ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

যেভাবে ফাঁদে পড়ে রাশিয়ার যুদ্ধে জড়াচ্ছেন বাংলাদেশিরা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৪ নভেম্বর ২০২৫, ০১:৩৩ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

রাশিয়ায় ভালো বেতন এবং নিরাপদ চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে বাংলাদেশি নাগরিকদের ফাঁদে ফেলা হচ্ছে। তারা বৈধভাবে কাজের জন্য রাশিয়ায় গেলেও সেখানে পৌঁছানোর পর তাদের জোর করে ইউক্রেন যুদ্ধে পাঠানো হচ্ছে বলে ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের এক নতুন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

ব্র্যাকের ওই প্রতিবেদনের শিরোনাম—প্রমিসেস রিটেন ইন ব্লাড: হাউ লিগ্যাল মাইগ্রেশন টার্ন্ড ইনটু ফোর্সড রিক্রুটমেন্ট ইন দ্য রাশিয়া–ইউক্রেন ওয়ার। রাশিয়া থেকে বেঁচে ফেরা ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের সদস্যদের সাক্ষ্য নিয়ে এটি তৈরি করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অন্তত ১০ জন বাংলাদেশি পুরুষকে প্রলোভনে ফেলে যুদ্ধক্ষেত্রে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে এবং অনেকে মারা গেছেন বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ভুক্তভোগীরা তেল কোম্পানি, নির্মাণ কাজ বা লজিস্টিকস সেক্টরে ভালো বেতনের চাকরির আশায় বৈধ ভিসা নিয়েই রাশিয়া গিয়েছিলেন। তবে দেশটিতে পৌঁছানোর পর তাদের পাসপোর্ট কেড়ে নেওয়া হয়। এরপর জোর করে সামরিক প্রশিক্ষণ শিবিরে পাঠানো হয়, সেখান থেকে তারা যুদ্ধের ফ্রন্টলাইনে পৌঁছে যান।

ব্র্যাক জানিয়েছে, ভুক্তভোগীরা সত্যিকারের ভিসা, বৈধ চুক্তিপত্র এবং সরকারি বিমানবন্দর দিয়ে যাত্রা করেছিলেন। কিন্তু রাশিয়ায় পৌঁছানোর পর তাদের দিয়ে জোর করে স্বেচ্ছাসেবক চুক্তিপত্র সই করানো হয় এবং গোপন সামরিক ঘাঁটিতে পাঠানো হয়।

আরও পড়ুন

এছাড়াও অবৈধ মানবপাচারের মাধ্যমেও কিছু বাংলাদেশিকে রুশ সেনাবাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ব্র্যাকের সতর্কবার্তা অনুযায়ী, প্রশিক্ষণহীন বিদেশি শ্রমিকদের বলিদানযোগ্য মানবসম্পদ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) হিসাবে গত কয়েক বছরে প্রায় ২ হাজার মানুষ ওয়ার্ক ভিসা নিয়ে রাশিয়ায় গিয়েছেন। ব্র্যাকের ধারণা, এখন কয়েকশ বাংলাদেশি যুদ্ধের ময়দানে থাকতে পারেন।

