ঢাকা বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩

রোনালদোর যে রেকর্ড ভাঙলেন মেসি

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২০ আগস্ট ২০২৬, ১২:৫৪ পিএম
লিওনেল মেসি। ছবি: সংগৃহীত

বাবার মৃত্যুর শোক কাটিয়ে মাঠে ফেরার তৃতীয় ম্যাচে অবশেষে চেনা ছন্দে ফিরলেন লিওনেল মেসি। ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়নের বিপক্ষে এক গোল ও এক অ্যাসিস্ট করে ব্যক্তিগত নৈপুণ্য দেখিয়েছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। তবে তার দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পরও জয় পায়নি ইন্টার মায়ামি। রোমাঞ্চকর ম্যাচটি শেষ হয়েছে ২-২ গোলে ড্রয়ে।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ঘরের মাঠ সুবারু স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই জমে ওঠে ম্যাচ। ১১ মিনিটে ইন্ডিয়ানা ভাসিলেভের গোলে এগিয়ে যায় ফিলাডেলফিয়া। তবে ১০ মিনিটের ব্যবধানে ম্যাচের চিত্র বদলে দেন মেসি। ২১ মিনিটে ড্যানিয়েল পিন্টারকে দিয়ে গোল করিয়ে মায়ামিকে সমতায় ফেরান তিনি। এরপর ২৬ মিনিটে দুর্দান্ত এক শটে নিজেই গোল করে দলকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন আর্জেন্টাইন তারকা।

এই গোলের মধ্য দিয়ে চলতি এমএলএস মৌসুমে মেসির গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩টি। ১৭ ম্যাচে তার অ্যাসিস্ট ৯টি। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ফিলাডেলফিয়ার বিপক্ষে ছয় ম্যাচে মেসির গোল ছয়টি, অ্যাসিস্ট চারটি।

তবে ম্যাচের সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা ছিল মেসির নতুন মাইলফলক। ফিলাডেলফিয়ার বিপক্ষে গোলটি ছিল সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে তার ক্যারিয়ারের ৯২২তম গোল। একই সংখ্যক গোল করার সময় চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর বয়স ছিল ৩৯ বছর ১১ মাস। ফলে রোনালদোর চেয়ে কম বয়সে ৯২২ গোলের মাইলফলক স্পর্শ করলেন মেসি।

গোল করার পর দুই হাতের তর্জনী আকাশের দিকে তুলে সম্প্রতি প্রয়াত বাবা হোর্হে মেসিকে স্মরণ করেন তিনি। আবেগঘন সেই উদযাপন মুহূর্তটি ছুঁয়ে যায় সমর্থকদেরও।

তবে মেসির গোলের পরও জয় ধরে রাখতে পারেনি মায়ামি। ৫৮ মিনিটে নীল পিয়েরের গোলে ফিলাডেলফিয়া সমতায় ফেরে। ম্যাচের শেষদিকে উত্তেজনা আরও বাড়ে। হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন ফিলাডেলফিয়ার কাভান সুলিভান ও মায়ামির ইয়ানিক ব্রাইট। দুজনকেই লাল কার্ড দেখান রেফারি। একই ম্যাচে হলুদ কার্ড দেখেন কাভান সুলিভানের ভাই কুইন সুলিভানও।

বাবার মৃত্যুর পর আগের দুই ম্যাচে গোলশূন্য ছিলেন মেসি। এর মধ্যে প্রথম ম্যাচে মেক্সিকান ক্লাব লিওনের কাছে ৩-২ গোলে হেরে লিগস কাপ থেকে বিদায় নেয় মায়ামি। পরের ম্যাচে এমএলএসে ন্যাশভিলের কাছে ৪-১ গোলে হারে তারা। সেই ম্যাচে পেনাল্টিও মিস করেছিলেন মেসি।

আরও পড়ুন

ফিলাডেলফিয়ার বিপক্ষে ড্রয়ের পর এমএলএসের ইস্টার্ন কনফারেন্সে শীর্ষে থাকা ন্যাশভিলের চেয়ে ৭ পয়েন্ট পিছিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ইন্টার মায়ামি। তাদের সংগ্রহ ৩৯ পয়েন্ট।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
শুভমানের ডাবল সেঞ্চুরি, ৮১১ রানের ম্যাচে ক্যারিবিয়ানদের হারিয়ে ভারতের ইতিহাস
দ্বিতীয় ওয়ানডে ভারত ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ ব্যাটার তাণ্ডবে রান বন্যায় ভেসে গেছে গুয়াহাটির বারসাপাড়া স্টেডিয়াম। প্রথম ইনিংসে ক্যারিবিয়ানরা ৪০৫ রান করলে জবাব দিতে নেমে চার-ছক্কার বৃষ্টি ঝরিয়েছে ভারতীয় ব্যাটাররা। এতে বড় পুঁজি গড়েও হার এড়াতে পারেনি সফরকারীরা।  বিপরীতে রোহিতের সেঞ্চুরি ও গিলের ডাবল সেঞ্চুরিতে ভর করে উইকেটের জয় পায় ভারত। রান তাড়া করে ভারতের এটি সর্বোচ্চ বড় জয়। আর সবমিলিয়ে দ্বিতীয়। সবার উপরে আছে ২০০৬ সালে অনুষ্ঠিত হওয়া দক্ষিণ আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়ার সেই ঐতিহাসিক ম্যাচ। যেখানে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৪৩৪ রানের বিশাল দিয়েছিল রিকি পন্টিংয়ের অস্ট্রেলিয়া। জবাব দিতে নেমে ১ বল ও ১ উইকেট হাতে থাকতেই জয় তুলে নিয়েছিল গ্রেমি স্মিথের দক্ষিণ আফ্রিকা। সেই জয়ের পরই ওয়ানডে ইতিহাসের দ্বিতীয় বড় হিসেবে জায়গা পেল ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজের এই ম্যাচটি। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) আগে ব্যাট করতে নেমে ভারতকে ৪০৫ রানের বড় লক্ষ্য দেয় ক্যারিবিয়ানরা। জবাব দিতে নেমে বল ও উইকেট হাতে থাকতেই জয় তুলে নেয় ম্যান ইন ব্লুরা। বিস্তারিত আসছে....
শুভমানের ডাবল সেঞ্চুরি, ৮১১ রানের ম্যাচে ক্যারিবিয়ানদের হারিয়ে ভারতের ইতিহাস
ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচে সেঞ্চুরির বিশ্বরেকর্ড
গুয়াহাটিতে তিন সেঞ্চুরিতে ভারতকে ৪০৫ রানের লক্ষ্য দিয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। জবাব দিতে নেমেই সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছিলেন ভারতের দুই ওপেনার রোহিত শর্মা ও শুভমান গিল। এতে ওয়ানডেতে এক ম্যাচে সবচেয়ে বেশি সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েছে তারা। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) গুয়াহাটিতে আগে ব্যাটিংয়ে নামে জন ক্যাম্পবেল, শাই হোপ ও আমির জাঙ্গু সেঞ্চুরি করেন। ওয়ানডের এক ইনিংসে সর্বোচ্চ তিনটি শতরানের যৌথ রেকর্ড গড়েন তারা। তারপর শুবমান গিলও সেঞ্চুরির দেখা পান। ভারতের এই ব্যাটার ৬২ বলে তার ১১তম সেঞ্চুরি হাঁকান। ওয়ানডে ইতিহাসে এক ম্যাচে যৌথভাবে সর্বোচ্চ চারটি সেঞ্চুরির দেখা মেলে।  ১৯৯৮ সালে পাকিস্তান-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচে প্রথমবার চারটি সেঞ্চুরি হয়েছিল। পাকিস্তানের ইজাজ আহমেদ, মোহাম্মদ ইউসুফ এবং অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডাম গিলক্রিস্ট ও রিকি পন্টিং সেঞ্চুরি করেন। তারপর দীর্ঘদিন পর এক ম্যাচে চার সেঞ্চুরি হয়েছিল। ২০১৩ সালে নাগপুরে অস্ট্রেলিয়া-ভারত ম্যাচে সেঞ্চুরি করেন শেন ওয়াটসন, জর্জ বেইলি ও স্বাগতিকদের শিখর ধাওয়ান ও বিরাট কোহলি। তারপর এক ম্যাচে চার সেঞ্চুরি হয়েছিল ২০২৩ সালে, হায়দরাবাদে শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানের বিশ্বকাপ ম্যাচে। শ্রীলঙ্কার কুশল মেন্ডিস ও সাদিরা সামারাবিক্রমা এবং পাকিস্তানের আব্দুল্লাহ শফিক ও মোহাম্মদ রিজওয়ান তিন অঙ্কের ঘরে পৌঁছান। এবার সব রেকর্ড ভেঙে দিলো ভারত ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচ। গিলের পর রোহিত ৭২ বলে সেঞ্চুরি করেন। তাতে ওয়ানডেতে প্রথমবার এক ম্যাচে পাঁচ সেঞ্চুরিতে ইতিহাসের পাতায় নাম লিখল ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজের এই ম্যাচ। আরটিভি/এসআর
ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচে সেঞ্চুরির বিশ্বরেকর্ড
ভারতীয় বোলারদের নিয়ে ছেলে খেলা করে ক্যারিবিয়ানদের ইতিহাস
ভারতের গুয়াহাটির বারসাপাড়া স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে মাঠে নেমেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল। এদিন ব্যাটিং তাণ্ডব চালিয়ে বিরল রেকর্ড গড়েছে ক্যারিবিয়ানরা।  বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) জন ক্যাম্পবেল, আমির জাঙ্গু ও শাই হোপের সেঞ্চুরিতে ভারতীয় বোলারদের তুলোধুনে করে ৪০৫ রানের পাহাড় গড়েছে ক্যারিবীয়রা। ওয়ানডে ক্রিকেটে এটাই ওয়েষ্ট ইন্ডিজের দলীয় সর্বোচ্চ স্কোর।  এর আগে ২০১৯ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সর্বোচ্চ ৩৮৯ রান করেছিল ক্যারিবীয়রা। তবে ওয়ানডে ক্রিকেটে রেকর্ড ৪৯৮ রান করে অনন্য উচ্চতায় আছে ইংল্যান্ড। দ্বিতীয় এবং তৃতীয় সর্বোচ্চ ৪৮১ ও ৪৪৪ রানের মালিকও ব্রিটিশরা। ওয়ানডে ক্রিকেটে চতুর্থ সর্বোচ্চ ৪৪৩ রান করেছে শ্রীলংকা। ভারতের গুয়াহাটির বারসাপাড়া স্টেডিয়ামে রেকর্ড ৪০৫ রান করে উইন্ডিজ। এর আগে এই মাঠে এত রান করতে পারেনি কোনো দল।  এর আগে ২০২৩ সালের ১০ জানুয়ারি শ্রীলংকার বিপক্ষে এই মাঠে রেকর্ড ৩৭৩ রান করেছিল স্বাগতিক ভারত। তার আগে ২০১৮ সালে এই মাঠে সর্বোচ্চ ৩১৮ রান করেছিল ক্যারিবীয়রা।  আরটিভি/এসআর
ভারতীয় বোলারদের নিয়ে ছেলে খেলা করে ক্যারিবিয়ানদের ইতিহাস
অস্ট্রেলিয়া সফরের জন্য শক্তিশালী স্কোয়াড ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়া সফরের জন্য ১৬ সদস্যের বাংলাদেশ নারী দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। সফরে স্বাগতিকদের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দল ঘোষণা করে বিসিবি। ৩ অক্টোবর অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশে দেশ ছাড়বে বাংলাদেশ দল। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে এবারই প্রথম দুই দলের দ্বিপক্ষীয় সিরিজ খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ নারী দল।  সিরিজের তিনটি ওয়ানডেই হবে ব্রিসবেনের অ্যালান বোর্ডার ফিল্ডে। ম্যাচগুলো ৯, ১১ ও ১৪ অক্টোবর। সিরিজের সূচি। অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সময় প্রতিটি ম্যাচ শুরু হবে দুপুর ১টা ৫০ মিনিটে। সফরে বাংলাদেশ দলকে নেতৃত্ব দেবেন নিগার সুলতানা জ্যোতি। সহ-অধিনায়ক নাহিদা আক্তার। বাংলাদেশ নারী দল: নিগার সুলতানা জ্যোতি (অধিনায়ক), নাহিদা আক্তার (সহ-অধিনায়ক), স্বর্ণা আক্তার, মারুফা আক্তার, রাবেয়া খান, রিতু মনি, সোবহানা মোস্তারি, শারমিন সুলতানা, শারমিন আক্তার সুপ্তা, শানজিদা আক্তার মেঘলা, সুলতানা খাতুন, দিলারা আক্তার, ফারজানা হক, দিশা বিশ্বাস, মোর্শিদা খাতুন ও হাবিবা ইসলাম পিংকি। আরটিভি/এসআর
