ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩

কোকোর স্মৃতিকে সম্মান জানাতে জাতীয় গ্রীষ্মকালীন অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতা

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ : ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৭ এএম
ছবি: সংগৃহীত

ক্রীড়া সংগঠক হিসেবে আরাফাত রহমান কোকোর অবদান তুলে ধরা এবং তরুণ প্রজন্মকে তার পদাঙ্ক অনুসরণে অনুপ্রাণিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ অ্যাথলেটিকস ফেডারেশন (বিএএফ) তাদের ১৮তম জাতীয় গ্রীষ্মকালীন অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতা তার নামে আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

তিন দিনব্যাপী ‘কোকো ১৮তম জাতীয় গ্রীষ্মকালীন অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতা-২০২৬’ আগামী ২৩ অক্টোবর রাজধানীর জাতীয় স্টেডিয়ামে শুরু হবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

স্মরণীয় এই আয়োজনকে সর্বাত্মকভাবে সফল করতে ইতোমধ্যেই যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো: আমিনুল হক সরেজমিন জাতীয় স্টেডিয়াম পরিদর্শন করে সেখানকার সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে আয়োজকদের সাথে আলোচনা করেছেন।

বাংলাদেশ অ্যাথলেটিকস ফেডারেশনের সাধারন সম্পাদক আলী ইমাম তপন বলেছেন, ‘এই মুহূর্তে বাংলাদেশের অ্যাথলেটিকস মোটেই ভাল অবস্থানে নেই। এই পরিস্থিতি অচিরেই কাটিয়ে উঠতে সরকারের পক্ষ থেকে সকল সহযোগিতার আশ্বাস মিলেছে। তারই ধারাবাহিকতায় এবারের এই গ্রীষ্মকালীণ অ্যাথলেটিকসকে ঘিড়ে দেশজুড়ে ভিন্নমাত্রার একটি সাড়া পড়েছে, যা ফেডারেশনকে বাড়তি অনুপ্রেরণা যোগাচ্ছে।’

বিএএফের যুগ্ম সম্পাদক মনজুর মোরশেদ বলেন, ক্রীড়া প্রশাসনে কোকোর ভূমিকা, বিশেষ করে বাংলাদেশের ক্রিকেটের উন্নয়নে তার অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়া এবং তরুণ প্রজন্মকে তার অর্জণ সম্পর্কে অবহিত রাখার লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা চাই, বর্তমান প্রজন্ম কোকোর অবদান সম্পর্কে জানুক এবং ক্রীড়া সংগঠক হিসেবে তার অর্জনগুলো স্মরণ করুক। বাংলাদেশে অ্যাথলেটিকসকে এগিয়ে নিতে আমরা তাঁর কাজ থেকে অনুপ্রেরণা নিতে চাই।

প্রতিযোগিতায় মোট ৪০টি ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে পুরুষদের ২২টি এবং নারীদের ১৮টি ইভেন্ট রয়েছে। দেশের ৬৪টি জেলা, বিভিন্ন বিভাগ ও সার্ভিসেস দলের প্রায় ৮০০ অ্যাথলেট এতে অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। অংশগ্রহণকারী দলগুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বাংলাদেশ নৌবাহিনী, বাংলাদেশ বিমানবাহিনী, বাংলাদেশ আনসার, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও বাংলাদেশ পুলিশ। এ ছাড়া বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং শারীরিক শিক্ষা কলেজের অ্যাথলেটদেরও এ প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।

পুরুষদের ইভেন্টগুলো হলো ১০০ মিটার স্প্রিন্ট, ২০০ মিটার স্প্রিন্ট, ৪০০ মিটার স্প্রিন্ট, ৮০০ মিটার দৌড়, ১,৫০০ মিটার দৌড়, ৩,০০০ মিটার স্টিপলচেজ, ৫,০০০ মিটার দৌড়, ১০,০০০ মিটার দৌড়, ১১০ মিটার হার্ডলস, ৪০০ মিটার হার্ডলস, ২০ কিলোমিটার হাঁটা, ম্যারাথন, ৪ী১০০ মিটার রিলে, ৪ী৪০০ মিটার রিলে, লং জাম্প, হাই জাম্প, ট্রিপল জাম্প, পোল ভল্ট, শটপুট, ডিসকাস থ্রো, জ্যাভলিন থ্রো ও হ্যামার থ্রো।

