ঢাকা সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩

অসময়ের বৃষ্টিতে ভিজেছেন? অসুস্থতা এড়াতে যা করবেন

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৪৯ এএম
হঠাৎ বৃষ্টিতে ভিজে গেলে দ্রুত ভেজা পোশাক বদলে শরীর ও চুল ভালোভাবে শুকিয়ে নেওয়া জরুরি। ছবি : সংগৃহীত

বর্ষাকাল অনেকেরই প্রিয়। ঝুম বৃষ্টি, মাটির গন্ধ আর বৃষ্টিভেজা প্রকৃতি মন ভালো করে দেয়। তবে এই সময়ে আবহাওয়ার আচরণও থাকে বেশ অনিয়মিত। কখনো তুমুল বৃষ্টি, আবার কিছুক্ষণ পরই তীব্র রোদ।

অফিস, স্কুল কিংবা জরুরি কাজে বাইরে বের হলে তাই হঠাৎ বৃষ্টিতে ভিজে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। ছাতা বা বৃষ্টির পোশাক সঙ্গে না থাকলে অনেক সময় পুরোপুরি ভিজেই গন্তব্যে পৌঁছাতে হয়।

বৃষ্টিতে ভেজার পর অনেকের সর্দি, কাশি, জ্বর বা গলা ব্যথার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে শুধু বৃষ্টির পানিই এসব সমস্যার কারণ নয়। শরীরের তাপমাত্রার হঠাৎ পরিবর্তন এবং বিভিন্ন ভাইরাসের সংক্রমণও এর পেছনে ভূমিকা রাখতে পারে। তাই বৃষ্টিতে ভিজে গেলে কয়েকটি সহজ অভ্যাস মেনে চললে অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকি কমানো সম্ভব।

ভেজা পোশাক দ্রুত বদলে ফেলুন

বৃষ্টিতে ভিজে গেলে প্রথমেই ভেজা পোশাক পরিবর্তন করুন। অনেকেই ভেজা কাপড় পরেই দীর্ঘ সময় অফিসে, বাসায় কিংবা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘরে বসে থাকেন। এতে শরীরের তাপমাত্রা দ্রুত কমে যেতে পারে এবং অস্বস্তি বাড়তে পারে।

তাই বর্ষাকালে বাইরে বের হলে ব্যাগে অতিরিক্ত একটি শুকনো পোশাক রাখার অভ্যাস করতে পারেন। এতে হঠাৎ বৃষ্টিতে ভিজে গেলেও দ্রুত পোশাক পরিবর্তন করা সম্ভব হবে।

হালকা গরম পানিতে গোসল করুন

বৃষ্টিতে ভিজে বাড়ি ফেরার পর হালকা গরম পানিতে গোসল করতে পারেন। এতে শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক হতে সাহায্য করে। পাশাপাশি ত্বক ও চুলে লেগে থাকা ধুলাবালি, দূষণ ও ময়লাও পরিষ্কার হয়ে যায়।

তবে খুব গরম পানি ব্যবহার না করে হালকা গরম পানি ব্যবহার করাই ভালো।

চুল ভেজা রাখবেন না

বৃষ্টিতে ভিজে বাড়ি ফেরার পর মাথার চুলও ভালোভাবে শুকিয়ে নিন। দীর্ঘ সময় চুল ভেজা থাকলে অস্বস্তি, মাথাব্যথা কিংবা সাইনাসের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

তাই পরিষ্কার তোয়ালে দিয়ে চুল ভালোভাবে মুছে নিন। প্রয়োজন হলে হালকা বাতাসে বা চুল শুকানোর যন্ত্রের সাহায্যেও শুকিয়ে নিতে পারেন।

পায়ের যত্ন নিন

বর্ষায় রাস্তার পানি ও কাদার সংস্পর্শে সবচেয়ে বেশি আসে পা। এই পানিতে বিভিন্ন ধরনের জীবাণু থাকতে পারে, যা ত্বকে সংক্রমণ বা ছত্রাকজনিত সমস্যা তৈরি করতে পারে।

তাই বাড়ি ফিরে সাবান দিয়ে পা ভালোভাবে ধুয়ে নিন। বিশেষ করে পায়ের আঙুলের ফাঁক ও নখের কোণ পরিষ্কার করা জরুরি।

বর্ষাকালে দ্রুত শুকিয়ে যায় এমন জুতা ব্যবহার করতে পারেন। কর্মস্থলে অতিরিক্ত মোজা ও জুতা রাখলে হঠাৎ বৃষ্টিতে ভিজে যাওয়ার পরও সেগুলো বদলে নেওয়া সহজ হবে।

