
এ নিয়ে টানা দুই হার রাজশাহী রয়ালসের। অন্যদিকে টানা দ্বিতীয় জয় রংপুর রেঞ্জার্সের। আন্দ্রে রাসেলের নেতৃত্বে টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই দুর্দান্ত খেলে আসছে দলটা। কিন্তু নিজেদের সপ্তম ম্যাচে ঢাকা প্লাটুনের বিপক্ষে ৭৪ রানে হারের পর আজ হেরেছে রংপুর রেঞ্জার্সের কাছে।
প্রথম দুই ম্যাচ খেলার পর তৃতীয় ম্যাচে জায়গা হারান, চতুর্থ ম্যাচে আবারও ফেরেন একাদশে। তিন ম্যাচে উইকেট শূন্য থাকায় পঞ্চম, ষষ্ঠ আর সপ্তম ম্যাচেও দলে জায়গা হয়নি তাসকিন আহমেদের। অথচ এই তাসকিন গত বিপিএলে ১২ ম্যাচে ২২ উইকেট নিয়ে হয়েছিলেন টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি!
টুর্নামেন্টে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচে জয়ের বিকল্প ছিল না রংপুর রেঞ্জার্সের। তাসকিন দলে ফিরেই হারিয়ে দিলেন শক্তিশালী রাজশাহী রয়ালসকে।
টস জিতে ফিল্ডিং করাটা যেন নিয়ম করে ফেলেছে রাজশাহী। আজও ঘটেনি ব্যতিক্রম। ঢাকায় তৃতীয় পর্বে শেষ দিনের শেষ ম্যাচে টস জিতে ব্যাট করতে পাঠায় রংপুর রেঞ্জার্সকে।
ব্যাট করতে নেমে রংপুরের ওপেনার শেন ওয়াটসন হতাশ করলেন এই ম্যাচেও। তার ব্যাটে রান যেন সোনার হরিণ। আজ মাত্র ৭ রানেই সাজঘরে ফেরেন আফিফ হোসেনের বলে ক্যাচ দিয়ে।
আরেক ওপেনার নাঈম শেখ ধরে রেখেছেন ধারাবাহিকতা। ৪৭ বলে ৫৫ রানের ইনিংস খেলে ক্যাচ এন্ড বোল্ড হয়ে বিদায় নেন কামরুল ইসলাম রাব্বির বলে।
চার নম্বরে ব্যাট করতে নেমে ক্যামেরুন ডেলপোর্টের ১৭ বলে ৩১, লুইস গ্রেগরির ১৭ বলে ২৮ আর শেষদিকে জহুরুল ইসলাম অমির ৮ বলে ১৯ রানে ভর করে ৬ উইকেটে ১৮২ রান তুলে ফেলে রংপুর।
রাজশাহীর হয়ে ২টি করে উইকেট নেন মোহাম্মদ ইরফান ও আফিফ। ১টি করে উইকেট নেন রাব্বি ও ফরহাদ রেজা।
পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে থাকা রংপুর আজ যেন ফুলকির মতো জ্বলে উঠলেন। বল হাতে দুর্দান্ত তাসকিন, সঙ্গে মোস্তাফিজের আঁটসাঁট বোলিং কাবু করে ফেলে রাজশাহীর ব্যাটারদের।
রাজশাহীর হয়ে অলোক কাপালির ব্যাটে আসে সর্বোচ্চ ৩১ (২৮) রান। এছাড়া রাবি বোপারার ২৮, নাহিদুল ইসলামের ১৯ রানের সঙ্গে বড় ইনিংস খেলতে ব্যর্থ হোন আন্দ্রে রাসেল। ৭ বলে ১৭ রানের ইনিংস খেলে রান আউটে কাটা পড়েন রয়ালস অধিনায়ক।
ততোক্ষণে রাজশাহীর জয়ের স্বপ্ন ফিকে হয়ে যায়। ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৩৫ রান পর্যন্ত তুলতে পারে রয়ালসরা। ৪৭ রানের জয়ে মাঠ ছাড়ে রংপুর।
তাসকিন নেন ৪ ওভারে ২৯ রান দিয়ে ৪ উইকেট। মোস্তাফিজ ৪ ওভারে ১ মেডেন নিয়ে দেন মাত্র ১৬ রান। লুইস গ্রেগরি নেন ২ উইকেট, মোহাম্মদ নাবী নেন ১ উইকেট।
এমআর/ এমকে




