ঢাকা শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩

৯ ফেব্রুয়ারি বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ৪৫ বছর পূর্তি উৎসব

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৪:০৫ এএম
ছবি : সংগৃহীত

আলোকিত মানুষ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র পার করলো ৪৫ বছর বিগত সাড়ে চার দশক কেন্দ্রের বিভিন্ন কর্মসূচির সঙ্গে জড়িত শিক্ষার্থী শুভানুধ্যায়ীদের প্রাণখোলা আড্ডা, আলোচনা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ভেতর দিয়ে মুখরিত হবে বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র ভবন

উপলক্ষে ফেব্রুয়ারি ২০২৪ শুক্রবার সকাল ৯টায় রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে দেশবরেণ্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে সুসজ্জিত বর্ণিল র‌্যালির মধ্য দিয়ে উদ্বোধন করা হবে কেন্দ্রের ৪৫ বছর পূর্তি উৎসব

রাজধানীর বাংলামোটরে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ভবনে সকাল ১০টায় দিনব্যাপী প্রীতি সমাবেশ শুরু হবে, চলবে রাত ১০টা পর্যন্ত বর্ণাঢ্য আয়োজনে অংশ নেবেন সারাদেশ থেকে ১০ হাজার আমন্ত্রিত অতিথি

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ৪৫ বছর পূর্তি উৎসবে সকলকে সাদর আমন্ত্রণ জানিয়েছেন কেন্দ্রের সভাপতি আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ আলোকিত মানুষ গড়ার স্বপ্ন নিয়ে স্বপ্নদ্রষ্টা আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের হাত ধরেই সত্তর দশকের শেষের দিকে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র হাটি হাটি পা পা করে ৪৫ বছর পূর্ণ হয়েছে তার

প্রসঙ্গত, স্বাধীন, প্রজ্ঞাসম্পন্ন, চিন্তাশীল সৃজনশীল মূল্যবোধসম্পন্ন, শক্তিশালী মানুষ তৈরির লক্ষ্যেই বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র ৪৫ বছর থেকে কাজ করছেবিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র কোনো গৎ-বাঁধা, ছক-কাটা, প্রাণহীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয় সাহিত্য, দর্শন, বিজ্ঞান, রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজবিদ্যাসহ বিশ্বজ্ঞানের শ্রেষ্ঠ বইগুলোর পঠন-পাঠন এই কাজের অন্তর্ভুক্ত

মানুষের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং বিভিন্নবিষয়ক জ্ঞান রুচিশীল সংস্কৃতিচর্চার মাধ্যমে প্রগতিশীল চিন্তাচেতনার বিকাশ ঘটানো এর উদ্দেশ্যএমনটাই বলছেন সাহিত্য প্রেমীরা

