ঢাকা সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩

টিকিটাকায় ফের শিরোপার স্বপ্ন স্পেনের

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ : ৩০ মে ২০১৮, ০২:৩২ পিএম

স্পেন জাতীয় ফুটবল দল (স্প্যানিশ: সিলেসিয়েন দে ফিটবোল ডি এস্পা)। স্পেনের ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা রয়্যাল স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়। স্পেনীয় ফুটবল দলকে সাধারণ লা ফুরিয়া রোজা বা লাল শিখা নামে সম্বোধন করা হয়।

স্পেন আধুনিক রাষ্ট্রে পরিণত হবার পথ ইউরোপের অন্যান্য অংশের তুলনায় বহু দিক থেকে আলাদা। ইউরোপের দক্ষিণ-পশ্চিম কোনায় অবস্থিত রাষ্ট্রটি ভৌগোলিকভাবে স্তুপ পর্বত এবং সাগরের মাধ্যমে ইউরোপের অন্যান্য অংশ থেকে খানিকটা বিচ্ছিন্ন, ফলে ইউরোপের সাংস্কৃতিক উন্নতির সাথে স্পেনের খানিকটা দূরত্ব সবসময়ই অনুমিত ছিল। ১৮শ শতকের শেষ দিকে যুক্তরাজ্যে যে শিল্প বিপ্লব শুরু হয়, তা ধীরে ধীরে স্পেনে এসে পৌঁছায়। বিংশ শতাব্দীতে ভয়াবহ স্পেনীয় গৃহযুদ্ধ (১৯৩৬-১৯৩৯) এবং তৎপরবর্তী ফ্রান্সিস্কো ফ্রাংকোর একনায়কতন্ত্র স্পেনকে সমৃদ্ধ, গণতন্ত্রী ও আধুনিক ইউরোপের কাছ থেকে খানিকটা দূরে ঠেলে দেয়। তবে ইতিহাসের বেশির ভাগ সময়ই স্পেন ছিল বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনার মিলনস্থল।

স্পেন হল প্রাকৃতিক দৃশ্য ও বিভিন্ন পটভূমির অধিবাসীদের নিয়ে গঠিত এক বৈচিত্র্যপূর্ণ দেশ। স্পেনের অধিকাংশ এলাকাজুড়ে রয়েছে গম ও আঙুরের ক্ষেত আর অলিভ গাছ। দক্ষিণ দিকে মাত্র ১৪ কিলোমিটার (৯ মাইল) প্রশস্ত জিব্রাল্টার প্রণালী স্পেনের মূল ভূখণ্ডকে আফ্রিকা মহাদেশ থেকে পৃথক করে। স্পেনের অধিবাসীরা সাধারণত বন্ধুত্বপরায়ণ ও মিশুক হয়ে থাকে। অধিকাংশই নিজেদের রোমান ক্যাথলিক বলে দাবি করলেও তুলনামূলকভাবে অল্পসংখ্যক ব্যক্তি মিশায় (ধর্মীয় সভায়) যোগ দেয়।

--------------------------------------------------------
আরও পড়ুন : নাইজেরিয়ান ফুটবলারদের রুমে রুশ নারী নিষিদ্ধ!
--------------------------------------------------------

স্পেনের দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত জিব্রাল্টার প্রণালীর মাধ্যমে সহজেই স্পেন ও আফ্রিকার মধ্যে যাতায়াত সম্ভব। সাইবেরীয় উপদ্বীপের বহু সমুদ্রবন্দর সমুদ্রগামী ভূমধ্যসাগরীয় লোকদেরকে সেখানে নেমে প্রাকৃতিক সম্পদ খোঁজার সুযোগ করে দেয়। স্পেনের সবচেয়ে প্রাচীন লিখিত ইতিহাসেও সেখানে বিভিন্ন অভিবাসী জাতির বসতি স্থাপনের দীর্ঘ ধারা ও সাংস্কৃতিক মিলনের কথা লেখা আছে।

