ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

সংসদে তোপের মুখে প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট

প্রকাশ : ১২ নভেম্বর ২০১৯, ০৬:৫৫ পিএম

সৌদি আরবে নারী শ্রমিক পাঠানো নিয়ে সংসদে তোপের মুখে পড়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী মো. ইমরান আহমেদ।

সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে এ নিয়ে তাকে একের পর এক প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়। এ সময় তাকে বিরোধী দলের একাধিক এমপি বিদেশে কর্মরত নারী শ্রমিকদের ওপরে যৌন নির্যাতনের বিষয়ে প্রশ্ন করেন।

স্বাধীন দেশের মানসম্মান রক্ষায় সৌদি আরবে নারী শ্রমিক না পাঠানোর জন্য অনুরোধ করেন।

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে এ ঘটনা ঘটে।

এ সময় জাতীয় পার্টির মুজিবুল হক চুন্নু ও কাজী ফিরোজ রশীদের আক্রমণাত্মক প্রশ্ন করেন। এছাড়াও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের বহিষ্কৃত এমপি সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমদ সৌদিতে নারী শ্রমিক পাঠানোর বিরোধিতা করে বক্তব্য রাখেন। সম্পৃরক প্রশ্ন করতে গিয়ে তারা এ বিরোধিতা করেন।

এমপিরা দাবি করেন, বাংলাদেশ এখন আর তলাবিহীন ঝুঁড়ি নয় যে, নারীদের সম্ভ্রমহানির জন্য বিদেশে পাঠাতে হবে। এর পরিবর্তে বেশি করে পুরুষ শ্রমিক পাঠানোর কথা বলেন তারা। নারী কর্মীদের বিদেশে পাঠানো বন্ধের দাবি জানান তারা।

এ বিষয়ে প্রথমেই প্রশ্ন করতে গিয়ে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, সৌদি আরবে বিশেষ করে নারী গৃহকর্মীদের সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্টসহ নানা ধরনের নির্যাতন করা হয়। এটা স্বীকৃত। এই অত্যাচারের কারণে অনেক নারীকর্মী সুযোগ পেলেই পালিয়ে যাচ্ছে, জেলখানায় যায় এবং অনেক কিছু হচ্ছে। এজন্য বহির্বিশ্বে থেকে আমাদের অনেক প্রশ্ন আসছে। মন্ত্রীদের কাছে আমার প্রশ্ন এই যে নারী কর্মীরা পাঠাচ্ছি তাদের সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্ট থেকে বাঁচানোর জন্য, তাদের ইজ্জত সম্মানের সঙ্গে চাকরির জন্য সরকারের পক্ষ থেকে কোনো রকম উদ্যোগ নিয়েছেন কি না?

সুলতান মোহাম্মদ মনসুর বলেন, বাংলাদেশ থেকে নারী শ্রমিক পাঠানোর ব্যাপারে মন্ত্রী বলছেন যে- শিক্ষা দিয়ে নারীদের পাঠানো হবে। কিন্তু সৌদি আরবকে তো কন্ট্রোল করতে আপনি এখান থেকে পারবেন না। আর ওরা কিভাবে এটা কন্ট্রোল করে সেটা আপনি, আমি, অনেকেই জানি। আমরা বিভিন্ন সময় গিয়েছি, দেখেছি। আমার অনুরোধ থাকবে এই সমাজজীবনকে বাঁচানোর জন্য, আদব-কায়দা এই দেশের মান মর্যাদা ঐতিহ্য রক্ষার্থে আমাদের নারী শ্রমিক না পাঠিয়ে পুরুষ শ্রমিক পাঠান। এতে দেশের মান বাঁচবে। আমাদের মান ইজ্জত বাঁচবে, পারিবারিক পরিবেশও সুন্দর থাকবে, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশ মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে। আর না হলে আমরা দাসের বাংলাদেশ পরিণত হব।

কাজী ফিরোজ রশীদ বলেন, মন্ত্রী বললেন রিক্রুটিং এজেন্ট বিদেশে লোক পাঠায়। তাহলে উনাদের দায়িত্বটা কী? প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রীর দায়িত্বটা কী? আমাদের মা বোনদের আমরা পাঠিয়ে দিচ্ছি, ওখান থেকে যৌন নির্যাতনের শিকার হয়ে, নানান রকম অন্যায় অত্যাচারের শিকার হয়ে তারা লাশ হয়ে ফিরে আসে। এ পর্যন্ত ছয় থেকে সাতশ লাশ এসেছে এবং তাদের সবারই লেখা থাকে এটা স্বাভাবিক মৃত্যু। ওখানে পোস্টমর্টেম যে হয় সেটাও বাংলাদেশের অ্যাম্বাসি দেখে না। একই রকমের পোস্টমর্টেম করে তারা।

---------------------------------------------------------------
আরো পড়ুন: নভেম্বরের শেষে খুলতে পারে মালয়েশিয়ার শ্রম বাজার: প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী
---------------------------------------------------------------

তিনি বলেন, এভাবে আমাদের মা বোনদের নিয়ে ব্যবসা করতে পারি না। এটা স্বাধীন দেশ। আমাদের সম্মান, ইজ্জত আছে। মাত্র কয়েকটি টাকার জন্য আমরা এ কাজ করতে পারি না । আমাদের দেশটা এখন আর অত গরিব না। আমরা তো তলাবিহীন ঝুড়ি না। কেন নারী পাঠাতে হবে? বন্ধ করুন অবিলম্বে। আপনি দেখেন নাই একেক জন নারী ফিরে আসে আর তাদের কীভাবে অন্যায় অত্যাচার করা হয়। আপনাদের ঘরে মা বোন নেই? কেন আমরা কয়েকটা টাকার জন্য ওদের পাঠাবো? নারীদের পাঠানো সম্পূর্ণ বন্ধ করতে হবে। আমাদের মন্ত্রী কোন খবর রাখেন না। সেখানে নারী রীতিমত বেচাকেনা হচ্ছে। বাজার বসে কে কত দাম দিয়ে কিনে নিয়ে যাবেন। উনারা কোন খবর রাখবেন না কেন? সুতরাং আমার ছোটপ্রশ্ন মন্ত্রী, এটা বন্ধ করবেন কি না? এই টাকা আমাদের প্রয়োজন নাই। মা-বোনদের পাঠিয়ে দিয়ে দেশ বিক্রির টাকার প্রয়োজন নেই। আমরা আমাদের ইজ্জত বিক্রি করতে পারি না।

জবাবে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমেদ বলেন, বিদেশে নারী শ্রমিকরা হয়রানির শিকার হন মন্ত্রী ও মন্ত্রণালয় কিছুই জানে না, এটা সঠিক নয়। সংসদের বিরোধী দলীয় এমপিদের এ ইস্যুতে বক্তব্য শুনে আমার মনে হয়েছে অভিযোগ করার জন্য অভিযোগ এবং রাজনৈতিক মাঠে দেয়া বক্তব্যের মতো।

মন্ত্রী বলেন, বিদেশে নারীকর্মী পাঠানো রিক্রুট এজেন্সিদের মধ্যে অনিয়মের কারণে ১৬০টির কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। তিনটি এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। জরিমানা করা হয়েছে কোটি টাকার বেশি। এক্ষেত্রে সরকারের অবস্থান জিরো টলারেন্স।

মন্ত্রী আরও বলেন, দেশীয় রিক্রুট এজেন্সিদের কাউন্টার পার্ট রয়েছে সৌদিতে, সেখানকার দায়িত্বরতদের বিস্তারিত জানাতে হচ্ছে মন্ত্রণালয়কে।

এসজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
পাথরঘাটার ছয় যুদ্ধাপরাধীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে বরগুনার পাথরঘাটার ছয় আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। আজ মঙ্গলবার এ পরোয়ানার আদেশ দেন বিচারপতি শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে গঠিত ট্রাইব্যুনাল। তবে, আসামিদের গ্রেপ্তারের স্বার্থে তাদের নাম, পরিচয় প্রকাশ করেননি রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন প্রসিকিউটর রেজিয়া সুলতানা চমন। তিনি বলেন, পাথরঘাটার এই ছয় আসামির বিরুদ্ধে চারটি অভিযোগ আনা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ২০১৭ সালের ৭ ডিসেম্বর তদন্ত শুরু হয়। তদন্ত এখনো চলছে। আসামিরা যাতে পালিয়ে যেতে না পারে সে জন্য তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানার আবেদন করা হলে এ আদেশ আসে। তবে, তাদের গ্রেপ্তারের স্বার্থে তাদের নাম পরিচয় প্রকাশ করা হবে না। এ বিষয়ে অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেছে ট্রাইব্যুনাল। এমকে
পাথরঘাটার ছয় যুদ্ধাপরাধীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
নিউজিল্যান্ড দিয়ে শুরু হলো বর্ষবরণ উৎসব ২০২০
নিউজিল্যান্ড দিয়ে শুরু হলো নতুন বছর ২০২০। বাংলাদেশ সময় বিকেল ৫টায় নিউজিল্যান্ডে শুরু হয় নববর্ষের আয়োজন। নানা আতশবাজি ফোটানোর মধ্যদিয়ে শুরু হয় বর্ষবরণ উৎসব। এরপর একই উৎসব শুরু হয় অস্ট্রেলিয়াতে। ২০২০ সালের আগমনে সিডনি ঝলমলে হয়ে উঠে নানা রঙের আতশবাজিতে। অস্ট্রেলিয়ায় ভয়াবহ দাবানলের মধ্যেও থেমে থাকেনি নতুন বছরকে বরণের  আনন্দ-উৎসব। এর আগে বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেল ৪টায় দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের সামোয়া ও কিরিবাতিতে নববর্ষের শুরু হয়। বর্ষবরণ উৎসবে নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ডের স্কাই টাওয়ার থেকে জমকালো আতশবাজির প্রদর্শনী করা হয়। এছাড়া প্রথমবারের মতো এতে লেজার লাইট ও অ্যানিমেশনের প্রদর্শনী করা হয়। নববর্ষের এসব আতশবাজি উপভোগ করতে হাজার হাজার মানুষ অকল্যান্ডের ফেডারেল স্ট্রিটে জড়ো হয়। নববর্ষকে স্বাগত জানাতে অকল্যান্ডের সিলো পার্ক, বাসটন পয়েন্ট, মাউন্ট ইডেনসহ বিভিন্ন স্থানে বিচিত্র উৎসবের আয়োজন করেছেন নিউজিল্যান্ডবাসী। বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টায় অস্ট্রেলিয়াতে শুরু হয় বর্ষবরণ উৎসব। প্রতিবছরের মত এবছরও সিডনির অপেরা হাউজে আতশবাজির প্রদর্শনী করা হয়। সিডনি হারবারে আতশবাজির এ প্রদর্শনী দেখতে প্রায় ১০ লাখের মত দর্শনার্থী জড়ো হয়। এমকে
নিউজিল্যান্ড দিয়ে শুরু হলো বর্ষবরণ উৎসব ২০২০
দুই সিটি নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরিতে ইসি’র নির্দেশনা
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করতে নির্দেশনা দিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগকে চিঠি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আজ মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) ইসির সিনিয়র সচিব মো: আলমগীর স্বাক্ষরিত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তাফা কামাল উদ্দিনকে পাঠানো এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেয়া হয়। চিঠিতে বলা হয়েছে, আগামী ৩০ জানুয়ারি ২০২০ তারিখে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য ২২ ডিসেম্বর তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। নির্বাচন পরিচালনার জন্য রিটার্নিং অফিসার এবং সহকারী রিটার্নিং অফিসার নিয়োগ করা হয়েছে। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন করার লক্ষ্যে কয়েকটি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন। সিদ্ধান্তগুলো হলো- আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা ও সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা বিধান, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েনের লক্ষ্যে অগ্রিম বাজেট প্রণয়ন; অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের নিয়ন্ত্রণ ও নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড প্রস্তুতকরণ; এবং নির্বাচনী এলাকার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ। নির্বাচন কমিশনের গৃহীত সিদ্ধান্ত মোতাবেক উল্লিখিত বিষয়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের জন্য জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিবের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। ঢাকা দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ৩১ ডিসেম্বর, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ২ জানুয়ারি। প্রার্থিতা প্রত্যাহার ৯ জানুয়ারি, প্রতীক বরাদ্দ হবে ১০ জানুয়ারি। আর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ৩০ জানুয়ারি। এমকে
