ঢাকা বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩

লাস ভেগাসের রেস্তোরাঁয় রোবটও নিচ্ছে বকশিশ, কিন্তু ডালার যাচ্ছে কার পকেটে?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২০ আগস্ট ২০২৬, ০১:৩৮ পিএম
প্রতীকী ছবি (এআই দিয়ে তৈরি)

রেস্তোরাঁয় খাবার পরিবেশন করছে রোবট, কফি বানাচ্ছে রোবট, এমনকি ককটেলও তৈরি করছে যন্ত্র। এবার মানুষের মতো রোবটও যেন হাত বাড়িয়ে বলছে— টিপস দিন। কিন্তু প্রশ্ন হলো, রোবটকে দেওয়া সেই টাকা শেষ পর্যন্ত যাচ্ছে কার পকেটে?

যুক্তরাষ্ট্রের লাস ভেগাসের ভেনেশিয়ান হোটেলের ‘দ্য টিপসি রোবট’ বারে দুই রোবটিক হাত দিয়ে তৈরি করা হয় ককটেল। একটি মার্গারিটার দাম ১৭ ডলার। এর সঙ্গে যোগ হয় ১০ শতাংশ ‘সার্ভিস ফি’, পাশাপাশি টিপস দেওয়ার সুযোগও থাকছে।

নিউইয়র্কের আর্টলি কফিতেও টিপস চাইছে রোবট বারিস্তা। নিউ জার্সির নিউয়ার্ক বিমানবন্দরের একটি কর্মীহীন স্বয়ংক্রিয় দোকানে পানির বোতল কিনতেও দেখা যাচ্ছে টিপস দেওয়ার পরামর্শ। আবার অরেগনের পোর্টল্যান্ডের ‘টপ বার্মিজ’ রেস্তোরাঁয় অর্ডার নেন মানুষ, কিন্তু খাবার টেবিলে পৌঁছে দেয় রোবট।

মানুষ খাবার পরিবেশন করলে টিপস দিতে আপত্তি নেই অনেকেরই। কিন্তু রোবটের ক্ষেত্রে বিষয়টি ভিন্ন। কারণ, রোবটকে দেওয়া টিপসের টাকা আসলে কার হাতে যাচ্ছে, তা অনেক সময় গ্রাহকের কাছে পরিষ্কার নয়।

রোবটের টিপস যাচ্ছে কার কাছে?

টিপস সংস্কৃতি নিয়ে কাজ করা বিশেষজ্ঞদের মতে, রোবটকে টিপস দেওয়ার বিষয়টি ভবিষ্যতে বড় ধরনের বিতর্ক তৈরি করতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের লেহাই ইউনিভার্সিটির রাষ্ট্রবিজ্ঞানের সহযোগী অধ্যাপক হলোনা ওচসের মতে, কিছু প্রতিষ্ঠান রোবটের নামে পাওয়া টিপস নিজেদের আয় হিসেবে রাখার সুযোগ নিতে পারে। মূল প্রশ্ন হলো— এই অর্থ থেকে কে লাভবান হচ্ছে এবং এর মূল্যই বা কে দিচ্ছে?

যুক্তরাষ্ট্রে কর্মীদের দেওয়া টিপস থেকে প্রতিষ্ঠান, মালিক বা ব্যবস্থাপকদের অংশ নেওয়া আইনত নিষিদ্ধ। কিন্তু টিপস যদি কোনো যন্ত্রের নামে দেওয়া হয়, সেখানে আইনের ফাঁক থেকে যেতে পারে। রোবটের নামে দেওয়া টিপসের প্রকৃত মালিক কে— এ বিষয়ে এখনো স্পষ্ট আইনি কাঠামো তৈরি হয়নি।

অবশ্য সব প্রতিষ্ঠান রোবটের টিপস নিজেদের কাছে রাখছে না। ‘দ্য টিপসি রোবট’ ও ‘আর্টলি কফি’ জানিয়েছে, তারা পাওয়া টিপস মানবকর্মীদের মধ্যে ভাগ করে দেয়। কোম্পানি এর কোনো অংশ নেয় না। এমনকি গ্রাহকদের আপত্তির পর আর্টলি কফি অনেক জায়গায় রোবটের জন্য টিপস দেওয়ার ডিজিটাল অপশনও বন্ধ করেছে।

রোবট কি মানুষের চাকরি কেড়ে নেবে?