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
পাপিয়া সারোয়ার: বাংলা গানে অনন্য এক স্বাক্ষর 
ছেলেবেলায় যাঁদের গান শুনে শুনে রবীন্দ্রসংগীতের শ্রোতা হয়ে উঠতে পেরেছিলাম, পাপিয়া সারোয়ার তাঁদেরই অন্যতম। কণ্ঠের স্বাতন্ত্র্যে ও মাধুর্যে বাংলা গানে অনন্য এক স্বাক্ষর রচনা করেছেন তিনি।  রবীন্দ্রনাথের একেকটি গান একেক শিল্পীর কণ্ঠে আলাদা আলাদা আবেদন নিয়ে ধরা দিলেও কোনো কোনো শিল্পীর কণ্ঠে নির্দিষ্ট গান তাঁরই নিজস্ব ‘স্বাক্ষর’ হয়ে ওঠে। পঞ্চকবির যে কারও গানের ক্ষেত্রেই এ কথা সত্য। পাপিয়া সারোয়ারের কণ্ঠে আমাদের শোনা এমন কিছু গান আছে যা আর কারও কণ্ঠে অমন আবেদন নিয়ে ধরা দেবে না; অথবা দিলেও তা নবতর স্বাক্ষর হিসেবে যোজিত হবে। ‘যা হারিয়ে যায়’, ‘না সজনী না’, ‘যদি বারণ করো’, ‘হৃদয়ের এ কূল ও কূল’—গানগুলো শুনলে মনে হয় এগুলো যেন তাঁরই জন্য সৃজিত হয়েছিল, তাঁরই কণ্ঠে রণিত হবার অপেক্ষায় ছিল এতদিন।   পাপিয়া সারোয়ারকে আপামর বাঙালি চেনেন যে গানটির জন্য তা রবীন্দ্রসংগীত নয়। ‘নাই টেলিফোন নাই রে পিয়ন’ গানটিতে ত্রিবেণীসঙ্গম ঘটেছে লোকগানের আদলে রচিত কথার সঙ্গে আধুনিক গানের সুরের, আর রবীন্দ্রসংগীতের গায়কী-চিহ্নিত এক স্নিগ্ধ কণ্ঠমাধুর্যের। সেসময় কতটা জনপ্রিয় হয়েছিল এ গান তার সরস এক নমুনা আমি দেখেছি রাজধানীর শুক্রাবাদে, একটি দোকানের নামকরণে। টেলিফোন-ফ্যাক্সের সে দোকানটির নাম ‘নাই টেলিফোন’। কীরকম রসিক শ্রোতা হলে টেলিফোন থাকা সত্ত্বেও এবং তা নিজের ব্যবসার মূল অবলম্বন হওয়া সত্ত্বেও মালিক তাঁর প্রতিষ্ঠানের নাম নিয়ে এরকম ‘ঝুঁকি’ নিতে পারেন !   গ্রাম থেকে ঢাকায় এসে সহসা এক সন্ধ্যায় সৌভাগ্য হয়েছিল সাদি মহম্মদ এবং পাপিয়া সারোয়ারের গান সরাসরি শোনার। সে সময় দেশবরেণ্য কোনো শিল্পীকে চাক্ষুষ করাও আমাদের কাছে সৌভাগ্যের বলে মনে হতো। বাংলা একাডেমির নজরুল মঞ্চে শোনা সেদিনের গানের স্মৃতি অমলিন হয়ে রবে দীর্ঘ দীর্ঘদিন।  সাদি মহম্মদ অভিমানে বিদায় নিয়েছেন কিছুদিন আগে। পাপিয়া সারোয়ারও চলে গেলেন রোগযন্ত্রণা সয়ে। বাঙালির জন্য রেখে গেলেন তাঁর অনন্য নিবেদন— অবিনাশী গান। লেখক: বরেণ্য আবৃত্তিশিল্পী  
পাপিয়া সারোয়ার: বাংলা গানে অনন্য এক স্বাক্ষর 
চিন্তাসূত্র সাহিত্য পুরস্কার পেলেন ৪ গুণিজন
শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতির ওয়েবম্যাগ চিন্তাসূত্র দীর্ঘদিন ধরে সাহিত্যের বিশুদ্ধ রূপ বজায় রাখার চর্চা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২১ সালে প্রবর্তন করা হয় ‘চিন্তাসূত্র সাহিত্য পুরস্কার’। পুরস্কারপ্রাপ্তদের প্রত্যেককে দেওয়া হয় ক্রেস্ট, উত্তরীয় ও সনদ।  এবার ‘চিন্তাসূত্র সাহিত্য পুরস্কার-২০২৪’ পেয়েছেন চার জন। তারা হলেন,  প্রবন্ধে রকিবুল হাসান, কথাসাহিত্যে আকিমুন রহমান, কবিতায় আকতার হোসাইন ও ছোটকাগজ সম্পাদনায় ‘জলধি’ সম্পাদক নাহিদা আশরাফী।  শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ধানমন্ডির অবসর ভবনে যুক্ত প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাদের পুরস্কার তুলে দেন প্রধান অতিথি কথাশিল্পী রফিকুর রশীদ, সভাপতি মাহমুদ কামাল। কথাশিল্পী মনি হায়দারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সোনারগাঁ ইউনিভার্সিটির ট্রেজারার প্রফেসর ড. একরামুল ইসলাম, প্রাইম ইউনিভার্সিটির ইংরেজি বিভাগের প্রধান ড. আব্দুল আউয়াল। স্বাগত বক্তব্য রাখেন কথাশিল্পী-গবেষক ও চিন্তাসূত্র সাহিত্য পুরস্কার-২০২৪ কমিটির আহ্বায়ক কবীর আলমগীর। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, চিন্তাসূত্র সাহিত্য পুরস্কারের সঙ্গে দেশে প্রচলিত অন্যান্য পুরস্কারের পার্থক্য এখানে যে, অন্যরা পুরস্কার দেয় পরিচিত মুখ দেখে। চেনা-জানা সাহিত্যিককে। আর চিন্তাসূত্র পুরস্কার দেয় খুঁজে খুঁজে বের করে প্রকৃত সাহিত্যকর্মীকে। তারা চিন্তাসূত্র সাহিত্য পুরস্কারের ক্ষেত্রে এর নিরপেক্ষতা, গোপনীয়তা, গুরুত্ব, মর্যাদা ও ধারাবাহিকতা বজায় রাখার পরামর্শ দেন।  পুরস্কারের ক্রেস্ট, সনদ ও উত্তরীয় গ্রহণ শেষে প্রতিক্রিয়া জানান লেখক-সম্পাদকরা। তারা স্ব স্ব কাজের পেছনে প্রেরণাদাতাদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। চিন্তাসূত্র সাহিত্য পুরস্কার তাদের কাজের প্রতি চিন্তাসূত্রের ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ বলে মনে করেন। এ জন্য তারা চিন্তাসূত্র-সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান। আরও উপস্থিত ছিলেন কথাসাহিত্যিক দিলারা মেসবাহ, তাহমিনা কোরায়শী, হোসেন শহীদ মজনু, শেখ ফিরোজ আহমেদ বাবু প্রমুখ। প্রাইম ইউনিভার্সিটির বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী হাসিবুর রহমান জয়ের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে কবিতা পাঠ করে কবি জামসেদ ওয়াজেদ, আজাদ কামাল, আহমেদ শিপলু, রজত সিকস্তি, সালাহ উদ্দিন মাহমুদ, খাদিজা খানম অন্তরা,  আরিফুল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম, শাহাদিয়া আক্তার রিয়া ও মোশাররফ হোসেন।  গান ও নৃত্য পরিবেশন করেন প্রাইম ইউনিভার্সিটির বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী মুক্তি রাজবংশী, চৌধুরী ইমরাতুল জান্নাত স্বর্ণা, আলিমুন খান, মাহমুদা নুসাইবা, সেতু, মীম, রূপনা ও রিয়া। আরটিভি/ডিসিএনই
চিন্তাসূত্র সাহিত্য পুরস্কার পেলেন ৪ গুণিজন
কবি হেলাল হাফিজের প্রথম জানাজা বাংলা একাডেমিতে
কবি হেলাল হাফিজের প্রথম জানাজা বাংলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত হবে।  শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় হেলাল হাফিজের বড় ভাই দুলাল এ হাফিজ জানান, বাংলা একাডেমিতে শনিবার বেলা ১১টায় প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।   তিনি আরও বলেন, দ্বিতীয় জানাজা রোববার বাদ জোহর জাতীয় প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত হবে। এরপর মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।  কবি হেলাল হাফিজের মরদেহ গ্রামের বাড়ি নেত্রকোনায় নেওয়া হবে না বলেও জানান দুলাল। এর আগে, এদিন দুপুরে রাজধানীর শাহবাগে অবস্থিত সুপার হোমের বাথরুমে পড়ে গিয়ে রক্তক্ষরণ হয় হেলাল হাফিজের। পরে কর্তৃপক্ষ তাকে বিএসএমএমইউ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তার বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর। জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে কবি হেলাল হাফিজ গ্লুকোমায় আক্রান্ত ছিলেন। পাশাপাশি কিডনি জটিলতা, ডায়বেটিস ও স্নায়ু জটিলতায় ভুগছিলেন। হেলাল হাফিজের জন্ম ১৯৪৮ সালের ৭ অক্টোবর নেত্রকোনায়। তার প্রথম কবিতার বই ‘যে জলে আগুন জ্বলে’ ১৯৮৬ সালে প্রকাশিত হয়। এ পর্যন্ত বইটির মুদ্রণ হয়েছে ৩৩ বারেরও বেশি। লেখালেখির পাশাপাশি হেলাল হাফিজ দৈনিক যুগান্তরসহ বিভিন্ন পত্রিকায় দীর্ঘদিন সাংবাদিকতা করেন। ১৯৮৬ সালে প্রথম কবিতাগ্রন্থ ‘যে জ্বলে আগুন জ্বলে’ প্রকাশের পর জনপ্রিয়তার শীর্ষে চলে আসেন কবি। দেশে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের সময় হেলাল হাফিজের ‘নিষিদ্ধ সম্পাদকীয়’র পঙক্তি ‘এখন যৌবন যার মিছিলে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়’ উচ্চারিত হয় মিছিলে, স্লোগানে, কবিতাপ্রেমীদের মুখে মুখে। ২০১৩ সালে তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন। তার আগে খালেকদাদ চৌধুরী পুরস্কারসহ নানা সম্মাননা পান তিনি। আরটিভি/আরএ/এআর
