ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩

পুরোনো আইফোন কেনার আগে যে বিষয়গুলো যাচাই করা জরুরি

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক

প্রকাশ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১০ পিএম
কাল্পনিক ছবি

নতুন আইফোনের দাম তুলনামূলক বেশি হওয়ায় অনেকেই পুরোনো বা ব্যবহৃত আইফোন কেনার দিকে ঝুঁকছেন। কম দামে ভালো পারফরম্যান্স পাওয়ার সুযোগ থাকলেও ব্যবহৃত আইফোন কেনার আগে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যাচাই করা জরুরি। ব্যাটারির অবস্থা থেকে শুরু করে ডিসপ্লে, ক্যামেরা, ফেস আইডি ও অ্যাক্টিভেশন লক এসব বিষয়ে অসতর্ক হলে পরে বাড়তি খরচের মুখে পড়তে পারেন।

ব্যাটারি হেলথ যাচাই করুন

পুরোনো আইফোন কেনার আগে ব্যাটারির সক্ষমতা পরীক্ষা করা গুরুত্বপূর্ণ। ফোনের সেটিংসে গিয়ে ‘Battery’ এবং ‘Battery Health’ বা সংশ্লিষ্ট ব্যাটারি হেলথ অপশন থেকে ব্যাটারির সর্বোচ্চ সক্ষমতা দেখা যায়। ব্যাটারির সক্ষমতা কমে গেলে চার্জ দ্রুত শেষ হতে পারে। তাই ফোন কেনার আগে ব্যাটারির অবস্থা যাচাই করে সম্ভাব্য পরিবর্তন খরচ সম্পর্কেও ধারণা নেওয়া উচিত।

মডেল ও ডিভাইসের তথ্য মিলিয়ে নিন

আইফোনটি প্রকৃতপক্ষে কোন মডেলের, তা নিশ্চিত হতে সেটিংসের ‘General’ থেকে ‘About’ বিভাগে প্রবেশ করুন। সেখানে মডেলের নাম, মডেল নম্বর ও সিরিয়াল নম্বর পরীক্ষা করুন। বিক্রেতার দেওয়া তথ্য ও ডিভাইসের তথ্যের মধ্যে কোনো অসঙ্গতি আছে কি না, সেটিও যাচাই করা প্রয়োজন। পাশাপাশি অ্যাপলের অফিসিয়াল সাপোর্টের মাধ্যমে প্রযোজ্য ডিভাইস-সংক্রান্ত তথ্য পরীক্ষা করা যেতে পারে।

ডিসপ্লে ও টাচস্ক্রিন পরীক্ষা করুন

ফোনের স্ক্রিনে ফাটল, দাগ, কালো অংশ বা অস্বাভাবিক রং রয়েছে কি না, তা ভালোভাবে দেখুন। স্ক্রিনের বিভিন্ন জায়গায় স্পর্শ করে টাচস্ক্রিনের কার্যকারিতা পরীক্ষা করুন। ডিসপ্লে আগে পরিবর্তন করা হয়ে থাকলে সেটিও জেনে নেওয়া উচিত। কারণ নিম্নমানের বা ত্রুটিপূর্ণ ডিসপ্লে ফোন ব্যবহারে সমস্যা তৈরি করতে পারে।

ক্যামেরা, স্পিকার ও মাইক্রোফোন পরীক্ষা করুন

আইফোন কেনার আগে সামনের ও পেছনের ক্যামেরা দিয়ে ছবি ও ভিডিও ধারণ করে দেখুন। ক্যামেরার ফোকাস, ছবির মান এবং লেন্সের অবস্থা যাচাই করুন। পাশাপাশি ভিডিও রেকর্ডিংয়ের শব্দ, ইয়ারপিস, লাউডস্পিকার ও মাইক্রোফোন পরীক্ষা করুন। এসব ফিচারে সমস্যা থাকলে ফোনের স্বাভাবিক ব্যবহার ব্যাহত হতে পারে।

ফেস আইডি ও সংযোগব্যবস্থা যাচাই করুন

ফেস আইডি-সমর্থিত মডেলে মুখ শনাক্তকরণ ব্যবস্থা ঠিকমতো কাজ করছে কি না, তা পরীক্ষা করুন। একই সঙ্গে পাওয়ার বাটন, ভলিউম বাটন, চার্জিং পোর্ট, ওয়াই-ফাই, ব্লুটুথ, মোবাইল নেটওয়ার্ক ও জিপিএস পরীক্ষা করা প্রয়োজন। সম্ভব হলে নিজের সিম ব্যবহার করে কল করা এবং চার্জার সংযুক্ত করে চার্জিংয়ের কার্যকারিতাও যাচাই করুন।