প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, এই ঘটনাগুলো বাংলাদেশের অভিবাসন ব্যবস্থার বড় ধরনের দুর্বলতা প্রকাশ করেছে। যথাযথ তদারকি না থাকলে বৈধ অভিবাসনের পথও পাচার ও জোর করে নিয়োগের মাধ্যমে বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে। এতে দেশের সুনাম ও ভবিষ্যৎ শ্রমবাজারের চুক্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। প্রতিবেদনে সরকার ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর দ্রুত ও যৌথ পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে আসছেন পাকিস্তানের স্পিকার
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার শেষ বিদায়ে অংশ নিতে ঢাকা আসছেন পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের (পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ) স্পিকার সরদার আইয়াজ সাদিক। দেশটির উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার আজ মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) এক বার্তার মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। আগামীকাল বুধবার ঢাকার জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিতব্য জানাজায় তিনি নিজ দেশের প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। আরও পড়ুন খালেদা জিয়ার জানাজায় যোগ দেবেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার তার পোস্টে লিখেছেন, আগামীকাল ঢাকায় বেগম খালেদা জিয়ার নামাজে জানাজায় পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের স্পিকার অংশগ্রহণ করবেন।  এর আগে, দুপুরে ঢাকায় পাকিস্তান হাইকমিশনের একটি সূত্র জানিয়েছিল খালেদা জিয়ার নামাজে জানাজায় যোগ দিতে ঢাকায় আসবেন সে দেশের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার। উল্লেখ্য, আজ ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান খালেদা জিয়া। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।  বেগম জিয়ার মৃত্যুতে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও নেতারা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। এ ছাড়া সাত দিন শোক পালনের কর্মসূচি দিয়েছে বিএনপি। আরটিভি/এআর   
খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে আসছেন পাকিস্তানের স্পিকার
খালেদা জিয়ার প্রয়াণে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের শোক
বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মইজ্জু। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় তিনি অন্তর্বর্তী সরকার ও বাংলাদেশের জনগণের প্রতি সমবেদনা জানান। তিনি বলেন, এই কঠিন সময়ে মহান আল্লাহ তার শোকসন্তপ্ত পরিবারকে ধৈর্য ও শক্তি দান করুন। আজ মঙ্গলবার ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮০ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন খালেদা জিয়া। দীর্ঘ সময় ধরে তিনি লিভার সিরোসিস, আর্থ্রাইটিস ও ডায়াবেটিসসহ একাধিক শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. শাহাবুদ্দিনের নেতৃত্বে দেশি-বিদেশি এক মেডিকেল বোর্ড তাঁর চিকিৎসা তদারকি করলেও শেষ পর্যন্ত জীবনযুদ্ধে হার মানেন ‘আপসহীন’ এই নেত্রী। আরও পড়ুন শাসনামলের শেষ সময়ও স্বাস্থ্য-শিক্ষায় অবদান রেখেছিলেন খালেদা জিয়া খালেদা জিয়া কেবল রাজনীতির মাঠেই নয়, ব্যক্তিগত জীবনেও চরম প্রতিকূলতা ও ত্যাগের পরিচয় দিয়েছেন। স্বামী ও সন্তান হারানোর গভীর শোকের পাশাপাশি দীর্ঘ বছর রোগযন্ত্রণা ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন তিনি। মামলা-হামলা আর কারাবরণ সত্ত্বেও তিনি গণতন্ত্রের লড়াই থেকে পিছু হটেননি। রাজনৈতিক জীবনের উত্থান-পতনের প্রতিটি ধাপে তিনি নিজের আদর্শে অটল থেকেছেন। উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগের দীর্ঘ ১৬ বছরের শাসনামলে দীর্ঘদিন নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন খালেদা জিয়া, কারাভোগ করেছেন। চিকিৎসার সুযোগও দেওয়া হয়নি। ধীরে ধীরে অসুস্থ হয়ে পড়েন বেগম জিয়া। এরপর করোনার কারণে শর্তসাপেক্ষে মুক্তি দিলেও গুলশানের ভাড়া বাসা ‘ফিরোজা’য় বন্দি রাখা হয়।  আওয়ামী লীগের শাসনামলে চিকিৎসা না পাওয়ায় ধীরে ধীরে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস, লিভার সিরোসিস, কিডনির জটিলতাসহ নানা শারীরিক অসুস্থতা দেখা দেয় খালেদা জিয়ার। এরমধ্যে ২০২৪ সালের জুলাইতে কোটা সংস্কার আন্দোলন দাবিতে দেশজুড়ে শুরু হয় আন্দোলন, যা শেষ পর্যন্ত সরকার পতনের আন্দোলনে গড়ায়। টানা ৩৫ দিনের রক্তক্ষয়ী আন্দোলনে পর ৫ আগস্ট দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যায় শেখ হাসিনা। পরদিন ৬ আগস্ট খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।  