ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

আধুনিক শিক্ষা প্রসারে গজারিয়ায় ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহাব উদ্দীন মোল্লা মডেল স্কুল’

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:৩১ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

শিশুর জন্য চাই আলোকিত ভবিষ্যৎ—এই স্লোগানকে সামনে রেখে মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়নের মুদারকান্দীতে আনুষ্ঠানিকভাবে পথচলা শুরু করেছে ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহাব উদ্দীন মোল্লা মডেল স্কুল’। এক ঝাঁক উচ্চশিক্ষিত তরুণ ও যুবকদের তত্ত্বাবধানে আধুনিক শিক্ষা প্রসারের লক্ষ্য নিয়ে প্রতিষ্ঠানটির শুভ উদ্বোধন করা হয়।

গত শনিবার বিকাল ৩টায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে প্রধান অতিথি হিসেবে পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে স্কুলটির শুভ সূচনা করেন গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাসান আলী। বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহাব উদ্দীন মোল্লার সভাপতিত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠাতা নূর উদ্দিন মোল্লা, সিআইডি’র এসআই জরিনা আক্তার, ডা. হালদার গোলাপ এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার অব ট্যাক্স ইশিতা গোলাপ অপু।

অনুষ্ঠানে আগত অতিথিবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন যে, অত্যন্ত মনোরম পরিবেশে আধুনিক ও নিরাপদ শিক্ষার বিস্তার ঘটিয়ে প্রতিষ্ঠানটি দেশের সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এসময় বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহাব উদ্দীন ও তার পরিবারসহ এই মহৎ উদ্যোগের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানানো হয়।

সজিব মোল্লার সার্বিক ব্যবস্থাপনায় এবং ম্যানেজিং কমিটির সদস্য সাইদুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ম্যানেজিং কমিটির সদস্য মো. রায়হান উল্লাহ রবিন, মাজিদুল ইসলাম ও সাদ আহমেদ। কমিটির সদস্য রায়হান উল্লাহ রবিন স্কুলটির লক্ষ্য নিয়ে বলেন, আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করে প্রতিটি শিশুকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলাই আমাদের প্রধান অঙ্গীকার।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন— মোহাম্মদ ছানাউল্লাহ, ইউপি সদস্য সাইফুল ইসলাম, মো. হক মাস্টার, এমপি ইপু প্রধান ও মোতাবেক বেপারীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। একটি আধুনিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কাছে পাওয়ায় স্থানীয় অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। সবশেষে মিলাদ ও দোয়ার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

