
দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দলকে ৫ উইকেটে হারিয়ে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ জিতে নিয়েছে বাংলাদেশ ‘এ’ দল। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সিরিজের শেষ ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে সহজেই হারিয়ে ১-০ ব্যবধানে সিরিজ নিজেদের করে নেয় স্বাগতিকরা। সিরিজের প্রথম ওয়ানডে বৃষ্টির কারণে পরিত্যক্ত হয়েছিল।
টস জিতে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ ‘এ’ দল। ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’। রিভালদো মুনসামিকে ফিরিয়ে দেন মুশফিক হাসান। এরপর জুবাইর হামজা ও মারকেস অ্যাকারম্যান প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ৩৫ বলে ৩১ রান করে হামজা আলিস আল ইসলামের শিকার হন। পরে অ্যাকারম্যানকেও ফেরান রিশাদ হোসেন।
নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে বড় সংগ্রহ গড়তে পারেনি প্রোটিয়া দল। বাংলাদেশের স্পিনার রিশাদ ও আলিসের বোলিংয়ে চাপে পড়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটিং লাইনআপ। শেষ দিকে ইমরান মানাক কিছুটা লড়াই করেন। ৫৩ বলে ৪৩ রান করার পর রিশাদের বলে আউট হন তিনি। এরপর ১৬ বলে ১৫ রান করা কাইল সিমন্ডসকে সাজঘরে ফেরান সাইফ হাসান।
নির্ধারিত ৪০ ওভারে ১৮২ রানেই অলআউট হয় দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’। বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল রিশাদ হোসেন। তিনি ৪ উইকেট শিকার করেন। আলিস আল ইসলাম নেন ৩ উইকেট। এ ছাড়া মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, সাইফ হাসান ও মুশফিক হাসান একটি করে উইকেট পান।
১৮৩ রানের লক্ষ্য তাড়ায় দারুণ শুরু করে বাংলাদেশ ‘এ’। দুই ওপেনার সাইফ হাসান ও নাঈম শেখের ব্যাটে উদ্বোধনী জুটিতে আসে ৯৩ রান। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিলেন সাইফ, অন্যদিকে নাঈম খেলেছেন নিয়ন্ত্রিত ব্যাটিং।
দারুণ ব্যাটিংয়ে অর্ধশতক তুলে নেওয়ার পর ৫৩ বলে ৬১ রান করে আউট হন সাইফ। এরপর পারভেজ হোসেন ইমন ১৬ বলে ১৭ এবং নুরুল হাসান সোহান ২২ বলে ১৬ রান করেন।
অন্য প্রান্তে ইনিংস ধরে রেখে ফিফটি পূর্ণ করেন নাঈম শেখ। জয়ের পথে তাকে সঙ্গ দেন রিশাদ হোসেন। দলীয় ১৭০ রানে পৌঁছানোর পর ৭৭ বলে ৬০ রান করে আউট হন নাঈম।
জয়ের একেবারে দ্বারপ্রান্তে গিয়ে দ্রুত কয়েকটি উইকেট হারালেও শেষ পর্যন্ত কোনো বিপদ হয়নি বাংলাদেশের। মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ১০ বলে ৩ এবং আফিফ হোসেন ধ্রুব ৬ বলে ৬ রান করে আউট হন। তবে রিশাদ হোসেন ১৪ বলে ৫ রান করে অপরাজিত থেকে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন।
শেষ পর্যন্ত ৫ উইকেট হাতে রেখেই ম্যাচ জিতে নেয় বাংলাদেশ ‘এ’ দল। দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট শিকার করেন কাইল সিমন্ডস।
আরটিভি/এসকে