পান করুন গরম পানীয়

বৃষ্টিতে ভিজে শরীর ঠান্ডা হয়ে গেলে হালকা গরম পানীয় আরাম দিতে পারে। আদা, তুলসি, লবঙ্গ বা দারচিনি দিয়ে তৈরি চা শরীরকে উষ্ণ রাখার পাশাপাশি স্বস্তি দিতে পারে।

চা বা কফি হাতের কাছে না থাকলে এক গ্লাস হালকা গরম পানিও পান করতে পারেন। এতে শরীরের ভেতরটা উষ্ণ রাখতে সাহায্য করবে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে নজর দিন খাবারে

বর্ষায় সুস্থ থাকতে খাবারের দিকেও নজর দেওয়া জরুরি। প্রতিদিনের খাবারে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল রাখতে পারেন। যেমন—পাতিলেবু, কমলা, মাল্টা, আমলকি, পেয়ারা ও আনারস।

ভিটামিন সি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে সক্রিয় রাখতে সাহায্য করে। পাশাপাশি পর্যাপ্ত পানি পান, পুষ্টিকর খাবার খাওয়া এবং পর্যাপ্ত ঘুমও শরীর সুস্থ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ।

বৃষ্টিতে ভিজলেই অসুস্থ হবেন, এমন নয়

বৃষ্টিতে ভিজলেই যে সর্দি-কাশি বা জ্বর হবে, এমন নয়। তবে ভিজে যাওয়ার পর দীর্ঘ সময় ভেজা পোশাকে থাকা, শরীরের যত্ন না নেওয়া কিংবা অপরিষ্কার পানি ও কাদার সংস্পর্শে থাকার কারণে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে।