আরটিভি/একে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে আসছেন পাকিস্তানের স্পিকার
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার শেষ বিদায়ে অংশ নিতে ঢাকা আসছেন পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের (পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ) স্পিকার সরদার আইয়াজ সাদিক। দেশটির উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার আজ মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) এক বার্তার মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। আগামীকাল বুধবার ঢাকার জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিতব্য জানাজায় তিনি নিজ দেশের প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। আরও পড়ুন খালেদা জিয়ার জানাজায় যোগ দেবেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার তার পোস্টে লিখেছেন, আগামীকাল ঢাকায় বেগম খালেদা জিয়ার নামাজে জানাজায় পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের স্পিকার অংশগ্রহণ করবেন।  এর আগে, দুপুরে ঢাকায় পাকিস্তান হাইকমিশনের একটি সূত্র জানিয়েছিল খালেদা জিয়ার নামাজে জানাজায় যোগ দিতে ঢাকায় আসবেন সে দেশের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার। উল্লেখ্য, আজ ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান খালেদা জিয়া। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।  বেগম জিয়ার মৃত্যুতে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও নেতারা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। এ ছাড়া সাত দিন শোক পালনের কর্মসূচি দিয়েছে বিএনপি। আরটিভি/এআর   
খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে আসছেন পাকিস্তানের স্পিকার
খালেদা জিয়ার প্রয়াণে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের শোক
বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মইজ্জু। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় তিনি অন্তর্বর্তী সরকার ও বাংলাদেশের জনগণের প্রতি সমবেদনা জানান। তিনি বলেন, এই কঠিন সময়ে মহান আল্লাহ তার শোকসন্তপ্ত পরিবারকে ধৈর্য ও শক্তি দান করুন। আজ মঙ্গলবার ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮০ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন খালেদা জিয়া। দীর্ঘ সময় ধরে তিনি লিভার সিরোসিস, আর্থ্রাইটিস ও ডায়াবেটিসসহ একাধিক শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. শাহাবুদ্দিনের নেতৃত্বে দেশি-বিদেশি এক মেডিকেল বোর্ড তাঁর চিকিৎসা তদারকি করলেও শেষ পর্যন্ত জীবনযুদ্ধে হার মানেন ‘আপসহীন’ এই নেত্রী। আরও পড়ুন শাসনামলের শেষ সময়ও স্বাস্থ্য-শিক্ষায় অবদান রেখেছিলেন খালেদা জিয়া খালেদা জিয়া কেবল রাজনীতির মাঠেই নয়, ব্যক্তিগত জীবনেও চরম প্রতিকূলতা ও ত্যাগের পরিচয় দিয়েছেন। স্বামী ও সন্তান হারানোর গভীর শোকের পাশাপাশি দীর্ঘ বছর রোগযন্ত্রণা ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন তিনি। মামলা-হামলা আর কারাবরণ সত্ত্বেও তিনি গণতন্ত্রের লড়াই থেকে পিছু হটেননি। রাজনৈতিক জীবনের উত্থান-পতনের প্রতিটি ধাপে তিনি নিজের আদর্শে অটল থেকেছেন। উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগের দীর্ঘ ১৬ বছরের শাসনামলে দীর্ঘদিন নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন খালেদা জিয়া, কারাভোগ করেছেন। চিকিৎসার সুযোগও দেওয়া হয়নি। ধীরে ধীরে অসুস্থ হয়ে পড়েন বেগম জিয়া। এরপর করোনার কারণে শর্তসাপেক্ষে মুক্তি দিলেও গুলশানের ভাড়া বাসা ‘ফিরোজা’য় বন্দি রাখা হয়।  আওয়ামী লীগের শাসনামলে চিকিৎসা না পাওয়ায় ধীরে ধীরে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস, লিভার সিরোসিস, কিডনির জটিলতাসহ নানা শারীরিক অসুস্থতা দেখা দেয় খালেদা জিয়ার। এরমধ্যে ২০২৪ সালের জুলাইতে কোটা সংস্কার আন্দোলন দাবিতে দেশজুড়ে শুরু হয় আন্দোলন, যা শেষ পর্যন্ত সরকার পতনের আন্দোলনে গড়ায়। টানা ৩৫ দিনের রক্তক্ষয়ী আন্দোলনে পর ৫ আগস্ট দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যায় শেখ হাসিনা। পরদিন ৬ আগস্ট খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।  এরপর উন্নত চিকিৎসার জন্য চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি লন্ডনে যান খালেদা জিয়া। ১১৭ দিন লন্ডনে অবস্থান শেষে গত ৬ মে তিনি দেশে ফেরেন। তার স্বাস্থ্যের অনেকটা উন্নতি হয়েছিল। তবে নানা রোগে জটিলতা ও শরীর–মনে ধকল সহ্য করে তিনি দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন। বয়সও ছিল প্রতিকূল। প্রায়ই গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়তেন। হাসপাতালে ভর্তি করানো হতো।  সবশেষে গত ২৩ নভেম্বর তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। এক মাসের কিছু বেশি সময় তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন। আরটিভি/এআর 
খালেদা জিয়ার প্রয়াণে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের শোক
খালেদা জিয়াকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে ঢাকায় আসছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় যোগ দিতে ঢাকা আসছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। আগামীকাল বুধবার রাজধানী ঢাকায় অনুষ্ঠিতব্য এই রাষ্ট্রীয় জানাজায় প্রতিবেশী দেশের শীর্ষ এই নেতার অংশগ্রহণকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, কেবল ভারত নয়, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আরও কয়েকটি দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। বিশ্বজুড়ে গণতন্ত্রের জন্য তার সংগ্রামের স্বীকৃতি ও আন্তর্জাতিক সুসম্পর্কের অংশ হিসেবে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক ও মন্ত্রীরা তাকে শেষ বিদায় জানাতে ঢাকায় আসছেন। ইতোমধ্যেই তাদের আগমনের প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। আরও পড়ুন খালেদা জিয়ার জানাজায় যোগ দেবেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেরেবাংলা নগরের জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠেয় এই জানাজায় দেশি-বিদেশি বিশিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে এক আবেগঘন পরিবেশ তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যুতে বিশ্বমঞ্চে যে শোকের ছায়া নেমেছে, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফর তারই এক জোরালো প্রতিফলন। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিদের স্বাগত জানাতে প্রটোকল টিম সার্বক্ষণিক কাজ করে যাচ্ছে। এর আগে, আজ ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান খালেদা জিয়া। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।  বেগম জিয়ার মৃত্যুতে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও নেতারা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। এ ছাড়া সাত দিন শোক পালনের কর্মসূচি দিয়েছে বিএনপি। আরটিভি/এআর 
