ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩

ক্রিকেটের নিয়মে বড় পরিবর্তন আনলো আইসিসি

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ : ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১১ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

সময় নষ্ট করা, বলের আকার ও ওজন, ওভারথ্রো এবং রানআউট-স্টাম্পিংয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয়ে পরিবর্তন এনেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। পাশাপাশি বেশ কিছু পুরোনো নিয়ম আরও স্পষ্ট করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) পুরুষ ও নারী ক্রিকেটের সব সংস্করণের হালনাগাদ প্লেয়িং কন্ডিশন প্রকাশ করেছে আইসিসি।

আইসিসির পুরুষ ক্রিকেট কমিটির চেয়ারম্যান সৌরভ গাঙ্গুলী বলেছেন, প্লেয়িং কন্ডিশনে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে। এর মধ্যে ক্রিকেট বল, ফিল্ডিংয়ের কিছু বিষয়ে আরও স্পষ্টতা এবং খেলার গতি বাড়ানোর ব্যবস্থা রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আধুনিক ক্রিকেটের প্রয়োজনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নিয়মগুলো তৈরি করা হয়েছে, একই সঙ্গে খেলার সততা ও ধারাবাহিকতাও বজায় রাখা হয়েছে।

তিন ফরম্যাটের ক্রিকেটেই যেসব নতুন নিয়ম প্রযোজ্য হবে

সময় নষ্ট করলে ব্যাটারকে শাস্তি

ব্যাটার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বল মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত না থাকলে প্রথম অপরাধে সতর্ক করবেন আম্পায়ার। একই ঘটনা দ্বিতীয়বার ঘটলে দেওয়া হবে শেষ সতর্কতা। তৃতীয়বার এবং এরপর প্রতিবার এমন হলে ফিল্ডিং দল পাবে ৫ পেনাল্টি রান। বারবার একই অপরাধ করলে আইসিসির কোড অব কন্ডাক্টের বিধানও প্রয়োগ করা যেতে পারে।

নারী ও জুনিয়র ক্রিকেটে বলের মাপ নির্দিষ্ট

পুরুষ ক্রিকেটের বলে আকার ও ওজনের ক্ষেত্রে এত দিন থেকেই নির্দিষ্ট সীমা ছিল। তবে নারী ও জুনিয়র ক্রিকেটে অনেক সময় একই বল দুই শ্রেণিতে ব্যবহার করা হতো। নতুন নিয়মে পুরুষ, নারী ও জুনিয়র ক্রিকেটের জন্য তিনটি আলাদা আকার ও ওজনের স্পেসিফিকেশন নির্ধারণ করা হয়েছে। বিশেষ করে নারী ক্রিকেটের বলে আকার ও ওজনের সীমা আরও কঠোর করা হয়েছে।

ওভারথ্রো

কোন পরিস্থিতিকে ওভারথ্রো বলা হবে, সেটিও স্পষ্ট করেছে আইসিসি। রান আটকানো বা রানআউট করার উদ্দেশ্যে বল স্টাম্পের দিকে ছুড়ে দেওয়া হলে সেটি ওভারথ্রো হিসেবে বিবেচিত হবে। তবে বল থামানোর চেষ্টা কিংবা অন্য ফিল্ডারের কাছে বল পাঠানোর সময় সাধারণ মিসফিল্ড হলে সেটিকে ওভারথ্রো বলা হবে না।

বল ‘সেটলড’ হওয়ার নিয়মে পরিবর্তন

বল কখন পুরোপুরি ‘সেটলড’ হয়েছে, তা নির্ধারণে এখন আম্পায়ারকে আরও বেশি স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ শেষ বলে বিষয়টি তাৎপর্যপূর্ণ হতে পারে। নতুন নিয়মে বল ‘সেটলড’ হওয়ার জন্য সেটি অবশ্যই বোলার বা উইকেটকিপারের হাতে থাকতে হবে—এমন বাধ্যবাধকতা আর থাকছে না।

রানআউট বা স্টাম্পিং

রানআউট বা স্টাম্পিংয়ের সময় কোনো ফিল্ডার বল হাতে ধরে স্টাম্প ভাঙলে সেটি বৈধভাবে ‘হেল্ড’ বল হিসেবে বিবেচিত হবে কেবল তখনই, যখন বলের ওপর তার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকবে। অর্থাৎ স্টাম্প ভাঙার মুহূর্তে হাতে শুধু বলের স্পর্শ থাকলেই সেটিকে বল ধরে রাখা হিসেবে গণ্য করা হবে না।