স্পেন ২০০৮ সালে উয়েফা ইউরোপীয়ান ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে জার্মানিকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। ২০১২ সালে ইতালিকে ৪-০ গোলে পরাজিত করে স্পেন একমাত্র দল হিসেবে টানা দুবার ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন হয়। এছাড়া স্পেন ১৯৬৪ সালে ইউরোপীয়ান নেশন্স কাপ জয় করে ও ১৯৮৪ সালে ফাইনাল পর্যন্ত উন্নীত হয়। এখন পর্যন্ত দলটি ১৪ বার ফিফা বিশ্বকাপ খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে। বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত দলটির সর্বোচ্চ অবস্থান হচ্ছে ২০১০ সালে চ্যাম্পিয়ন হওয়া।

২০০৮ সালের জুলাই মাসে স্পেন ফিফা বিশ্ব র‌্যাংকিংয়ে প্রথম বারের মতো শীর্ষে উঠে। ৬ষ্ঠ দল হিসেবে এই স্থানে আসীন হয় তারা। ২০০৬ সালের নভেম্বর থেকে জুন ২০০৯ পর্যন্ত স্পেন টানা ৩৫টি আন্তর্জাতিক ফুটবল ম্যাচে অপরাজিত থাকার রেকর্ড করে। এই রেকর্ডটি পূর্বে ছিলো একমাত্র ব্রাজিলের দখলে। এই ৩৫টি ম্যাচ অপরাজিত থাকার সময় স্পেন টানা ১৫টি খেলায় জয়লাভ করে এবং এটিও ছিলো একটি রেকর্ড।

১৫ জুলাই, ২০০৮ সালে ভিসেন্তে দেল বস্ক লুইস আরাগোনেজের স্থলাভিষিক্ত হয়ে স্পেনের কোচের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। তার নেতৃত্বে স্পেন ২০১০ সালের বিশ্বকাপ ফুটবলের বাছাই-পর্বে উয়েফা অঞ্চলের গ্রুপ ৫ থেকে সফলভাবে উত্তীর্ণ হয় এবং ৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষস্থান দখল করে। এ পর্যায়ে তারা বসনিয়া ও হারজেগোভিনা, আর্মেনিয়া, সার্বিয়া তিনটি দলের বিপক্ষে জয়লাভ করেছিল। তন্মধ্যে সার্বিয়া দলের বিপক্ষে অতিরিক্ত খেলোয়াড় হিসেবে বোজান ক্রিকের অভিষেক হয়েছিল। পরবর্তী পর্বে এস্তোনিয়া ও বেলজিয়ামকে হারিয়ে শতভাগ জয় নিয়ে ফিফা বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্বে ঠাঁয় পায় দলটি।

১৬ জুন বিশ্বকাপ ফুটবলে স্পেনের বিপক্ষে সুইজারল্যান্ড ১-০ গোলে জয় পায়। এরপর স্পেন গ্রুপ-এইচ থেকে পরের দুই খেলায় জয়ী হয়ে নক-আউটভিত্তিক ১৬ দলে পৌঁছে। পর্তুগালকে ১-০ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে প্যারাগুয়েকে ১-০ ব্যবধানে হারায়। ৭ জুলাইয়ের সেমিফাইনালে জার্মানিকে ১-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ফাইনাল নিশ্চিত করে। টোটাল ফুটবলের দেশ নেদারল্যান্ডকে চূড়ান্ত খেলার অতিরিক্ত সময়ে আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা‎‎'র জয়সূচক গোলে ২০১০ সালের বিশ্বকাপ ফুটবলের নতুন চ্যাম্পিয়ন হয়।

ডাকনাম

:

লা ফুরিয়া রোজা (উত্তেজিত)

অ্যাসোসিয়েশন

:

রয়্যাল স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন

কনফেডারেশন

:

উয়েফা (ইউরোপ)

হেড কোচ

:

ফার্নান্দো সান্তোস

অধিনায়ক

:

সার্জিও রামোস

সর্বাধিক ম্যাচ

:

ইকার ক্যাসিয়াস (১৬৭)

সর্বাধিক গোলদাতা

:

ডেভিড ভিয়া (৫৯)

