ঢাকা মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩

ভুয়া খবর না সরানোর সিদ্ধান্ত নিলো ফেসবুক

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক, আরটিভি অনলাইন

প্রকাশ : ১৫ জুলাই ২০১৮, ১০:১৭ এএম

ফেসবুক বলছে তারা ভুয়া খবর তাদের প্ল্যাটফরম থেকে সরিয়ে নেবে না। ভুয়া খবর ফেসবুকের কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড লঙ্ঘন করে না বলে মনে করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের জায়ান্ট এ প্রতিষ্ঠানটি। খবর বিবিসির।

ফেসবুক ব্রিটেনে বর্তমানে একটি ক্যাম্পেইন চালাচ্ছে যার বক্তব্য, ভুয়া খবর আমাদের বন্ধু নয়।

কিন্তু ফেসবুক বলছে, যারা এ প্ল্যাটফর্মে খবর প্রকাশ করছে তাদের একেকজনের "সম্পূর্ণ ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি" থাকে। এবং মনগড়া পোস্টগুলো সরানোর অর্থ হবে "মুক্ত বাক-স্বাধীনতার মূলনীতির সাথে সাংঘর্ষিক"।

পরিবর্তে তারা এটি বলছে, যেসব খবরকে 'ভুয়া খবর' বলে মনে হবে এমন পোস্টকে নিউজ-ফিডে কম দেখানো হবে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার করে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছিল রাশিয়া-এমন তথ্য আসার পর ভুয়া খবর ছড়ানোর ক্ষেত্রে ফেসবুকের ভূমিকা পর্যবেক্ষণ শুরু হয়।

বুধবার নিউইয়র্কে একটি অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের বোঝানোর চেষ্টা করা হয় যে, তারা এই সমস্যা সমাধানে গুরুত্ব দিয়েছে।

কিন্তু সিএনএন এর সাংবাদিক অলিভার ডার্সি প্রশ্ন করেন, যতক্ষণ পর্যন্ত ইনফোওয়ার্স পেজ এই প্ল্যাটফর্মে রয়েছে ততক্ষণ ফেসবুক কিভাবে দাবি করে যে তারা মিথ্যা খবর ছড়ানোর বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করছে?

ইনফোওয়ার্স হচ্ছে এমন একটি ওয়েবসাইট যারা বিভিন্ন রকম মিথ্যা খবর প্রকাশের জন্য পরিচিত। তারা সরাসরি টকশো প্রচার করে অনলাইনে এবং নয় লাখের বেশি অনুসারী বা ফলোয়ার রয়েছে ফেসবুকে। এর একজন উপস্থাপক এবং ষড়যন্ত্র তাত্ত্বিক হিসেবে পরিচিত অ্যালেক্স জোন্স-এর ইউটিউব গ্রাহক সংখ্যা ২ দশমিক ৪ মিলিয়নের বেশি।

--------------------------------------------------------
আরও পড়ুন : ব্রিটেনে পাঁচ লাখ পাউন্ড জরিমানার মুখে ফেসবুক
--------------------------------------------------------

তার এই প্ল্যাটফর্ম থেকে স্পষ্টই মিথ্যা তথ্য প্রচার করা হয়। যেমন ষড়যন্ত্র তত্ত্ব প্রচার করা হয় যে, ২০১২ সালে স্যান্ডি হুক স্কুলে গুলির ঘটনা ছিল মার্কিন সরকারের দ্বারা প্রচারিত ভুয়া খবর।

ইনফোওয়ার্স সম্পর্কে সিএনএন সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে ফেসবুক কর্মকর্তা জন হেজম্যান বলেন, আমরা ফেসবুক চালু করেছি এমন একটি জায়গা হিসেবে যেখানে ভিন্ন ভিন্ন মানুষ তাদের বক্তব্য বা মতামত তুলে ধরতে পারে।

কোম্পানিটি বলছে, তাদের নিয়ম ভঙ্গ করে না এমন কোন ভুয়া খবর তারা সরিয়ে নেবে না। তবে বানোয়াট খবর মনে হবে যেগুলো, সেগুলোকে নিচু র‌্যাংকিংয়ে ফেলা হবে।

ফ্যাক্ট চেকাররা মিথ্যা বলে শনাক্ত করেছেন এমন আর্টিকেলকে লাল রং এর সতর্কতামূলক আইকন দিয়ে পরীক্ষামূলক এক পদ্ধতি চালু করেছিল এই ওয়েবসাইটটি।