নারীদের ইভেন্টগুলো হলো ১০০ মিটার স্প্রিন্ট, ২০০ মিটার স্প্রিন্ট, ৪০০ মিটার স্প্রিন্ট, ৮০০ মিটার দৌড়, ১,৫০০ মিটার দৌড়, ৩,০০০ মিটার দৌড়, ৫,০০০ মিটার দৌড়, ১০,০০০ মিটার দৌড়, ১০০ মিটার হার্ডলস, ৪ী৪০০ মিটার রিলে, লং জাম্প, হাই জাম্প, ট্রিপল জাম্প, শটপুট, ডিসকাস থ্রো ও জ্যাভলিন থ্রো।

বিএএফের যুগ্ম সম্পাদক আশা প্রকাশ করেন, এ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে অ্যাথলেটিকসের প্রতি সাধারণ মানুষের আগ্রহ বাড়বে। আন্তর্জাতিক বহু-ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অ্যাথলেটিকসকে অন্যতম মৌলিক খেলা হিসেবে বিবেচনা করা হলেও বাংলাদেশে এ খেলায় প্রতিনিধিত্ব এখনো সীমিত।

মোরশেদ বলেন, অ্যাথলেটিকস হলো খেলাধুলার ভিত্তি। অথচ বড় আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতাগুলোতে আমাদের প্রতিনিধিত্ব এখনো সীমিত। আমরা অলিম্পিক, এশিয়ান গেমস ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার জন্য আরও শক্তিশালী অ্যাথলেট দল গড়ে তুলতে চাই।

ফেডারেশনের সভাপতি, অন্যান্য কর্মকর্তা এবং পৃষ্ঠপোষকদের অ্যাথলেটিকসের উন্নয়নে অঙ্গীকারের কথা উল্লেখ করে তিনি এ খেলার ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

প্রতিযোগিতায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারী অ্যাথলেটদের যথাক্রমে ৬ হাজার, ৪ হাজার ও ৩ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে।

এদিকে প্রতিযোগিতার পৃষ্ঠপোষক সেরা অ্যাথলেটের জন্য একটি এক্সপ্লোর ই-বাইক মোটরসাইকেল পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। পাশাপাশি নতুন জাতীয় রেকর্ড গড়া অ্যাথলেটকে অতিরিক্ত ২০ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ফেডারেশন।

