ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

এনএসসিতে হিসাব দেয়নি বাফুফেসহ ৩৮ ফেডারেশন

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০৫ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

এনএসসি অ্যাক্টের ২৩ নম্বর ধারায় প্রত্যেক জাতীয় ক্রীড়া সংস্থার বার্ষিক আয়-ব্যয় এর হিসাব বিবরণী ও অডিট পরবর্তী বছরের সেপ্টেম্বরের মধ্যে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের নিকট দাখিলের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত ৫২ ফেডারেশনের মাত্র ১৪ ফেডারেশন ২০২৪-২৫ অর্থ বছরের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে।

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের এই আইন অনেক দিন থেকেই। ফেডারেশনগুলোকে আর্থিক জবাবদিহিতার আওতায় আনতে পারেনি এনএসসি। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সাবেক সচিব মো. আমিনুল ইসলাম ফেডারেশনগুলোর কাছে অডিট রিপোর্টের প্রতিবেদন চেয়েছিলেন।

সেই প্রতিবেদন না দেওয়ায় ফেডারেশনগুলোর অনুদান স্থগিতও ছিল কিছু দিন। পরবর্তীতে অবশ্য সেই কড়াকড়ি অবস্থান আর থাকেনি।

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পরিচালক (অর্থ) তনময় ইসলাম সকল ফেডারেশন/এসোসিয়েশনকে ২০২৪-২৫ অর্থ বছরের ব্যয় বিবরণী ও অডিট রিপোর্ট অবিলম্বে প্রদানের নির্দেশনা দিয়েছেন। পাশাপাশি ২০২৫-২৬ অর্থ বছরের অডিট প্রতিবেদন সেপ্টেম্বরের মধ্যে জমা দেয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন।

২০২৪-২৫ অর্থ বছরের আয়-ব্যয় বিবরণী ও অডিট রিপোর্ট কাবাডি, সাঁতার, শুটিং,ভলিবল, বাস্কেটবল, কুস্তি, জিমন্যাস্টিক্স, শরীর গঠন, বিলিয়ার্ড, মহিলা ক্রীড়া সংস্থা, রাগবি, মাউন্টেরিং, প্যারা অলিম্পিক, ক্রিকেট বোর্ড জমা দিয়েছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে। ২০২৫-২৬ অর্থ বছরের অডিট ও আয়-ব্যয় এখন পর্যন্ত জমা দিয়েছে শুধু বাংলাদেশ মাউন্টেনিয়ারিং এসোসিয়েশন।

দেশের অন্যতম শীর্ষ ফেডারেশন ফুটবল সরকারের কাছে প্রতিনিয়ত নানা রকম সুবিধা চায়। অথচ জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দেয়নি। ফুটবল ফেডারেশনের কাছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের তিন হোম ম্যাচের গেট মানির অর্থ চেয়েও পায়নি। ঐ ম্যাচগুলোর আয়-ব্যয় এখনো মিডিয়ার সামনে আনেনি ফুটবল ফেডারেশন।

ফুটবলের পাশাপাশি আরচ্যারি, অ্যাথলেটিক্স, দাবা, কারাতে, ব্যাডমিন্টন, টেবিল টেনিস, সাইক্লিংসহ আরো অনেক গুরুত্বপূর্ণ ফেডারেশনই জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে আয়-ব্যয় বিবরণী ও অডিট প্রতিবেদন জমা দেয়নি।