হোম ভেন্যু

:

সান্তিয়াগো বার্নাব্যু ও স্তাদিও ম্যানুয়েল মার্টিনেজ ভালেরো

বর্তমান র‌্যাংকিং

:

৮

সেরা সাফল্য

:

২০১০ বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন

বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ

:

১৯৩৪, ১৯৫০, ১৯৬২, ১৯৬৬, ১৯৭৮, ১৯৮২, ১৯৮৬, ১৯৯০

১৯৯৪, ১৯৯৮, ২০০২, ২০০৬, ২০১০, ২০১৪, ২০১৮

সেরা খেলোয়াড়

:

আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা

আরও পড়ুন :

এএ/ওয়াই

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সুসংবাদ শুনে অস্ট্রেলিয়া থেকে উড়ে স্ত্রীর পাশে রোহিত
মেয়ে সন্তানের বাবা হয়েছেন ভারতের ক্রিকেটার রোহিত শর্মা। সুখবর পেয়েই অস্ট্রেলিয়া থেকে স্ত্রী রীতিকার কাছে চলে গেছেন টিম ইন্ডিয়ার ব্যাটিং লাইনের অন্যতম ভরসা। গেল ২১ ডিসেম্বর ছিল রোহিতের স্ত্রীয়ের জন্মদিন। অস্ট্রেলিয়া সফরে থাকায় বিশেষ দিনটি পাশে না পারার জন্য রীতিকার কাছে সোশাল মিডিয়ায় ক্ষমা চান রোহিত। তবে বাবা হবার খবর পেয়েই ভারত ছুটে গেলেন রোহিত।  দেশে ফেরার কারণে সিডনিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে চতুর্থ ও শেষ টেস্টে মাঠে নামা হচ্ছে না হিট ম্যান খ্যাত এই তারকার।   আগামী বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে ম্যাচটি। চার ম্যাচের সিরিজের ফল এখন ২ -১। এগিয়ে থাকা ভারত এই সিরিজটি নিজেদের করে নিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে। অন্যদিকে সিরিজ বাঁচাতে জেতা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই অস্ট্রেলিয়ার। গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচে থাকা হচ্ছে না রোহিতের। ভারতীয় ক্রিকেট নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের (বিসিসিআই) পক্ষ থেকে জানানো হয়, রোহিত ভারতীয় টিমের সঙ্গে  যোগ দেবেন নতুন বছরের ৮ জানুয়ারি।  টেস্ট সিরিজ শেষে তখন ওয়ানডে সিরিজের জন্য প্রস্তুতি নেবে বিরাট বাহিনী। দুই দলের মধ্যে ১২, ১৫ এবং ১৮ তারিখ তিনটি একদিনের ম্যাচ রয়েছে।  সেই সময় উপস্থিত থাকবেন অভিজ্ঞ রোহিত। চলতি সিরিজে প্রথম ও তৃতীয় ম্যাচে ব্যাট হাতে নেমেছিলেন রোহিত। চোটের কারণে দ্বিতীয় টেস্টে দলের বাইরে ছিলেন ডান-হাতি এই ব্যাটসম্যান। ওয়াই
সুসংবাদ শুনে অস্ট্রেলিয়া থেকে উড়ে স্ত্রীর পাশে রোহিত
বিরাটের অধিনায়কত্বে বর্ষসেরা টেস্ট দলে তাইজুল