বিএএফ আশা করছে, ধারাবাহিক পৃষ্ঠপোষকতা এবং সাধারণ মানুষের ব্যাপক অংশগ্রহণ অ্যাথলেটিকসের ভিত্তি আরও শক্তিশালী করবে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের পারফরমেন্স উন্নত করতে সহায়তা করবে।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
এশিয়ান গেমসের সেমিফাইনালে বাংলাদেশের ইমরানুর
এশিয়ান গেমসে ১০০ মিটার স্প্রিন্টে ১০.৪৯ সেকেন্ড টাইমিং করে সেরা ২৪ এর মধ্যে ২২তম হয়ে সেমিফাইনালে উঠেছেন বাংলাদেশের দ্রুততম মানব ইমরানুর রহমান।  ১০০ মিটার স্প্রিন্টে ছয়টি হিট অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশের দ্রুততম মানব ইমরানুর রহমান ছিলেন পাঁচ নম্বর হিটে। সেখানে ছিলেন মোট সাত জন দৌঁড়বিদ।  দক্ষিণ এশিয়ার দ্রুততম মানব মালদ্বীপের হাসান সাঈদও ছিলেন পঞ্চম হিটে। আর সেখানে ইমরান ছিলেন পাঁচ নম্বর লেনে। প্রতি হিটের প্রথম তিন জন সেমিফাইনালে উঠেছেন। এরা বাদে ছয় হিটের শীর্ষ ছয় টাইমিংধারী সেমিফাইনালের টিকিট পেয়েছেন।  বাংলাদেশের দ্রুততম মানব ইমরান ১০.৪৯ সেকেন্ড টাইমিং করে তার হিটে ছয় জনের মধ্যে চতুর্থ হন। এই হিটে তৃতীয় হওয়া তাইপের অ্যাথলেট ১০.৩৮ সেকেন্ড টাইমিং করেন। ইমরানের ক্যারিয়ার সেরা টাইমিং ১০.১১ সেকেন্ড। আর মৌসুমের সেরা ১০.২৪ সেকেন্ড। এর কোনোটিই করতে পারেননি। ইমরান তার সেরা টাইমিং করতে না পারলেও এশিয়ান গেমসের সেমিফাইনালে উঠেছেন। প্রতি হিটের সেরা তিনের বাইরে ছয় জন সেরা টাইমিংধারীদের মধ্যে রয়েছেন ইমরান। ১০.২২ সেকেন্ডে তার অবস্থান ২২ তম। আরটিভি/এসআর
এশিয়ান গেমসের সেমিফাইনালে বাংলাদেশের ইমরানুর
এনএসসিতে হিসাব দেয়নি বাফুফেসহ ৩৮ ফেডারেশন
এনএসসি অ্যাক্টের ২৩ নম্বর ধারায় প্রত্যেক জাতীয় ক্রীড়া সংস্থার বার্ষিক আয়-ব্যয় এর হিসাব বিবরণী ও অডিট পরবর্তী বছরের সেপ্টেম্বরের মধ্যে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের নিকট দাখিলের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত ৫২ ফেডারেশনের মাত্র ১৪ ফেডারেশন ২০২৪-২৫ অর্থ বছরের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের এই আইন অনেক দিন থেকেই। ফেডারেশনগুলোকে আর্থিক জবাবদিহিতার আওতায় আনতে পারেনি এনএসসি। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সাবেক সচিব মো. আমিনুল ইসলাম ফেডারেশনগুলোর কাছে অডিট রিপোর্টের প্রতিবেদন চেয়েছিলেন।  সেই প্রতিবেদন না দেওয়ায় ফেডারেশনগুলোর অনুদান স্থগিতও ছিল কিছু দিন। পরবর্তীতে অবশ্য সেই কড়াকড়ি অবস্থান আর থাকেনি। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পরিচালক (অর্থ) তনময় ইসলাম সকল ফেডারেশন/এসোসিয়েশনকে ২০২৪-২৫ অর্থ বছরের ব্যয় বিবরণী ও অডিট রিপোর্ট অবিলম্বে প্রদানের নির্দেশনা দিয়েছেন। পাশাপাশি ২০২৫-২৬ অর্থ বছরের অডিট প্রতিবেদন সেপ্টেম্বরের মধ্যে জমা দেয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন।  ২০২৪-২৫ অর্থ বছরের আয়-ব্যয় বিবরণী ও অডিট রিপোর্ট কাবাডি, সাঁতার, শুটিং,ভলিবল, বাস্কেটবল, কুস্তি, জিমন্যাস্টিক্স, শরীর গঠন, বিলিয়ার্ড, মহিলা ক্রীড়া সংস্থা, রাগবি, মাউন্টেরিং, প্যারা অলিম্পিক, ক্রিকেট বোর্ড জমা দিয়েছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে। ২০২৫-২৬ অর্থ বছরের অডিট ও আয়-ব্যয় এখন পর্যন্ত জমা দিয়েছে শুধু বাংলাদেশ মাউন্টেনিয়ারিং এসোসিয়েশন। দেশের অন্যতম শীর্ষ ফেডারেশন ফুটবল সরকারের কাছে প্রতিনিয়ত নানা রকম সুবিধা চায়। অথচ জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দেয়নি। ফুটবল ফেডারেশনের কাছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের তিন হোম ম্যাচের গেট মানির অর্থ চেয়েও পায়নি। ঐ ম্যাচগুলোর আয়-ব্যয় এখনো মিডিয়ার সামনে আনেনি ফুটবল ফেডারেশন।  ফুটবলের পাশাপাশি আরচ্যারি, অ্যাথলেটিক্স, দাবা, কারাতে, ব্যাডমিন্টন, টেবিল টেনিস, সাইক্লিংসহ আরো অনেক গুরুত্বপূর্ণ ফেডারেশনই জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে আয়-ব্যয় বিবরণী ও অডিট প্রতিবেদন জমা দেয়নি। আরটিভি/এসআর
এনএসসিতে হিসাব দেয়নি বাফুফেসহ ৩৮ ফেডারেশন
বোল্টের চেয়েও দ্রুত, ২০০ মিটারে ঝড় তুললেন এক অস্ট্রেলিয়ান
২০০ মিটার স্প্রিন্টে এখনো অপ্রতিদ্বন্দ্বী উসাইন বোল্টের বিশ্বরেকর্ড। ২০০৯ বিশ্ব অ্যাথলেটিকস চ্যাম্পিয়নশিপে গড়া তার ১৯.১৯ সেকেন্ডের রেকর্ড আজও অক্ষত। তবে বয়সভিত্তিক পারফরম্যান্সে এবার তাকে ছাড়িয়ে আলোচনায় উঠে এসেছেন অস্ট্রেলিয়ার তরুণ স্প্রিন্টার গাউট গাউট।  অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল চ্যাম্পিয়নশিপে ২০০ মিটার দৌড়ে গাউট গাউট সময় নিয়েছেন মাত্র ১৯.৬৭ সেকেন্ড, যা তার ক্যারিয়ারের সেরা এবং দেশের জাতীয় রেকর্ড। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো গাউটের বর্তমান বয়সে বোল্টের সেরা টাইমিং ছিল ১৯.৯৩ সেকেন্ড। ফলে অনূর্ধ্ব–২০ বিভাগে গাউট এখন কার্যত বোল্টের চেয়েও এগিয়ে। অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যম ফক্স স্পোর্টস জানিয়েছে, গাউটের এই সময় অনূর্ধ্ব–২০ বিভাগে ইতিহাসের দ্বিতীয় সেরা। এই তালিকার শীর্ষে আছেন যুক্তরাষ্ট্রের এরিয়ন নাইটনের, যিনি ২০২২ সালে ১৯.৪৯ সেকেন্ড সময় নিয়েছিলেন। দক্ষিণ সুদান বংশোদ্ভূত এই তরুণ অ্যাথলেট কুইন্সল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করেন। গত বছর বাতাসের অনুকূলে ১৯.৮৪ সেকেন্ডে দৌড়ালেও সেটি বৈধ রেকর্ড হিসেবে গণ্য হয়নি। এবার কোনো ধরনের সহায়তা ছাড়াই ১৯.৬৭ সেকেন্ডে দৌড়ে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন তিনি। দৌড় শেষে গাউট বলেন, এ ধরনের টাইমিং করার মতো গতি ও সক্ষমতা আমার আছে এটা বুঝতে পারাটা বিশাল স্বস্তির। এখন আমি আরও ভালো কিছুর জন্য প্রস্তুত। গাউটের কোচ ডি শেফার্ডও এই পারফরম্যান্সে বিস্মিত। এবিসি স্পোর্টসকে তিনি বলেন, আমি ভেবেছিলাম ২০ সেকেন্ডের নিচে হবে, কিন্তু এতটা কম সময় এটা কল্পনাও করিনি। এই দৌড়ে দ্বিতীয় হয়েছেন অ্যাইডেন মারফি, যিনি ১৯.৮৮ সেকেন্ড সময় নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসে দ্বিতীয় দ্রুততম স্প্রিন্টার হিসেবে জায়গা করে নিয়েছেন। আরও পড়ুন আলকারাজকে হারিয়ে শীর্ষে সিনার তরুণ বয়সেই এমন পারফরম্যান্স দেখিয়ে গাউট গাউট এখন বিশ্ব অ্যাথলেটিকসে নতুন এক সম্ভাবনার নাম যাকে ঘিরে ভবিষ্যতে আরও বড় কিছুর প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। আরটিভি/এসকে
বোল্টের চেয়েও দ্রুত, ২০০ মিটারে ঝড় তুললেন এক অস্ট্রেলিয়ান