তাই হঠাৎ বৃষ্টিতে ভিজে গেলে আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। দ্রুত ভেজা পোশাক বদলে ফেলুন, শরীর ও চুল ভালোভাবে শুকিয়ে নিন, পা পরিষ্কার করুন এবং প্রয়োজনমতো হালকা গরম পানীয় পান করুন। সামান্য কিছু সতর্কতাই বর্ষার অনিয়মিত আবহাওয়ায় সুস্থ থাকতে সাহায্য করতে পারে।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
দাঁত পড়ে গেলে আর চিন্তা নেই, ওষুধেই গজাবে নতুন দাঁত!
একবার স্থায়ী দাঁত পড়ে গেলে বা তুলে ফেলতে হলে সাধারণত আর প্রাকৃতিকভাবে সেই দাঁত ফিরে আসে না। এ অবস্থায় ডেন্টাল ইমপ্ল্যান্ট, ব্রিজ কিংবা কৃত্রিম দাঁতের ওপর নির্ভর করতে হয়।
দাঁত পড়ে গেলে আর চিন্তা নেই, ওষুধেই গজাবে নতুন দাঁত!
লিভারের রোগের লক্ষণ মিলতে পারে হাত-পায়ে, যে ৫ পরিবর্তনে সতর্ক হবেন
লিভারের রোগ সব সময় স্পষ্ট উপসর্গ নিয়ে দেখা দেয় না। প্রাথমিক পর্যায়ে অনেকের শরীরে তেমন কোনো লক্ষণই প্রকাশ পায় না। ফলে অজান্তেই বাড়তে পারে রোগের জটিলতা।
লিভারের রোগের লক্ষণ মিলতে পারে হাত-পায়ে, যে ৫ পরিবর্তনে সতর্ক হবেন
কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়ছে নারীদের, সতর্ক হবেন যে ৫ লক্ষণে
নারীদের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা ও অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন। উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবিটিস, মূত্রনালির সংক্রমণ এবং কিছু অটোইমিউন রোগ কিডনির ক্ষতির কারণ হতে পারে। তবে প্রাথমিক পর্যায়ে অনেক ক্ষেত্রে স্পষ্ট উপসর্গ না থাকায় রোগ শনাক্ত হতে দেরি হয়। তাই কিডনির সম্ভাব্য পাঁচটি লক্ষণ সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি। বিশেষজ্ঞদের মতে, অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবিটিস কিডনি রোগের অন্যতম প্রধান কারণ। অনেক নারী নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা না করানোয় শরীরে এসব সমস্যার উপস্থিতি বুঝতে পারেন না। ফলে রোগ শনাক্ত ও চিকিৎসা শুরু হতে দেরি হয়, যা কিডনির পাশাপাশি শরীরের অন্যান্য অঙ্গের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। এ ছাড়া নারীদের মধ্যে মূত্রনালির সংক্রমণ তুলনামূলক বেশি দেখা যায়। লুপাস নেফ্রাইটিসের মতো অটোইমিউন রোগও কিডনির ক্ষতি করতে পারে। গর্ভাবস্থায় উচ্চ রক্তচাপ, বারবার মূত্রনালির সংক্রমণ এবং কিছু ক্ষেত্রে পানিশূন্যতা কিডনির স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। কিডনি রোগের যে ৫ লক্ষণে সতর্ক হবেন ১. সকালে চোখ-মুখ ফুলে যাওয়া ঘুম থেকে ওঠার পর চোখ ও মুখ অস্বাভাবিকভাবে ফুলে যাওয়া কিডনির সমস্যার একটি সম্ভাব্য লক্ষণ। কিডনির কার্যকারিতা কমে গেলে শরীরে অতিরিক্ত তরল জমতে পারে। এ ছাড়া প্রস্রাবের মাধ্যমে প্রোটিন বেরিয়ে গেলেও শরীরে ফোলাভাব দেখা দিতে পারে। নিয়মিত এমন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। ২. পা ও গোড়ালি ফুলে যাওয়া পা, গোড়ালি কিংবা পায়ের পাতা অস্বাভাবিকভাবে ফুলে গেলে বিষয়টি অবহেলা করা ঠিক নয়। কিডনির কার্যকারিতা ব্যাহত হলে শরীরে তরল জমে এমন সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা, শিরার সমস্যা কিংবা হৃদ্‌রোগের কারণেও পা ফুলতে পারে। ৩. পেশিতে ব্যথা বা খিঁচুনি কিডনি শরীরে পানি ও বিভিন্ন খনিজের ভারসাম্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিডনির কার্যকারিতা কমে গেলে এ ভারসাম্য বিঘ্নিত হয়ে পেশিতে ব্যথা, দুর্বলতা বা খিঁচুনি দেখা দিতে পারে। দীর্ঘদিন এমন সমস্যা চলতে থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। ৪. শ্বাসকষ্ট বা বুকে চাপ অনুভব করা কিডনির গুরুতর সমস্যায় শরীরে অতিরিক্ত তরল জমে ফুসফুসে প্রভাব ফেলতে পারে। এর ফলে শ্বাসকষ্ট দেখা দিতে পারে। বুকে চাপ বা ব্যথার সঙ্গে শ্বাসকষ্ট হলে তা জরুরি অবস্থার লক্ষণ হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত চিকিৎসা নিতে হবে। ৫. প্রস্রাবের ধরনে পরিবর্তন প্রস্রাবের পরিমাণ বা ধরনে অস্বাভাবিক পরিবর্তন কিডনির সমস্যার ইঙ্গিত দিতে পারে। রাতে বারবার প্রস্রাব হওয়া, প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়া, অতিরিক্ত ফেনাযুক্ত প্রস্রাব কিংবা প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত যাওয়া এসব লক্ষণ অবহেলা করা উচিত নয়। বিশেষ করে প্রস্রাবে রক্ত দেখা গেলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। কিডনি সুস্থ রাখতে কী করবেন? কিডনি রোগের ঝুঁকি কমাতে নিয়মিত রক্তচাপ ও রক্তে শর্করার মাত্রা পরীক্ষা