বছরের শেষ টেস্টটিও খেলা হয়ে গেছে। অস্ট্রেলিয়া-ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা-পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড-শ্রীলঙ্কার টেস্টগুলো একই দিনে (২৬ ডিসেম্বর) শুরু হওয়ায় এই তিনটি টেস্টই ২০১৮ সালের শেষ টেস্ট। এবার পালা বছরের সেরাদের সামনে নিয়ে আসার। বছরজুড়ে কারা কারা ক্রিকেট বিশ্বে ছড়ি ঘুরিয়েছে তাদের নিয়ে একাদশ তৈরি করছে ক্রিকেট সংশ্লিষ্টরা। সেই ধারাবাহিকতায় এবার বর্ষসেরা টেস্ট একাদশ করল ক্রীড়া বিষয়ক ওয়েবসাইট ‘স্পোর্টসকিড়া’। জনপ্রিয় এই ওয়েবসাইটের সেরা টেস্ট একাদশে জায়গা পেয়েছেন বাংলাদেশের স্পিনার তাইজুল ইসলাম। পুরো বছরেই বারবার নিজেকে ছাড়িয়ে গেছেন তাইজুল। চলতি বছরে ৪৩ উইকেট নিয়ে ছাড়িয়ে গেছেন বাংলাদেশের হয়ে মোহাম্মদ রফিকের সর্বোচ্চ ৩৩ উইকেটের রেকর্ড। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ইনিংসে সর্বোচ্চ ৬ উইকেটের পাশাপাশি ৪ বার ইনিংসে পাঁচ বা তার বেশি উইকেট শিকার করেছেন এই বামহাতি এই অর্থোডক্স।   বছরজুড়ে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি বোলারদের মধ্যে তিনি রয়েছে ৮ নম্বরে এবং স্পিনারদের মধ্যে যা তৃতীয়। আর বামহাতি স্পিনারদের মধ্যে রয়েছে প্রথমে।  তাই বর্ষসেরা টেস্ট দলে স্পিনার কোটায় তাইজুলকে বাছাই করতে দ্বিধায় ভুগতে হয়নি স্পোর্টসকিড়ার। ১৭ উইকেট নিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজ জয়ে অবদান রাখায় সেরাদের দলে জায়গা তাইজুলের জায়গা হয়েছে বলে উল্লেখ করে ওয়েবসাইটটি। এই দলের অধিনায়ক করা হয়েছে বর্তমান বিশ্বের সেরা ব্যাটসম্যান ও ভারতের অধিনায়ক বিরাট কোহলিকে। এই দলে রয়েছেন জো রুট, কেন উইলিয়ামসন, ও জেসন হোল্ডারের মতো আরও তিন জাতীয় দলের অধিনায়ক।  ওপেনারের দায়িত্ব পালন করবেন দুই শ্রীলঙ্কান দিমুথ কারুনারত্নে ও কুশল মেন্ডিস। তিন নম্বর পজিশনের জন্য দলে নেয়া হয়েছে ইংল্যান্ডের টেস্ট অধিনায়ক জো রুটকে। কোহলি ও নিউজিল্যান্ডের অধিনায়ক উইলিয়ামসনকে রাখা হয়েছে মিডল অর্ডার সামলানোর জন্য।  উইকেটের পিছনে রাখায় হয়েছে বছরজুড়ে ফর্মে থাকা ইংল্যান্ডের উইকেটরক্ষক জস বাটলারকে। বোলিং অলরাউন্ডারের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে ক্যারিবীয় অধিনায়ক জেসন হোল্ডারকে।  তাইজুলের সঙ্গে স্পিন বিভাগ সামলাবেন অস্ট্রেলিয়ান নাথান লায়ন। পেস বোলিংটা দেখবেন দক্ষিণ আফ্রিকান কাগিসো রাবাদা ও পাকিস্তানের মোহাম্মদ আব্বাস।  স্পোর্টসকিড়ার বছরের সেরা টেস্ট একাদশ দিমুথ কারুনারত্নে (শ্রীলঙ্কা), কুশল মেন্ডিস (শ্রীলঙ্কা), জো রুট (ইংল্যান্ড), বিরাট কোহলি (অধিনায়ক, ভারত), কেন উইলিয়ামসন (নিউজিল্যান্ড), জস বাটলার (ইংল্যান্ড), জেসন হোল্ডার (ওয়েস্ট ইন্ডিজ), নাথান লায়ন (অস্ট্রেলিয়া), তাইজুল ইসলাম (বাংলাদেশ), কাগিসো রাবাদা (দক্ষিণ আফ্রিকা), মোহাম্মদ আব্বাস (পাকিস্তান)। এস/ওয়াই
