আউট হওয়ার আগে ৩৯ রান করেন মুমিনুল। আর কায়েস আহমেদের করা বলে রহমানুল্লাহর হাতে ক্যাচ তুলে দেন শান্ত। আউট হওয়ার আগে ২৯ রান করেন তিনি। এরপর দ্রুত সাজঘরে ফেরেন মুশফিকুর রহিমও। ৭ বল খেলেও রানের খাতা খুলতে পারেননি এই অভিজ্ঞ ব্যাটার। তবে মিরাজকে সঙ্গে নিয়ে দলের হাল ধরেন লিটন। দুজনের ব্যাটে ভর করে ৩০০ রানের পথে ছুটছে বাংলাদেশ। আরটিভি/এসআর ‎  
লিটন ও মিরাজের ব্যাটে ছুটছে বাংলাদেশ
এআই দিয়ে সৌরভের বায়োপিকের পোস্টার তৈরি, যা বললেন রাজকুমার
ভারতের সাবেক ক্রিকেট অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলীর বায়োপিক ‘দাদা দ্য সৌরভ গাঙ্গুলি স্টোরি’-র প্রথম পোস্টার প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই নেটদুনিয়ায় শুরু হয়েছিল সমালোচনা। পোস্টারটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি এবং যত্নসহকারে করা হয়নি বলে অভিযোগ তোলেন নেটিজেনদের একাংশ।  এবার সেই বিতর্ক ও সমালোচনা নিয়ে মুখ খুলেছেন ছবির মূল চরিত্রে অভিনয় করা বলিউড অভিনেতা রাজকুমার রাও। তার মতে, এই ঘটনা থেকে বড় শিক্ষা নিয়েছেন ছবির নির্মাতারা। চলতি বছরের ৮ জুলাই সৌরভের জন্মদিনে প্রকাশ্যে আসে ছবিটির প্রথম পোস্টার।  সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেই বিতর্ক প্রসঙ্গে রাজকুমার রাও বলেন, যারা পোস্টারটি তৈরি করেছিলেন, তারা বিষয়টা বুঝতে পেরেছেন এবং শিক্ষা নিয়েছেন। তারা বুঝেছেন যে কোনো কাজ নিয়ে তাড়াহুড়ো না করে সময় নিয়ে করা প্রয়োজন। এত তাড়াহুড়োর কিছু নেই। আমার মনে হয়, পুরো দলই এই ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়েছে। এর পাশাপাশি তারা এটাও বুঝতে পেরেছেন দাদার অনুরাগীর সংখ্যা অবিশ্বাস্য রকমের বেশি। প্রকাশ্যে আসা পোস্টারটিতে সৌরভের ক্রিকেট ক্যারিয়ারের অন্যতম স্মরণীয় মুহূর্ত পুনর্নির্মাণ করেছিলেন রাজকুমার। ২০০২ সালে লর্ডসে ইংল্যান্ডকে হারানোর পর উড়ন্ত জার্সি হাতে ভারতীয় দলের তৎকালীন অধিনায়কের সেই ঐতিহাসিক উদযাপনের দৃশ্যটিই স্থান পেয়েছিল পোস্টারে।  বিক্রমাদিত্য মোটওয়ানে পরিচালিত এই বায়োপিকে সৌরভের শুরুর দিন থেকে শুরু করে ভারতীয় দলের প্রভাবশালী ক্রিকেটার ও সফল অধিনায়ক হয়ে ওঠার গল্প ফুটিয়ে তোলা হবে। ছবিতে সৌরভের স্ত্রী ডোনা গাঙ্গুলীর চরিত্রে অভিনয় করছেন তান্যা মানিকতলা। ছবিটি আগামী বছরের ১৪ মে বায়োপিকোটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। আরটিভি/এসআর ‎  
এআই দিয়ে সৌরভের বায়োপিকের পোস্টার তৈরি, যা বললেন রাজকুমার
ম্যারাডোনার মৃত্যুর ঘটনায় ১২ বছরের কারাদণ্ড পেতে যাচ্ছেন চিকিৎসকরা!
