
এক মৌসুমে চার শিরোপা জয়ের স্বীকৃতি হিসেবে ব্যালন ডি’অরের মঞ্চে বর্ষসেরা নারী ক্লাবের পুরস্কার জিতেছে বার্সেলোনা। অন্যদিকে, পুরুষদের বিভাগে টানা দ্বিতীয়বার বর্ষসেরা ক্লাবের সম্মান পেয়েছে প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি)। পাশাপাশি বর্ষসেরা নারী দলের কোচের পুরস্কার জিতে বার্সেলোনার সাফল্যে নতুন মাত্রা যোগ করেছেন পিরি রোমেও।
সোমবার রাতে লন্ডনে আয়োজিত ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অর অনুষ্ঠানে নারী ফুটবলে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি পায় বার্সেলোনা। ক্লাবটির পক্ষে পুরস্কার গ্রহণ করেন সভাপতি হোয়ান লাপোর্তা।
গত মৌসুমে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে স্পেনের নারী লিগ, কোপা দে লা রেইনা, উয়েফা নারী চ্যাম্পিয়নস লিগ ও স্প্যানিশ সুপার কাপ চারটি শিরোপাই জেতে বার্সেলোনা। ঘরোয়া ও ইউরোপীয় প্রতিযোগিতায় এই সাফল্যের স্বীকৃতিই মিলেছে বর্ষসেরা নারী ক্লাবের পুরস্কারে।
বার্সেলোনার সাফল্যের রাতে ব্যক্তিগত অর্জনেও উজ্জ্বল ছিলেন নারী দলের কোচ পিরি রোমেও। বর্ষসেরা নারী দলের কোচের পুরস্কার জিতে ক্লাবটির সাফল্যের মুকুটে যোগ করেন আরেকটি পালক।
পুরুষদের বিভাগে বর্ষসেরা ক্লাবের পুরস্কার ধরে রেখেছে পিএসজি। টানা দ্বিতীয়বার এই স্বীকৃতি পাওয়া ফরাসি ক্লাবটির প্রতিদ্বন্দ্বী তালিকায় ছিল আর্সেনাল, বায়ার্ন মিউনিখ, বোদো/গ্লিম্ট ও ফ্লামেঙ্গো। তবে চ্যাম্পিয়নস লিগে সাফল্যসহ ইউরোপীয় ফুটবলে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের সুবাদে অন্যদের পেছনে ফেলে পুরস্কার জিতে নেয় প্যারিসের ক্লাবটি।
পিএসজির হয়ে পুরস্কার গ্রহণ করেন গতবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী উসমান দেম্বেলে। টানা দ্বিতীয়বারের এই স্বীকৃতি ইউরোপীয় ক্লাব ফুটবলে পিএসজির আধিপত্যেরই প্রতিফলন।
বার্সেলোনা ও পিএসজির এই অর্জনে ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অরের মঞ্চে নারী ও পুরুষ দুই বিভাগেই ক্লাব ফুটবলের সাফল্য উদ্যাপিত হলো।
আরটিভি/এসকে




