ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

সাগরে লঘুচাপ, সব বন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৯:১১ এএম
ছবি: সংগৃহীত

উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হওয়ায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আগামী পাঁচদিন বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। ফলে চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত জারি করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

আবহাওয়া অধিদপ্তর পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে জানায়, লঘুচাপটি মৌসুমি বায়ুকে সক্রিয় করেছে। এর ফলে দেশের দক্ষিণাঞ্চলসহ বিভিন্ন বিভাগে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বাড়তে পারে।

শনিবার (২৫ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পূর্বাভাসে বলা হয়, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে।

সারাদেশের দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

আরও পড়ুন

রোববার (২৬ জুলাই) খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও‌ সিলেট বিভাগের অধিকাংশ স্থানে ও রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক স্থানে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণও হতে পারে। সারাদেশের দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

সোমবার (২৭ জুলাই) রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশের দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের বাড়ি থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

বুধবার (২৯ জুলাই) রংপুর, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ এলাকায় এবং রাজশাহী ও ঢাকা বিভাগের অনেক স্থানে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। এদিন দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

আরও পড়ুন

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, আগামী পাঁচ দিনজুড়েই বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।

গত ২৪ ঘণ্টার বৃষ্টিপাত

গত ২৪ ঘণ্টায় শনিবার (২৫ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে হাতিয়ায়, ২০ মিলিমিটার। এছাড়া রামগতি ও কয়রায় ১২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়।

এদিকে, এদিন দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে তেঁতুলিয়ায়, ৩৫.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নারায়ণগঞ্জে ২৫.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্র আবহাওয়া সতর্কবার্তা যা বলেছে

উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গ উত্তর উড়িষ্যা উপকূলীয় এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি বর্তমানে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎ সংলগ্ন গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ উপকূলে অবস্থান করছে। এর প্রভাবে সমুদ্র বন্দরগুলো এবং উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশি উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে দমকা অথবা জড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা বন্দরকে তিন নাম্বার নাম্বার স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
উপকূলীয় তিন বিভাগে বৃষ্টির আভাস, তাপমাত্রা কমার আশঙ্কা
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় খুলনা, চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ সময়ে সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
উপকূলীয় তিন বিভাগে বৃষ্টির আভাস, তাপমাত্রা কমার আশঙ্কা
দুপুরের মধ্যে দেশের ৫ অঞ্চলে বজ্রবৃষ্টির আভাস
দেশের পাঁচ অঞ্চলে দুপুরের মধ্যে বজ্রবৃষ্টিসহ ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
দুপুরের মধ্যে দেশের ৫ অঞ্চলে বজ্রবৃষ্টির আভাস
সকালের মধ্যে ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি হতে পারে যেসব অঞ্চলে
দেশের পাঁচটি অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
সকালের মধ্যে ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি হতে পারে যেসব অঞ্চলে
যেসব বিভাগে বৃষ্টি-বজ্রপাতের সম্ভাবনা জানাল আবহাওয়া অফিস
দেশের তিন বিভাগে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। তবে দেশের অন্যান্য অঞ্চলে আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
যেসব বিভাগে বৃষ্টি-বজ্রপাতের সম্ভাবনা জানাল আবহাওয়া অফিস
ইতিহাসের উষ্ণতম বছর হতে পারে ২০২৬
প্রশান্ত মহাসাগরে শক্তিশালী হয়ে ওঠা ‘সুপার এল নিনো’র প্রভাবে ২০২৬ সাল ইতিহাসের উষ্ণতম বছরে পরিণত হতে পারে। এমন আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) জলবায়ু পর্যবেক্ষণ সংস্থা কোপার্নিকাস ক্লাইমেট চেঞ্জ সার্ভিসের পরিচালক কার্লো বুয়োনতেম্পো। একই সঙ্গে ২০২৭ সালেও তাপমাত্রার নতুন রেকর্ড গড়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ডনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এর আগে সোমবার (১২ অক্টোবর) বার্তা সংস্থা এএফপিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ আশঙ্কার কথা তুলে ধরেন বুয়োনতেম্পো। তিনি বলেন, অতীতের এল নিনো ঘটনাগুলোর ধরন অনুসরণ করলে ২০২৬ সালে তাপমাত্রার নতুন রেকর্ড হতে পারে। এমনকি ২০২৭ সালেও নতুন রেকর্ড হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ডনের প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বজুড়ে আবহাওয়াবিদরা কয়েক মাস ধরেই সতর্ক করে আসছেন, এবারের এল নিনো সম্ভবত এযাবৎকালের অন্যতম শক্তিশালী ঘটনায় পরিণত হতে পারে। বছরের শেষ দিকে এটির সর্বোচ্চ তীব্রতায় পৌঁছানোর আশঙ্কা থাকলেও এরই মধ্যে তাপমাত্রায় নতুন রেকর্ডের তথ্য পাওয়া গেছে। কোপার্নিকাস ক্লাইমেট চেঞ্জ সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, প্রশান্ত মহাসাগরের ‘নিনো ৩.৪’ অঞ্চলে গত মাসে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা ২৯ দশমিক ৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছে, যা ওই অঞ্চলের জন্য সর্বোচ্চ বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। এল নিনো পর্যবেক্ষণের ক্ষেত্রে অঞ্চলটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সংস্থাটির তথ্যমতে, এ তাপমাত্রা ১৯৮২-৮৩, ১৯৯৭-৯৮ এবং ২০১৫-১৬ সালের শক্তিশালী এল নিনো ঘটনাগুলোর সর্বোচ্চ তাপমাত্রাকেও ছাড়িয়ে গেছে। তবে এবারের এল নিনো এযাবৎকালের সবচেয়ে শক্তিশালী কি না, তা নিশ্চিত করে বলার সময় এখনো আসেনি বলে জানিয়েছেন বুয়োনতেম্পো। তাঁর ভাষায়, জুনে শুরু হওয়া এবারের ঘটনাটি ‘অত্যন্ত ব্যতিক্রমী’। সামগ্রিক জলবায়ু আগের তুলনায় অনেক বেশি উষ্ণ থাকায় এর প্রভাবও বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, প্রশান্ত মহাসাগরে সঞ্চিত তাপ বায়ুমণ্ডলে ছড়িয়ে পড়ার পাশাপাশি মানুষের কর্মকাণ্ডজনিত জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বৈশ্বিক তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে। এর ফলে ২০২৭ সালও ইতিহাসের উষ্ণতম বছর হয়ে ওঠার ঝুঁকিতে রয়েছে। এল নিনো একটি প্রাকৃতিক জলবায়ুগত ঘটনা, যার ফলে নিরক্ষীয় প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্য ও পূর্বাঞ্চলের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়ে যায়। এর প্রভাবে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে তাপপ্রবাহ, খরা, অতিবৃষ্টি ও অন্যান্য চরম আবহাওয়ার ঘটনা তীব্র হতে পারে। তবে এল নিনোর প্রকৃত শক্তি ও বৈশ্বিক তাপমাত্রার ওপর এর প্রভাব নির্ভর করবে পরবর্তী সময়ে পরিস্থিতি কীভাবে পরিবর্তিত হয়, তার ওপর। আরটিভি/এসকে
ইতিহাসের উষ্ণতম বছর হতে পারে ২০২৬
আরও পড়ুন
দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে ঝড়ের শঙ্কা, দুই সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত
সাগরে লঘুচাপ, দেশের ৪ সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত
বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, ৪ সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত
সাগরে লঘুচাপ, চার বন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত