ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

সানিয়া মির্জা-শোয়েব মালিকের বিচ্ছেদ, থাকছেন আলাদা

স্পোর্টস ডেস্ক : আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১০ নভেম্বর ২০২২, ০৯:৩৩ এএম

গত কয়েক দিন ধরেই আলোচনায় রয়েছে পাকিস্তানের তারকা ক্রিকেটার শোয়েব মালিক ও ভারতের টেনিস খেলোয়াড় সানিয়া মির্জা জুটির বিবাহবিচ্ছেদের খবর।

এ বিষয়ে যদিও তাদের কেউই এখনও মুখ খোলেনি।
তবে তাদের বিচ্ছেদের বিষয়ে নতুন খবর দিয়েছেন দু’জনেরই ঘনিষ্ঠ এক বন্ধু। তিনি আবার শোয়েবের ম্যানেজমেন্ট দলের সদস্যও।

তিনি জানান, তাদের বিচ্ছেদ হয়ে গেছে। তারা এখন আলাদা থাকছেন, এর বেশি এখন আর কিছু বলতে পারব না।আনন্দবাজার সূত্রে এ খবর জানা গেছে।

শনিবার (৫ নভেম্বর) রাতে পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ‘ডেইলি জাং’ দাবি করেছে, ‘শোয়েব মালিকের সঙ্গে সানিয়া মির্জার সংসার ভেঙে যাওয়ার মুখে রয়েছে। এমনকি তারা দুজনে গত কয়েক দিন ধরে আলাদা থাকছেন। তবে তাদের ছেলে ইজহান মির্জা মালিকের দেখাশোনা দুজনেই মিলে করছেন।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে সানিয়ার একটি পোস্টে এই জুটির ভাঙনের শঙ্কা তৈরি হয়েছে। যেখানে তিনি লিখেছেন, ‘ভাঙা হৃদয় কোথায় যায়? ঈশ্বর খুঁজতে।

শুধু তাই নয়, ছেলে ইজহানকে নিয়ে একটি ছবিও পোস্ট করেছেন টেনিস তারকা সানিয়া। যেখানে মা সানিয়াকে চুমু খাচ্ছে পুত্র ইজহান। সেই ছবির ক্যাপশনে সানিয়া লিখেছেন, ‘যে মুহূর্তগুলো কঠিন সময় পার করে দেয়।
এই পোস্টেও ঘর ভাঙার ইঙ্গিত রয়েছে বলে মনে করছেন অনেকে। কিন্তু তাদের সম্পর্কের রসায়নকে উদাহরণ হিসেবেই ধরা হতো। দু’জনের সম্পর্কের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিকটি ছিল কাঁটাতার।

ভারত-পাকিস্তানের পারস্পরিক সম্পর্কে বরাবরই তিক্ততার ছায়া লেগে থাকে। খেলার মাঠে তো তারা চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী। সেই পাকিস্তানের ক্রিকেটারের গলাতেই মালা দিয়েছিলেন হায়দরাবাদের টেনিস তারকা। নিন্দকদের কথায় কান দেননি দু’জনের কেউ।
২০০৩ সালে ভারতে খেলতে গিয়ে প্রথম সানিয়া-শোয়েবের দেখা হয়। সেখানে সাদামাটা আলাপের পর থেকেই দু’জনের যোগাযোগের সূত্রপাত। এর ৬ বছর পর ২০০৯ তাদের মন দেওয়া নেওয়া হয়। এর পরের বছর তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।

পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে, শোয়েব-সানিয়ার সম্পর্কের মাঝে এসেছেন তৃতীয় কেউ। শোয়েব অন্য কোনো মহিলার প্রতি আসক্ত হয়ে পড়েছেন বলে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

মেয়েদের ডাবলসে এক সময় এক নম্বর ছিলেন সানিয়া। তাঁর ঝুলিতে মেয়েদের ডাবলস বিভাগে রয়েছে তিনটি গ্র্যান্ড স্ল্যাম। মিক্সড ডাবলসেও জিতেছিলেন তিনটি গ্র্যান্ড স্ল্যাম।

শোয়েবও কোনো অংশে কম নন, ১৯৯৯ সাল থেকে পাকিস্তান ক্রিকেট দলের নিয়মিত মুখ ছিলেন তিনি। এক সময় দলের অধিনায়কের দায়িত্বও পালন করেন এই অলরাউন্ডার।

