ঢাকা সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩

তামিমের এক ফোনেই যেভাবে ঢাকায় আইপিএলের নিলাম সঞ্চালক 

ক্রীড়া প্রতিবেদক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২২ পিএম
চারু শর্মা। ছবি: সংগৃহীত

ক্রিকেটের সঙ্গে চারু শর্মার সম্পর্ক বহুদিনের। তবে ভারতের এই অভিজ্ঞ ব্যক্তিত্বের সবচেয়ে বড় পরিচিতি নিলাম পরিচালনাকারী হিসেবে। আইপিএলের মতো বড় টুর্নামেন্টের নিলামেও তার উপস্থিতি যেন অবিচ্ছেদ্য।

এবার বাংলাদেশের ঘরোয়া টুর্নামেন্ট ডি থ্রি-এর নিলাম পরিচালনার দায়িত্বে চারু শর্মা। নিলামের ফাঁকে তিনি জানালেন, বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবালের একটি ফোনকলেই কীভাবে বাংলাদেশে আসার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।

তার ভাষ্যমতে, ‘অতীতে কয়েকবার আসা হয়েছে। অনেক দিন পর বাংলাদেশে এলাম। তামিম ইকবালকে ধন্যবাদ, সে-ই আমাকে কল করে। আমি একটু ব্যস্ত ছিলাম। তবে বললাম, একদম ভেবো না, আমি চলে আসব। এখানে এসে ভালো লাগছে। মনে হচ্ছে নিজের বাড়িতে আছি।’

প্রথম কবে বাংলাদেশে এসেছিলেন, প্রশ্নে চারু বলেন, ‘মনে নেই, তবে সম্ভবত ২০০৪ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে। খুব উপভোগ করেছিলাম। অনেক বন্ধু হয়েছিল। প্রতি রাতে আমরা ঘুরতে বের হতাম। ধারাভাষ্যকার অনেকেই আমার ভালো বন্ধু। একজন শামীম চৌধুরী। আবারও সবার সঙ্গে দেখা করার সুযোগ হয়েছে, আমি খুবই খুশি।’

ডি থ্রি টুর্নামেন্টের উদ্যোগের প্রশংসায় তিনি বলেন, ‘তামিম কল করে বলল, ডি থ্রি টুর্নামেন্ট করছি। তুমি আসলে ভালো হতো। বলেছি আমি ব্যস্ত তবে অবশ্যই আসব। এর ২-৩ দিন পরই চলে আসি। আমি অনেক কাজই করি। তবে নিলাম পরিচালনা আমার প্রিয় কাজ। বিশেষ করে এখানে যে কনসেপ্টে নিলাম হচ্ছে, খুব ভালো লাগলো। সবার বুঝতে একটু সময় লাগতে পারে। বেশি সময়ও লাগান যাবে না। ২-৩ দিন ধরে নিলাম করলে তো আর হবে না। তবে এক্সাইটিং করার চেষ্টা করে যাচ্ছি। ক্যাটাগরি ‘এ’ তো রোমাঞ্চকর ছিল। এখন ক্রমেই দ্রুত শেষ হয়ে যাবে।’

চারু শর্মা বলেন, ‘বিশ্ব ক্রিকেটে বাংলাদেশের ক্রিকেট তুলে ধরার জন্য বিপিএল অনেক গুরুত্বপূর্ণ। তবে ডি থ্রি তরুণদের ডেভেলপমেন্টের জন্য খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আপনাকে ভালো খেলে যেতে হবে, সেজন্য ভালো খেলোয়াড় লাগবে। এখন দারুণ একটা জাতীয় দল আছে। ডি থ্রি সব ফরম্যাটে হবে। এটা এমন কিছু যা দেশের ক্রিকেটের জন্য সঠিক বিষয়। মাত্র শুরু হচ্ছে। এখনও নিলামে অনেক নাটকীয়তা বাকি। তামিমকে আবারও ধন্যবাদ আমাকে এখানে নিয়ে আসায়।’