রোবট ব্যবহারের পক্ষে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর যুক্তি, সেবা খাতে কর্মীর সংকট রয়েছে। তাই রোবট মানুষের কাজ কেড়ে নেওয়ার বদলে কর্মীদের সহযোগিতা করতে পারে।

আর্টলি কফির কর্মকর্তাদের ভাষ্য, রোবট ব্যবহারের উদ্দেশ্য খরচ কমিয়ে মানুষের চাকরি কমানো নয়। প্রযুক্তির মাধ্যমে কর্মীদের কাজ সহজ করা এবং গ্রাহকদের নতুন ধরনের অভিজ্ঞতা দেওয়াই তাদের লক্ষ্য।

তবে সমালোচকদের আশঙ্কা, রোবট ব্যবহারের আড়ালে কম বেতন দেওয়ার প্রবণতা আরও বাড়তে পারে। তাদের প্রশ্ন, রোবট যদি কাজই করে, তাহলে গ্রাহকের কাছ থেকে আবার টিপস নেওয়ার যৌক্তিকতা কী?

আরও পড়ুন

রোবটকে টিপস দেবেন?

টিপস দেওয়ার অন্যতম কারণ হলো ভালো সেবার জন্য কর্মীকে পুরস্কৃত করা। পাশাপাশি অনেক সেবা খাতের কর্মী তুলনামূলক কম বেতন পাওয়ায় টিপস তাদের বাড়তি সহায়তা দেয়। কিন্তু রোবটের ক্ষেত্রে এসব যুক্তি কতটা প্রযোজ্য?

কর্নেল ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক মাইকেল লিনের মতে, রোবটকে টিপস দেওয়ার তেমন কোনো কারণ নেই। কারণ রোবট ভালো সেবা দিলেও তার বাড়তি আয়ের প্রয়োজন নেই, আবার কম বেতনের সমস্যাও নেই।

তারপরও বাস্তবে অনেক মানুষ রোবটকে টিপস দিতে রাজি হচ্ছেন। এক গবেষণায় দেখা গেছে, মাত্র ১১ শতাংশ মানুষ রোবট বারটেন্ডারকে টিপস দিতে আগ্রহী। তবে যারা আগে রোবট বারটেন্ডারের সেবা নিয়েছেন, তাদের মধ্যে টিপস দেওয়ার আগ্রহ তুলনামূলক বেশি।

আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, টিপসের টাকা মানবকর্মীদের দেওয়া হবে— এ কথা জানলে গ্রাহকদের মনোভাব অনেকটাই বদলে যায়। গবেষণায় অংশ নেওয়া প্রায় ৪২ শতাংশ মানুষ জানিয়েছেন, টিপস মানবকর্মীদের কাছে যাবে জানলে তারা রোবটের সেবার জন্যও টিপস দিতে রাজি।

তাই রোবটকে টিপস দেওয়া ভবিষ্যতের স্বাভাবিক নিয়ম হয়ে উঠবে, নাকি প্রযুক্তির আরেকটি সাময়িক প্রবণতা হিসেবেই থাকবে— তা অনেকটাই নির্ভর করছে গ্রাহকদের ওপর। মানুষ যদি এই ব্যবস্থাকে প্রত্যাখ্যান করে, তাহলে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোও একসময় রোবটের নামে টিপস চাওয়া বন্ধ করতে বাধ্য হতে পারে।

রোবটের হাত সামনে বাড়ানো থাকলেও তাই আসল প্রশ্নটা অন্য জায়গায়— টিপসের টাকা শেষ পর্যন্ত কার হাতে যাচ্ছে? এই প্রশ্নের উত্তর এখনো পুরোপুরি পরিষ্কার নয়। সূত্র: বিবিসি