বিরাটের অধিনায়কত্বে বর্ষসেরা টেস্ট দলে তাইজুল
মোরিনহোর বিদায়ে স্বরূপে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড
দীর্ঘদিন ধরে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড কর্তৃপক্ষ ও দলের খেলোয়াড়দের বিপক্ষে হোসে মোরিনহোর বিরোধের খবর চাউর ছিল। চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়ে প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচে লিভারপুলের বিপক্ষে ৩-১ গোলে হারের পর ছাটাই হতে হয় মোরিনহোকে। পর্তুগালের হেভিওয়েট এই কোচের বদলে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে ওলে গানার সোলসকায়েরকে নিয়োগ দেয়া হয়। দলটির সাবেক এই ফুটবলার দায়িত্বগ্রহণের পরপরই চিত্র পাল্টে যায়। নরওয়ের জাতীয় দলের এই ফরোয়ার্ডের অধীনে রোববার রাতের ম্যাচে বড় জয় নিয়ে বছরটা শেষ করল রেড ডেভিলসরা। ওল্ড ট্রাফোর্ডে বোর্নমাউথের বিপক্ষে ৪-১ এ জয় পেয়েছে ইউনাইটেড। বড় এই জয়ের পর ম্যানচেস্টার ইভিনিং স্ট্যান্ডার্ড পত্রিকা এক প্রতিবেদনে শিরোনাম করেছে, ‘ওলে গানার সোলসকায়ের অধীনে স্বরূপে ফিরছে আসল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড’। ‘দ্য স্পেশাল ওয়ান’ খ্যাত মোরিনহোকে বিদায় জানানোর পর প্রিমিয়ার লিগের শেষ তিন ম্যাচে ১২টি গোল করেছে ম্যানচেস্টারের ঐতিহ্যবাহী দলটি। ২২ ডিসেম্বর কার্ডিফকে ৫-১ গোলের উড়িয়ে দেয় ম্যানইউ। পরের ম্যাচে হাডার্সফিল্ড টাউনের বিপক্ষে ৩-১ গোলে জয় পায় সোলসকায়েরের শিষ্যরা।  ওলে গানার সোলসকায়েরের সঙ্গে পল পগবা। দলের সঙ্গে গেল দুই ম্যাচে উজ্জ্বল পল পগবাও। হাডার্সফিল্ডের বিপক্ষে গেল বুধবার দুটি গোল করার পর বছরের শেষ ম্যাচেও বোর্নমাউথের জালে দুই বার বল জড়িয়েছেন ফ্রান্সের হয়ে বিশ্বকাপ জয়ী এই মিডফিল্ডার। এই নিয়ে চলতি মৌসুমে ১৭ ম্যাচে সাতটি গোল করলেন ২৫ বছর বয়সী পগবা। লিগ টেবিলে ২০ ম্যাচে ১০ জয় নিয়ে ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। পাঁচ ড্র ও পাঁচ হারে বর্তমান পয়েন্ট ৩৫। সমান সংখ্যক ম্যাচে ৫৪ পয়েন্ট নিয়ে সবার উপরে রয়েছে লিভারপুল। এস/ওয়াই 
মোরিনহোর বিদায়ে স্বরূপে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড
আইসিসির সেরা একাদশে বাংলাদেশের রুমানা