অ্যাক্টিভেশন লক সম্পর্কে সতর্ক থাকুন

ব্যবহৃত আইফোন কেনার ক্ষেত্রে অ্যাক্টিভেশন লক অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আগের মালিকের অ্যাপল অ্যাকাউন্টের সঙ্গে ফোনটি যুক্ত থাকলে নতুন ক্রেতা সেটি সক্রিয় করতে সমস্যায় পড়তে পারেন। তাই বিক্রেতার উপস্থিতিতে নিশ্চিত হতে হবে যে ফোনটি আগের মালিকের অ্যাকাউন্ট থেকে সরানো হয়েছে। ফোনটি মুছে নতুন করে সেটআপ করার সময় আগের মালিকের অ্যাকাউন্টের তথ্য চাইছে কি না, সেটিও খেয়াল করুন। প্রয়োজনীয় যাচাই সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত টাকা পরিশোধ না করাই নিরাপদ।

আইএমইআই ও যন্ত্রাংশের ইতিহাস দেখুন

ফোনের আইএমইআই নম্বর ডিভাইসের তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে নিন। সেটিংসের ‘Parts and Service History’ বিভাগে সমর্থিত মডেলগুলোতে যন্ত্রাংশ পরিবর্তন বা মেরামতের তথ্য পাওয়া যেতে পারে। কোনো গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ বদলানো হয়ে থাকলে সেটির কারণ, ব্যবহৃত যন্ত্রাংশের ধরন এবং মেরামতের ইতিহাস সম্পর্কে বিক্রেতার কাছে জানতে চান।