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
গুগল ম্যাপসে ভুয়া তথ্য দিয়ে নিজের নামে রাস্তার নামকরণ
কোনো রাস্তার নাম ভুল থাকলে তা সংশোধন করার পাশাপাশি নতুন কোনো রাস্তার নাম গুগল ম্যাপসে যুক্ত করার সুযোগ থাকায় সহজেই সঠিক গন্তব্য খুঁজে পাওয়া যায় গুগল ম্যাপসে।
গুগল ম্যাপসে ভুয়া তথ্য দিয়ে নিজের নামে রাস্তার নামকরণ
পুলিশি সেবা এখন হাতের মুঠোয়, ঘরে বসেই করা যাচ্ছে জিডি
থানায় গিয়ে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার প্রচলিত ব্যবস্থার পাশাপাশি এখন ঘরে বসেই দ্রুত ও সহজ উপায়ে পুলিশি সেবা পাচ্ছেন নাগরিকরা। অনলাইন জিডি ব্যবস্থার মাধ্যমে যেকোনো সময় অভিযোগ দাখিল, আবেদনের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ, তদন্তকারী কর্মকর্তার সঙ্গে ডিজিটাল যোগাযোগ এবং জিডির সার্টিফাইড ডিজিটাল কপি সংগ্রহের সুযোগ মিলছে। ফলে এ ব্যবস্থা সময়, যাতায়াত খরচ ও হয়রানি কমিয়ে জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে এটি কার্যকর ভূমিকা রাখছে।
পুলিশি সেবা এখন হাতের মুঠোয়, ঘরে বসেই করা যাচ্ছে জিডি
পুরোনো আইফোন কেনার আগে যে বিষয়গুলো যাচাই করা জরুরি
নতুন আইফোনের দাম তুলনামূলক বেশি হওয়ায় অনেকেই পুরোনো বা ব্যবহৃত আইফোন কেনার দিকে ঝুঁকছেন। কম দামে ভালো পারফরম্যান্স পাওয়ার সুযোগ থাকলেও ব্যবহৃত আইফোন কেনার আগে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যাচাই করা জরুরি। ব্যাটারির অবস্থা থেকে শুরু করে ডিসপ্লে, ক্যামেরা, ফেস আইডি ও অ্যাক্টিভেশন লক এসব বিষয়ে অসতর্ক হলে পরে বাড়তি খরচের মুখে পড়তে পারেন। ব্যাটারি হেলথ যাচাই করুন পুরোনো আইফোন কেনার আগে ব্যাটারির সক্ষমতা পরীক্ষা করা গুরুত্বপূর্ণ। ফোনের সেটিংসে গিয়ে ‘Battery’ এবং ‘Battery Health’ বা সংশ্লিষ্ট ব্যাটারি হেলথ অপশন থেকে ব্যাটারির সর্বোচ্চ সক্ষমতা দেখা যায়। ব্যাটারির সক্ষমতা কমে গেলে চার্জ দ্রুত শেষ হতে পারে। তাই ফোন কেনার আগে ব্যাটারির অবস্থা যাচাই করে সম্ভাব্য পরিবর্তন খরচ সম্পর্কেও ধারণা নেওয়া উচিত। মডেল ও ডিভাইসের তথ্য মিলিয়ে নিন আইফোনটি প্রকৃতপক্ষে কোন মডেলের, তা নিশ্চিত হতে সেটিংসের ‘General’ থেকে ‘About’ বিভাগে প্রবেশ করুন। সেখানে মডেলের নাম, মডেল নম্বর ও সিরিয়াল নম্বর পরীক্ষা করুন। বিক্রেতার দেওয়া তথ্য ও ডিভাইসের তথ্যের মধ্যে কোনো অসঙ্গতি আছে কি না, সেটিও যাচাই করা প্রয়োজন। পাশাপাশি অ্যাপলের অফিসিয়াল সাপোর্টের মাধ্যমে প্রযোজ্য ডিভাইস-সংক্রান্ত তথ্য পরীক্ষা করা যেতে পারে। ডিসপ্লে ও টাচস্ক্রিন পরীক্ষা করুন ফোনের স্ক্রিনে ফাটল, দাগ, কালো অংশ বা অস্বাভাবিক রং রয়েছে কি না, তা ভালোভাবে দেখুন। স্ক্রিনের বিভিন্ন জায়গায় স্পর্শ করে টাচস্ক্রিনের কার্যকারিতা পরীক্ষা করুন। ডিসপ্লে আগে পরিবর্তন করা হয়ে থাকলে সেটিও জেনে নেওয়া উচিত। কারণ নিম্নমানের বা ত্রুটিপূর্ণ ডিসপ্লে ফোন ব্যবহারে সমস্যা তৈরি করতে পারে। ক্যামেরা, স্পিকার ও মাইক্রোফোন পরীক্ষা করুন আইফোন কেনার আগে সামনের ও পেছনের ক্যামেরা দিয়ে ছবি ও ভিডিও ধারণ করে দেখুন। ক্যামেরার ফোকাস, ছবির মান এবং লেন্সের অবস্থা যাচাই করুন। পাশাপাশি ভিডিও রেকর্ডিংয়ের শব্দ, ইয়ারপিস, লাউডস্পিকার ও মাইক্রোফোন পরীক্ষা