বছরজুড়ে যেমন দাপট দেখিয়েছেন বাংলাদেশের পুরুষ ক্রিকেট দল তেমনি সমান তালে সাফল্য অর্জন করেছে নারী ক্রিকেট দলও। বাংলাদেশের ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় সাফল্যটাও এসেছে নারীদের হাত ধরে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ট্রফি ঘরে প্রথম কোনো আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের ট্রফি এনে দিয়েছে এবছরে টি-টোয়েন্টি এশিয়া কাপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে।  ছয় বারের চ্যাম্পিয়ন ভারতকে ফাইনালে ৩ উইকেটে হারিয়েছে সালমা-রুমানারা। এবার সেই সাফল্যের রেশ ধরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) সেরা একাদশে জায়গা করে নিলেন টাইগ্রেস ক্রিকেটার রুমানা আহমেদ।  লাল-সবুজদের হয়ে অলরাউন্ডারের ভূমিকা পালন করলেও লেগ স্পিনার হিসেবে সুযোগ মিলেছে সেরাদের এই দলে।  সোমবার আইসিসির নিজস্ব ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে বর্ষসেরা নারী টি-টোয়েন্টি একাদশ।  ভারতের অধিনায়ক হারমানপ্রীত কাউরকে করা হয়েছে এই দলের অধিনায়ক। ভারতের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেছেন আরও দুই ক্রিকেটার। তবে সবচেয়ে বেশি চার নারী অজি ক্রিকেটার রয়েছে এই দলে। এছাড়া নিউজিল্যান্ডের হয়ে দুজন ও ইংল্যান্ডের হয়ে একজন রয়েছেন বর্ষসেরার এই টি-টোয়েন্টি একাদশে।   বাংলাদেশের হয়ে মোট ৫৮টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলে ৬৬৩ রানের পাশাপাশি ৫২ উইকেট নিয়েছেন রুমানা। আইসিসির বর্ষসেরা টি-টোয়েন্টি একাদশ স্মৃতি মানদানা (ভারত), অ্যালিসা হেইলি (অস্ট্রেলিয়া), সুজি বেটস (নিউজিল্যান্ড), হারমানপ্রীত কাউর (ভারত), নাটালি স্কাইভার (ইংল্যান্ড), এলিসা পেরি (অস্ট্রেলিয়া), অ্যাশলেগ গ্রাডনার (অস্ট্রেলিয়া), লেইগ ক্যাসপেরেক (নিউজিল্যান্ড), মেগান স্কুট (অস্ট্রেলিয়া), রুমানা আহামেদ (বাংলাদেশ), পুনম পান্ডে (ভারত)।    এস/ওয়াই
আইসিসির সেরা একাদশে বাংলাদেশের রুমানা
বছরের ফ্লপ একাদশের অধিনায়ক ধোনি, ভারতের আধিপত্য
শেষ হলো ২০১৮ সালের সব আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সূচি। পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ডের মধ্য দিয়ে চলতি বছরের ওয়ানডে যাত্রা শুরু হয়েছিল। বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্য দিয়ে বছরের ওয়ানডের সেই যাত্রার সমাপ্তি ঘটে। এখন বিশ্বজুড়ে চলছে বছরের দলগত ও ব্যক্তিগত পারফর্মেন্সের কাটছেরা। ক্রিকেট ভিত্তিক বিভিন্ন ওয়েবসাইটে প্রতিনিয়ত প্রকাশিত হচ্ছে বছরের সেরা একাদশ গুলো। তবে কিছুটা ভিন্ন পথে হাঁটল ক্রিক ট্র্যাকার। এবার ক্রিকেট সংক্রান্ত জনপ্রিয় এই ওয়েবসাইট প্রকাশ করল বছরের ‘ফ্লপ’ ওয়ানডে একাদশ। বাংলাদেশের সমর্থকদের জন্য স্বস্তির খবর যে এই একাদশে নেই কোনও টাইগার ক্রিকেটার। সেরা একাদশের মতো ফ্লপ একাদশেও আধিপত্য ছিল ভারতীয় ক্রিকেটারদের। মহেন্দ্র সিং ধোনির নের্তৃত্বে এই দলে আরও রয়েছে আরও দুই ভারতীয় হার্দিক পান্ডিয়া ও ভুবেনশ্বর কুমার। ফ্লপ দলটির ওপেনিংয়ের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে নিউজিল্যান্ডের কলিন মুনরো ও ক্যারিবীয় ব্যাটসম্যান এভিন লুইসকে। মুনরো বছরজুড়ে ১৩টি ওয়ানডে খেলে ১৯.