ঢাকা শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩

এক স্মার্ট কার্ডে অনেক সেবা 

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২০ মার্চ ২০২৪, ০৯:২১ পিএম
ফাইল ছবি

স্মার্ট যাত্রীসেবায় সরকারের উদ্যোগ র‍্যাপিড পাস। এটি স্মার্ট কার্ডভিত্তিক একটি স্বয়ংক্রিয় ভাড়া সংগ্রহ ব্যবস্থা যা দেশের গণপরিবহন এমনকি মেট্রোরেলেও ব্যবহারের জন্য বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৮ সালের ৪ জানুয়ারি র‍্যাপিড পাসের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। এটি মেট্রো স্টেশন, রেলওয়ে স্টেশন, বাস স্টপ ও টার্মিনাল এবং বিভিন্ন পরিবহন ব্যবস্থার যানবাহনে ব্যবহার করার মতো করে চালু করা হয়েছে।

র‍্যাপিড পাস উদ্বোধনের সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিশ্ব এগিয়ে যাচ্ছে, আমরাও পিছিয়ে নেই। বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমরা চলতে চাই। দেশের জনগণকে যোগাযোগের ক্ষেত্রে ডিজিটাল সুযোগ দিতে র‍্যাপিড পাস চালু করছি।

র‌্যাপিড পাস হলো একটি স্মার্ট কার্ডের মাধ্যমে ভাড়া পরিশোধের ব্যবস্থা। এই পাসের মাধ্যমে স্মার্ট কার্ডে রিচার্জ করে এর মাধ্যমে ভাড়া পরিশোধ করে নির্দিষ্ট দূরত্ব পারি দেওয়া যাবে। ফলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের সুযোগ থাকবে না পরিবহন শ্রমিকদের।

র‌্যাপিড পাস কার্ড দিয়ে কী হবে :

সড়ক ও সেতুর টোল, সুপারমার্কেটের কেনাকাটা থেকে শুরু করে শিক্ষার্থীদের বেতন পরিশোধ; সব একটি কার্ডের মাধ্যমেই করা যাবে। এটি দিয়ে বিভিন্ন সরকারি পরিষেবার বিলও পরিশোধ করা যাবে। গ্রাহকরা তাদের ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড এবং মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) অ্যাকাউন্ট থেকে কার্ডটি রিচার্জ করতে পারবেন। পার্সে বা মানিব্যাগে একাধিক কার্ড নিয়ে চলাফেরা, তারপর নির্দিষ্ট বিল পরিশোধে বিশেষ একটি কার্ড খুঁজে বের করার ঝামেলা নেই। মেট্রোরেলে র‍্যাপিড পাস ব্যবহারে ১০ শতাংশ ছাড় পাওয়া যায়।

এই পাসের মাধ্যমে যাত্রীরা নির্বিঘ্নে সারা দেশে ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (এমআরটি), বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি), বিআরটিসি বাস, সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত সব বাস, নৌ পরিবহন এবং ট্রেনসহ বিদ্যমান পরিবহন পরিষেবার–সব ধরনের ভাড়া পরিশোধ করতে পারবেন।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, র‌্যাপিড কার্ড চালুর মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে, ক্যাশলেস (নগদ টাকাহীন) লেনদেনের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে মানুষের সময় বাঁচানো। পাশাপাশি ঝামেলামুক্ত ভ্রমণ নিশ্চিত করা। এ ছাড়া গণপরিবহনে স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিতের মাধ্যমে সরকারের রাজস্ব সংগ্রহ বাড়ানো এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য।

র‌্যাপিড পাস কার্ড পেতে যা করবেন :

র‍্যাপিড পাস কার্ড পেতে প্রথমে নিবন্ধন ফরম পূরণ করতে হবে। অনলাইনে গিয়ে খুব সহজেই ফরমটি ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। তারপর সেটি পূরণ করে নির্দিষ্ট কিছু ব্যাংকের শাখায় জমা দিয়ে কার্ড সংগ্রহ করতে পারবেন। প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে দুই কার্যদিবস সময় লাগবে। ডাচ-বাংলা ব্যাংকের নিন্মবর্ণিত শাখা বা উপশাখাগুলো থেকে র‍্যাপিড পাস কিনতে পারবেন।

