ঢাকা সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩

টানা পাঁচদিন বৃষ্টির আভাস, ভূমিধসের শঙ্কা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৭ আগস্ট ২০২৬, ১২:০১ এএম
ফাইল ছবি

মৌসুমি বায়ুর সক্রিয় প্রভাবে আগামী পাঁচ দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। এ সময় কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। অতিবৃষ্টির কারণে চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের ঝুঁকিও রয়েছে। একই সঙ্গে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কুশিয়ারা এবং উত্তরাঞ্চলের তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভারী বৃষ্টিপাতের সতর্কবার্তায় আবহাওয়া অধিদপ্তর বলেছে, সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে শুক্রবার সকাল ৯টা পর্যন্ত ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও ভারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টিপাত হতে পারে। অতি ভারী বর্ষণের কারণে চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি এলাকার কোথাও কোথাও ভূমিধসের আশঙ্কা রয়েছে।

সাধারণত ২৪ ঘণ্টায় ৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হলে তাকে ‘ভারি’ বৃষ্টি বলা হয়। আর ৮৮ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাত হলে তাকে ‘অতি ভারি’ বর্ষণ বলা হয়।

আবহাওয়াবিদ মো. হাফিজুর রহমান বলেন, ‘ভারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টিপাত এবং পাহাড়ি এলাকায় ভূমি ধসের আশঙ্কার যে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে, সেটি আগামী ২৪ ঘণ্টার জন্য প্রযোজ্য। এরপরও বৃষ্টি থাকবে, তবে অতি ভারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা থাকবে না। বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমে আসবে।’

পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, শুক্রবার ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারী ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে। আজ সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

শনিবার রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারী ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি বর্ষণ হতে পারে। এদিন সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। রোববার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্তও দেশের বিভিন্ন বিভাগে একই ধরনের আবহাওয়া বিরাজ করবে। পরবর্তী পাঁচদিনেও বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামের আমবাগানে দেশের সর্বোচ্চ ১৪০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এই সময়ে ঢাকায় ৩৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় দেশের সর্বোচ্চ ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এদিকে আজ বৃষ্টির কারণে রাজধানীতে যানজট ও জলাবদ্ধতায় ভোগান্তিতে পড়েন নগরবাসী। বৃষ্টির শুরুর সঙ্গে সঙ্গে গুলশান, বাড্ডা, পল্টন ও মতিঝিলসহ বিভিন্ন এলাকায় যানবাহনের গতি ধীর হয়ে পড়ে। এতে গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। জনজীবনে নেমে আসে দুর্ভোগ। বৃষ্টির কারণে অনেক স্থানে সড়কে পানি জমে যায়। নিচু এলাকার রাস্তাগুলোতে পানি জমে থাকায় ছোট যানবাহন চলাচলে সমস্যা দেখা দেয়। পথচারীদের অনেককেই পানি মাড়িয়ে গন্তব্যে যেতে দেখা যায়। রিকশা ও অ্যাপভিত্তিক পরিবহনের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় অতিরিক্ত ভাড়া দাবি করার অভিযোগও পাওয়া গেছে।

আরও পড়ুন

অফিসগামী কর্মজীবী মানুষ, শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন কাজে বের হওয়া সাধারণ মানুষ সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েন। স্বল্প দূরত্বের পথ অতিক্রম করতেও অনেকের স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে দ্বিগুণ বা তার বেশি সময় লেগেছে।

বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় গাইবান্ধার তারাপুরে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার ১৩ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। একই সময়ে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে কুশিয়ারা নদীর পানি বিপৎসীমার ১১ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে বইছিল। কুশিয়ারার উজানে মিজোরামের আইজল স্টেশনের ২৪ ঘণ্টায় ৬৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।

ভারতের মণিপুর রাজ্যের আঙ্গামি নাগা পাহাড় থেকে উৎপন্ন বরাক নদী সিলেট সীমান্তে এসে সুরমা ও কুশিয়ারা নামে দুটি স্রোতধারায় বিভক্ত হয়। এ দুই নদী কিশোরগঞ্জের ভৈরববাজারের কাছে মিলিত হয়ে মেঘনা নদী গঠন করে, যা চাঁদপুরে পদ্মার সঙ্গে মিলিত হয়ে মিশেছে বঙ্গোপসাগরে।

গত একদিনে সুরমা নদীর পানি স্থিতিশীল থাকলেও কুশিয়ারা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে, যা আগামী তিন দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে। আগামী ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টায় এসব নদী সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার কিছু স্থানে সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে এবং নদী লাগোয়া নিচু এলাকার কোথাও কোথাও সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে। তবে আগামী একদিনে গাইবান্ধায় তিস্তা লাগোয়া নিচু এলাকার বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে।

বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র বলেছে, গত একদিনে রংপুর বিভাগের তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে, যা আগামী দুদিন কমতে পারে এবং তৃতীয় দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে। ব্রহ্মপুত্র-যমুনা ও গঙ্গা-পদ্মা অববাহিকার বিষয়ে বুলেটিনে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদ-নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে, যা আগামী তিন দিন পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে। গঙ্গা নদীর পানিও বৃদ্ধি পেয়েছে এবং পদ্মা নদীর পানি সমতল স্থিতিশীল আছে, যা আগামী তিন দিন বৃদ্ধি পেতে পারে।

আগামী তিন দিনে ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদীর কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জামালপুর ও বগুড়া জেলার কিছু স্থানে পানি সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে এবং নদী লাগোয়া নিচু এলাকা সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে। চট্টগ্রাম বিভাগের গোমতী, মুহুরী, নোয়াখালী খাল, রহমতখালি খাল ও ফেনী নদীর পানি গত একদিন বেড়েছে। এসব নদীর পানি আগামী দুদিন বাড়তে পারে এবং তৃতীয় দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে।

আরটিভি/ এসকেডি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
শক্তি বেড়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিল ‘মুরাসু’, আঘাত হানতে পারে যেসব এলাকায়
বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’ আরও শক্তিশালী হয়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে থাকা ঘূর্ণিঝড়টি সোমবার (২ নভেম্বর) রাত নাগাদ ভারতের অন্ধ্র উপকূলে আঘাত হানতে পারে। এদিকে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বাংলাদেশের চার সমুদ্রবন্দরে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত জারি করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সোমবার (২ নভেম্বর) আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমানের স্বাক্ষরিত আবহাওয়া অধিদপ্তরের ৭ নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’ উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হয়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে। সোমবার ভোররাত ৩টায় এটি ১৩ দশমিক ৭ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮২ দশমিক ৬ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে অবস্থান করছিল। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৩৯০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ৩৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ২৪৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১ হাজার ২৫৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল। ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্রের ৬৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কিলোমিটার। দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে এ গতিবেগ ঘণ্টায় ১১৭ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্রের কাছাকাছি এলাকায় সাগর বিক্ষুব্ধ রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচলের পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’ উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে থাকলে সোমবার রাত নাগাদ প্রবল ঘূর্ণিঝড় হিসেবেই ভারতের অন্ধ্র উপকূল অতিক্রম করতে পারে। আরটিভি/এসকে
শক্তি বেড়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিল ‘মুরাসু’, আঘাত হানতে পারে যেসব এলাকায়
বঙ্গোপসাগরে নতুন ঘূর্ণিঝড়, বিপদে যেসব অঞ্চল
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপটি প্রবল শক্তি সঞ্চয় করে অবশেষে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) ভোর নাগাদ উপকূলে আঘাত হানতে পারে নতুন সৃষ্টি এই ঘূর্ণিঝড়টি।
বঙ্গোপসাগরে নতুন ঘূর্ণিঝড়, বিপদে যেসব অঞ্চল
বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ, বৃষ্টি হতে পারে যেসব অঞ্চলে
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে দেশের আট বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ সময় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া বয়ে যেতে পারে। সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমার আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টায় প্রকাশিত আবহাওয়া অধিদপ্তরের ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এই তথ্য জানানো হয়েছে। পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন আন্দামান সাগর এলাকায় অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হয়ে শনিবার দুপুরে নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। নিম্নচাপটি আরও পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হতে পারে। এদিকে ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য রোববার (১ নভেম্বর) সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ছয় ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এ অঞ্চলের আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে। এ সময় দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, রবিবার সকাল ৬টায় ঢাকার তাপমাত্রা ছিল ২৬ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৮৮ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় ২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৫টা ১৯ মিনিটে। আগামীকাল সোমবার সূর্যোদয় হবে ভোর ৬টা ৬ মিনিটে। আরটিভি/এসআর
বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ, বৃষ্টি হতে পারে যেসব অঞ্চলে
বঙ্গোপসাগরে শক্তি সঞ্চয় করছে নতুন নিম্নচাপ, আবারও ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা
ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের রেশ কাটতে না কাটতেই বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হয়েছে নতুন একটি নিম্নচাপ। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ক্রমশ শক্তি সঞ্চয় করছে এটি। ফলে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আরেকটি ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বঙ্গোপসাগরে।
বঙ্গোপসাগরে শক্তি সঞ্চয় করছে নতুন নিম্নচাপ, আবারও ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা
বঙ্গোপসাগরে আবারও ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা, আঘাত হানতে পারে যেসব এলাকায়
ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের রেশ কাটতে না কাটতেই বঙ্গোপসাগরে নতুন করে ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা দেখা দিয়েছে। দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপটি আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে এবং ১ নভেম্বরের মধ্যে এটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর। শনিবার (৩১ অক্টোবর) ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, ঘূর্ণিঝড়টি পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে আগামী ২ নভেম্বর সন্ধ্যার মধ্যে পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলের কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট সুস্পষ্ট নিম্নচাপটি আগামী ছয় ঘণ্টার মধ্যে গভীর নিম্নচাপে এবং পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। এটি পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ২ নভেম্বর সন্ধ্যায় অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলের কাছাকাছি পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করতে পারে। ঘূর্ণিঝড়টি পরে অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে আঘাত হানতে পারে। ঘূর্ণিঝড়ের নতুন এই শঙ্কা দেখা দিল এমন এক সময়ে, যখন কয়েক দিন আগেই অর্ণবের তাণ্ডবে বিপর্যস্ত হয়েছে ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশা।  গত ২৮ অক্টোবর ভোরে অন্ধ্রপ্রদেশের বাপটলা ও বিশাখাপটনমের মধ্যবর্তী উপকূল দিয়ে স্থলভাগে আঘাত হানে ঘূর্ণিঝড়টি। ওই সময় বাতাসের একটানা গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় প্রায় ১৩০ কিলোমিটার। ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে অন্ধ্রপ্রদেশ ও প্রতিবেশী ওড়িশায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। উপড়ে পড়ে অসংখ্য গাছ, প্লাবিত হয় ঘরবাড়ি ও কৃষিজমি। মাছ ধরার কার্যক্রমে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। পাশাপাশি পরিবহণ ও বিদ্যুৎ সরবরাহব্যবস্থায় বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটে।  সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস আরটিভি/এসআর
বঙ্গোপসাগরে আবারও ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা, আঘাত হানতে পারে যেসব এলাকায়
আরও পড়ুন
কৃষক কার্ডের মাধ্যমে আবহাওয়ার ‘আগাম বার্তা’ পাবেন কৃষকরা
শক্তি বেড়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিল ‘মুরাসু’, আঘাত হানতে পারে যেসব এলাকায়
সৌদি আরবে হঠাৎ ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি, ঘটনা কী
বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ, বৃষ্টি হতে পারে যেসব অঞ্চলে