৫৩ গড়ে করেছেন মোটে ২৫৪ রান। এদিকে অপর ওপেনার লুইস বেশিরভাগ সিরিজে ওয়ানডে দল থেকে নাম প্রত্যাহার করলেও সারাবছরে ১০টি ম্যাচ খেলে ২৭.৪০ গড় নিয়ে করেছেন মাত্র ২৭৪ রান। ওয়েস্ট ইন্ডিজের আরেক প্রতিনিধি হিসেবে তিন নাম্বার পজিশনে জায়গা পেয়েছেন মারলন সামুয়েলস। বছরের শেষ ওয়ানডে সিরিজে বাংলাদেশের বিপক্ষেও ফ্লপ ছিলেন এই জ্যামাইকান। ২০১৮ সালে ১৫টি ওয়ানডে খেলে করেছেন ৩৬৫ রান। এরপরই জায়গা হয়েছে ভারতের বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক ধোনির। যার ২০ ওয়ানডেতে ২৫.০০ গড়ে সংগ্রহ ২৭৫ রান। তাই ‘আস্থা’ রেখেই এই দলের অধিনায়ক ও উইকেটরক্ষকের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে এই অভিজ্ঞ ক্রিকেটারকে। মিডল অর্ডার সামলাবেন বাংলাদেশের বিপক্ষে ক্যারিবিয়ানদের নেতৃত্ব দেয়া রোভম্যান পাওয়েল। চলতি বছরে ১৭টি ওয়ানডে খেলে ২৬.৬৪ গড়ে তার ঝুড়িতে রয়েছে ৩৭৩ রান। দলের অলরাউন্ডারের ভূমিকায় থাকবেন হার্দিক পান্ডিয়া। ইনজুরির কারণে বছরের সব ম্যাচ খেলতে না পারলেও ১০ ম্যাচে মাত্র ১৩.৬০ গড়ে ৬৮ রান তুলেছেন ভারতের এই উদীয়মান ক্রিকেটার। স্পিন অলরাউন্ডার হিসেবে থাকছেন মঈন আলী। ২৪ ওয়ানডে খেলে ১৭.৩১ গড়ে ২৭৭ রান সংগ্রহ করেছেন এই ইংলিশম্যান। চতুর্থ ক্যারিবিয়ান হিসেবে থাকছেন লেগ স্পিনার দেবেন্দ্র বিশু। ১০ ম্যাচ খেলে যার উইকেট রয়েছে ৬টি। পেস বোলিংয়ের দায়িত্বে থাকবেন ভুবেনশ্বর কুমার। ১৪ ম্যাচে ১১ উইকেট রয়েছে তার ঝুলিতে। দলের বাকি দুই পেস বোলার হচ্ছেন ইংল্যান্ডের মার্ক উড ও পাকিস্তানের মোহাম্মদ আমির। উড ১৬ ম্যাচে ১৩ উইকেট নিতে পারলেও পাকিস্তানের বোলিংয়ের সেরা অস্ত্র আমির ১০ ম্যাচে নিয়েছেন মোটে ৩ উইকেট।   ক্রিক ট্র্যাকারের ২০১৮ সালের ফ্লপ একাদশ    কলিন মুনরো (নিউজিল্যান্ড), এভিন লুইস (ওয়েস্ট ইন্ডিজ), মারলন সামুয়েলস (ওয়েস্ট ইন্ডিজ), এমএস ধোনি (ভারত), রোভম্যান পাওয়েল (ওয়েস্ট ইন্ডিজ), হার্দিক পান্ডিয়া (ভারত), মঈন আলী (ইংল্যান্ড), দেবেন্দ্র বিশু (ওয়েস্ট ইন্ডিজ), ভুবেনশ্বর কুমার (ভারত), মার্ক উড (ইংল্যান্ড), মোহাম্মদ আমির (পাকিস্তান)।   এস/ওয়াই 
বছরের ফ্লপ একাদশের অধিনায়ক ধোনি, ভারতের আধিপত্য
আরও পড়ুন
বাংলাদেশি হামজার সৌজন্যে টানা জয় পেলো লেস্টার
টিভিতে আজকের খেলার আয়োজন
ছোট পর্দায় আজকের খেলা
চ্যাম্পিয়নস লিগের নক-আউটে কে কার মুখোমুখি