খালেদা জিয়াকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে ঢাকায় আসছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
খালেদা জিয়ার জানাজায় যোগ দেবেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জানাজায় যোগ দেবেন পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার। মঙ্গলবার(৩০ ডিসেম্বর) দুপুরে ঢাকায় পাকিস্তান হাইকমিশনের একটি সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। পাকিস্তান হাইকমিশনের সূত্রটি বলেছে, খালেদা জিয়ার জানাজায় যোগ দিতে ইসহাক দারের আগামীকাল বুধবার ঢাকায় আসার কথা রয়েছে।  এর আগে, আজ ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান খালেদা জিয়া। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। আরও পড়ুন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন বেগম জিয়ার মৃত্যুতে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও নেতারা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। এ ছাড়া সাত দিন শোক পালনের কর্মসূচি দিয়েছে বিএনপি। উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগের দীর্ঘ ১৬ বছরের শাসনামলে দীর্ঘদিন নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন খালেদা জিয়া, কারাভোগ করেছেন। চিকিৎসার সুযোগও দেওয়া হয়নি। ধীরে ধীরে অসুস্থ হয়ে পড়েন বেগম জিয়া। এরপর করোনার কারণে শর্তসাপেক্ষে মুক্তি দিলেও গুলশানের ভাড়া বাসা ‘ফিরোজা’য় বন্দি রাখা হয়।  আওয়ামী লীগের শাসনামলে চিকিৎসা না পাওয়ায় ধীরে ধীরে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস, লিভার সিরোসিস, কিডনির জটিলতাসহ নানা শারীরিক অসুস্থতা দেখা দেয় খালেদা জিয়ার। এরমধ্যে ২০২৪ সালের জুলাইতে কোটা সংস্কার আন্দোলন দাবিতে দেশজুড়ে শুরু হয় আন্দোলন, যা শেষ পর্যন্ত সরকার পতনের আন্দোলনে গড়ায়। টানা ৩৫ দিনের রক্তক্ষয়ী আন্দোলনে পর ৫ আগস্ট দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যায় শেখ হাসিনা। পরদিন ৬ আগস্ট খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।  এরপর উন্নত চিকিৎসার জন্য চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি লন্ডনে যান খালেদা জিয়া। ১১৭ দিন লন্ডনে অবস্থান শেষে গত ৬ মে তিনি দেশে ফেরেন। তার স্বাস্থ্যের অনেকটা উন্নতি হয়েছিল। তবে নানা রোগে জটিলতা ও শরীর–মনে ধকল সহ্য করে তিনি দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন। বয়সও ছিল প্রতিকূল। প্রায়ই গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়তেন। হাসপাতালে ভর্তি করানো হতো।  সবশেষে গত ২৩ নভেম্বর তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। এক মাসের কিছু বেশি সময় তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন। আরটিভি/এআর   
খালেদা জিয়ার জানাজায় যোগ দেবেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
৭ জানুয়ারির মধ্যে হাদি হত্যা মামলার চার্জশিট দেওয়া হবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
আগামী ৭ জানুয়ারি মধ্যে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।  রোববার (২৮ ডিসেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে কোর কমিটির সভা শেষে এ কথা বলেন তিনি। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সম্মুখসারির যোদ্ধা শরিফ ওসমান বিন হাদির হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও অন্যান্য গোয়েন্দা সংখ্যা নিবিড় ও সমন্বিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে।  তিনি বলেন, এ হত্যাকাণ্ডের তদন্তে যথেষ্ট অগ্রগতি হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে এবং প্রকৃত অপরাধী ও মদদকারীদের শনাক্তের জন্য এখনই সবকিছু প্রকাশ করা যাচ্ছে না। তদন্তের স্বার্থে যে অংশটুকু জনসমক্ষে প্রকাশ সম্ভব, তা আপনাদের সামনে তুলে ধরছি। জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, মামলা চলাকালীন এযাবৎ ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের মধ্যে ৬ জন ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে এবং ৪ জন সাক্ষীও ১৬৪ ধারায় সাক্ষ্য দিয়েছে। আরও পড়ুন হাদি হত্যাকাণ্ড: বিচারের দাবিতে আজও উত্তাল শাহবাগ তিনি আরও বলেন, হত্যাকাণ্ডের পেছনে কারা জড়িত রয়েছে তা উদঘাটনের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জোর প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তারদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য, সাক্ষীদের জবানবন্দি, উদ্ধার করা আলামত পর্যালোচনা ও সার্বিক বিবেচনায় মামলাটির তদন্ত শেষ পর্যায়ে রয়েছে। আগামী ৭ জানুয়ারির মধ্যে মামলার চার্জশিট দেওয়া সম্ভব হবে বলে আশা করছি। সবাইকে ধৈর্য ধারণ করার অনুরোধ জানিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, অতি দ্রুত এ হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য এবং যারা এর পেছনে জড়িত রয়েছে তাদের নাম, ঠিকানাসহ পূর্ণাঙ্গ তালিকা জনসম্মুখে উন্মোচন করতে পারব ইনশাআল্লাহ। ইতোমধ্যে মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই জঘন্য হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দ্রুততার সঙ্গে ন্যায়বিচার নিশ্চিতে আমাদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। প্রসঙ্গত, গত ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর পুরানা পল্টনের বক্স-কালভার্ট রোডে গণঅভ্যুত্থানের সম্মুখযোদ্ধা, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদিকে মাথায় গুলি করে দুর্বৃত্তরা। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাদিকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ১৫ ডিসেম্বর তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৮ ডিসেম্বর ওসমান হাদির মৃত্যু হয়। পরে তাকে দেশে এনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রিয় মসজিদের পাশে (জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধির পাশে) দাফন করা হয়।
৭ জানুয়ারির মধ্যে হাদি হত্যা মামলার চার্জশিট দেওয়া হবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
আরও পড়ুন
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আশপাশে সিগারেট বিক্রি করলেই জরিমানা
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা স্থগিত, নতুন তারিখ প্রকাশ
উচ্চশিক্ষার সম্প্রসারণে খালেদা জিয়ার অবদান স্মরণীয় : ইউজিসি চেয়ারম্যান
প্রাথমিকের আরও এক নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত