ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৫ জেলায় বন্যার আশঙ্কা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৯ জুলাই ২০২৬, ০৪:৫৯ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

দেশজুড়ে ভারী বৃষ্টিপাত ও উজানের পাহাড়ি ঢলের ফলে নদ-নদীর পানি বেড়ে আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় ৫ জেলায় নতুন করে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে এই সময়ে কিছু জেলার নদীর পানি বিপৎসীমায় প্রবাহিত হয়ে কয়েকটি জেলার নদী-সংলগ্ন নিম্নাঞ্চলও প্লাবিত হতে পারে।

রোববার (১৯ জুলাই) এক পূর্বাভাসে এই আশঙ্কার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তরাঞ্চলীয় রংপুর বিভাগের তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি সমতল স্থিতিশীল থাকলেও আগামী ৩ দিন এসব নদীর পানি বৃদ্ধি পেতে পারে। এই অবস্থায় আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় এসব নদীর পানি কিছু স্থানে বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে এবং লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রাম জেলার এসব নদী-সংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের কোথাও কোথাও আকস্মিক অথবা স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুরমা নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে এবং কুশিয়ারা নদীর পানি সমতল স্থিতিশীল ছিল। আগামী ৩ দিন এসব নদীর পানিও বৃদ্ধি পেতে পারে। ফলে আগামী ৪৮ ঘণ্টায় এসব নদীর পানি কিছু স্থানে বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে এবং সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার নদী-সংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের কোথাও কোথাও স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে অথবা বন্যা পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকতে পারে।

আরও পড়ুন

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র নদের পানি সমতল স্থিতিশীল থাকলেও যমুনা নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে। আগামী ৫ দিন এসব নদ-নদীর পানির বৃদ্ধি অব্যাহত থাকতে পারে। এই অবস্থায় আগামী দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম দিনে (২০-২৪ জুলাই) ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদ-নদীর পানি কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জামালপুর, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ ও টাঙ্গাইল জেলার কিছু স্থানে সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে এবং নদী-সংলগ্ন নিম্নাঞ্চল কোথাও কোথাও প্লাবিত হতে পারে।

অন্যদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগের সারিগোয়াইন, যাদুকাটা ও কংস নদীর পানি সমতল স্থিতিশীল থাকলেও সোমেশ্বরী ও ভুগাই নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে। আগামী ৩ দিন এসব নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পেতে পারে। এই অবস্থায় আগামী ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টায় নেত্রকোণা জেলার সোমেশ্বরী নদীর পানি কিছু স্থানে বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে এবং নদী-সংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের কোথাও কোথাও স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র আরও জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তরাঞ্চলীয় রংপুর এবং রাজশাহী বিভাগের আপার করতোয়া, আপার আত্রাই, টাঙ্গন, পুনর্ভবা, মহানন্দা ও যমুনেশ্বরী নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে ঘাঘট, আত্রাই, করতোয়া ও ছোট যমুনা নদীর পানি সমতল হ্রাস পেয়েছে। আগামী ৩ দিন এসব নদীর পানি সমতলও বৃদ্ধি পেতে পারে।

আরটিভি/ এসকেডি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
৩ বিভাগে বৃষ্টির আভাস, কমতে পারে তাপমাত্রা
দেশের তিন বিভাগে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে দেশের অন্যান্য অঞ্চলে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া অফিস।
৩ বিভাগে বৃষ্টির আভাস, কমতে পারে তাপমাত্রা
ঢাকায় বৃষ্টির সম্ভাবনা, নদীবন্দরে সতর্কতা
রাজধানী ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে দেশের তিন অঞ্চলের নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।
ঢাকায় বৃষ্টির সম্ভাবনা, নদীবন্দরে সতর্কতা
শীত নামবে কবে, জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর
দেশে সাধারণত পৌষ আর মাঘ মাস জুড়ে শীতের তীব্রতা দেখা দিলেও এরইমধ্যে পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁওসহ উত্তরের কয়েকটি জেলায় শীতের আগমনী হাওয়া বইছে।
শীত নামবে কবে, জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর
কড়া নাড়ছে শীত, তাপমাত্রা নিয়ে যা জানা যাচ্ছে
নভেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহ নাগাদ রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে শীতের আমেজ শুরু হতে পারে। 
কড়া নাড়ছে শীত, তাপমাত্রা নিয়ে যা জানা যাচ্ছে
উপকূলীয় তিন বিভাগে বৃষ্টির আভাস, তাপমাত্রা কমার আশঙ্কা
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় খুলনা, চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ সময়ে সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
উপকূলীয় তিন বিভাগে বৃষ্টির আভাস, তাপমাত্রা কমার আশঙ্কা
আরও পড়ুন
সরকারি তৎপরতা অব্যাহত, কয়েকটি জেলায় বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি
বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে সবশেষ যা জানা গেলো
রাঙামাটিতে বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত, আশ্রয়কেন্দ্রে ৪ হাজারের বেশি মানুষ