উওরা সোনারগাঁও জনপদ শাখা, উওরা শাখা, রবীন্দ্র সরণি শাখা, পল্লবী শাখা, মিরপুর, মিরপুর সার্কেল ১০ শাখা, ইব্রাহিমপুর শাখা, শেওড়াপাড়া শাখা, কর্পোরেট শাখা, মতিঝিল, ইন্দ্রিরারোড শাখা, খালপাড় উপশাখা, উত্তরা, তালতলা উপশাখা, কাফরুল, সচিবালয় ফাস্টট্র্যাক। এ ছাড়া মেট্রোরেল স্টেশনের ডিবিবিএল বুথ থেকেও র‍্যাপিড পাস কেনা যাবে। এ ছাড়াও র‍্যাপিড পাস অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজে যোগাযোগ করে অনলাইনে কার্ড অর্ডার করার সুযোগ রয়েছে।

র‍্যাপিড পাস কার্ড রিচার্জ করবেন যেভাবে :

মেট্রোরেলের টিকেট বিক্রয় মেশিন থেকে র‍্যাপিড পাস কার্ড রিচার্জ করা যাবে। র‌্যাপিড পাসের প্রাথমিক মূল্য ৪০০ টাকা। এর মধ্যে ২০০ টাকা কার্ডের মূল্য এবং প্রাথমিকভাবে রিচার্জ করে দেয়া হবে ২০০ টাকা। একটি কার্ড একবারে সর্বোচ্চ ১,০০০ টাকা রিচার্জ করা যাবে। তবে কার্ডের ব্যাল্যান্স ১০,০০০ টাকার বেশি হতে পারবে না। কার্ডে অপার্যাপ্ত ব্যাল্যান্স থাকলেও কার্ড ব্যবহারকারী প্রতিবার রিচার্জে একবার কার্ড ব্যবহার করতে পারবেন। তবে পরবর্তী রিচার্জে ওই পরিমাণ টাকা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কেটে নেওয়া হবে। বর্তমানে অনলাইনেও র‍্যাপিড পাসের ব্যালেন্স চেক করা যায় খুব সহজেই।

ডাচ বাংলা ব্যাংকের নির্দিষ্ট ব্রাঞ্চ ও সাব-ব্রাঞ্চে, র‍্যাপিড পাস বিক্রির এজেন্ট পয়েন্টে (ভ্রাম্যমাণ ক্যাম্পেইনে রিচার্জ হয় না), মেট্রোরেল স্টেশনের টিকেট ভেন্ডিং মেশিন থেকে। মেট্রোরেল স্টেশনের টিকেট কাউন্টার বা এক্সেস ফেয়ার অফিস থেকে কার্ড রিচার্জ করা যাবে।

এদিকে যাত্রীসেবা সহজ ও আধুনিক করার লক্ষ্যে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে চলাচলকারী বিআরটিসি বাসে র‍্যাপিড পাস সার্ভিস চালু করলো রাষ্ট্রায়ত্ব পরিবহন সংস্থা বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন (বিআরটিসি)। বুধবার (২০ মার্চ) রাজধানীর গুলিস্তানে এ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এবিএম আমিন উল্লাহ নূরী।

উদ্বোধনকালে এবিএম আমিন উল্লাহ নূরী জানান, এখন থেকে বিআরটিসি বাসে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে চলাচলকারী যাত্রীরা র‍্যাপিড পাস ব্যবহারের মাধ্যমে চলাচল করতে পারবেন। ফলে আশা করা হচ্ছে, যাত্রী ও পরিবহন শ্রমিকদের মধ্যে ভাড়া নিয়ে বাক-বিতণ্ডার ঝামেলার নিরসন হবে।

