
হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফীকে স্বাধীনতা পদক দেওয়ার জন্য দাবি করেছেন শোলাকিয়ার ইমাম মাওলানা ফরিদ উদ্দিন মাসউদ।
আজ রোববার (৪ নভেম্বর) রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে কওমি মাদ্রাসার আলেমদের ‘শুকরানা মাহফিলে’ তিনি এ দাবি করেন।
প্রধানমন্ত্রী সকাল পৌনে ১১টার দিকে অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত হন। এ সময় সমাবেশের সভাপতি হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফী প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান। প্রধানমন্ত্রী হাত নেড়ে আগতদের শুভেচ্ছার জবাব দেন। পরে মঞ্চে আসন গ্রহণ করেন।
প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে তাকে লক্ষ্য করে মাওলানা ফরিদ উদ্দিন মাসউদ বলেন, আপনি এ দেশের এতো উন্নয়ন করেছেন, আমাদের এককালের শত্রু দেশ পাকিস্তানের জনগণও দাবি জানায় আমাদের বাংলাদেশের মতো উন্নত করে দাও। আপনি সবচেয়ে বড় যে কাজ করেছেন তা কওমি মাদ্রাসার স্বীকৃতি। এ উপলক্ষে আমি আপনার কাছে দুটি আরজ (দাবি) করতে চাই-
এক. আমার ভাই আপনাকে যে জননী বলেছেন সেই দরদ দিয়ে এই দেশের গ্রামাঞ্চলে ইমাম মুয়াজ্জিন আছেন যারা ৭০০-৮০০ টাকা বেতন পান। সারাদেশে ইমামদের ৫ হাজার ও মোয়াজ্জিনদের ৩ হাজার করে ভাতা দেয়ার ব্যবস্থা করবেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ভাতা দেওয়া হয়। আপনার দিল অনেক বড়। আপনি রোহিঙ্গাদের ব্যবস্থা করেছেন। ইমাম-মুয়াজ্জিনদের একটা ভাতার ব্যবস্থা করে আমাদের কৃতার্থ করবেন।
দুই. বাংলাদেশের কোনও আলেমকে আজ পর্যন্ত স্বাধীনতা পদক দেয়া হয়নি। আমাদের সরদার আল্লামা আহমদ শফি সাহেব, উনি ওলামা ও ইসলামের লোকদের একত্র করে দেশসেবা করছেন। সুতরাং আমি মনে করি উনি স্বাধীনতা পদক পেতে পারেন। সুতরাং এ বছরে স্বাধীনতা পদকের ব্যাপারে বিবেচনা করবেন বলে আমরা আশা রাখি। এ ব্যাপারে আরও অনেকের অবদান আছে। সময়ের অভাবে আমি একে একে নাম বলতে পারলাম না।
উল্লেখ্য, শুরুতে আলোচনার এক পর্যায়ে জামিয়া ইসলামিয়া দারুল উলুম খাদেমুল ইসলাম গওহরডাঙ্গা মাদ্রাসা, গোপালগঞ্জ এর অধ্যক্ষ ও অনুষ্ঠানের অন্যতম বক্তা হাফেজ মাওলানা মুফতি রুহুল আমিন বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর বিভিন্ন অবদানের কথা উপস্থাপন করে প্রধানমন্ত্রীকে কওমি শিক্ষার্থীদের জননী উপাধি দেন।
জিএ/পি