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিপিএলে শুধু এলিমিনেটর ও ফাইনালে থাকবে ‘পূর্ণ’ ডিআরএস
আধুনিক ক্রিকেটে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি হচ্ছে ডিসিশন রিভিউ সিস্টেম (ডিআরএস)। এই প্রযুক্তি ক্রিকেট মাঠে আম্পায়ারদের সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে বেশ কার্যকর ভূমিকা পালন করে থাকে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডও (বিসিবি) আসন্ন বিপিএলে প্রযুক্তিগত দিক থেকে আগের আসরের চেয়ে আরও ভালো কিছু করতে মরিয়া। কিন্তু আসরের শুরুতে এর পূর্ণতা দেখা যাবে না। শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ঈসমাইল হায়দার মল্লিক সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানিয়েছেন।   আগামী ৬ জানুয়ারি শুরু হবে সাত দলের ফ্র্যাঞ্চাইজি ভিত্তিক বিপিএল টি-টোয়েন্টির নবম আসর। কিন্তু আন্তর্জাতিক সূচিতে ঠাসা ম্যাচের কারণে ডিআরএস প্রযুক্তি টুর্নামেন্টের শুরু থেকে পাচ্ছে না বোর্ড। তবে এলিমিনেটরের তিন ম্যাচ ও ফাইনালে দেখা যাবে পূর্ণ ডিআরএস প্রযুক্তি। ঈসমাইল হায়দার মল্লিক বলেন, ‘আপনার জানেন মাত্র ভারত সিরিজ শেষ হলো। ৬ তারিখে আমাদের টুর্নামেন্ট শুরু। ডিআরএসের ব্যাপারটা হলো, এটা এলিমিনেটরে থাকবে। তিনটা ম্যাচ হয়, আরেকটা ফাইনাল। এখানে কমপ্লিট ডিআরএস থাকবে। আর বাকি ম্যাচগুলোতে আমরা একটা অল্টারনেট ডিআরএস দেওয়ার চেষ্টা করছি।’ পূর্ণ ডিআরএস আনতে না পারার কারণ এই কর্মকর্তা বলেন, ‘সারা বিশ্বে সব জায়গায় এই সময় অনেক খেলা হচ্ছে। ডিআরএসের জন্য দুইটা কোম্পানি এভেইলেবল থাকে- হক আই আর ভার্চুয়াল আই। বেসিক্যালি হক আই যেটা সেটা এভেইলেবল না। ভার্চুয়াল আই সাধারণত অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডের ওখানে করে। হক আই যেহেতু দ্বিপক্ষীয় সিরিজে চুক্তিবদ্ধ থাকে, তাই শুধু এলিমিনেটরে আমরা আনতে পারবো।’
বিপিএলে শুধু এলিমিনেটর ও ফাইনালে থাকবে ‘পূর্ণ’ ডিআরএস
স্ত্রীকে নিয়ে দুবাইয়ে শান্তর অবকাশ যাপন
স্ত্রী সাবরিন সুলতানা রত্নাকে নিয়ে দুবাইয়ে অবকাশ যাপনে আছেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের ওপেনার নাজমুল হোসেন শান্ত। ঘরের মাঠে ভারতের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ শেষে ছুটি কাটাতে দুবাইয়ে আছেন বাঁ-হাতি এই ওপেনার। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের একাধিক ছবি শেয়ার করেছেন তিনি। দুবাইয়ের ডেজার্ট সাফারিতে বর্তমানে ব্যস্ত সময় পার করছেন শান্ত। শুক্রবার (৩০ ডিসেম্বর) রাত ১১টা ৭ মিনিটে ব্যক্তিগত আইডিতে তিনটি ছবি শেয়ার করেছেন। ছবিতে তাকে বেশ হাসিখুশি দেখা গেছে। আর সাদা জোব্বায় স্ত্রীকে নিয়ে বাইকে চড়ে ঘুরছেন এই টাইগার ক্রিকেটার।  এদিকে বর্তমানে বাংলাদেশের একাধিক ক্রিকেটার পরিবারের সঙ্গে সময় পার করছেন। তবে জানুয়ারির শুরু থেকেই আসন্ন বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) মাঠ মাতাবেন ক্রিকেটাররা। টাইগারদের টেস্ট অধিনায়ক সাকিব আল হাসানও পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন।
স্ত্রীকে নিয়ে দুবাইয়ে শান্তর অবকাশ যাপন
উইজডেনের বর্ষসেরা একাদশে মিরাজ