এরপর উন্নত চিকিৎসার জন্য চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি লন্ডনে যান খালেদা জিয়া। ১১৭ দিন লন্ডনে অবস্থান শেষে গত ৬ মে তিনি দেশে ফেরেন। তার স্বাস্থ্যের অনেকটা উন্নতি হয়েছিল। তবে নানা রোগে জটিলতা ও শরীর–মনে ধকল সহ্য করে তিনি দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন। বয়সও ছিল প্রতিকূল। প্রায়ই গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়তেন। হাসপাতালে ভর্তি করানো হতো।  সবশেষে গত ২৩ নভেম্বর তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। এক মাসের কিছু বেশি সময় তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন। আরটিভি/এআর 
খালেদা জিয়ার প্রয়াণে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের শোক
খালেদা জিয়াকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে ঢাকায় আসছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় যোগ দিতে ঢাকা আসছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। আগামীকাল বুধবার রাজধানী ঢাকায় অনুষ্ঠিতব্য এই রাষ্ট্রীয় জানাজায় প্রতিবেশী দেশের শীর্ষ এই নেতার অংশগ্রহণকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, কেবল ভারত নয়, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আরও কয়েকটি দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। বিশ্বজুড়ে গণতন্ত্রের জন্য তার সংগ্রামের স্বীকৃতি ও আন্তর্জাতিক সুসম্পর্কের অংশ হিসেবে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক ও মন্ত্রীরা তাকে শেষ বিদায় জানাতে ঢাকায় আসছেন। ইতোমধ্যেই তাদের আগমনের প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। আরও পড়ুন খালেদা জিয়ার জানাজায় যোগ দেবেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেরেবাংলা নগরের জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠেয় এই জানাজায় দেশি-বিদেশি বিশিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে এক আবেগঘন পরিবেশ তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যুতে বিশ্বমঞ্চে যে শোকের ছায়া নেমেছে, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফর তারই এক জোরালো প্রতিফলন। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিদের স্বাগত জানাতে প্রটোকল টিম সার্বক্ষণিক কাজ করে যাচ্ছে। এর আগে, আজ ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান খালেদা জিয়া। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।  বেগম জিয়ার মৃত্যুতে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও নেতারা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। এ ছাড়া সাত দিন শোক পালনের কর্মসূচি দিয়েছে বিএনপি। আরটিভি/এআর 
খালেদা জিয়াকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে ঢাকায় আসছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
খালেদা জিয়ার জানাজায় যোগ দেবেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জানাজায় যোগ দেবেন পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার। মঙ্গলবার(৩০ ডিসেম্বর) দুপুরে ঢাকায় পাকিস্তান হাইকমিশনের একটি সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। পাকিস্তান হাইকমিশনের সূত্রটি বলেছে, খালেদা জিয়ার জানাজায় যোগ দিতে ইসহাক দারের আগামীকাল বুধবার ঢাকায় আসার কথা রয়েছে।  এর আগে, আজ ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান খালেদা জিয়া। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। আরও পড়ুন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন বেগম জিয়ার মৃত্যুতে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও নেতারা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। এ ছাড়া সাত দিন শোক পালনের কর্মসূচি দিয়েছে বিএনপি। উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগের দীর্ঘ ১৬ বছরের শাসনামলে দীর্ঘদিন নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন খালেদা জিয়া, কারাভোগ করেছেন। চিকিৎসার সুযোগও দেওয়া হয়নি। ধীরে ধীরে অসুস্থ হয়ে পড়েন বেগম জিয়া। এরপর করোনার কারণে শর্তসাপেক্ষে মুক্তি দিলেও গুলশানের ভাড়া বাসা ‘ফিরোজা’য় বন্দি রাখা হয়।  