আরটিভি/এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
এশিয়ান গেমসের পদক নির্ধারণী ম্যাচ কবে, কখন, কোথায়?
এশিয়ান গেমসের পুরুষ ক্রিকেটের সেমিফাইনালে বাংলাদেশকে হারিয়ে ফাইনালের টিকিট পায় পাকিস্তান। অন্যদিকে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে স্বর্ণপদকের লড়াই নিশ্চিত করেছে ভারত। আগামী ৩ অক্টোবর মুখোমুখি হবে এশিয়ার দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও পাকিস্তান। বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ১০টায় শুরু হবে ম্যাচটি। এর আগে একইদিন সকাল ৬টায় ব্রোঞ্জ পদকের লড়াইয়ে মাঠে নামবে বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা। সেমিফাইনালে হেরে দুই দলই হতাশ হলেও এখনও পদক নিয়ে দেশে ফেরার সুযোগ রয়েছে তাদের সামনে। তবে পদক নির্ধারণী ম্যাচ দুটির ক্ষেত্রে বৃষ্টির বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। ফাইনাল কিংবা তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ বৃষ্টি বা নাজুক আউটফিল্ডের কারণে পরিত্যক্ত হলে কোয়ার্টার ফাইনাল বা সেমিফাইনালের ‘র‌্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে থাকা দল জয়ী’, এমন কোনো নিয়ম প্রযোজ্য হবে না। ফাইনাল ম্যাচ পরিত্যক্ত হলে ভারত ও পাকিস্তানকে যৌথভাবে স্বর্ণপদক দেওয়া হবে। একইভাবে বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ পরিত্যক্ত হলে দুই দলকেই যৌথভাবে ব্রোঞ্জপদক দেওয়া হবে। একনজরে পদক নির্ধারণী ম্যাচের লাইনআপ বাংলাদেশ বনাম শ্রীলঙ্কা, ৩ অক্টোবর বাংলাদেশ সময় সকাল ৬টা  ভারত বনাম পাকিস্তান, ৩ অক্টোবর বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ১০টা আরটিভি/এসআর
এশিয়ান গেমসের পদক নির্ধারণী ম্যাচ কবে, কখন, কোথায়?
সিলেট-বরিশালের পর খুলনায় আজ শুরু রবি বোলার হান্টের ট্রায়াল
দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতিভাবান বোলার খুঁজে বের করতে আয়োজিত ‘রবি বোলার হান্ট’-এর বিভাগীয় ট্রায়াল কার্যক্রম এগিয়ে চলছে।
সিলেট-বরিশালের পর খুলনায় আজ শুরু রবি বোলার হান্টের ট্রায়াল
পাকিস্তানের কাছে হেরে সোনা জয়ের স্বপ্ন শেষ বাংলাদেশের
এশিয়ান গেমসের সেমিফাইনালে পাকিস্তানের কাছে ৬ উইকেটে হেরে বিদায় নিয়েছে বাংলাদেশ। বৃষ্টির কারণে ১৩ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে আগে ব্যাট করে ৭ উইকেটে ১১১ রান করে বাংলাদেশ। জবাবে ১১.৩ ওভারেই ৪ উইকেট হারিয়ে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় পাকিস্তান।
পাকিস্তানের কাছে হেরে সোনা জয়ের স্বপ্ন শেষ বাংলাদেশের
শুভমানের ডাবল সেঞ্চুরি, ৮১১ রানের ম্যাচে ক্যারিবিয়ানদের হারিয়ে ভারতের ইতিহাস
দ্বিতীয় ওয়ানডে ভারত ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটারদের তাণ্ডবে রান বন্যায় ভেসে গেছে গুয়াহাটির বারসাপাড়া স্টেডিয়াম। প্রথম ইনিংসে ক্যারিবিয়ানরা ৪০৫ রান করলে জবাব দিতে নেমে চার-ছক্কার বৃষ্টি ঝরিয়েছে ভারতীয় ব্যাটাররা। এতে বড় পুঁজি গড়েও হার এড়াতে পারেনি সফরকারীরা।  বিপরীতে রোহিতের সেঞ্চুরি ও গিলের ডাবল সেঞ্চুরিতে ভর করে উইকেটের জয় পায় ভারত। রান তাড়া করে ভারতের এটি সর্বোচ্চ বড় জয়। আর সবমিলিয়ে দ্বিতীয়। সবার উপরে আছে ২০০৬ সালে অনুষ্ঠিত হওয়া দক্ষিণ আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়ার সেই ঐতিহাসিক ম্যাচ। যেখানে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৪৩৪ রানের বিশাল দিয়েছিল রিকি পন্টিংয়ের অস্ট্রেলিয়া। জবাব দিতে নেমে ১ বল ও ১ উইকেট হাতে থাকতেই জয় তুলে নিয়েছিল গ্রেমি স্মিথের দক্ষিণ আফ্রিকা। সেই জয়ের পরই ওয়ানডে ইতিহাসের দ্বিতীয় বড় হিসেবে জায়গা পেল ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজের এই ম্যাচটি। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) আগে ব্যাট করতে নেমে ভারতকে ৪০৫ রানের বড় লক্ষ্য দেয় ক্যারিবিয়ানরা। জবাব দিতে নেমে ৩৯ বল ও ৮ উইকেট হাতে থাকতেই জয় তুলে নেয় ম্যান ইন ব্লুরা। পাহাড় সমান লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকে বলে বলে বাউন্ডারি মেরে রান তুলতে থাকেন ভারতের দুই ওপেনার রোহিত শর্মা ও শুভমান গিল। ৬২ বলে সেঞ্চুরি তুলে নেন গিল।  এরপর ৭২ বলে সেঞ্চুরির দেখা পায় রোহিত । কিন্তু এরপরই লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি। তিনে ব্যাট করতে নেমে দ্রুত রান তুলতে থাকেন বিরাট কোহলিও। কিন্তু ১৯ বলে ২৯ রান করে ক্যাচ আউট হন এই তারকা ব্যাটার। তবে অপর প্রান্ত আগলে রেখে ঋতুরাজ গায়কোড়ডকে সঙ্গে নিয়ে ডাবল সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যান শুভমান গিল। ১১৭ বলে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ডাবল সেঞ্চুরি তুলে নেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ঋতুরাজের ৩১ রান ও গিলের অপরাজিত ২২৩ রানে ভর করে ৩৯ বল ও ৮ উইকেট হাতে থাকতেই জয় তুলে নিয়েছে ভারত। এর আগে ব্যাট করতে নেমে জন ক্যাম্পবেল, আমির জাঙ্গু ও শাই হোপের সেঞ্চুরিতে ভারতীয় বোলারদের তুলোধুনে করে ৪০৫ রানের পাহাড় গড়েছে ক্যারিবীয়রা। ওয়ানডে ক্রিকেটে এটাই ওয়েষ্ট ইন্ডিজের দলীয় সর্বোচ্চ স্কোর। তারপরও হার এড়াতে পারেনি ক্যারিবিয়ানরা। আরটিভি/এসআর
শুভমানের ডাবল সেঞ্চুরি, ৮১১ রানের ম্যাচে ক্যারিবিয়ানদের হারিয়ে ভারতের ইতিহাস
ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচে সেঞ্চুরির বিশ্বরেকর্ড
গুয়াহাটিতে তিন সেঞ্চুরিতে ভারতকে ৪০৫ রানের লক্ষ্য দিয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। জবাব দিতে নেমেই সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছিলেন ভারতের দুই ওপেনার রোহিত শর্মা ও শুভমান গিল। এতে ওয়ানডেতে এক ম্যাচে সবচেয়ে বেশি সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েছে তারা। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) গুয়াহাটিতে আগে ব্যাটিংয়ে নামে জন ক্যাম্পবেল, শাই হোপ ও আমির জাঙ্গু সেঞ্চুরি করেন। ওয়ানডের এক ইনিংসে সর্বোচ্চ তিনটি শতরানের যৌথ রেকর্ড গড়েন তারা। তারপর শুবমান গিলও সেঞ্চুরির দেখা পান। ভারতের এই ব্যাটার ৬২ বলে তার ১১তম সেঞ্চুরি হাঁকান। ওয়ানডে ইতিহাসে এক ম্যাচে যৌথভাবে সর্বোচ্চ চারটি সেঞ্চুরির দেখা মেলে।  ১৯৯৮ সালে পাকিস্তান-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচে প্রথমবার চারটি সেঞ্চুরি হয়েছিল। পাকিস্তানের ইজাজ আহমেদ, মোহাম্মদ ইউসুফ এবং অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডাম গিলক্রিস্ট ও রিকি পন্টিং সেঞ্চুরি করেন। তারপর দীর্ঘদিন পর এক ম্যাচে চার সেঞ্চুরি হয়েছিল। ২০১৩ সালে নাগপুরে অস্ট্রেলিয়া-ভারত ম্যাচে সেঞ্চুরি করেন শেন ওয়াটসন, জর্জ বেইলি ও স্বাগতিকদের শিখর ধাওয়ান ও বিরাট কোহলি। তারপর এক ম্যাচে চার সেঞ্চুরি হয়েছিল ২০২৩ সালে, হায়দরাবাদে শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানের বিশ্বকাপ ম্যাচে। শ্রীলঙ্কার কুশল মেন্ডিস ও সাদিরা সামারাবিক্রমা এবং পাকিস্তানের আব্দুল্লাহ শফিক ও মোহাম্মদ রিজওয়ান তিন অঙ্কের ঘরে পৌঁছান। এবার সব রেকর্ড ভেঙে দিলো ভারত ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচ। গিলের পর রোহিত ৭২ বলে সেঞ্চুরি করেন। তাতে ওয়ানডেতে প্রথমবার এক ম্যাচে পাঁচ সেঞ্চুরিতে ইতিহাসের পাতায় নাম লিখল ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজের এই ম্যাচ। আরটিভি/এসআর
ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচে সেঞ্চুরির বিশ্বরেকর্ড
আরও পড়ুন
টি-টোয়েন্টিতে শারমিনের উন্নতি, অবনতি মারুফার
বিশ্বকাপের ভেন্যু দেখতে বাংলাদেশে আসছে আইসিসির প্রতিনিধি দল
নিউইয়র্কে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ, অস্কারজয়ী অভিনেত্রীসহ শতাধিক গ্রেপ্তার
আইসিসির সব সদস্যকে পদত্যাগের আহ্বান ট্রাম্পের