ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩

বাংলাদেশের স্বপ্ন ভেঙে এশিয়া কাপের ফাইনালে ভারত

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:২১ এএম
ভারতের কাছে ৪০ রানে হেরেছে বাংলাদেশ। ছবি: সংগৃহীত

চার ক্যাচ মিসেই ভেস্তে গেল ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন। নারী এশিয়া কাপের সেমিফাইনালে ভারতের কাছে ৪০ রানে হেরেছে বাংলাদেশ।

যেখানে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটের বিনিময়ে ১৪৯ রান সংগ্রহ করে ভারত। ফলে ফাইনালে উঠতে হলে বাংলাদেশকে করতে হতো ১৫০ রান। তবে সেই রান করতে ব্যর্থ হওয়ায় এশিয়া কাপ থেকে ছিটকে গেল বাংলাদেশ দল।

বড় লক্ষ্য তাড়ায় ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই স্লো ব্যাটিং করতে থাকে বাংলাদেশের দুই ওপেনার দিলারা আক্তার এবং জুহায়াইরা ফেরদৌস। তবে পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে ২৬ রানের মাথায় জুয়াইরিয়া বিদায় নেন ব্যক্তিগত ১৮ বলে ১৪ রান করে। এরপর ২৬ বলে ২১ রান করে আউট দিলারাও।

ওই অবস্থায় অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি এবং সোবহানা মোস্তারি দলকে টেনে তোলার চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হয়েছেন। ২৪ বলে ১৮ রানে উইকেট দিয়ে দলকে উল্টো বিপদে ফেলে যান সোবহানা। জ্যোতিও বিপদ থেকে রক্ষা করতে পারেননি, ফিরেছেন ১৭ বলে ১৯ রানে। শেষ দিকে স্বর্ণা আক্তারের ২২ এবং ফাহিমার ১৪ রান কেবল হারের ব্যবধান কমিয়েছে।

শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে বাংলাদেশের ইনিংস থেমেছে ৭ উইকেটে ১০৯ রানে। ৪০ রানের জিতে ফাইনালে ভারত। ভারতের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট শিকার করেছেন দিপ্তি শর্মা।

এর আগে দুবাইয়ে টস জিতে ভারতকে ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানায় বাংলাদেশের অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে ভারতীয় ওপেনার স্মৃতি মান্ধানাকে সাজঘরে পাঠান সুলতান খাতুন। পরে দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ৫০ রান তোলে ভারত। লড়াই চালিয়ে যাওয়া শেফালি ভার্মা দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৬৪ রান করেন।

এ ছাড়া ২৪ বলে ২০ রান করেন প্রতিকা রাওয়াল। পরে রিচা ঘোষ ২১ ও দিপ্তী শর্মা ১৩ রান করেন। ২৮ রানে অপরাজিত থাকেন হারমনপ্রিত। বাংলাদেশের সবচেয়ে সফল বোলার সুলতানা খাতুন। ৩০ রানের খরচায় দুটি উইকেট নেন তিনি। এ ছাড়া একটি করে উইকেটের দেখা পেয়েছেন মারুফা আক্তার, নাহিদা আক্তার ও রাবেয়া খান।