অস্ট্রেলিয়া সফরের জন্য শক্তিশালী স্কোয়াড ঘোষণা বাংলাদেশের
গিমারায়েসের বদলে পেনাল্টি নেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করলেন ভিনিসিয়ুস
নেইমারের অবসর ও ২০৩০ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে দল গোছাতে শুরু করেছেন কার্লো আনচেলত্তি। সেই হিসেবে ম্যাচে পেনাল্টির নেওয়ার গুরুদায়িত্বটা পেয়েছিলেন রানিফিয়ার। এই বার্সেলোনার তারকা না থাকলে ব্রুনো গিমারায়েসের পেনাল্টি নেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু অস্ট্রেলিয়া ম্যাচে বদলে যায় সব হিসাব। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে রাফিনিয়া প্রথম পেনাল্টি নেওয়ার পর ইনজুরি নিয়ে মাঠ ছাড়েন। ৮০ মিনিটে দ্বিতীয় পেনাল্টি গিমারায়েসের নেওয়ার কথা থাকলেও শট নিতে আসেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। ম্যাচ শেষে এর কারণও ব্যাখ্যা করেছেন এই রিয়াল মাদ্রিদ তারকা।  বিশ্বকাপের পর থেকেই নিজেকে হারিয়ে খুঁজছেন ভিনিসিয়ুস। ফলে তাকে ফর্মে ফেরাতেই ভিনির হাতে বল তুলে দিয়েছিলেন গিমারায়েস। এ জন্য সতীর্থকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন তিনি।   ভিনিসিয়ুস বলেন, রাফিনিয়া যখন মাঠে থাকবে না, তখন আমাদের পেনাল্টি নেওয়ার দায়িত্ব ব্রুনো গিমারাইসের। আমি ভেবেছিলাম সেই নিতে চাইবে, তবে সে জানে যে বর্তমানে আমার কিছুটা আত্মবিশ্বাস দরকার। বিশ্বকাপে হেরে যাওয়া অনেক বড় ধাক্কা এবং সেটা মেনে নেওয়া কঠিন, আর ঘুরে দাঁড়ানোও সহজ নয়। পরে গিমারায়েস নিজেও ব্যাখ্যা করেন তার পেনাল্টি না নেওয়ার কারণ। আর্সেনালের এই মিডফিল্ডার বলেন, দলের সবার মধ্যে একতাই সবচেয়ে বড় বিষয়। এটাই কারণ ছিল (পেনাল্টিটা ভিনিকে আত্মবিশ্বাস দিয়েছে)। পেনাল্টির ঘটনার পর, অনেক কিছুই সামনে আসে। কিন্তু এখানে জাতীয় দলে, আমাদের মধ্যে কেউ ব্যক্তিগত অর্জন নিয়ে ভাবে না। ভিনিকে পেনাল্টি নেওয়ার অনুমতি দিয়েছিলেন আনচেলত্তি। গিমারায়েস বলেন, বিশ্বকাপে আনচেলত্তি আমাকে পেনাল্টি নিতে বলেছিলেন। আর আজ তিনি ভিনিকে নিতে বলেন। ভিনির একটা গোল করা খুব দরকার ছিল। সে খুব ভালোভাবেই সেটা করেছে।  তিনি আরও বলেন, আমাদের কারও মধ্যে ব্যক্তিগত অর্জন নিয়ে ভাবনা নেই। ব্রাজিলের জন্য কোনটা সেরা, সেটাই আমরা চাই। তার জন্য আমরা খুশি এবং এভাবে কাজ করে যাওয়াটাই আসল। আরটিভি/এসআর
গিমারায়েসের বদলে পেনাল্টি নেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করলেন ভিনিসিয়ুস
আরও পড়ুন
ফ্রি কিক থেকে মেসির অবিশ্বাস্য গোল, ইনজুরি টাইমে মায়ামির হার
নিজের নামে টুর্নামেন্ট আয়োজন নিয়ে যা জানালেন মেসি
মেসির শেষ ম্যাচের জার্সিতে বিশেষ চমক
শিশুদের ক্যান্সার হাসপাতাল নির্মাণে মেসির ৩৬ কোটি টাকা অনুদান