ফুটবল কিংবদন্তি ডিয়েগো ম্যারাডোনার মৃত্যুর ঘটনায় চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগে অভিযুক্ত চিকিৎসাকর্মীদের সর্বোচ্চ ১২ বছরের কারাদণ্ড চেয়েছেন আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা।  বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) আদালতে সমাপনী বক্তব্যে কৌঁসুলিরা অভিযোগ করেন, মৃত্যুর আগে ম্যারাডোনার চিকিৎসায় যুক্ত দলটির বিশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনা তাকে কার্যত অসহায় ফেলে রেখেছিল। ১৯৮৬ বিশ্বকাপজয়ী আর্জেন্টিনা দলের এই তারকা মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের জেরে অস্ত্রোপচারের দুই সপ্তাহ পর বুয়েনস এইরেসের উপকণ্ঠে তিগ্রে এলাকায় ভাড়া বাড়িতে মারা যান।  হৃদ্‌যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং তীব্র পালমোনারি এডিমায় (ফুসফুসে তরল জমার একটি অবস্থায়) তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তার বয়স ছিল ৬০ বছর। ম্যারাডোনার চিকিৎসায় যুক্ত ছিলেন তার প্রধান চিকিৎসক, মনোরোগ বিশেষজ্ঞ, মনোবিজ্ঞানী ও নার্সরা। মৃত্যুর আগে তাকে যথাযথ চিকিৎসা ও পরিচর্যা দিতে গুরুতর ব্যর্থতার অভিযোগ উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে। তবে অভিযুক্তরা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। সমাপনী বক্তব্যে কৌঁসুলি পাত্রিসিও ফেরাই বলেন, অভিযুক্তদের বিশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনা অসুস্থ ম্যারাডোনাকে অসহায় পরিস্থিতিতে ফেলে দিয়েছিল, তাকে তার ভাগ্যের হাতে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল’। তিনি আরও অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা তাদের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন, চিকিৎসাবিজ্ঞানের নীতির পরিপন্থী কাজ করেছেন এবং যেসব পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন ছিল, সেগুলোও নেননি। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ‘দোলো ইভেনচুয়াল’ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। আইনি পরিভাষাটির অর্থ, কোনো ব্যক্তি তার কর্মকাণ্ডে ক্ষতি হতে পারে জেনেও সেটি চালিয়ে যান। রাষ্ট্রপক্ষ ম্যারাডোনার ব্যক্তিগত চিকিৎসক লিওপোলদো লুকের জন্য সর্বোচ্চ ১২ বছরের কারাদণ্ড চেয়েছে। অন্য চিকিৎসাকর্মীদের জন্য চার থেকে ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের আবেদন করা হয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ, একজন নার্স এবং কয়েকজন সমন্বয়কারী। অন্যদিকে, অভিযুক্ত স্বাস্থ্যকর্মীদের দাবি, ম্যারাডোনার মৃত্যু আগে থেকে অনুমান করা সম্ভব ছিল না এবং তারা নিজেদের দায়িত্ব পালন করেছেন। প্রত্যেকেই আবার ম্যারাডোনার চিকিৎসায় ব্যক্তিগত দায় এড়িয়ে গেছেন। আরটিভি/এসআর ‎  
ম্যারাডোনার মৃত্যুর ঘটনায় ১২ বছরের কারাদণ্ড পেতে যাচ্ছেন চিকিৎসকরা!