করুন। এসব ফিচারে সমস্যা থাকলে ফোনের স্বাভাবিক ব্যবহার ব্যাহত হতে পারে। ফেস আইডি ও সংযোগব্যবস্থা যাচাই করুন ফেস আইডি-সমর্থিত মডেলে মুখ শনাক্তকরণ ব্যবস্থা ঠিকমতো কাজ করছে কি না, তা পরীক্ষা করুন। একই সঙ্গে পাওয়ার বাটন, ভলিউম বাটন, চার্জিং পোর্ট, ওয়াই-ফাই, ব্লুটুথ, মোবাইল নেটওয়ার্ক ও জিপিএস পরীক্ষা করা প্রয়োজন। সম্ভব হলে নিজের সিম ব্যবহার করে কল করা এবং চার্জার সংযুক্ত করে চার্জিংয়ের কার্যকারিতাও যাচাই করুন। অ্যাক্টিভেশন লক সম্পর্কে সতর্ক থাকুন ব্যবহৃত আইফোন কেনার ক্ষেত্রে অ্যাক্টিভেশন লক অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আগের মালিকের অ্যাপল অ্যাকাউন্টের সঙ্গে ফোনটি যুক্ত থাকলে নতুন ক্রেতা সেটি সক্রিয় করতে সমস্যায় পড়তে পারেন। তাই বিক্রেতার উপস্থিতিতে নিশ্চিত হতে হবে যে ফোনটি আগের মালিকের অ্যাকাউন্ট থেকে সরানো হয়েছে। ফোনটি মুছে নতুন করে সেটআপ করার সময় আগের মালিকের অ্যাকাউন্টের তথ্য চাইছে কি না, সেটিও খেয়াল করুন। প্রয়োজনীয় যাচাই সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত টাকা পরিশোধ না করাই নিরাপদ। আইএমইআই ও যন্ত্রাংশের ইতিহাস দেখুন ফোনের আইএমইআই নম্বর ডিভাইসের তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে নিন। সেটিংসের ‘Parts and Service History’ বিভাগে সমর্থিত মডেলগুলোতে যন্ত্রাংশ পরিবর্তন বা মেরামতের তথ্য পাওয়া যেতে পারে। কোনো গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ বদলানো হয়ে থাকলে সেটির কারণ, ব্যবহৃত যন্ত্রাংশের ধরন এবং মেরামতের ইতিহাস সম্পর্কে বিক্রেতার কাছে জানতে চান। সব মিলিয়ে, পুরোনো আইফোন কেনার সময় শুধু মডেল বা কম দামকে প্রাধান্য না দিয়ে ফোনের সামগ্রিক অবস্থা যাচাই করা জরুরি। ব্যাটারি, ডিসপ্লে, ক্যামেরা, ফেস আইডি, সংযোগব্যবস্থা, যন্ত্রাংশের ইতিহাস ও অ্যাক্টিভেশন লক পরীক্ষা করে সিদ্ধান্ত নিলে ত্রুটিপূর্ণ ডিভাইস কেনার ঝুঁকি এবং ভবিষ্যতের বাড়তি খরচ কমানো সম্ভব। আরটিভি/এসকে
পুরোনো আইফোন কেনার আগে যে বিষয়গুলো যাচাই করা জরুরি
যে কারণে ‘Page Not Found’ বা ‘404 Error’দেখা যায়
ইন্টারনেটে কোনো খবর, গসিপ কিংবা প্রয়োজনীয় তথ্যের লিংকে ক্লিক করার পর হঠাৎ স্ক্রিনে ভেসে ওঠে ‘Page Not Found’ বা ‘404 Error’। গুরুত্বপূর্ণ কোনো তথ্য পড়তে গিয়ে এমন বার্তা এলে স্বাভাবিকভাবেই বিরক্ত হন ব্যবহারকারীরা।
যে কারণে ‘Page Not Found’ বা ‘404 Error’দেখা যায়
ইউটিউব থেকে আয় নিয়ে বড় দুঃসংবাদ, বাড়ছে নতুন যেসব শর্ত
ভিডিও ও কনটেন্ট নির্মাতাদের জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম ইউটিউব। ভিডিও প্রকাশের মাধ্যমে দর্শক ও ভিউ বাড়ানোর পাশাপাশি বিজ্ঞাপন থেকেও আয় করেন নির্মাতারা। তবে নতুন কনটেন্ট নির্মাতাদের জন্য সেই আয়ের পথ আরও কঠিন করতে যাচ্ছে প্ল্যাটফর্মটি।
ইউটিউব থেকে আয় নিয়ে বড় দুঃসংবাদ, বাড়ছে নতুন যেসব শর্ত
আরও পড়ুন
নিউইয়র্ক পুলিশে বাংলাদেশিদের অগ্রযাত্রা, রয়েছে এক হাজারের বেশি কর্মকর্তা
সাধারণ দাঁতব্যথা থেকে ধরা পড়ল ভয়াবহ ক্যানসার, বাঁচার লড়াইয়ে ৪ বছরের শিশু
ইরাক ছাড়ছে মার্কিন বাহিনী, বাড়তে পারে ইরানের প্রভাব
যুক্তরাষ্ট্রে খাদ্য ও স্বাস্থ্য সহায়তার নিয়মে বড় পরিবর্তন