ফেসবুকের সারা সু সাংবাদিকদের বলেন, ভুয়া খবর এবং ষড়যন্ত্র তত্ত্ব সত্যিকারেই সমস্যার কারণ হতে পারে এবং এটি আমাকেও আহত করছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে ফেসবুকের একজন মুখপাত্র বলেন, কিন্তু মতামত প্রকাশের একটি মাধ্যম হিসেবে লোকজনকে পোস্ট করার সুযোগ দিচ্ছি আমরা, কিন্তু সেসব খবর দেখানোর জন্য নিউজ-ফিডের একেবারে শুরুতে জায়গা দেবো না।

আরও পড়ুন :

কেএইচ/ এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
পকেটে আইফোন বিস্ফোরণ
পকেটে আইফোন এক্সএস ম্যাক্স বিস্ফোরণ হয়েছে বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ওহিও অঙ্গরাজ্যের এক ব্যক্তি। এসময় ওই ফোনে আগুন ধরে যায়। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে ভারতের প্রযুক্তিভিত্তিক গণমাধ্যম গেজেটস নাউ জানিয়েছে, জ হিলার্ড নামের এক ব্যক্তি ২০ দিন আগে আইফোন এক্সএস ম্যাক্স কিনেন। কিন্তু এটা হঠাৎ তার পকেটে বিস্ফোরিত হয় এবং আগুন ধরে যায়। হিলার্ড জানান, ডিসেম্বরের ১২ তারিখ এই ঘটনা ঘটে। ওইদিন তিনি দুপুরের খাবার খেতে বাইরে যান। হঠাৎ তিনি বুঝতে পারেন, তার প্যান্টের পেছন পকেট থেকে বাজে গন্ধ আসছে। এসময় তিনি তাপ অনুভব করেন এবং এরপরই ধোঁয়া দেখতে পান। যে কারণে বুঝতে দেরি হয়নি যে তার আইফোনে আগুন ধরে গেছে। এ সম্পর্কে হিলার্ড বলেন, আমি তাপ অনুভব করা এবং ধোঁয়া দেখতে পাওয়ার পর দ্রুত স্থান ত্যাগ করি, যেহেতু ওই জায়গায় একজন মেয়ে ছিল। এরপর আমি বোর্ড রুমে গিয়ে দ্রুত প্যান্ট খুলে ফেলি। আমার আর্তনাদ শুনে কয়েকজন এসে আগুন নেভায়। এই ঘটনার পর হিলার্ড অ্যাপল কেয়ারে যোগাযোগ করেছেন। হিলার্ড দাবি করেন, অ্যাপলের সুরক্ষা বিভাগের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। এরপর অ্যাপলের ওই কর্মকর্তা হিলার্ডকে বিস্ফোরিত ফোনের ছবি, ক্ষতিগ্রস্ত পোশাক এবং কোনও আহতের ছবি থাকলে সেগুলো পাঠাতে বলেন। এসব প্রমাণ পাঠানোর পর কয়েকদিন পর নতুন আইফোন পান হিলার্ড। ডি/ এসএস
পকেটে আইফোন বিস্ফোরণ
২০ ঘণ্টা পর চালু মোবাইল ফোন ইন্টারনেট
ভোটগ্রহণ শেষে টানা ২০ ঘণ্টা পর চালু হলো মোবাইল ফোন ইন্টারনেট। রোববার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে ইন্টারনেট চালু করা হয়। এর আগে শনিবার রাত ১০টার দিকে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) নির্দেশে দেশজুড়ে সম্পূর্ণ মোবাইল ফোন ইন্টারনেট বন্ধ করে দেয় মোবাইল অপারেটরগুলো। এছাড়া গেল বৃহস্পতিবার রাত থেকে প্রায় ১০ ঘণ্টা মোবাইল ইন্টারনেটে ফোর-জি ও থ্রি-জি সেবা বন্ধ রাখা হয়। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টায় খোলার পর শনিবার দুপুর পর্যন্ত তা চলছিল। এরপর শনিবার বিকেল ৩টা থেকে দ্বিতীয় দফায় থ্রিজি ও ফোরজি ইন্টারনেট বন্ধ করা হয়। তখন টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির জ্যেষ্ঠ সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) জাকির হোসেন খান বলেন, রাষ্ট্রের নিরাপত্তার স্বার্থে, গুজব প্রতিরোধে সরকারের নির্দেশনায় মোবাইল ফোন অপারেটদের থ্রিজি ও ফোরজি ইন্টারনেট বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেয়া হয়। ডি/জেএইচ