ফুলহামের বর্ষসেরা একাডেমি খেলোয়াড় বাংলাদেশের ফারহান
গত মাসে ফিফা আসিয়ান কাপে বাংলাদেশ জাতীয় দলে অভিষেক করেছেন ফারহান আলী ওয়াহিদ। ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে তিনি নিজের প্রথম গোলও করেছিলেন। এবার ফুলহামের বর্ষসেরা একাডেমি খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত এই ইংলিশ ফুটবলার। বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) রাতে ২০২৬ সালের বর্ষসেরা খেলোয়াড় হিসেবে নাম ঘোষণা করা হয় ফারহানের। ২০১৯ সাল থেকে ফুলহামের সর্বকালের সেরা খেলোয়াড় জনি হেইনেসের নামে বর্ষসেরা একাডেমি খেলোয়াড়দের পুরষ্কৃত করছে ক্লাবটি। ফুলহামের খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফদের সম্মিলিত ভোটাভুটির মাধ্যমে একাডেমি থেকে উঠে আসা ফুটবলারকে ‘জনি হেইনেস ট্রফি’ দেওয়া হয়।  ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব ফুলহাম জানিয়েছে, ক্লাব আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছে, ফারহান আলী ওয়াহিদ ২০২৬ জনি হেইনেস ট্রফি বিজয়ী।’  নিজের অনুভূতি জানিয়ে বাংলাদেশের এই ফুটবলার বলেন, এ পুরস্কারের জন্য সতীর্থদের ভোট পাওয়াটা দারুণ ব্যাপার, অত্যন্ত তৃপ্তিদায়ক অনুভূতি। সতীর্থদের ছাড়া আমি এটি অর্জন করতে পারতাম না। তারাই মানদণ্ড ঠিক করে দেয়, অনুপ্রেরণা জোগায় ও প্রতিযোগিতাপূর্ণ পরিবেশ তৈরি করে, যা আমাকে ভালো খেলোয়াড় হয়ে উঠতে সাহায্য করেছে। অতীতে যারা এই ট্রফি জিতেছে, তাদের নামের তালিকায় তাকালে বোঝা যায় এটি কত বিশেষ এক অর্জন। বাংলাদেশের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার শুরু নিয়েও উচ্ছ্বসিত ফারহান। তার ভাষ্য, দেশের প্রতিনিধিত্ব করা আমার জন্য সত্যিই দারুণ এক ব্যাপার ছিল। এটি আমার ও আমার পরিবারের জন্য অত্যন্ত গর্বের একটি মুহূর্ত এবং দলের হয়ে একটি গোল করতে পেরে আমি আনন্দিত।  তিনি আরও বলেন, প্রায় ৫০ হাজার দর্শকের সামনে ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে গোল করেছি, আর স্টেডিয়ামের পরিবেশ এই অভিজ্ঞতাকে সম্পূর্ণ অন্য রকম এক উচ্চতায় নিয়ে যায়। উল্লেখ্য, ফারহারের শিকড়টা বাংলাদেশের সিলেটে প্রোথিত। যদিও তার বাবা-মা দুজনেরই জন্ম যুক্তরাজ্যে। ফারহানেরও সেখানেই জন্ম, ২০০৬ সালের ৯ ডিসেম্বর। চেলসির একাডেমিতে ফুটবলের প্রাথমিক পাঠ সেরে তিনি ২০১৯ সালে ফুলহামে পাড়ি জমান।  ইংল্যান্ডের হয়ে খেলার সুযোগ ছিল ফারহানের। একইসঙ্গে বাংলাদেশও তাকে জাতীয় দলে টানার প্রক্রিয়া শুরু করে গত মে মাসে। তিনি বেছে নেন নাড়ি পোতা লাল-সবুজের দেশকে। আরটিভি/এসআর ‎  
ফুলহামের বর্ষসেরা একাডেমি খেলোয়াড় বাংলাদেশের ফারহান
আরও পড়ুন
রোনালদোকে বেঞ্চে রেখে নরওয়েকে হারাল পর্তুগাল
১১৫ অভিযোগের ১১৪টিতেই দোষী ম্যানসিটি, সামনে কঠিন শাস্তির শঙ্কা
পোর্তোকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ম্যানসিটির শুভসূচনা
রেকর্ড দামে ম্যানচেস্টার সিটিতে যোগ দিলেন এনজো ফার্নান্দেজ