২০২২ সালে ওয়ানডে ফরম্যাটে সেরা সময় কাটিয়েছে বাংলাদেশ। দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে শুরু করে ভারত, সব দলের বিপক্ষেই দাপট দেখিয়েছে টাইগাররা। তবে সাফল্যের বেশির ভাগ দেশের মাটিতেই এসেছে। আর বছরজুড়ে অলরাউন্ড নৈপুণ্যে উইজডেনের বর্ষসেরা ওয়ানডে একাদশে জায়গা করে নিয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ।   বছরজুড়ে দারুণ সময় কাটিয়েছেন মিরাজ। ১৫টি ওয়ানডেতে করেছেন ৩৩০ রান, গড় প্রায় ৬৬। আর বল হাতে নিয়েছেন ২৪ উইকেট।  একমাত্র বাংলাদেশি হিসেবে এই একাদশে জায়গা পেয়েছেন মিরাজ। পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড, ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার দুজন করে ক্রিকেটার এই একাদশে জায়গা পেয়েছেন। আর দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের একজন করে ক্রিকেটার জায়গা পেয়েছেন। এ ছাড়া দ্বাদশ ক্রিকেটার হিসেবে জিম্বাবুয়ের সিকান্দার রাজা জায়গা পেয়েছেন।  চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত আয়োজিত সব আন্তর্জাতিক ওয়ানডে পারফর্ম্যান্স বিবেচনায় এই একাদশ নির্বাচন করা হয়েছে।  উইজডেনের বর্ষসেরা একাদশ :  ট্রেভিস হেড, ইমাম উল হক, বাবর আজম, শ্রেয়াস আইয়ার, রুসি ফন ডার ডুসেন, টম লাথাম, মেহেদী হাসান মিরাজ, আলজারি জোসেফ, মোহাম্মদ সিরাজ, অ্যাডাম জাম্পা, ট্রেন্ট বোল্ট।
উইজডেনের বর্ষসেরা একাদশে মিরাজ
বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বকালের সেরা ক্রীড়াবিদ সাকিব
সেই ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের পর স্বাধীনতা অর্জনের ৫০টি বছর পেরিয়ে গেছে বাংলাদেশের। এই সময়ে লাল সবুজের প্রতিনিধিরা ক্রীড়াঙ্গনে সাফল্যও কম এনে দেননি। তবে আপনাকে যদি বলা হয়, বাংলাদেশের সেরা ক্রীড়াবিদ কে? তাহলে হয়ত আপনি কিছুটা অস্বস্তিতে পড়ে যাবেন। কারণ এটি নিয়ে তেমন কেউই মাথা ঘামায়নি।  এবার সেই উদ্যোগটিই গ্রহণ করেছে ক্রীড়া সাংবাদিকদের সবচেয়ে পুরাতন সংগঠন বাংলাদেশ স্পোর্টস প্রেস এসোসিয়েশন (বিএসপিএ)। সংগঠনটির ৬০ বছর পূর্তি (হীরকজয়ন্তী) অনুষ্ঠানে প্রকাশ করা হয়েছে বাংলাদেশের সর্বকালের সেরা ক্রীড়াবিদের নাম। যেখানে সাবেক ফুটবলার ও বর্তমানে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন ও দাবাড়ু গ্রান্ড মাস্টার নিয়াজ মোর্শেদকে পিছনে ফেলে বাংলাদেশের সর্বকালের সেরা ক্রীড়াবিদ নির্বাচিত হয়েছেন তারকা ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান। শুক্রবার (৩০ ডিসেম্বর) বিএসপিএ’র হীরকজয়ন্তী উৎসব উপলক্ষে রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে বর্ণাঢ্য এক  অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। সেখানে ১০ জনের সংক্ষিপ্ত তালিকা থেকে ৯ সদস্যের বিচারক প্যানেল প্রথমে সেরা তিন জন বাছাই করে। এরপর নির্বাচিত করা হয় বাংলাদেশের সর্বকালের সেরা ক্রীড়াবিদকে। যেখানে সাকিবের পরের অবস্থানে রয়েছেন কাজী সালাউদ্দিন ও তিনে নিয়াজ মোর্শেদ। উপরোক্তা তিনজন ছাড়া বাকি ৭জন হলেন- প্রয়াত ফুটবলার মোনেম মুন্না, ক্রিকেটার মাশরাফি বিন মর্তুজা, অ্যাথলেটিকসে প্রয়াত শাহ আলম, সাঁতারে মোশাররফ হোসেন খান, বক্সিংয়ে মোশারফ হোসেন, শুটিংয়ে আসিফ হোসেন খান ও গলফে সিদ্দিকুর রহমান। এই সাতজনকেও বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল এমপি। এদিন একইসঙ্গে দেশের ক্রীড়া সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ১০ ক্রীড়া সাংবাদিক ও লেখককে হীরকজয়ন্তী সম্মাননা প্রদান করা হয়। তারা হলেন- আব্দুল হামিদ, তৌফিক আজিজ খান, বদি-উজ-জামান, মুহাম্মদ কামরুজ্জামান, আব্দুল তৌহিদ, আতাউল হক মল্লিক, মতিউর রহমান চৌধুরী, দিলু খন্দকার, শহিদুল আজম ও মোস্তফা মামুন। একই সাথে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয় মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রাক্কালে ব্যাটে জয়-বাংলা স্লোগান লিখে মাঠে নামার অসীম সাহসিকতা দেখানো বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক এ এস এম রকিবুল হাসানকে।
বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বকালের সেরা ক্রীড়াবিদ সাকিব
আইসিসির বর্ষসেরা ক্রিকেটারের দৌড়ে এগিয়ে যারা
ক্যালেন্ডারের পাতা থেকে পরিসমাপ্তির দ্বারপ্রান্তে আরেকটি বছর। প্রতিবছর পারফরম্যান্সের বিচারে তিন ফরম্যাটে বর্ষসেরা ক্রিকেটার বাছাই করে ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি। এজন্য সংস্থাটি ইতোমধ্যেই বাছাই প্রক্রিয়া শুরু করে দিয়েছে। এবার জানা গেল বর্ষসেরার দৌড়ে সংক্ষিপ্ত তালিকায় থাকা ক্রিকেটারদের নাম। যেখানে আছেন ইংল্যান্ডের বেন স্টোকস, পাকিস্তানের বাবর আজম, জিম্বাবুয়ের সিকান্দার রাজা ও নিউজিল্যান্ডের টিম সাউদি। ২০১৯ সালে প্রথমবারের মতো আইসিসির বর্ষসেরা ক্রিকেটার নির্বাচিত হয়েছিলেন ইংল্যান্ড দলের বর্তমান টেস্ট অধিনায়ক স্টোকস। ফলে এই অলরাউন্ডারের সামনে হাতছানি দিচ্ছে ইতিহাস গড়ার। দুইবার করে বর্ষসেরা ক্রিকেটারের পুরস্কার জিতেছেন রিকি পন্টিং, মিচেল জনসন ও বিরাট কোহলি। এবার তার সামনেও এই কৃতিত্ব অর্জনের সুযোগ রয়েছে।  বছরের মাঝামাঝি ইংল্যান্ডের টেস্ট দলের নেতৃত্ব পেয়েছিলেন স্টোকস। এরপর তার নেতৃত্বে আমুল বদলে যায় টেস্ট ক্রিকেটের ধরন। তার অধীনে ১০ টেস্টের মধ্যে নয়টিতেই জিতেছে ইংলিশরা। এই ম্যাচগুলোতে ব্যাট হাতে ৮৭০ রানের সঙ্গে ২৬টি উইকেটও নিয়েছেন। এ ছাড়া ইংল্যান্ডের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন স্টোকস। তিন সংস্করণ মিলিয়ে ২৮ ম্যাচ খেলে স্টোকসের সংগ্রহ ১ হাজার ৬৬ রান, বল হাতে নিয়েছেন ৩৩ উইকেট। পাকিস্তানের অধিনায়ক বাবর আজম তিন ফরম্যাট মিলিয়ে ২ হাজার ৫৯৮ রান করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে ৮ সেঞ্চুরি। ৯ টেস্টে ৪ সেঞ্চুরিতে ৬৯ দশমিক ৬৪ গড়ে তিনি করেছেন ১ হাজার ১৮৪ রান। এর মধ্যে আছে করাচিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে চতুর্থ ইনিংসে প্রায় ১০ ঘণ্টা ব্যাট করে ১৯৬ রানের অসাধারণ ইনিংস।   বিদায়ী বছরে জিম্বাবুয়ের সিকান্দার রাজাও দারুণ খেলেছেন। তিন সংস্করণে ৩৯ ম্যাচে এই অলরাউন্ডারের সংগ্রহ ১ হাজার ৩৮০ রান। আর অফস্পিনে ৩৩টি উইকেট তুলে নিয়েছেন তিনি। বর্ষসেরার লড়াইয়ে থাকা কিউই পেসার টিম সাউদি তিন সংস্করণ মিলিয়ে ৩১ ম্যাচে উইকেট পেয়েছেন ৬৫টি। উল্লেখ্য, আগামী জানুয়ারির শেষের দিকে বিজয়ীদের নাম প্রকাশ করবে আইসিসি। এজন্য বর্ষসেরার নাম জানতে সমর্থকদের আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
আইসিসির বর্ষসেরা ক্রিকেটারের দৌড়ে এগিয়ে যারা
আরও পড়ুন
পরীকে কটাক্ষকারীদের এক হাত নিলেন সুবহা
রাজ-পরীর ঝগড়ার কারণ জানালেন বাবা
রাজের বাসা ছাড়লেন পরীমণি, পাঠাবেন বিচ্ছেদের চিঠি 
রাজ-পরীর সংসারে ভাঙন!