২০ ঘণ্টা পর চালু মোবাইল ফোন ইন্টারনেট
ক্লাসে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বাড়াতে চীনের নতুন প্রযুক্তি
শিক্ষার্থীরা প্রায়ই স্কুল ফাঁকি দেয়। বাসা থেকে স্কুলের কথা বলে বের হলেও মাঝেমধ্যেই স্কুল পালিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরে বেড়ায় তারা। আর এই সমস্যা সমাধানে নতুন এক প্রযুক্তি ব্যবহার করছে চীনের স্কুলগুলো। তারা চিপযুক্ত ‘স্মার্ট ইউনিফর্ম’ বা স্মার্ট পোশাক চালু করেছে। এই পোশাক পরা শিক্ষার্থী কোথায় আছে তা জানতে পারবে স্কুল কর্তৃপক্ষ। ফলে স্কুলড্রেস পরে স্কুলের উদ্দেশে বাসা থেকে বের হয়ে অন্য কোথাও গেলে তা ধরে ফেলতে পারবে তারা। চীনের রাষ্ট্র পরিচালিত সংবাদপত্র দ্য গ্লোবাল টাইমসের বরাত দিয়ে এসব কথা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্ত বিষয়ক গণমাধ্যম দ্য ভার্জ। গণমাধ্যমটি জানায়, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বাড়াতেই এমন উদ্যোগ নিয়েছে চীনের স্কুলগুলো। চিপ ব্যবহার করা হলেও এই পোশাক ধোয়া যায়। এর কার্যক্রম ১৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা পর্যন্ত স্বাভাবিক থাকে এবং এটা ৫০০ বার ধোয়া যাবে। এই পোশাকের আরও কিছু সুবিধা আছে। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি হলো- কোনও শিক্ষার্থী ক্লাসে ঘুমিয়ে গেলে তা স্মার্ট পোশাকের মাধ্যমে শনাক্ত করা যাবে। বর্তমানে চীনের গুইজো প্রদেশের ১০টি স্কুলে স্মার্ট ইউনিফর্ম ব্যবহৃত হচ্ছে। ভবিষ্যতে এই পোশাক ব্যবহারকারী স্কুলের সংখ্যা বাড়তে পারে। ডি/কে
ক্লাসে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বাড়াতে চীনের নতুন প্রযুক্তি
এ বছরের সবচেয়ে সুন্দর স্মার্টফোন যেগুলো
আর মাত্র দুদিন। এরপরই শুরু হবে নতুন বছর। ২০১৮ সাল চিরতরে বিদায় নেয়ার আগে চলুন দেখে যাক এ বছরের সবচেয়ে সুন্দর স্মার্টফোনগুলো। এই তালিকা তৈরি করেছে ভারতের প্রযুক্তিভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গেজেটস নাউ। স্যামসাং গ্যালাক্সি এস-নাইন প্লাস চলতি বছর সবচেয়ে সুন্দর স্মার্টফোনের তালিকায় শীর্ষে আছে স্যামসাংয়ের গ্যালাক্সি এস-নাইন প্লাস। স্মার্টফোনটির ডিসপ্লের আকার ৬ দশমিক ২ ইঞ্চি। এর র‍্যাম ৬ গিগা এবং ইন্টারনাল স্টোরেজ ৬৪ গিগা। এছাড়া এতে ৪০০ গিগা পর্যন্ত বাড়তি স্টোরেজ কার্ড সংযুক্ত করার সুযোগ আছে। হুয়াওয়ে মেট-টুয়েন্টি প্রো হুয়াওয়ের এই স্মার্টফোনটির ডিজাইন অনেকটা স্যামসাং গ্যালাক্সি এস-নাইন প্লাসের মতোই। তবে এই স্মার্টফোনটির স্ক্রিনের আকার ৬ দশমিক ৩৯ ইঞ্চি। এর র‍্যাম ৬ গিগা এবং ইন্টারনাল স্টোরেজ ১২৮ গিগা। এতে ২৫৬ গিগা পর্যন্ত ন্যানো মেমরি সংযুক্ত করা