আওয়ামী লীগের শাসনামলে চিকিৎসা না পাওয়ায় ধীরে ধীরে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস, লিভার সিরোসিস, কিডনির জটিলতাসহ নানা শারীরিক অসুস্থতা দেখা দেয় খালেদা জিয়ার। এরমধ্যে ২০২৪ সালের জুলাইতে কোটা সংস্কার আন্দোলন দাবিতে দেশজুড়ে শুরু হয় আন্দোলন, যা শেষ পর্যন্ত সরকার পতনের আন্দোলনে গড়ায়। টানা ৩৫ দিনের রক্তক্ষয়ী আন্দোলনে পর ৫ আগস্ট দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যায় শেখ হাসিনা। পরদিন ৬ আগস্ট খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।  এরপর উন্নত চিকিৎসার জন্য চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি লন্ডনে যান খালেদা জিয়া। ১১৭ দিন লন্ডনে অবস্থান শেষে গত ৬ মে তিনি দেশে ফেরেন। তার স্বাস্থ্যের অনেকটা উন্নতি হয়েছিল। তবে নানা রোগে জটিলতা ও শরীর–মনে ধকল সহ্য করে তিনি দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন। বয়সও ছিল প্রতিকূল। প্রায়ই গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়তেন। হাসপাতালে ভর্তি করানো হতো।  সবশেষে গত ২৩ নভেম্বর তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। এক মাসের কিছু বেশি সময় তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন। আরটিভি/এআর   
খালেদা জিয়ার জানাজায় যোগ দেবেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
আধুনিক শিক্ষা প্রসারে গজারিয়ায় ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহাব উদ্দীন মোল্লা মডেল স্কুল’
শিশুর জন্য চাই আলোকিত ভবিষ্যৎ—এই স্লোগানকে সামনে রেখে মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়নের মুদারকান্দীতে আনুষ্ঠানিকভাবে পথচলা শুরু করেছে ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহাব উদ্দীন মোল্লা মডেল স্কুল’। এক ঝাঁক উচ্চশিক্ষিত তরুণ ও যুবকদের তত্ত্বাবধানে আধুনিক শিক্ষা প্রসারের লক্ষ্য নিয়ে প্রতিষ্ঠানটির শুভ উদ্বোধন করা হয়। গত শনিবার বিকাল ৩টায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে প্রধান অতিথি হিসেবে পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে স্কুলটির শুভ সূচনা করেন গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাসান আলী। বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহাব উদ্দীন মোল্লার সভাপতিত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠাতা নূর উদ্দিন মোল্লা, সিআইডি’র এসআই জরিনা আক্তার, ডা. হালদার গোলাপ এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার অব ট্যাক্স ইশিতা গোলাপ অপু। অনুষ্ঠানে আগত অতিথিবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন যে, অত্যন্ত মনোরম পরিবেশে আধুনিক ও নিরাপদ শিক্ষার বিস্তার ঘটিয়ে প্রতিষ্ঠানটি দেশের সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এসময় বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহাব উদ্দীন ও তার পরিবারসহ এই মহৎ উদ্যোগের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানানো হয়। আরও পড়ুন ঝিনাইদহ-৪ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন রাশেদ খান ও ফিরোজ সজিব মোল্লার সার্বিক ব্যবস্থাপনায় এবং ম্যানেজিং কমিটির সদস্য সাইদুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ম্যানেজিং কমিটির সদস্য মো. রায়হান উল্লাহ রবিন, মাজিদুল ইসলাম ও সাদ আহমেদ। কমিটির সদস্য রায়হান উল্লাহ রবিন স্কুলটির লক্ষ্য নিয়ে বলেন, আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করে প্রতিটি শিশুকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলাই আমাদের প্রধান অঙ্গীকার। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন— মোহাম্মদ ছানাউল্লাহ, ইউপি সদস্য সাইফুল ইসলাম, মো. হক মাস্টার, এমপি ইপু প্রধান ও মোতাবেক বেপারীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। একটি আধুনিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কাছে পাওয়ায় স্থানীয় অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। সবশেষে মিলাদ ও দোয়ার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। আরটিভি/একে
আধুনিক শিক্ষা প্রসারে গজারিয়ায় ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহাব উদ্দীন মোল্লা মডেল স্কুল’
আরও পড়ুন
মালয়েশিয়ায় ঝটিকা অভিযান, ২৭ বাংলাদেশিসহ আটক ১৩৩
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার (২৯ ডিসেম্বর)
সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু
বাংলাদেশিদের জন্য থাইল্যান্ডের সুখবর