করা, সুষম খাবার খাওয়া, শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকা এবং পর্যাপ্ত পানি পান করা গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি মূত্রনালির সংক্রমণ হলে যথাযথ চিকিৎসা নিতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া দীর্ঘদিন ব্যথানাশক ওষুধ সেবন থেকেও বিরত থাকা উচিত। তবে এসব লক্ষণ দেখা দিলেই কিডনি রোগ হয়েছে, এমন নয়। অন্য বিভিন্ন কারণেও একই ধরনের উপসর্গ হতে পারে। কিডনির অবস্থা জানতে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী রক্তে ক্রিয়েটিনিন ও ইজিএফআর পরীক্ষা, প্রস্রাবে অ্যালবুমিন বা প্রোটিন পরীক্ষা করা প্রয়োজন হতে পারে। মনে রাখতে হবে, দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে অনেক সময় কোনো লক্ষণই দেখা যায় না। তাই ঝুঁকিতে থাকা নারীদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো এবং অস্বাভাবিক উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি। সূত্র: আনন্দবাজার আরটিভি/এসকে
কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়ছে নারীদের, সতর্ক হবেন যে ৫ লক্ষণে
বাজার থেকে কেনা ডিম আসল কিনা, বুঝবেন যেভাবে
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘নকল’ বা ‘প্লাস্টিকের ডিম’ নিয়ে নানা দাবি ছড়িয়ে পড়ায় ক্রেতাদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। দেখে বোঝার উপায় নেই, অনেকেই এই ডিম বাজার থেকে কিনে এনে ঠকছেন। শরীরেরও বারোটা বাজছে। তবে ডিমের মান যাচাইয়ে প্রচলিত কিছু ঘরোয়া পরীক্ষার বদলে খোসার অবস্থা, সংরক্ষণ পদ্ধতি ও ডিম ভাঙার পর এর গন্ধ-চেহারা পরীক্ষা করাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। নকল ডিম তৈরি হয় রাসায়নিক দিয়ে। সেই ডিম বিক্রি হচ্ছে দেশের অনেক বাজারে। তবে আসল ডিমের সঙ্গে এই ডিমের তফাত বোঝা খুব একটা কঠিন নয়। যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) তথ্য অনুযায়ী, ডিম কেনার সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটি হলো সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে কিনা। খুচরা বিক্রির জন্য ডিম কেনার ক্ষেত্রে ঠান্ডা বা উপযুক্ত তাপমাত্রায় সংরক্ষিত ডিম বেছে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যেভাবে বুঝবেন ‘আসল ডিম’ নাকি ‘প্লাস্টিকের’ ১. প্রথমেই নজর রাখতে হবে ডিমের খোলসের দিকে। আসল ডিমের খোলস হয় একটু এবড়ো-খেবড়ো। কিন্তু প্লাস্টিক ডিমের খোলস হবে একদম মসৃণ। তবে কেবল উপরিভাগ দেখে ডিমকে নকল বলে নির্ধারণ করা যায় না। ২. ডিম পরীক্ষা করার জন্য একে কানের কাছে ধরে আলতো করে ঝাঁকান। তাজা ডিমে সাধারণত শব্দ হয় না বা ভেতরে নড়াচড়া অনুভূত হয় না। পুরোনো ডিমে ভেতরের পরিবর্তনের কারণে হালকা শব্দ হতে পারে বা তরল পদার্থ নড়তে পারে। ৩. আসল ডিম আর নকলের মধ্যে ওজনের তফাত হবে। আসল ডিম হবে তার আকারের থেকে একটু ভারী। কিন্তু প্লাস্টিক ডিম ওজনে হালকা। ৪. আসল আর নকল ডিমের মধ্যে সব থেকে সহজ তফাত বুঝিয়ে দেয় আরেকটি পরীক্ষা। একটি গ্লাসে পানি নিয়ে ডিম তাতে ফেলে দিন। আসল নকল হলে তা ডুবে যাবে। ৫. গন্ধ দ্বারা শনাক্ত করুন। একটি নষ্ট ডিমে অপ্রীতিকর বা তীব্র গন্ধ থাকতে পারে। কখনো কখনো, ডিম ভাঙার আগেও এর খারাপ হওয়ার লক্ষণ বোঝা যায়। যদি কোনও ডিমে অস্বাভাবিক গন্ধ থাকে, তবে সেটি না খাওয়াই ভালো। বিশেষজ্ঞ নির্দেশনা অনুযায়ী, ডিম ভালোভাবে রান্না করাও নিরাপত্তার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ইউএসডিএ-এর পরামর্শ হলো ডিম এমনভাবে রান্না করা, যাতে কুসুম ও সাদা অংশ ভালোভাবে জমে যায়। ডিমযুক্ত খাবারের ক্ষেত্রেও নিরাপদ অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা নিশ্চিত করা জরুরি। তাই বাজার থেকে ডিম কেনার সময় শুধু ‘আসল না নকল’ নিয়ে গুজবে কান না দিয়ে খোসা অক্ষত কি না, ডিম সঠিকভাবে সংরক্ষিত হয়েছে কি না এবং ব্যবহারের আগে এর গন্ধ ও চেহারা স্বাভাবিক কি না- এসব বিষয়ই আগে দেখুন। আরটিভি/টিআর
বাজার থেকে কেনা ডিম আসল কিনা, বুঝবেন যেভাবে
খাবারেই কমাতে পারেন কোলেস্টেরল
রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেশি থাকলে হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে। তবে অনেকের ক্ষেত্রে খাবারের ধরন ও অভ্যাসে পরিবর্তন এনে কোলেস্টেরল কমানো সম্ভব।
খাবারেই কমাতে পারেন কোলেস্টেরল
আরও পড়ুন
অসুস্থ হয়েও থামেনি ভালোবাসা, হাসপাতালের বেডেই বিয়ে ৭৯ বছরের যুগলের
আগামী ৩ দিন চার বিভাগে ভারী বৃষ্টির শঙ্কা
নখ দেখেই জানা যাবে অসুস্থতার খবর