যাবে। হুয়াওয়ের এই স্মার্টফোনের ব্যাটারি ক্ষমতা ৪ হাজার ২০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার। ওয়ানপ্লাস সিক্স-টি থান্ডার পার্পাল ওয়ানপ্লাস সিক্স-টি স্মার্টফোন বাজারে আসার কয়েক সপ্তাহ পরেই সিক্স-টি থান্ডার পার্পাল নিয়ে আসে প্রতিষ্ঠানটি। আর এটিই ২০১৮ সালের সবচেয়ে সুন্দর স্মার্টফোনের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে। এর র‍্যাম ৮ গিগা এবং ইন্টারনাল স্টোরেজ ১২৮ গিগা। আইফোন এক্সএস ম্যাক্স এ বছরের সুন্দর স্মার্টফোনগুলোর তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে আছে আইফোন এক্সএস ম্যাক্স। এই ফোনের ‘গোল্ড কালার’ ভার্সনটিকে মূলত সুন্দর ফোনের তালিকায় রাখা হয়েছে। এর র‍্যাম ৪ গিগা আর স্টোরেজ ৬৪, ২৫৬ ও ৫১২ গিগা। আইফোন এক্সআর আইফোন এক্সআরও এই তালিকার রয়েছে। এই মডেলের রেড, ইয়েলো, হোয়াইট, কোরাল, ব্ল্যাক ও ব্লু কালারের ফোন বাজারে এসেছে। এর মধ্যে সুন্দর হিসেবে ধরা হয়েছে ব্লু এবং রেড কালারের ফোনকে। ডি/জেএইচ
এ বছরের সবচেয়ে সুন্দর স্মার্টফোন যেগুলো
আবারও থ্রিজি ও ফোরজি সেবা বন্ধ
আবারও মোবাইলে ইন্টারনেটের থ্রিজি ও ফোরজি সেবা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। শনিবার দুপুর থেকে সোমবার রাত ১২টা পর্যন্ত এই নেটওয়ার্ক বন্ধ রাখতে দেশের সব মোবাইল ফোন অপারেটরকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে কয়েকটি অপারেটরের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমকে জানানো হয়েছে। বিটিআরসি থেকে থ্রিজি ও ফোরজি সেবা বন্ধের নির্দেশনায় বলা হয়েছে সোমবার রাত ১২টা পর্যন্ত থ্রিজি ও ফোরজি বন্ধ থাকবে। এরই মধ্যে থ্রিজি ও ফোরজি বন্ধের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এ নির্দেশনার ফলে টুজি ইন্টারনেট সেবা চালু থাকবে। এ ইন্টারনেটে টেক্সট পাঠানো ও গ্রহণ করা গেলেও ছবি ও ভিডিও পাঠানো সম্ভব হবে না। ফলে ইন্টারনেটের গতি কমে যাওয়ার কারণে মোবাইল ফোনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো ব্যবহার করা কষ্টকর হয়ে যাবে। এর আগে ২৭ ডিসেম্বর রাত ১০টা থেকে ২৮ ডিসেম্বর সকাল ৮টা পর্যন্ত দেশের সব মোবাইল ফোনে থ্রিজি ও ফোরজি নেটওয়ার্ক বন্ধ রাখা হয়েছিল। এর আগে গতকাল শুক্রবার নির্বাচন কমিশনের আহ্বানে বিকেল থেকে মোবাইল ফোনে অর্থ লেনদেন বন্ধের নির্দেশ জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক। এটি ভোটের দিন বিকেল ৫টা পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। আরও পড়ুন : কেন্দ্রে কেন্দ্রে যাচ্ছে নির্বাচনী সরঞ্জাম এমকে
আবারও থ্রিজি ও ফোরজি সেবা বন্ধ
আরও পড়ুন
সেনাবাহিনীর নামে ভুয়া ওয়েবসাইট সম্পর্কে সতর্ক থাকার আহ্বান
ফেসবুকে প্রেম করতে নিষেধ করলেন জেলখাটা ভারতীয় প্রেমিক
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নাশকতায় গ্রেপ্তার তিন
বাংলাদেশের নয়টি ফেসবুক পেজ ও ছয়টি অ্যাকাউন্ট ডিলিট করেছে ফেসবুক