আরটিভি/এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
এশিয়ান গেমসের সেমিফাইনালে বাংলাদেশের ইমরানুর
এশিয়ান গেমসে ১০০ মিটার স্প্রিন্টে ১০.৪৯ সেকেন্ড টাইমিং করে সেরা ২৪ এর মধ্যে ২২তম হয়ে সেমিফাইনালে উঠেছেন বাংলাদেশের দ্রুততম মানব ইমরানুর রহমান।  ১০০ মিটার স্প্রিন্টে ছয়টি হিট অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশের দ্রুততম মানব ইমরানুর রহমান ছিলেন পাঁচ নম্বর হিটে। সেখানে ছিলেন মোট সাত জন দৌঁড়বিদ।  দক্ষিণ এশিয়ার দ্রুততম মানব মালদ্বীপের হাসান সাঈদও ছিলেন পঞ্চম হিটে। আর সেখানে ইমরান ছিলেন পাঁচ নম্বর লেনে। প্রতি হিটের প্রথম তিন জন সেমিফাইনালে উঠেছেন। এরা বাদে ছয় হিটের শীর্ষ ছয় টাইমিংধারী সেমিফাইনালের টিকিট পেয়েছেন।  বাংলাদেশের দ্রুততম মানব ইমরান ১০.৪৯ সেকেন্ড টাইমিং করে তার হিটে ছয় জনের মধ্যে চতুর্থ হন। এই হিটে তৃতীয় হওয়া তাইপের অ্যাথলেট ১০.৩৮ সেকেন্ড টাইমিং করেন। ইমরানের ক্যারিয়ার সেরা টাইমিং ১০.১১ সেকেন্ড। আর মৌসুমের সেরা ১০.২৪ সেকেন্ড। এর কোনোটিই করতে পারেননি। ইমরান তার সেরা টাইমিং করতে না পারলেও এশিয়ান গেমসের সেমিফাইনালে উঠেছেন। প্রতি হিটের সেরা তিনের বাইরে ছয় জন সেরা টাইমিংধারীদের মধ্যে রয়েছেন ইমরান। ১০.২২ সেকেন্ডে তার অবস্থান ২২ তম। আরটিভি/এসআর
এশিয়ান গেমসের সেমিফাইনালে বাংলাদেশের ইমরানুর
বোল্টের চেয়েও দ্রুত, ২০০ মিটারে ঝড় তুললেন এক অস্ট্রেলিয়ান
২০০ মিটার স্প্রিন্টে এখনো অপ্রতিদ্বন্দ্বী উসাইন বোল্টের বিশ্বরেকর্ড। ২০০৯ বিশ্ব অ্যাথলেটিকস চ্যাম্পিয়নশিপে গড়া তার ১৯.১৯ সেকেন্ডের রেকর্ড আজও অক্ষত। তবে বয়সভিত্তিক পারফরম্যান্সে এবার তাকে ছাড়িয়ে আলোচনায় উঠে এসেছেন অস্ট্রেলিয়ার তরুণ স্প্রিন্টার গাউট গাউট।  অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল চ্যাম্পিয়নশিপে ২০০ মিটার দৌড়ে গাউট গাউট সময় নিয়েছেন মাত্র ১৯.৬৭ সেকেন্ড, যা তার ক্যারিয়ারের সেরা এবং দেশের জাতীয় রেকর্ড। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো গাউটের বর্তমান বয়সে বোল্টের সেরা টাইমিং ছিল ১৯.৯৩ সেকেন্ড। ফলে অনূর্ধ্ব–২০ বিভাগে গাউট এখন কার্যত বোল্টের চেয়েও এগিয়ে। অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যম ফক্স স্পোর্টস জানিয়েছে, গাউটের এই সময় অনূর্ধ্ব–২০ বিভাগে ইতিহাসের দ্বিতীয় সেরা। এই তালিকার শীর্ষে আছেন যুক্তরাষ্ট্রের এরিয়ন নাইটনের, যিনি ২০২২ সালে ১৯.৪৯ সেকেন্ড সময় নিয়েছিলেন। দক্ষিণ সুদান বংশোদ্ভূত এই তরুণ অ্যাথলেট কুইন্সল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করেন। গত বছর বাতাসের অনুকূলে ১৯.৮৪ সেকেন্ডে দৌড়ালেও সেটি বৈধ রেকর্ড হিসেবে গণ্য হয়নি। এবার কোনো ধরনের সহায়তা ছাড়াই ১৯.৬৭ সেকেন্ডে দৌড়ে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন তিনি। দৌড় শেষে গাউট বলেন, এ ধরনের টাইমিং করার মতো গতি ও সক্ষমতা আমার আছে এটা বুঝতে পারাটা বিশাল স্বস্তির। এখন আমি আরও ভালো কিছুর জন্য প্রস্তুত। গাউটের কোচ ডি শেফার্ডও এই পারফরম্যান্সে বিস্মিত। এবিসি স্পোর্টসকে তিনি বলেন, আমি ভেবেছিলাম ২০ সেকেন্ডের নিচে হবে, কিন্তু এতটা কম সময় এটা কল্পনাও করিনি। এই দৌড়ে দ্বিতীয় হয়েছেন অ্যাইডেন মারফি, যিনি ১৯.৮৮ সেকেন্ড সময় নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসে দ্বিতীয় দ্রুততম স্প্রিন্টার হিসেবে জায়গা করে নিয়েছেন। আরও পড়ুন আলকারাজকে হারিয়ে শীর্ষে সিনার তরুণ বয়সেই এমন পারফরম্যান্স দেখিয়ে গাউট গাউট এখন বিশ্ব অ্যাথলেটিকসে নতুন এক সম্ভাবনার নাম যাকে ঘিরে ভবিষ্যতে আরও বড় কিছুর প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। আরটিভি/এসকে
বোল্টের চেয়েও দ্রুত, ২০০ মিটারে ঝড় তুললেন এক অস্ট্রেলিয়ান
আরও পড়ুন
এক পরিবর্তন নিয়ে ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ
‘আমি বাংলা জানি না, সতীর্থরা আমাকে বোঝাতে ইশারা-ইঙ্গিত ব্যবহার করে’
আসিয়ান কাপের স্কোয়াড থেকে বাদ পড়লেন ৬ ফুটবলার
জাতীয় ফুটবল দলের নতুন জার্সির দাম ১৬০০ টাকা