আরটিভি/ এসকেডি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
আইসিসি র‍্যাঙ্কিংয়ে তাসকিন, শরিফুল ও তানজিদের উন্নতি
ত্রিদেশীয় টুর্নামেন্টের প্রথম ওয়ানডেতে জিম্বাবুয়ের কাছে ৯৯ রানে হেরেছে বাংলাদেশ। তবে দল হারলেও ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের সুবাদে আইসিসির সর্বশেষ ওয়ানডে র‍্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি হয়েছে বাংলাদেশের তিন ক্রিকেটারের।
আইসিসি র‍্যাঙ্কিংয়ে তাসকিন, শরিফুল ও তানজিদের উন্নতি
আফগানিস্তানকে ১১৯ রানে থামাতে হবে বাংলাদেশের
২৮ রানে ছিল ৪ উইকেট। সেখান থেকে সাইফ হাসান ও পারভেজ হোসেন ইমন লড়াই করলেন। কিন্তু সেই লড়াই শেষ পর্যন্ত বৃথা গেল বাকি ব্যাটারদের ব্যর্থতায়। ফলে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মাত্র ১৬০ রানে গুটিয়ে গেছে বাংলাদেশের ইনিংস। এই মামুলি স্কোর নিয়ে বাংলাদেশ কি পারবে ৪১ রানে জিততে? তা না হলে শুক্রবার ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে দর্শকের ভূমিকায় থাকতে হবে টাইগারদের। বুধবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ত্রিদেশীয় সিরিজের কঠিন সমীকরণের ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমেই বিপদে পড়েন তানজিদ হাসান তামিম, সৌম্য সরকার, নাজমুল হোসেন শান্ত ও তাওহীদ হৃদয়রা। সিরিজের ফাইনালে খেলতে হলে বাংলাদেশকে জিততে হবে ৪১ রানের ব্যবধানে। ব্যাটিংয়ে নামার আগেই যখন এমন সমীকরণ, তখন দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ের পরিবর্তে আসা-যাওয়ার মিছিলে যোগ দেন প্রথম সারির চার ব্যাটার। ৭ ওভারে মাত্র ২৮ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়া দলকে খেলায় ফেরাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন ওপেনার সাইফ হাসান ও পারভেজ হোসেন ইমন। পঞ্চম উইকেটে তারা ১৪৭ বল মোকাবিলা করে ৯৩ রানের জুটি গড়েন। দলকে খেলায় ফেরাতে টেস্টের আদলে ব্যাটিং করেন সাইফ ও ইমন। তবে তাদের ধীরগতির ব্যাটিংয়ের কারণে স্কোর প্রত্যাশিত মাত্রায় বাড়েনি। ৩১ ওভার বা ১৮৬ বল খেলা শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৪ উইকেটে মাত্র ১২০ রান। ওয়ানডে ক্রিকেটে যেখানে প্রতি বলে গড়ে রান তোলার প্রত্যাশা থাকে, সেখানে প্রয়োজনীয় গতির তুলনায় অনেক পিছিয়ে পড়ে বাংলাদেশ। ৪৯ ও ৪১ রানে ব্যাটিংয়ে থাকা পারভেজ হোসেন ইমন ও সাইফ হাসানের কাছে প্রত্যাশা ছিল, দলকে এগিয়ে নিতে তারা হাত খুলে ব্যাট চালাবেন। কিন্তু ৩২তম ওভারের তৃতীয় বলে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন সাইফ। ওপেনিংয়ে ব্যাট করতে নেমে ৩১.৩ ওভারে ক্যাচ তুলে বিদায় নেওয়ার আগে ৮২ বলে ৪১ রান করেন তিনি। অর্থাৎ, প্রতি রান করতে তার গড়ে দুই বল লেগেছে। সাইফ আউট হওয়ার পর ব্যাটিংয়ে নেমে ৬ বলে মাত্র ২ রান করেন মেহেদী হাসান মিরাজ। হাত খুলে খেলতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন তিনিও। মিরাজ আউট হওয়ার পর কার্যত একাই লড়াই চালিয়ে যান পারভেজ হোসেন ইমন। পুরো ৫০ ওভার পর্যন্ত দলকে টেনে নিতে হলে তাকে হিসাব করে খেলতে হচ্ছিল। বড় শট খেলার সামর্থ্য থাকলেও উইকেট ধরে রেখে দলকে এগিয়ে নেওয়াই হয়ে ওঠে তার প্রধান লক্ষ্য। ৩৭.