ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

শৈত্যপ্রবাহের মধ্যেই তাপমাত্রা নিয়ে বড় দুঃসংবাদ

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৫ জানুয়ারি ২০২৬, ০২:৪৩ এএম
ফাইল ছবি

ডিসেম্বরের শুরু থেকেই দেশের ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে কনকনে শীত ও মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোতে শীতের তীব্রতায় জনজীবন চরমভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। এর মধ্যেই তাপমাত্রা নিয়ে নতুন করে দুঃসংবাদ এলো।

কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ জানিয়েছেন, শৈত্যপ্রবাহের মধ্যেই দেশের বিভিন্ন বিভাগে তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসতে পারে।

রোববার (৪ জুানয়ারি) নিজের ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ তথ্য জানান।

পোস্টে তিনি লিখেছেন, শনিবার (৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যার পর থেকে আবারও উত্তর-পশ্চিম ভারত থেকে আগত কুয়াশার বলয় রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের জেলাগুলোতে প্রবেশ করে। ফলে রবিবার সন্ধ্যার পর থেকে আবারও দেশব্যাপী কুয়াশার পরিমাণ ব্যাপক বৃদ্ধি পাওয়ার প্রবল আশঙ্কা রয়েছে।

তবে সোমবার (৫ জানুয়ারি) সকাল থেকে শৈত্যপ্রবাহ তাপমাত্রা শুরু হওয়ার আশঙ্কা করা যাচ্ছে রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও খুলনা বিভাগে বিভিন্ন জেলায়। সোমবার সকাল ৬টার সময় রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের জেলাগুলোতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে আসতে পারে।

এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, আগামীকাল সোমবার সামগ্রিকভাবে সারাদেশে পরিস্থিতির তেমন পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই।

রোববার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে, ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১২ দশমিক ১ ডিগ্রি।

চলতি শীত মৌসুমে এখন পর্যত এটিই রাজধানীর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। ঘন কুয়াশার চাদর ভেদ করে দুপুরের দিকে কিছুটা সূর্যের মুখ দেখা গেলেও তা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। সব মিলিয়ে রাজধানীতে শীতের তীব্রতা কিছুটা বেড়েছে। রাজধানীর মতো আরো কিছু অঞ্চলেও গতকাল কুয়াশা ও শীতের প্রকোপ বেশি ছিল।

আরও পড়ুন

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, যশোর, কুষ্টিয়া, কুমিলস্না, মৌলভীবাজার ও সিলেট জেলার ওপর দিয়ে মুদু (৮ থেকে ১০ ডিগ্রি) শৈত্যপ্রবাহ বয়ে গেছে। আগামীকালও তা অব্যাহত থাকতে পারে। কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ার কারণে সারা দেশে শীতের অনুভূতি অব্যাহত থাকতে পারে।

এদিকে আবহাওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। সারাদেশে দিনে ও রাতের তাপমাত্রা থাকতে পারে প্রায় অপরিবর্তিত। আগামী মঙ্গলবার দিনের তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে। তবে কিছুটা কমতে পারে রাতের তাপমাত্রা। কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ার কারণে সারাদেশে শীতের অনুভূতি বাড়তে পারে।

