
অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ থেকেই নির্বাচকদের নজরে নাজমুল হোসেন শান্ত। এরইমধ্যে জাতীয় দলের হয়েও অভিষেক ঘটেছে ২১ বছর বয়সী এই ব্যাটসম্যানের। পুরাদস্তুর ব্যাটসম্যান হলেও দলের প্রয়োজনে করেন বোলিংও। দুটি টেস্ট, তিনটি ওয়ানডে আর আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি খেলেছেন দুটি। এই কটা ম্যাচে কতই বা আর তুলে ধরতে পেরেছেন নিজেকে। তরুণ শান্ত তাই শেখার দিকেই দিয়েছেন পুরোপুরি মনোযোগ।
এবারের বঙ্গবন্ধু বিপিএলে খেলছেন খুলনা টাইগার্সের হয়ে। দলের হয়ে সব ম্যাচেই খেলেছেন। যদিও আশানুরূপ ব্যাটিংটা করতে পারেননি এখনও। ছয় ম্যাচে নেই একটিও পঞ্চাশোর্ধ রানের ইনিংস।
সবশেষ ম্যাচে সিলেট থান্ডারের বিপক্ষে মেহেদী হাসান মিরাজের সঙ্গে শতরানের ওপেনিং জুটি গড়লেও করতে পেরেছিলেন মাত্র ৪১ রান। এর আগের পাঁচ ম্যাচে করেছেন ৪, ০, ১, ০ আর ৩০ রান।
তবে কি টি-টোয়েন্টির সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিতে কষ্ট হচ্ছে শান্তর?
‘না আমার কাছে ওইরকম মনে হচ্ছে না। এখন পর্যন্ত ৪০-৫০টা ম্যাচের মতো খেলেছি। এ বছরের শুরুর দিকের কয়েকটা ম্যাচ যদি দেখেন, প্রথম কয়েকটি ম্যাচে আমি দ্রুত আউট হয়ে গেছি। এক-দুই বলের মধ্যেই, তাই সেভাবে ইনিংসটা সাজানোর সুযোগই পাইনি। তো আমার কাছে ওইরকম কিছু মনেই হচ্ছে না। শেষ দুইটা ম্যাচে ভালো শুরু পেয়েছে, বাকি ম্যাচগুলোতে যদি এটা করতে পারি তাহলে বড় রান করার প্রত্যাশা করছি।’
বয়সভিত্তিক দল থেকে জাতীয় দল, এই সময়টায় সেভাবেই গড়ে তোলা হয়েছে তাকে। তাই প্রত্যাশাটাও বেশি। শান্ত বলছেন, প্রত্যাশা না থাকাটাই ভালো।
‘আসলে প্রত্যাশা না থাকা ভালো। সকলেরই প্রত্যাশা থাকে, নিজের থাকে, পরিবারের থাকে। এটা নিয়ে বেশি ঘাটাঘাটি না করে প্রক্রিয়াটা মেনে চললেই আমার মনে হয় ভালো করা সম্ভব। ভালো করলে এমনেই প্রত্যাশা পূরণ হবে।’
খুলনা টাইগার্সের হয়ে খেলছেন রিলে রুশো, রাবি ফ্রাইলিঙ্কের মতো ক্রিকেটাররা। শান্ত শিখছেন তাদের থেকেও।
‘আলাদাভাবে ওইরকম কোনও কথা হয়নি। তবে রুশো খুব ভালো টাচে আছে। শেষ দুই তিন বছর বিপিএলে খুব ভালো খেলছেন। তাকে দেখে অনেক কিছু শেখা যায়। অনেক সময় অনুশীলনে দেখা হয়, কথা হয়। অভিজ্ঞতা শেয়ার করে, যা আমার জন্য ভালো।’
জাতীয় দল কিংবা বিপিএল। বড় সব ক্রিকেটারদের সঙ্গে খেলে তাদের থেকে কিছু শেখার চেষ্টা করছেন বলেও জানান এই ওপেনার। তবে অনুকরণ করেন না বলেও জানান তিনি।
‘আমি সবার খেলা দেখেই কিছু না কিছু নেয়ার চেষ্টা করি। আমার নিজের একটা ধরন আছে খেলার, সেটার সঙ্গে মিল রেখেই কাজ করি। নির্দিষ্ট করে কাউকে অনুকরণ করার ইচ্ছা নেই।’
এমআর/ওয়াই