কবি হেলাল হাফিজের প্রথম জানাজা বাংলা একাডেমিতে
দ্রোহ ও প্রেমের কবি হেলাল হাফিজের বিখ্যাত ৫ কবিতা
নিষিদ্ধ সম্পাদকীয় এখন যৌবন যার মিছিলে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময় এখন যৌবন যার যুদ্ধে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময় মিছিলের সব হাত কণ্ঠ পা এক নয় । সেখানে সংসারী থাকে, সংসার বিরাগী থাকে, কেউ আসে রাজপথে সাজাতে সংসার । কেউ আসে জ্বালিয়ে বা জ্বালাতে সংসার শাশ্বত শান্তির যারা তারাও যুদ্ধে আসে অবশ্য আসতে হয় মাঝে মধ্যে অস্তিত্বের প্রগাঢ় আহ্বানে, কেউ আবার যুদ্ধবাজ হয়ে যায় মোহরের প্রিয় প্রলোভনে কোনো কোনো প্রেম আছে প্রেমিককে খুনী হতে হয় । যদি কেউ ভালোবেসে খুনী হতে চান তাই হয়ে যান উৎকৃষ্ট সময় কিন্তু আজ বয়ে যায় । এখন যৌবন যার মিছিলে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময় এখন যৌবন যার যুদ্ধে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময় ।   ফেরীঅলা কষ্ট নেবে কষ্ট হরেক রকম কষ্ট আছে কষ্ট নেবে কষ্ট! লাল কষ্ট নীল কষ্ট কাঁচা হলুদ রঙের কষ্ট পাথর চাপা সবুজ ঘাসের সাদা কষ্ট, আলোর মাঝে কালোর কষ্ট ‘মালটি-কালার’ কষ্ট আছে কষ্ট নেবে কষ্ট। ঘরের কষ্ট পরেরর কষ্ট পাখি এবং পাতার কষ্ট দাড়ির কষ্ট চোখের বুকের নখের কষ্ট, একটি মানুষ খুব নীরবে নষ্ট হবার কষ্ট আছে কষ্ট নেবে কষ্ট। প্রেমের কষ্ট ঘৃণার কষ্ট নদী এবং নারীর কষ্ট অনাদর ও অবহেলার তুমুল কষ্ট, ভুল রমণী ভালোবাসার ভুল নেতাদের জনসভার হাইড্রোজনে দুইটি জোকার নষ্ট হবার কষ্ট আছে কষ্ট নেবে কষ্ট। দিনের কষ্ট রাতের কষ্ট পথের এবং পায়ের কষ্ট অসাধারণ করুণ চারু কষ্ট ফেরীঅলার কষ্ট কষ্ট নেবে কষ্ট। আর কে দেবে আমি ছাড়া আসল শোভন কষ্ট, কার পুড়েছে জন্ম থেকে কপাল এমন আমার মত ক’জনের আর সব হয়েছে নষ্ট, আর কে দেবে আমার মতো হৃষ্টপুষ্ট কষ্ট।   প্রস্থান এখন তুমি কোথায় আছো কেমন আছো, পত্র দিয়ো৷ এক বিকেলে মেলায় কেনা খামখেয়ালী তাল পাখাটা খুব নিশীথে তোমার হাতে কেমন আছে, পত্র দিয়ো৷ ক্যালেন্ডারের কোন পাতাটা আমার মতো খুব ব্যথিত ডাগর চোখে তাকিয়ে থাকে তোমার দিকে, পত্র দিয়ো৷ কোন কথাটা অষ্টপ্রহর কেবল বাজে মনের কানে কোন স্মৃতিটা উস্কানি দেয় ভাসতে বলে প্রেমের বানে পত্র দিয়ো, পত্র দিয়ো৷ আর না হলে যত্ন করে ভুলেই যেয়ো, আপত্তি নেই৷ গিয়ে থাকলে আমার গেছে, কার কী তাতে? আমি না হয় ভালোবেসেই ভুল করেছি ভুল করেছি, নষ্ট ফুলের পরাগ মেখে পাঁচ দুপুরের নির্জনতা খুন করেছি, কী আসে যায়? এক জীবনে কতোটা আর নষ্ট হবে, এক মানবী কতোটা আর কষ্ট দেবে!   অমিমাংসিত সন্ধি তোমাকে শুধু তোমাকে চাই, পাবো পাই বা না পাই এক জীবনে তোমার কাছেই যাবো। ইচ্ছে হলে দেখতে দিয়ো, দেখো হাত বাড়িয়ে হাত চেয়েছি রাখতে দিয়ো, রেখো। অপূর্ণতায় নষ্টে-কষ্টে গেলো এতোটা কাল, আজকে যদি মাতাল জোয়ার এলো এসো দু’জন প্লাবিত হই প্রেমে নিরাভরণ সখ্য হবে যুগল-স্নানে নেমে। থাকবো ব্যাকুল শর্তবিহীন নত পরস্পরের বুকের কাছে মুগ্ধ অভিভূত।   মানবানল আগুন আর কতোটুকু পোড়ে ? সীমাবদ্ধ ক্ষয় তার সীমিত বিনাশ, মানুষের মতো আর অতো নয় আগুনের সোনালি সন্ত্রাস। আগুন পোড়ালে তবু কিছু রাখে কিছু থাকে, হোক না তা শ্যামল রঙ ছাই, মানুষে পোড়ালে আর কিছুই রাখে না কিচ্ছু থাকে না, খাঁ খাঁ বিরান, আমার কিছু নাই। আরটিভি/এআর