আরটিভি/একে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ইতিহাসের উষ্ণতম বছর হতে পারে ২০২৬
প্রশান্ত মহাসাগরে শক্তিশালী হয়ে ওঠা ‘সুপার এল নিনো’র প্রভাবে ২০২৬ সাল ইতিহাসের উষ্ণতম বছরে পরিণত হতে পারে। এমন আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) জলবায়ু পর্যবেক্ষণ সংস্থা কোপার্নিকাস ক্লাইমেট চেঞ্জ সার্ভিসের পরিচালক কার্লো বুয়োনতেম্পো। একই সঙ্গে ২০২৭ সালেও তাপমাত্রার নতুন রেকর্ড গড়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ডনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এর আগে সোমবার (১২ অক্টোবর) বার্তা সংস্থা এএফপিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ আশঙ্কার কথা তুলে ধরেন বুয়োনতেম্পো। তিনি বলেন, অতীতের এল নিনো ঘটনাগুলোর ধরন অনুসরণ করলে ২০২৬ সালে তাপমাত্রার নতুন রেকর্ড হতে পারে। এমনকি ২০২৭ সালেও নতুন রেকর্ড হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ডনের প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বজুড়ে আবহাওয়াবিদরা কয়েক মাস ধরেই সতর্ক করে আসছেন, এবারের এল নিনো সম্ভবত এযাবৎকালের অন্যতম শক্তিশালী ঘটনায় পরিণত হতে পারে। বছরের শেষ দিকে এটির সর্বোচ্চ তীব্রতায় পৌঁছানোর আশঙ্কা থাকলেও এরই মধ্যে তাপমাত্রায় নতুন রেকর্ডের তথ্য পাওয়া গেছে। কোপার্নিকাস ক্লাইমেট চেঞ্জ সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, প্রশান্ত মহাসাগরের ‘নিনো ৩.৪’ অঞ্চলে গত মাসে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা ২৯ দশমিক ৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছে, যা ওই অঞ্চলের জন্য সর্বোচ্চ বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। এল নিনো পর্যবেক্ষণের ক্ষেত্রে অঞ্চলটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সংস্থাটির তথ্যমতে, এ তাপমাত্রা ১৯৮২-৮৩, ১৯৯৭-৯৮ এবং ২০১৫-১৬ সালের শক্তিশালী এল নিনো ঘটনাগুলোর সর্বোচ্চ তাপমাত্রাকেও ছাড়িয়ে গেছে। তবে এবারের এল নিনো এযাবৎকালের সবচেয়ে শক্তিশালী কি না, তা নিশ্চিত করে বলার সময় এখনো আসেনি বলে জানিয়েছেন বুয়োনতেম্পো। তাঁর ভাষায়, জুনে শুরু হওয়া এবারের ঘটনাটি ‘অত্যন্ত ব্যতিক্রমী’। সামগ্রিক জলবায়ু আগের তুলনায় অনেক বেশি উষ্ণ থাকায় এর প্রভাবও বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, প্রশান্ত মহাসাগরে সঞ্চিত তাপ বায়ুমণ্ডলে ছড়িয়ে পড়ার পাশাপাশি মানুষের কর্মকাণ্ডজনিত জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বৈশ্বিক তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে। এর ফলে ২০২৭ সালও ইতিহাসের উষ্ণতম বছর হয়ে ওঠার ঝুঁকিতে রয়েছে। এল নিনো একটি প্রাকৃতিক জলবায়ুগত ঘটনা, যার ফলে নিরক্ষীয় প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্য ও পূর্বাঞ্চলের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়ে যায়। এর প্রভাবে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে তাপপ্রবাহ, খরা, অতিবৃষ্টি ও অন্যান্য চরম আবহাওয়ার ঘটনা তীব্র হতে পারে। তবে এল নিনোর প্রকৃত শক্তি ও বৈশ্বিক তাপমাত্রার ওপর এর প্রভাব নির্ভর করবে পরবর্তী সময়ে পরিস্থিতি কীভাবে পরিবর্তিত হয়, তার ওপর। আরটিভি/এসকে
ইতিহাসের উষ্ণতম বছর হতে পারে ২০২৬
সাগরে লঘুচাপের আভাস, ৪ বিভাগে হতে পারে বজ্রসহ বৃষ্টি
লঘুচাপের বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে একটি লঘুচাপ সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
সাগরে লঘুচাপের আভাস, ৪ বিভাগে হতে পারে বজ্রসহ বৃষ্টি
আজ যেমন থাকবে ঢাকার আবহাওয়া
রাজধানী ঢাকাসহ পার্শ্ববর্তী এলাকার আবহাওয়া আজ প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। আকাশ পরিষ্কার থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
আজ যেমন থাকবে ঢাকার আবহাওয়া
বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের আভাস, টানা ৫ দিন ৩ বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা 
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে টানা পাঁচদিন অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের আভাস, টানা ৫ দিন ৩ বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা 
বঙ্গোপসাগরে নতুন লঘুচাপের আভাস, আগামী ৫ দিন যেমন থাকবে আবহাওয়া
সোমবার (১২ অক্টোবর) আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবির স্বাক্ষরিত এক পূর্বাভাস সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা গেছে এ তথ্য।
বঙ্গোপসাগরে নতুন লঘুচাপের আভাস, আগামী ৫ দিন যেমন থাকবে আবহাওয়া
আরও পড়ুন
ঢাকায় দিনের তাপমাত্রা কমতে পারে
আজ যেমন থাকবে ঢাকার আবহাওয়া
রাজধানীতে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই, যেমন থাকবে তাপমাত্রা
আজ যেমন থাকবে ঢাকার আবহাওয়া