
১৯৯২ সালে অভিষেকের পর ২০০৭ সাল পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার হয়ে খেলেছেন। ১৫ বছরের দীর্ঘ যাত্রায় উত্থান-পতন হয়েছে অনেক। তবু অজিদের ইতিহাসের সবচেয়ে সফলতম বোলার শেন ওয়ার্ন। ১৪৫ টেস্টে ৭০৮ উইকেট এবং ১৯৪টি এক দিনের ম্যাচে ২৯৩ উইকেট রয়েছে এই কিংবদন্তির। সম্প্রতি নিজের আত্মজীবনী প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ওয়ার্নি। ‘নো স্পিন’ নামের বইটি প্রকাশ হবার আগেই দেশটির সাবেক অধিনায়ক স্টিভ ওয়াহকে নিয়ে বিস্ফোরক তথ্য বেরিয়ে এসেছে। ‘দ্য টাইমস’ এ বইটির অংশ বিশেষ ফাঁস হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ান জনপ্রিয় এই দৈনিকে প্রকাশ করা হয়েছে, ঘনিষ্ঠ বন্ধু স্টিভকে সবচেয়ে আত্মকেন্দ্রিক ক্রিকেটার হিসেবে উল্লেখ করেছেন ওয়ার্ন। তিনি বলেন, ‘আমার দেখা সবচেয়ে স্বার্থপর ক্রিকেটার ছিলেন তিনি। শুধু নিজের গড় ৫০ হচ্ছে কি না সেই নিয়েই চিন্তিত ছিলেন।’
১৯৯৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে চতুর্থ টেস্টে ওয়ার্নকে দল থেকে বাদ দিয়েছিলেন স্টিভ ওয়াহ। অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর স্টিভ মানুষ হিসেবে পুরোপুরি বদলে গিয়েছিলেন উল্লেখ করে ওয়ার্ন বলেন, ‘অধিনায়কত্ব পাবার পর বদলে যান তিনি। আমাকে বাদ দিয়েছিলেন বলে কথাগুলো বলছি না। যদি আমি পারফর্ম করতে না-পারি তাহলে আমি দলে থাকব না এটাই স্বাভাবিক। এতে আমার কোনও সমস্যা নেই। কিন্তু এখানে পারফরম্যান্সের বাইরেও অন্য ব্যাপার ছিল।
৪৯ বছর বয়সী এই তারকার বরাতে টাইমস আরও জানায়, আমার মনে হয় স্টিভ আমাকে হিংসা করত। আমার ডায়েট (খাদ্যাভাস) নিয়ে কথা বলত। এটাও বলত যে, আমি জীবনে কী হতে চাই, সেটা যেন ঠিক করে নিই। আমার আচরণ নিয়েও তার প্রশ্ন ছিল। আমি তাকে বলেছিলাম, বন্ধু তুমি নিজের ব্যাপারে ভাবো।’

স্টিভ ওয়াহর কাঁধে মাথা দেয়া শেন ওয়ার্ন
ক্রিকেটের ইতিহাসের সর্বকালের সেরা এই লেগস্পিনার জানান, ক্যারিবিয়ানদের বিপক্ষে একেবারেই ভালো সময় যাচ্ছিল না তার। ১৩৪.০০-এর গড়ে প্রথম তিন টেস্ট মিলিয়ে উইকেট পেয়েছিলেন মাত্র দুটি। প্রথম টেস্টে ৩১২ রানে হেরেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তৃতীয় টেস্টে এসে জমে যায় সিরিজ। চতুর্থ ও শেষ টেস্টের আগে ওয়ার্নকে দলে নেয়ার কথা বলেছিলেন কোচ জিওফ মার্শ ও নির্বাচক অ্যালান বর্ডার। কিন্ত সেসময়কার সহকারী-অধিনায়ক ওয়ার্নকে বাদ দিয়েই দল সাজান স্টিভ।
আরও পরুন :
ওয়াই/জেবি