দুই সিটি নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরিতে ইসি’র নির্দেশনা
সব ধর্মের গুরুর সহায়তায় জঙ্গিবাদ দমনে সক্ষম হয়েছি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বাংলাদেশকে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের স্বর্গরাজ্যে পরিণত করার চেষ্টা করা হয়েছিল।কিন্তু সব ধর্মের গুরুরা এগিয়ে এসেছিল বলেই আমরা জঙ্গিবাদ দমন করতে সক্ষম হয়েছি। বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। আজ মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে ‘নন্দিত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা আসাদুজ্জামান খাঁন’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সব ধর্মের গুরুরা এগিয়ে এসেছিলেন বলেই সব সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড মোকাবিলা করতে পেরেছি। আর এ কারণেই আমরা জঙ্গিবাদ দমন করতে সক্ষম হয়েছি। এখনকার পুলিশের সঙ্গে ১০ বছর আগের পুলিশের তুলনা করলে হবে না। এখন পুলিশের দক্ষতা-অভিজ্ঞতা অনেক বেড়েছে। তারা যেকোনো বিষয় সামাল দিতে পারে। আসাদুজ্জামান খাঁন বলেন, বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলার স্বপ্ন আজ বাস্তবায়ন হচ্ছে। তারই কন্যা শেখ হাসিনা সব নির্দেশনা দিচ্ছেন । তিনি একের পর এক স্বপ্ন দেখছেন এবং বাস্তবায়ন করছেন। তিনি বলেন, একসময়  সন্ত্রাসী ধরা পড়ার পর অনেক নেতা বলতেন ‘ছেড়ে দাও’। একটি ভবনের নাম করে সন্ত্রাসীদের ছেড়ে দিতে বলা হতো। আর আমাদের প্রধানমন্ত্রী বলছেন, এখনো ধরছো না কেন? এ কারণে জলদস্যু, জঙ্গি, মাদক সবকিছুর নির্মূল করতে সক্ষম হয়েছেন। এমকে
সব ধর্মের গুরুর সহায়তায় জঙ্গিবাদ দমনে সক্ষম হয়েছি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
আফগানিস্তানে বায়ুদূষণে ১৭ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৮,৮০০
আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে বিপজ্জনক মাত্রার বায়ু দূষণের কারণে শ্বাস-প্রশ্বাসের সংক্রমণে আক্রান্ত হয়ে গত সপ্তাহে কমপক্ষে ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দেশটির গণস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানায় কাতারের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যম আল জাজিরা। মন্ত্রণালয়টির উপমন্ত্রী ফিদা মোহাম্মদ পাইকান সোমবার সাংবাদিকদের বলেন, এই সপ্তাহে ফুসফুসের সমস্যাসহ বায়ুদূষণ জনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে আট হাজার ৮০০ এর বেশি রোগী হাসপাতালে ভর্তি হন। আফগানিস্তানের ন্যাশনাল এনভায়রনমেন্টাল প্রটেকশন এজেন্সির নারী মুখপাত্র লেইলা সামানি এদিন ডিপিএ নিউজ এজেন্সিকে বলেন, কাবুলের এই বায়ু দূষণের জন্য দায়ী স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। আফগান প্রেসিডেন্ট তাদের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মকর্তাদের কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এই মিউনিসিপালিটি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল  এজেন্সি রোববার সন্ধ্যায় জানায়, তিনটি ওয়েডিং হল ও দুটি প্রোপার্টি ম্যানেজমেন্ট অফিস বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। সামানি জানান, স্থানীয়দের  প্রতি আবাসস্থল গরম রাখার জন্য কয়লা, টায়ার ও প্লাস্টিক ব্যবহার না করার আহ্বান জানানো হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, বায়ুদূষণের প্রাথমিক কারণ হলো দারিদ্র্য ও বিদ্যুতের অভাব। সস্তায় গ্যাস ও বিদ্যুৎ পাওয়া না গেলে এই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব নয়। কে/সি
আফগানিস্তানে বায়ুদূষণে ১৭ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৮,৮০০