সব মিলিয়ে, পুরোনো আইফোন কেনার সময় শুধু মডেল বা কম দামকে প্রাধান্য না দিয়ে ফোনের সামগ্রিক অবস্থা যাচাই করা জরুরি। ব্যাটারি, ডিসপ্লে, ক্যামেরা, ফেস আইডি, সংযোগব্যবস্থা, যন্ত্রাংশের ইতিহাস ও অ্যাক্টিভেশন লক পরীক্ষা করে সিদ্ধান্ত নিলে ত্রুটিপূর্ণ ডিভাইস কেনার ঝুঁকি এবং ভবিষ্যতের বাড়তি খরচ কমানো সম্ভব।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
অভিযোগ থেকে সমাধান, সব এক অ্যাপেই!
রাস্তার পাশে জমে থাকা ময়লা, নির্ধারিত সময়ে বর্জ্য অপসারণ না হওয়া কিংবা কোনো এলাকায় পরিচ্ছন্নতা সংক্রান্ত সমস্যা- নগরজীবনে এমন অভিজ্ঞতা নতুন নয়। এসব সমস্যা জানাতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যাওয়া, অভিযোগ জানিয়ে প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষা করা কিংবা কোন বিভাগ ব্যবস্থা নেবে, তা খুঁজে বের করাও অনেক সময় নাগরিকদের জন্য বাড়তি ভোগান্তির কারণ হয়। এই বাস্তবতায় পরিচ্ছন্নতাসংক্রান্ত অভিযোগ সরাসরি কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছে দিতে ডিজিটাল উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। 
অভিযোগ থেকে সমাধান, সব এক অ্যাপেই!
স্মার্টফোন হারালে যেভাবে পুনরুদ্ধার করবেন হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট
স্মার্টফোন হারিয়ে গেলে বা চুরি হলে ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েন ব্যবহারকারীরা। বিশেষ করে ফোনে থাকা হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্টের অপব্যবহার এবং ব্যক্তিগত কথোপকথন ফাঁস হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।
স্মার্টফোন হারালে যেভাবে পুনরুদ্ধার করবেন হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট
ফেসবুকের ফ্রি ভেরিফায়েড ব্যাজ পাবেন না যারা
অনলাইনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাচালিত ভুয়া আইডি, ছবি ও সাইবার প্রতারণা রুখতে পদক্ষেপ নিয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক। এবার সাধারণ ব্যবহারকারীদের পরিচয় নিশ্চিত করতে বিনামূল্যে ‘ভেরিফায়েড ব্যাজ’ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে মেটা। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা সহজে চিহ্নিত করতে পারবেন অ্যাকাউন্টটি কোনো বাস্তব মানুষের নাকি এআই দিয়ে তৈরি ভুয়া আইডি। তবে মেটার পেইড সার্ভিস ‘মেটা ভেরিফায়েড’-এর মতো টাকা দিয়ে এই ব্যাজ কিনতে হবে না। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এই ব্যাজটি পাবেন সাধারণ ব্যবহারকারীরা। নতুন এই ব্যাজ পেতে ব্যবহারকারীকে একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিজের সেলফি ভিডিও ধারণ করে জমা দিতে হবে। ফেসবুক উক্ত ভিডিওটি অ্যাকাউন্টের মূল ছবি ও তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে পরিচয় শতভাগ নিশ্চিত করবে। তবে এই সুবিধা সবার জন্য নয়। ব্যাজটি পেতে হলে অ্যাকাউন্টধারীকে বেশ কিছু প্রাথমিক শর্ত পূরণ করতে হবে। শর্তগুলো হলো— ব্যবহারকারীর বয়স অবশ্যই ন্যূনতম ১৮ বছর হতে হবে। এর কম বয়সীরা এই সুবিধা পাবেন না। ফেসবুকের কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড মেনে অ্যাকাউন্টটি সচল অবস্থায় না থাকলে পাওয়া যাবে না এই ব্যাজ। অ্যাকাউন্টে পূর্বে কোনো প্রতারণা, ভুয়া পরিচয় উপস্থাপন বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডের ইতিহাস থাকলে এই ব্যাজ পাওয়া যাবে না। ফেসবুক পেজ এবং প্রোফেশনাল মোড অ্যাকাউন্টের ক্ষেত্রে বিনামূল্যের এই ব্যাজ সুবিধা পাওয়া যাবে না। মেটার সেলফি ভিডিওভিত্তিক পরিচয় যাচাই প্রক্রিয়ায় সফলভাবে উত্তীর্ণ হতে হবে নতুবা ভেরিফায়েড ব্যাজ পাওয়া যাবে না। পরিচয় যাচাই সফল হলে এই ভেরিফায়েড ব্যাজটি ব্যবহারকারীর প্রোফাইল ছাড়াও মার্কেটপ্লেস, বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপ এবং ফেসবুক ডেটিং প্ল্যাটফর্মে প্রদর্শিত হবে। মেটা বলছে এই ব্যাজটি কেবল একজন ব্যবহারকারী বাস্তব মানুষ কি না সেই প্রমাণ বহন করে। এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সততা, বিশ্বাসযোগ্যতা বা ব্যক্তিগত আচরণের কোনো নিশ্চয়তা মেটা দেয় না। ফলে অনলাইনে যেকোনো লেনদেন, তথ্য আদান-প্রদান বা ব্যক্তিগত যোগাযোগ স্থাপনের ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীদের নিজস্ব সচেতনতা বজায় রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে এই ফিচারটি বিশ্বের নির্বাচিত কয়েকটি দেশে পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে বিশ্বের অন্যান্য দেশের সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য এই সুবিধা উন্মুক্ত করবে মেটা। আরটিভি/এসআর