৩ ওভারে দলীয় ১৪৭ রানে সপ্তম ব্যাটার হিসেবে ফেরেন পেসার শরীফুল ইসলাম। ইমনকে সঙ্গ দিতে ক্রিজে আসেন অফ স্পিনার আলিস আল ইসলাম। বোলারদের নিয়ে ইনিংসের শেষ বল পর্যন্ত খেলার লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে থাকা ইমন বিপদে পড়েন ৪০তম ওভারের দ্বিতীয় বলে। রশিদ খানের গুগলিতে বিভ্রান্ত হয়ে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন তিনি। দলীয় ১৫৬ রানে আউট হওয়ার আগে ইমন ৯৬ বলে সর্বোচ্চ ৭০ রান করেন। তার ইনিংসটি সাজানো ছিল পাঁচটি চার ও দুটি ছক্কায়। অষ্টম ব্যাটার হিসেবে ইমন আউট হওয়ার পর মাত্র ১২ বলের ব্যবধানে স্কোরবোর্ডে ৬ রান যোগ করতেই সাজঘরে ফেরেন আলিস আল ইসলাম ও মোস্তাফিজুর রহমান। তাদের বিদায়ের মধ্য দিয়ে ৪১.২ ওভারে ১৬০ রানে থামে বাংলাদেশের ইনিংস। আরটিভি/টিআর
আফগানিস্তানকে ১১৯ রানে থামাতে হবে বাংলাদেশের
বাংলাদেশের একাদশে তিন পরিবর্তন
ত্রিদেশীয় সিরিজের বাঁচা-মরার লড়াইয়ে বাংলাদেশ আফগানিস্তানের বিপক্ষে ব্যাটিং নিয়েছে। আবুধাবিতে তাওহীদ হৃদয় টস জেতেন এবং আফগানদের রান তাড়া করার চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন। টাইগারদের বুধবার (২১ অক্টোবর) জিততেই হবে ফাইনাল খেলতে হলে। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আগের ম্যাচে ৯৯ রানে হেরেছিল বাংলাদেশ। অন্যদিকে আফগানিস্তানের কাছে ১৫৮ রানের বড় ব্যবধানে হেরেছে জিম্বাবুয়ে। তাতে ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে রান রেটের হিসাব গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। আফগানিস্তানের বিপক্ষে শুধু জয় নয়, জয়ের ব্যবধানও বড় ভূমিকা রাখবে বাংলাদেশের ভাগ্য নির্ধারণে। বাংলাদেশ দলে তিনটি পরিবর্তন। দলে জায়গা পেয়েছেন পারভেজ  ইমন, মেহেদী হাসান মিরাজ ও আলিস আল ইসলাম। রিশাদ হোসেন, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ও নুরুল হাসান সোহান একাদশ থেকে বাদ পড়েছেন। আলিসের জন্য ম্যাচটি বিশেষ। গত মাসে এশিয়ান গেমসে টি-টোয়েন্টি অভিষেক হয়েছিল তার। এবার আফগানিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে অভিষেক হচ্ছে এই ক্রিকেটারের। বাংলাদেশ একাদশ তাওহিদ হৃদয় (অধিনায়ক), তানজিদ হাসান, সৌম্য সরকার, নাজমুল হোসেন, সাইফ হাসান, পারভেজ হোসেন, মেহেদী হাসান মিরাজ, শরীফুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান ও আলিস আল ইসলাম। আফগানিস্তান একাদশ রহমানউল্লাহ গুরবাজ (উইকেটকিপার), ইব্রাহিম জাদরান, সেদিকুল্লাহ আতাল, রহমত শাহ (অধিনায়ক), হাশমতউল্লাহ শহিদি, আজমতউল্লাহ ওমরজাই, মোহাম্মদ নবী, রশিদ খান, এএম গজনফর, ইয়ামিন আহমদজাই, বিলাল সামি। আরটিভি/টিআর
বাংলাদেশের একাদশে তিন পরিবর্তন
অনূর্ধ্ব-১৯ নারী বিশ্বকাপের সূচি প্রকাশ
