
আজ সোমবার (২৭ ডিসেম্বর)কথাসাহিত্যিক অরুণ কুমার বিশ্বাসের জন্মদিন। শতাধিক বইয়ের এই লেখকের জন্ম ১৯৭৮ সালের ২৭ ডিসেম্বর গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া উপজেলার জহরেরকান্দি গ্রামে।
তার বাবা বঙ্কিম চন্দ্র বিশ্বাস ও মা মালতী দেবী। শিক্ষক বাবা-মায়ের অপত্য স্নেহে কাটে তার বর্ণিল শৈশব ও কৈশোরকাল। তিনি নটরডেম কলেজের ছাত্র ছিলেন। ইংরেজি সাহিত্যে সম্মানসহ স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে আন্তর্জাতিক মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনায় পুনরায় মাস্টার্স করেন লন্ডনে। কলেজজীবন থেকে তার লেখালিখির শুরু।
অসম্ভব প্রাণোচ্ছল ও সংবেদনশীল মানুষ অরুণ কুমার বিশ্বাস অধুনালুপ্ত বাংলাদেশ অবজারভার পত্রিকায় একসময় নিয়মিত কলাম লিখতেন। বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক ও সাময়িকীতে শিশু-কিশোরদের জন্য লিখছেন ছড়া, গল্প, অ্যাডভেঞ্চার উপন্যাস, ভুতুড়ে ও গোয়েন্দা কাহিনী। পেশাগত কাজের ফাঁকে (অতিরিক্ত কমিশনার, বাংলাদেশ কাস্টমস) তিনি সমসাময়িক বিষয় নিয়ে রম্যধাঁচে নিয়মিত কলাম লিখছেন।
রম্যরচনা ও কিশোর অ্যাডভেঞ্চার বিষয়ে তার লেখাজোখা প্রচুর। তবে তিনি গোয়েন্দাগল্পের বিশেষ ভক্ত। এপার বাংলায় ফেলুদা’র মতো একটি চৌকস বুদ্ধিদীপ্ত গোয়েন্দা চরিত্র গড়ে তুলতে তিনি বদ্ধপরিকর। ‘অলোকেশ রয়’তাঁর সৃজিত প্রাইভেট ডিটেকটিভ যাকে নিয়ে লেখা উপন্যাস জলপিপি, কফিমেকার, আলিম বেগের খুলি, জগু, অনল মিত্রের অপমৃত্যু, সাইকোপ্যাথ বিশেষ পাঠকপ্রিয়তা পেয়েছে। তাঁর প্রচেষ্টায় ‘দ্য ডিটেকটিভস’নামে একটি গোয়েন্দাগল্প লিখিয়ে প্লাটফর্ম ইতোমধ্যে আত্মপ্রকাশ করেছে; এসেছে ‘গোয়েন্দা’শিরোনামে একটি ত্রৈমাসিক পত্রিকা। লেখকের এ পর্যন্ত লেখা গ্রন্থের সংখ্যা একশর উপরে। স্ত্রী ডা. তপতী মণ্ডল। দুই ছেলে অনিকেত ও অগ্নিশ। তারাও লেখে। পুরো লেখক পরিবার।
পাঠাগার আন্দোলনে বিশ্বাসী কথাসাহিত্যিক অরুণ কুমার বিশ্বাস নটর ডেম কলেজ থেকে মেধার স্বীকৃতিস্বরূপ ‘অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সেলেন্স-১৯৯৫’, ইউনিভার্সিটি অফ লন্ডন থেকে ‘সার্টিফিকেট অফ ডিসটিঙশন’এবং ‘স্পাই’উপন্যাসের জন্য চ্যানেল আই প্রবর্তিত ‘এসিআই-আনন্দ আলো সাহিত্য পুরস্কার ২০১৮’ লাভ করেন। এবছর পেয়েছেন ‘জিগীষা সাহিত্য সম্মাননা।
জন্মদিনের প্রত্যাশা নিয়ে জানতে চাইলে অরুণ কুমার বিশ্বাস রোববার রাতে আরটিভি নিউজকে বলেন, আমার প্রত্যাশা একটি বৈষম্যবিহীন মানবিক রাষ্ট্র ও সমাজ। অনাগত সময়ে বৈরিতা পাশে সরিয়ে এগিয়ে যেতে চাই আরো অনেকটা পথ। লেখক হিসেবে একটি বুদ্ধিবৃত্তিক সমাজের স্বপ্ন দেখি।
পি