ফেসবুকের ফ্রি ভেরিফায়েড ব্যাজ পাবেন না যারা
গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহারে যেসব সতর্কতা মানা খুবই জরুরি
রান্নার কাজে বাসাবাড়িতে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সিলিন্ডার বহুল ব্যবহৃত। তবে সিলিন্ডার সংরক্ষণ, সংযোগ স্থাপন কিংবা ব্যবহারে অসতর্কতা থেকে গ্যাস লিকেজ, অগ্নিকাণ্ড ও বিস্ফোরণের মতো দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এসব ঝুঁকি এড়াতে সিলিন্ডার ব্যবহারে কয়েকটি নিরাপত্তাবিধি মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে গ্যাস সিলিন্ডার নিরাপদে ব্যবহার ও সংরক্ষণের বিভিন্ন নিয়ম তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, অনুমোদিত সরবরাহকারীর কাছ থেকে গ্যাস নেওয়া এবং সিলিন্ডার ও সংযোগের নিয়মিত পরীক্ষা দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করে।  ১. গ্যাস সিলিন্ডার সব সময় সমতল ও স্থিতিশীল জায়গায় খাড়াভাবে রাখতে হবে। এটি কাত করে বা শুইয়ে রাখা উচিত নয়। সিলিন্ডার এমন স্থানে রাখতে হবে, যেখানে সহজে বাতাস চলাচল করতে পারে। ২. সিলিন্ডার সরাসরি সূর্যের আলো, চুলার আগুন, অতিরিক্ত তাপ ও স্ফুলিঙ্গের উৎস থেকে দূরে রাখতে হবে। বদ্ধ আলমারি, বেসমেন্ট কিংবা বাতাস চলাচল করে না এমন জায়গায় সিলিন্ডার রাখা ঝুঁকিপূর্ণ। ৩. অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান ও সরবরাহকারীর কাছ থেকে সিলিন্ডার সংগ্রহ করা জরুরি। অননুমোদিতভাবে গ্যাস ভরা বা ত্রুটিপূর্ণ সিলিন্ডার ব্যবহার করলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়তে পারে। ৪. সিলিন্ডারের পাইপ, রেগুলেটর ও সংযোগস্থলে ফাটল, ক্ষয় কিংবা অন্য কোনো ত্রুটি রয়েছে কি না, তা নিয়মিত পরীক্ষা করতে হবে। ক্ষতিগ্রস্ত পাইপ বা রেগুলেটর ব্যবহার না করে অনুমোদিত যন্ত্রাংশ দিয়ে পরিবর্তন করা উচিত। ৫. গ্যাসের চুলা জ্বালিয়ে রান্না করার সময় তা অযত্নে ফেলে রাখা যাবে না। রান্নাঘরে পর্যাপ্ত বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখতে হবে। রান্না শেষে চুলার নব ও সিলিন্ডারের ভালভ বন্ধ করতে হবে। বিশেষ করে ঘর থেকে বের হওয়ার আগে বা ঘুমাতে যাওয়ার সময় গ্যাসের সংযোগ বন্ধ আছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া জরুরি। ৬. ঘরে গ্যাসের গন্ধ পেলে বৈদ্যুতিক বাতি, পাখা বা অন্য কোনো যন্ত্রের সুইচ চালু কিংবা বন্ধ করা যাবে না। এতে স্ফুলিঙ্গ তৈরি হয়ে আগুন ধরে যেতে পারে। নিরাপদ হলে সিলিন্ডারের ভালভ বন্ধ করে দরজা-জানালা খুলে দিতে হবে এবং দ্রুত ঘর থেকে বেরিয়ে যেতে হবে। ৭. গ্যাস লিক করছে কি না, তা পরীক্ষা করতে কখনো দিয়াশলাই, লাইটার বা খোলা আগুন ব্যবহার করা যাবে না। সন্দেহ হলে নিজে মেরামতের চেষ্টা না করে গ্যাস সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান বা সংশ্লিষ্ট জরুরি সেবার সহায়তা নিতে হবে। ৮. জরুরি পরিস্থিতিতে কীভাবে গ্যাসের সরবরাহ বন্ধ করতে হয়, পরিবারের সদস্যদের তা জানা থাকা প্রয়োজন। সিলিন্ডার ও চুলার নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করতে হবে। প্রয়োজনে উপযুক্ত অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রও হাতের কাছে রাখা যেতে পারে। গ্যাসের সিলিন্ডার ব্যবহারে এসব সতর্কতা মেনে চললে দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমানো সম্ভব। তবে গ্যাস লিকেজের সন্দেহ হলে আগুন জ্বালানো বা বৈদ্যুতিক সুইচ ব্যবহার না করে দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আরটিভি/এসআর
গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহারে যেসব সতর্কতা মানা খুবই জরুরি
লিংকডইনের সদস্যরা এবার একে অপরকে দিতে পারবেন টাকা
পেশাজীবীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম লিংকডইনে এবার অর্থের বিনিময়ে পরামর্শ নেওয়া, কনটেন্টের দর্শক বিশ্লেষণ এবং ব্র্যান্ডের সঙ্গে অংশীদারত্বের সুযোগ তৈরি হচ্ছে।
লিংকডইনের সদস্যরা এবার একে অপরকে দিতে পারবেন টাকা