আরটিভি/এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ডি থ্রি ট্রফির নিলাম / আকাশ ছোঁয়া দামে দল পেলেন শরিফুল, বাকিরা কে কত?
আগামী ডিসেম্বরে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাট দিয়ে মাঠে গড়াবে ঘরোয়া ক্রিকেটের নতুন টুর্নামেন্ট ডি থ্রি টুর্নামেন্ট। আসন্ন এই টুর্নামেন্টকে সামনে রেখে অনুষ্ঠিত হয়েছে নিলাম। যেখানে জাতীয় দলের তারকা ক্রিকেটারদের দলে নিতে কঠিন লড়াই করেছে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো। সর্বোচ্চ ২ কোটি ৩০ লাখ পয়েন্টে শরিফুল ইসলামকে দলে নিয়েছে সিটিজেনস ব্যাংক।
আকাশ ছোঁয়া দামে দল পেলেন শরিফুল, বাকিরা কে কত?
বিগ ব্যাশে দল পেলেন মোস্তাফিজ 
ডি থ্রি ট্রফির নিলামের মাঝেই বিগ ব্যাশ দল পেলেন মোস্তাফিজুর রহমান। রিশাদের পর তাকেও দেখা যাবে এই টুর্নামেন্টে। মেলবোর্ন রেনেগেডসের জার্সিতে বিগ ব্যাশ মাতাবেন এই কাটার মাস্টার। 
বিগ ব্যাশে দল পেলেন মোস্তাফিজ 
চড়া মূল্যে ব্লু স্টারে মেহেদী, পাত্তা পেলেন না রিশাদ
আগামী ডিসেম্বরে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাট দিয়ে মাঠে গড়াবে ঘরোয়া ক্রিকেটের নতুন টুর্নামেন্ট ডি থ্রি টুর্নামেন্ট। আসন্ন এই টুর্নামেন্টকে সামনে রেখে অনুষ্ঠিত হয়েছে নিলাম। যেখানে গুরুত্ব হারিয়েছেন লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন।
চড়া মূল্যে ব্লু স্টারে মেহেদী, পাত্তা পেলেন না রিশাদ
ডি থ্রি টুর্নামেন্টের নিলাম শুরু
আগামী ডিসেম্বরে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের টুর্নামেন্ট দিয়ে পর্দা উঠতে যাচ্ছে ডমেস্টিক থ্রির।  টুর্নামেন্টের আগে সোমবার (২৬ অক্টোবর) শেরাটনে অনুষ্ঠিত হচ্ছে নিলাম।  পাঁচ ক্যাটাগরিতে নিলামের চূড়ান্ত তালিকায় সুযোগ পেয়েছেন বাংলাদেশের ২৮১ জন ক্রিকেটার। যেখান থেকে নিজেদের স্কোয়াড বাছাই করবে দলগুলো। ৬ দলের স্কোয়াড: ফরচুন গ্রুপ— তাওহীদ হৃদয়, ওয়ালটন— মেহেদী হাসান মিরাজ, এইস ব্লু স্টার— নুরুল হাসান সোহান, সেভেন রিংস সিমেন্ট— মুশফিকুর রহিম, একমি গ্রুপ— মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, সিটিজেন ব্যাংক— নাইম শেখ, আরটিভি/এসএস
ডি থ্রি টুর্নামেন্টের নিলাম শুরু
শেষ উইকেটে বিশ্বরেকর্ড গড়ে পাকিস্তানকে জয় উপহার দিলো শাদাব খান
অসম্ভবকে সম্ভব করে ওয়ানডে ক্রিকেটে ইতিহাস গড়ল পাকিস্তান। খাদের কিনারা থেকে দলের দায়িত্ব নিয়ে শাদাব খানের প্রথম সেঞ্চুরি এবং শেষ উইকেটে হারিস রউফের সঙ্গে অবিশ্বাস্য এক জুটিতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে রুদ্ধশ্বাস জয় তুলে নিয়েছে স্বাগতিকরা। একই সঙ্গে সফল রান তাড়ায় দশম উইকেটে সর্বোচ্চ জুটির নতুন বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন এই দুই ব্যাটার।  রোববার (১৪ অক্টোবর) লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে ওয়ানডে ত্রিদেশীয় সিরিজের ম্যাচে ২৪২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে চরম বিপর্যয়ে পড়েছিল পাকিস্তান। স্কোরবোর্ডে ১৫৪ রান তুলতেই ৯ উইকেট হারিয়ে পরাজয়ের দ্বারপ্রান্তে চলে যায় দলটি। জয়ের জন্য তখনও প্রয়োজন ছিল ৮৮ রান। তবে শেষ উইকেটে হাল ধরে ম্যাচের গতিপথ পুরোপুরি বদলে দেন শাদাব খান ও হারিস রউফ। এই দুজন অবিচ্ছিন্ন ৮৯ রানের জুটি গড়ে ৪৭.১ ওভারেই দলের জয় নিশ্চিত করেন। চলতি ত্রিদেশীয় টুর্নামেন্টে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এটি পাকিস্তানের দ্বিতীয় জয়। ৯৬ বলে ১৩টি চার ও ৫টি ছক্কার সাহায্যে ১১৩ রানের দুর্দান্ত এক অপরাজিত ইনিংস খেলেন শাদাব খান। অন্যদিকে, শেষ ব্যাটার হিসেবে তাকে যোগ্য সঙ্গ দিয়ে ৭ রানে অপরাজিত থাকেন হারিস রউফ। সফল রান তাড়ায় দশম উইকেটে এটিই ওয়ানডে ইতিহাসের সর্বোচ্চ জুটির নতুন বিশ্বরেকর্ড। শাদাব ও হারিস পেছনে ফেলেছেন ১৯৭৫ বিশ্বকাপে গড়া ৬৪ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটির রেকর্ড। সেবার বার্মিংহামে পাকিস্তানের বিপক্ষেই এই কীর্তি গড়েছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের ডেরিক মারে ও অ্যান্ডি রবার্টস। প্রায় পাঁচ দশক পর সেই রেকর্ড নিজেদের করে নিলেন শাদাব ও হারিস। এর আগে ব্যাটিংয়ে নেমে বেন ডাকেটের সেঞ্চুরিতে (১০৫ রান) ২৪১ রানের সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছিল ইংল্যান্ড। তবে শেষ পর্যন্ত শাদাব-হারিসের রূপকথার ইনিংসে ভর করে লাহোরে পাকিস্তানের এই জয় ক্রিকেট ইতিহাসে একটি স্মরণীয় প্রত্যাবর্তনের গল্প হয়ে রইল। আরটিভি/এসআর
শেষ উইকেটে বিশ্বরেকর্ড গড়ে পাকিস্তানকে জয় উপহার দিলো শাদাব খান
আরও পড়ুন
আকাশ ছোঁয়া দামে দল পেলেন শরিফুল, বাকিরা কে কত?
নারী আইপিএলের নিলামে এবারও নেই বাংলাদেশের কোনো ক্রিকেটার
এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের সভাপতি হচ্ছেন তামিম!
জাতীয় দলের দুই অধিনায়ক কেন আইকন নন, ব্যাখ্যা দিলেন তামিম