দ্রোহ ও প্রেমের কবি হেলাল হাফিজের বিখ্যাত ৫ কবিতা
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের দেশব্যাপী ভ্রাম্যমাণ বইমেলা শুরু মঙ্গলবার
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের দেশব্যাপী ভ্রাম্যমাণ বইমেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসব শুরু হবে মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) থেকে। রোববার (৮ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র প্রাঙ্গণে উদ্বোধন করা হয় এ আয়োজনের। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ও মেটলাইফ ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় আয়োজিত হচ্ছে এ বইমেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসব। এ বছর দেশের ১২৮টি জায়গায় এ ভ্রাম্যমাণ মেলায় থাকবে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের তিনটি গাড়ি। প্রতিটি গাড়িতে থাকবে ১০ হাজার করে বই। এসব বই ২৫ থেকে ৩৫ শতাংশ ছাড়ে বিক্রি করা হবে। প্রতি জায়গায় পাঁচ দিন করে বেলা ২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চলবে বইমেলা। এদিন সকালে দেশব্যাপী ভ্রাম্যমাণ বইমেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসবের উদ্বোধন করেন সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। নিজের ছাত্রজীবনের স্মৃতি তুলে ধরে তিনি বলেন, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র মানেই স্মৃতিকাতর হওয়ার প্রসঙ্গ। গণগ্রন্থাগারের সঙ্গে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র ছিল বই পড়ার অন্যতম জায়গা। বর্তমান সময়ে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলার পাশাপাশি সংস্কৃতিচর্চার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে, যাতে সত্যিকারের আলোকিত মানুষ গড়ার পথ সুগম হয়। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলা একাডেমির সভাপতি অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক বলেন, বই-ই পারে মানুষের হতাশা দূর করে জীবনকে আনন্দে পরিপূর্ণ করতে। তাই বইপড়া উদ্যোগের সঙ্গে সব সময় একাত্মতা পোষণ করেন তিনি। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য অনুবিভাগ) নাফরিজা শ্যামা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সভাপতি আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। তিনি বলেন, প্রায় আড়াই কোটি পাঠককে বিনা পয়সায় বই পড়িয়েছে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র। বই সবার জন্য উন্মুক্ত করার লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বই পড়ার অভ্যাস তৈরি করার লক্ষ্যে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র কাজ করে যাচ্ছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের পরিচালক শামীম আল মামুন ও মেটলাইফ ফাউন্ডেশনের কমিউনিকেশন বিভাগের সহকারী ভাইস প্রেসিডেন্ট ফারিয়া মাহবুবসহ অন্যরা। আরটিভি/এমএ
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের দেশব্যাপী ভ্রাম্যমাণ বইমেলা শুরু মঙ্গলবার
আরও পড়ুন
তারুণ্যের উৎসবের উদ্বোধনী খামে প্রধান উপদেষ্টার স্বাক্ষর
পর্দা নামল ১৭তম বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক স্বল্পদৈর্ঘ্য ও মুক্ত চলচ্চিত্র উৎসবের
এসকেএফ ফার্মায় চাকরি, থাকবে বিদেশ ভ্রমণের সুযোগ
এবার জুরির দায়িত্ব পেলেন বাঁধন