ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৫ জেলায় বন্যার আশঙ্কা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৯ জুলাই ২০২৬, ০৪:৫৯ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

দেশজুড়ে ভারী বৃষ্টিপাত ও উজানের পাহাড়ি ঢলের ফলে নদ-নদীর পানি বেড়ে আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় ৫ জেলায় নতুন করে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে এই সময়ে কিছু জেলার নদীর পানি বিপৎসীমায় প্রবাহিত হয়ে কয়েকটি জেলার নদী-সংলগ্ন নিম্নাঞ্চলও প্লাবিত হতে পারে।

রোববার (১৯ জুলাই) এক পূর্বাভাসে এই আশঙ্কার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তরাঞ্চলীয় রংপুর বিভাগের তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি সমতল স্থিতিশীল থাকলেও আগামী ৩ দিন এসব নদীর পানি বৃদ্ধি পেতে পারে। এই অবস্থায় আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় এসব নদীর পানি কিছু স্থানে বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে এবং লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রাম জেলার এসব নদী-সংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের কোথাও কোথাও আকস্মিক অথবা স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুরমা নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে এবং কুশিয়ারা নদীর পানি সমতল স্থিতিশীল ছিল। আগামী ৩ দিন এসব নদীর পানিও বৃদ্ধি পেতে পারে। ফলে আগামী ৪৮ ঘণ্টায় এসব নদীর পানি কিছু স্থানে বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে এবং সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার নদী-সংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের কোথাও কোথাও স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে অথবা বন্যা পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকতে পারে।

আরও পড়ুন

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র নদের পানি সমতল স্থিতিশীল থাকলেও যমুনা নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে। আগামী ৫ দিন এসব নদ-নদীর পানির বৃদ্ধি অব্যাহত থাকতে পারে। এই অবস্থায় আগামী দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম দিনে (২০-২৪ জুলাই) ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদ-নদীর পানি কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জামালপুর, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ ও টাঙ্গাইল জেলার কিছু স্থানে সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে এবং নদী-সংলগ্ন নিম্নাঞ্চল কোথাও কোথাও প্লাবিত হতে পারে।

অন্যদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগের সারিগোয়াইন, যাদুকাটা ও কংস নদীর পানি সমতল স্থিতিশীল থাকলেও সোমেশ্বরী ও ভুগাই নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে। আগামী ৩ দিন এসব নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পেতে পারে। এই অবস্থায় আগামী ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টায় নেত্রকোণা জেলার সোমেশ্বরী নদীর পানি কিছু স্থানে বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে এবং নদী-সংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের কোথাও কোথাও স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র আরও জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তরাঞ্চলীয় রংপুর এবং রাজশাহী বিভাগের আপার করতোয়া, আপার আত্রাই, টাঙ্গন, পুনর্ভবা, মহানন্দা ও যমুনেশ্বরী নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে ঘাঘট, আত্রাই, করতোয়া ও ছোট যমুনা নদীর পানি সমতল হ্রাস পেয়েছে। আগামী ৩ দিন এসব নদীর পানি সমতলও বৃদ্ধি পেতে পারে।

আরটিভি/ এসকেডি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে ৬ শৈত্যপ্রবাহের আভাস
আগামী ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসে দেশের ওপর দিয়ে ছয়টি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এর মধ্যে দুই থেকে তিনটি শৈত্যপ্রবাহ তীব্র আকার ধারণ করতে পারে।
ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে ৬ শৈত্যপ্রবাহের আভাস
আবহাওয়ায় আসছে বড় পরিবর্তন, যা জানা গেল
দেশের তিন বিভাগে বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সংস্থাটি জানিয়েছে, দক্ষিণ অন্ধ্রপ্রদেশ ও তৎসংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায় অবস্থানরত প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’ উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে অন্ধ্রপ্রদেশ এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় স্থল নিম্নচাপ আকারে অবস্থান করছে। এটি আরও উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ক্রমান্বয়ে দুর্বল হয়ে যেতে পারে।
আবহাওয়ায় আসছে বড় পরিবর্তন, যা জানা গেল
ঢাকাসহ ৩ বিভাগের জন্য দুঃসংবাদ
ঢাকাসহ দেশের তিন বিভাগে আগামী ২৪ ঘণ্টায় বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেই সঙ্গে সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা রয়েছে। বুধবার (৪ নভেম্বর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাস থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।  পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার মধ্যে রাজশাহী, ঢাকা ও খুলনা বিভাগের দু-এক জায়গায় হালকা বৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া দেশের অন্যত্র আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। পাশাপাশি সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে ও দিনে সামান্য কমতে পারে। আবহাওয়া অফিস জানায়, দক্ষিণ অন্ধ্র প্রদেশ ও তৎসংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায় অবস্থানরত প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’ উত্তর/উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে অন্ধ্র প্রদেশ এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় স্থল নিম্নচাপ আকারে অবস্থান করছে। এটি আরো উত্তর-উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ক্রমান্বয়ে দুর্বল হয়ে যেতে পারে। আরটিভি/এসআর
ঢাকাসহ ৩ বিভাগের জন্য দুঃসংবাদ
আঘাত হানার দ্বারপ্রান্তে বঙ্গোপসাগরের নতুন ঘূর্ণিঝড়, চার সমুদ্রবন্দরে সতর্কতা
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নতুন ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’ প্রবল আকার ধারণ করে উত্তর-পশ্চিমে উপকূলের দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে ক্রমশ।
আঘাত হানার দ্বারপ্রান্তে বঙ্গোপসাগরের নতুন ঘূর্ণিঝড়, চার সমুদ্রবন্দরে সতর্কতা
শক্তি বেড়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিল ‘মুরাসু’, আঘাত হানতে পারে যেসব এলাকায়
বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’ আরও শক্তিশালী হয়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে থাকা ঘূর্ণিঝড়টি সোমবার (২ নভেম্বর) রাত নাগাদ ভারতের অন্ধ্র উপকূলে আঘাত হানতে পারে। এদিকে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বাংলাদেশের চার সমুদ্রবন্দরে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত জারি করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সোমবার (২ নভেম্বর) আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমানের স্বাক্ষরিত আবহাওয়া অধিদপ্তরের ৭ নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’ উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হয়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে। সোমবার ভোররাত ৩টায় এটি ১৩ দশমিক ৭ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮২ দশমিক ৬ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে অবস্থান করছিল। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৩৯০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৩৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ২৪৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ২৫৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল। ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্রের ৬৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কিলোমিটার। দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে এ গতিবেগ ঘণ্টায় ১১৭ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্রের কাছাকাছি এলাকায় সাগর বিক্ষুব্ধ রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচলের পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’ উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে থাকলে সোমবার রাত নাগাদ প্রবল ঘূর্ণিঝড় হিসেবেই ভারতের অন্ধ্র উপকূল অতিক্রম করতে পারে। আরটিভি/এসকে
শক্তি বেড়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিল ‘মুরাসু’, আঘাত হানতে পারে যেসব এলাকায়
আরও পড়ুন
সরকারি তৎপরতা অব্যাহত, কয়েকটি জেলায় বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি
বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে সবশেষ যা জানা গেলো
রাঙামাটিতে বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত, আশ্রয়কেন্দ্রে ৪ হাজারের বেশি মানুষ