২০২৭ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ যৌথভাবে আয়োজন করবে বাংলাদেশ ও নেপাল। ১৬টি দলকে নিয়ে আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে অনুষ্ঠিতব্য এই টুর্নামেন্টের পর্দা নামবে ৬ ফেব্রুয়ারি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) বুধবার (২১ অক্টোবর) টুর্নামেন্টের সূচি ঘোষণা করেছে। চট্টগ্রাম, সিলেট ও কাঠমান্ডুর চারটি ভেন্যুতে (কাঠমান্ডুতে দুটি স্টেডিয়াম) ১৬টি দল মোট ৪১টি ম্যাচে অংশ নেবে। টুর্নামেন্টের আগের দুটি আসরেই চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ভারত। ২০২৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত আসরে শেফালি ভার্মার নেতৃত্বে এবং ২০২৫ সালে মালয়েশিয়ায় নিকি প্রসাদের নেতৃত্বে শিরোপা জেতে দলটি। এবার ভারত রয়েছে ‘এ’ গ্রুপে। এই গ্রুপের অন্য দলগুলো হলো আয়ারল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও সহ-আয়োজক নেপাল। ২২ জানুয়ারি কাঠমান্ডুর টিইউ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে আয়ারল্যান্ড ও নেপাল। ‘বি’ গ্রুপে রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা, নিউজিল্যান্ড, পাকিস্তান ও সামোয়া। অস্ট্রেলিয়া, বাংলাদেশ, নাইজেরিয়া ও সংযুক্ত আরব আমিরাত রয়েছে ‘সি’ গ্রুপে। আর ‘ডি’ গ্রুপে রয়েছে ইংল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, যুক্তরাষ্ট্র ও স্কটল্যান্ড। আগামী ২১ জানুয়ারি উদ্বোধনী দিনে চারটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। আয়োজক দেশ বাংলাদেশের মুখোমুখি হবে সংযুক্ত আরব আমিরাতের। সকালে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে। একই ভেন্যুতে বিকেলে অস্ট্রেলিয়া খেলবে নাইজেরিয়ার বিপক্ষে। এছাড়া কাঠমান্ডুর আপার মুলপানি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট গ্রাউন্ডে শ্রীলঙ্কা খেলবে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে। এরপর মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্র। গ্রুপ পর্ব চলবে ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত। এরপর প্রতিটি গ্রুপ থেকে তিনটি করে দল সুপার সিক্স পর্বে উঠবে। সুপার সিক্সে নয়টি দল দুই গ্রুপে বিভক্ত হয়ে অংশ নিবে। সেখান থেকে প্রতিটি গ্রুপের শীর্ষ দুটি দল সেমিফাইনালে জায়গা করে নেবে। চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ৪ ফেব্রুয়ারি সেমিফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে। একই মাঠে ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ৬ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে। সেমিফাইনাল ও ফাইনালের পরের দিন রিজার্ভ ডে রাখা হয়েছে। আইসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সঞ্জোগ গুপ্তা বলেছেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার জন্য তরুণ খেলোয়াড়দের একটি মঞ্চ তৈরি করে দেবে এই টুর্নামেন্ট। তিনি বলেন, আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ আমাদের খেলার ভবিষ্যৎ প্রতিভাদের তুলে ধরার মঞ্চ। নিজ নিজ দেশের প্রতিনিধিত্ব করে তরুণ খেলোয়াড়দের শীর্ষ পর্যায়ে ক্যারিয়ার গড়ার পথে এগিয়ে যাওয়ার জন্য এটি সর্বোচ্চ পর্যায়ের সুযোগ। ১৬টি দলের খেলোয়াড়রা বিশ্ববাসীর মনোযোগ আকর্ষণ করবে। একই সঙ্গে তারা অন্যান্য ক্রিকেটারদের কাছে পরিচিত ও অনুকরণীয় আদর্শ হয়ে উঠবে এবং তাদের ক্রিকেটযাত্রা অব্যাহত রাখতে অনুপ্রেরণা জোগাবে। গুপ্তা আরও বলেন, আয়োজক হিসেবে বাংলাদেশ ও নেপালকে বেছে নেওয়ার উদ্দেশ্য হচ্ছে ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ বিকাশে আইসিসির আস্থা ও বিনিয়োগের প্রতিফলন এতে প্রমানিত হয়। ক্রিকেটের প্রতি গভীর ভালোবাসা এবং দুই দেশের জনসংখ্যার প্রায় ৪০ শতাংশের বয়স ২০ বছরের নিচে হওয়ায় বিশ্বের অন্যতম বড় যুব ক্রীড়া আসর আয়োজনের জন্য দেশ দুটি আদর্শ। আরটিভি/টিআর
অনূর্ধ্ব-১৯ নারী বিশ্বকাপের সূচি প্রকাশ
নারী আইপিএলের নিলামে এবারও নেই বাংলাদেশের কোনো ক্রিকেটার
বিশ্বজুড়ে ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের জনপ্রিয়তা বাড়লেও নারী ক্রিকেটের অন্যতম বড় আসর উইমেন্স প্রিমিয়ার লিগের (ডব্লিউপিএল) আসন্ন মৌসুমের নিলামে এবারও জায়গা হয়নি বাংলাদেশের কোনো নারী ক্রিকেটারের। নিলামে অংশ নিতে নিবন্ধন করা ক্রিকেটারদের তালিকায় নেই বাংলাদেশের কোনো প্রতিনিধির নাম।  এবারের নিলামে সর্বোচ্চ ৫০ লাখ রুপি ভিত্তিমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ইংল্যান্ডের ব্যাটার সোফিয়া ডাংকলি ও অস্ট্রেলিয়ার অলরাউন্ডার সোফি মলিনিউর জন্য। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪০ লাখ রুপি ভিত্তিমূল্যের তালিকায় রয়েছেন ভারতের জি কামালিনী ও কিরণ নাগভিরে এবং অস্ট্রেলিয়ার হিদার গ্রাহাম ও জেস জোনাসেন। এ ছাড়া ৩০ লাখ রুপি ভিত্তিমূল্যে নিলামে নাম নিবন্ধন করেছেন ৩০ জন ক্রিকেটার। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক চামারি আতাপাত্তু, অস্ট্রেলিয়ার গ্রেস হ্যারিস ও দক্ষিণ আফ্রিকার ক্লো ট্রায়ান। নারী ক্রিকেটের বিশ্বব্যাপী প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগগুলো ক্রিকেটারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হয়ে উঠেছে। এসব টুর্নামেন্টে খেলার সুযোগ পেলে বিশ্বের অভিজ্ঞ ও তারকা ক্রিকেটারদের সঙ্গে ড্রেসিংরুম ভাগাভাগি করার পাশাপাশি নিজেদের দক্ষতা ও সামর্থ্য তুলে ধরার সুযোগ পান খেলোয়াড়েরা। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিজ্ঞতা অর্জনেও এসব লিগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশের নারী ক্রিকেটারদের মধ্যে অতীতে জাহানারা আলম ও সালমা খাতুনের মতো খেলোয়াড় ডব্লিউপিএলে খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন। তবে তাদের পর আর কোনো বাংলাদেশি ক্রিকেটার এই প্রতিযোগিতায় জায়গা করে নিতে পারেননি। এবারের নিলামেও বাংলাদেশের কোনো ক্রিকেটারের নাম না থাকায় দেশের নারী ক্রিকেটারদের বিদেশি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে অংশগ্রহণের সুযোগ নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা বাড়াতে এ ধরনের প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি করা গুরুত্বপূর্ণ। আরটিভি/এসকে
নারী আইপিএলের নিলামে এবারও নেই বাংলাদেশের কোনো ক্রিকেটার
আরও পড়ুন
জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণ পেরিয়ে সুস্থতার পথে বাকৃবি শিক্ষার্থী জীম
আফগানিস্তানকে ১১৯ রানে থামাতে হবে বাংলাদেশের
বাংলাদেশের একাদশে তিন পরিবর্তন
রিয়াদের সঙ্গে ফের ফ্লাইট চালুর ঘোষণা