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
‘মার্চ ফর ইউনিটি’তে অংশগ্রহণকারীদের জন্য জাতীয় নাগরিক কমিটির ৭ নির্দেশনা
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকে আয়োজিত ‘মার্চ ফর ইউনিটি’তে অংশ নিতে মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) সকাল থেকেই কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জমায়েত হচ্ছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা বিপ্লবী ছাত্র-জনতা। এই সমাবেশ সফল ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে জাতীয় নাগরিক কমিটি অংশগ্রহণকারীদের জন্য ৭ দফা নির্দেশনা দিয়েছে। সকালে জাতীয় নাগরিক কমিটির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে এই নির্দেশনাগুলো প্রকাশ করা হয়। কেন্দ্রীয় নির্দেশনাগুলো হলো- ১. ব্যানার প্রদর্শন না করা প্রতিটি থানা ইউনিটকে শহীদ মিনারে পৌঁছে কোনো ব্যানার প্রদর্শন করবে না। ২. স্বেচ্ছাসেবকদের নির্দেশনা অনুসরণ প্রোগ্রামে দায়িত্বপ্রাপ্ত স্বেচ্ছাসেবকদের দেওয়া নির্দেশনা মেনে চলতে হবে। ৩. একত্রে অবস্থান শহীদ মিনারে পৌঁছে প্রতিটি থানার সদস্যদের একসঙ্গে থাকতে হবে। ৪. মাইকের নির্দেশনা মেনে চলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মাইকের মাধ্যমে প্রচারিত নির্দেশনাগুলো অবশ্যই মেনে চলতে হবে। ৫. বাগ্বিতণ্ডা পরিহার প্রোগ্রামে উপস্থিত অন্য থানা সদস্য বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে কোনো ধরনের বাগ্বিতণ্ডায় জড়ানো যাবে না। ৬. নারী সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রতিটি থানার নারী সদস্যদের জন্য সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। ৭. মঞ্চে বা মিডিয়ায় আলাদা বক্তব্য এড়ানো প্রোগ্রামের চলাকালীন মঞ্চের সামনে যাওয়া বা মিডিয়ায় আলাদাভাবে বক্তব্য দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে আজ শহীদ মিনারে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করার পরিকল্পনা ছিল। তবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের এই দায়িত্ব নেওয়ার ঘোষণায় বিষয়টি নিয়ে বিভ্রান্তি দেখা দেয়। এই পরিস্থিতিতে গতকাল রাতে রাজধানীর বাংলামোটরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আজ বিকেল ৩টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ‘মার্চ ফর ইউনিটি’ কর্মসূচি পালন করা হবে। এই কর্মসূচিকে ঘিরে বিপুল উৎসাহের মধ্যেও জাতীয় নাগরিক কমিটি নির্দেশনাগুলো মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে, যাতে সমাবেশ শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়।
‘মার্চ ফর ইউনিটি’তে অংশগ্রহণকারীদের জন্য জাতীয় নাগরিক কমিটির ৭ নির্দেশনা
থার্টিফার্স্ট   / ঢাকায় অতিরিক্ত ৩ হাজার পুলিশ মোতায়েন, থাকবেন ম্যাজিস্ট্রেট
থার্টিফার্স্ট ও ইংরেজি নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে এবং রাজধানীর সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) এলাকায় মোতায়েন করা হবে অতিরিক্ত ৩ হাজার পুলিশ ও থাকবে পরিবেশ অধিদপ্তরের ম্যাজিস্ট্রেট বলে জানিয়েছেন, ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে থার্টিফার্স্ট নাইট ও ইংরেজি নববর্ষ উপলক্ষে ডিএমপি কর্তৃক গৃহীত নিরাপত্তা ব্যবস্থাসংক্রান্ত ব্রিফিংয়ে তিনি এসব তথ্য জানান। ডিএমপি কমিশনার বলেন, ঢাকা শহরের নিরাপত্তা নিশ্চিতে নিয়মিত পুলিশ মোতায়েন থাকে। প্রত্যেক ফাঁড়ি থেকে রাতে কমপক্ষে দুটি পেট্রোল টিম থাকে, থানা থেকে চারটি-পাঁচটি টিম থাকে। এটা আমাদের রেগুলার ডিপ্লয়মেন্ট। আজকে শুধু থার্টিফার্স্ট নাইট উপলক্ষে এর বাইরে তিন হাজার অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা মনে করছি এটা যথেষ্ট। আমরা কিছু পয়েন্টকে টার্গেট করেছি। বিশেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, গুলশান, ৩০০ ফিট, উত্তরা দিয়াবাড়ী এলাকায় বেশি পুলিশ মোতায়েন থাকবে। আমাদের পুলিশ ফোর্সের পাশাপাশি পরিবেশ অধিদপ্তরের ম্যাজিস্ট্রেটরা থাকবেন। ওনারা যেকোনো জায়গায় ভ্রাম্যমাণ আদালত চালালে আমাদের ফোর্স তাদের সহযোগিতা করবে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে আতশবাজি ফুটিয়ে ইংরেজি নববর্ষকে বরণ করা হয়, বাংলাদেশে পরিবেশের এত সমস্যা কেন? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রথমত পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে থার্টিফার্স্ট উদযাপিত হয়। বেশিরভাগ দেশে এটি নববর্ষ, আমাদের দেশে নয়। দ্বিতীয়ত, অন্যান্য দেশে একটি নির্দিষ্ট স্থানে ইংরেজি নববর্ষ উদযাপনের আয়োজন করা হয়, পুরো শহরজুড়ে আতশবাজি ফোটানো হয় না। আমরাও এ বছর ঢাকা মহানগরের একটি নির্দিষ্ট স্থানে থার্টিফার্স্ট ও ইংরেজি নববর্ষ উদযাপনের অনুষ্ঠান আয়োজন করার চিন্তা করেছিলাম। কিন্তু এই বছর আমরা সেটি পারিনি। আশা করি আগামী বছর আমরা সেটি আয়োজন করব। পুলিশের মনোবল ফিরে এসেছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার বলেন, পুলিশের মনোবলের যে ঘাটতি ছিল, এটি আমরা উৎরিয়ে উঠেছি। আমাদের এখনো কোনো সমস্যা নেই। আমরা যে কোমায় যাওয়ার অবস্থায় গিয়েছিলাম, সেটি থেকে ফিরে এসেছি। আমাদের অফিসারদের মনোবল এখন অনেক ভালো। থার্টিফার্স্ট নাইট উপলক্ষে কোনো থ্রেট আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, কোনো থ্রেট নেই। এর আগে, ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, থার্টিফার্স্ট নাইটে যাতে আতশবাজি, পটকা, ক্লাস্টার বোমা, রকেট বোমা না ফোটানো হয় সেজন্য গত এক সপ্তাহ ডিএমপি রাজধানীতে অভিযান পরিচালনা করে ১২৭ কেজি আতশবাজি, পটকা, ক্লাস্টার বোমা, রকেট বোমা জব্দ করেছি। এ বিষয়ে ৫টি মামলা হয়েছে এবং ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তিনি নগরবাসীর উদ্দেশে বলেন, শুধু পুলিশ বা পরিবেশ অধিদপ্তর দিয়ে শব্দ দূষণ বন্ধ করা সম্ভব নয়। এজন্য প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব রয়েছে। আমরা সবার সহযোগিতা চাই। এ সময় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব তপন কুমার বিশ্বাস উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত কমিশনার (অ্যাডমিন) ফারুক আহমেদ, অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) খোন্দকার নজমুল হাসান। আরটিভি/এমএ/এস  
ঢাকায় অতিরিক্ত ৩ হাজার পুলিশ মোতায়েন, থাকবেন ম্যাজিস্ট্রেট
আতশবাজি করলেই এক মাসের জেল: অতিরিক্ত সচিব
পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব তপন কুমার বিশ্বাস বলেছেন, থার্টি ফার্স্ট নাইট ঘিরে আতশবাজি ফোটালে এক মাসের জেল ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা দিতে হবে। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) রাজধানীর মিন্টো রোডে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে থার্টি ফার্স্ট নাইট ও ইংরেজি নববর্ষ উপলক্ষে নিরাপত্তা ব্যবস্থা সংক্রান্ত ব্রিফিংয়ে এ হুঁশিয়ারি দেন তিনি। থার্টি ফার্স্ট নাইট ঘিরে পর্যাপ্ত সংখ্যক ম্যাজিস্ট্রেট নামানো হচ্ছে জানিয়ে তপন কুমার বিশ্বাস বলেন, দিনে এবং রাতে অভিযান চালানো হবে। আতশবাজি ও পটকা ফোটাতে দেয়া হবে না। আতশবাজি ফোটালে এক মাসের জেল ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হবে। শব্দ দূষণে হৃদরোগসহ অনেক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হয় জানিয়ে তিনি আরও বলেন, আজকে কোনোভাবেই শব্দ হয় এমন কর্মসূচি করতে দেওয়া হবে না।‌ এতে স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হয়। মানুষও মারা যায়। আতশবাজি ও পটকা বৈধভাবে আমদানি হয় না, অবৈধভাবে আনা হয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।  একই অনুষ্ঠানে ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী বলেন, গত ১ সপ্তাহে ১৭২ কেজি আতশবাজি ও পটকা জব্দ করা হয়েছে। এসময় গ্রেপ্তার করা হয়েছে পাঁচ জনকে।‌ পুলিশ ও পরিবেশ মন্ত্রণালয় যৌথভাবে কাজ করবে। আগামী বছর নির্দিষ্ট স্থানে আতশবাজির অনুমতি দেয়ার পরিকল্পনা আছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, সারা বিশ্বে আতশবাজি একটি নির্দিষ্ট স্থানে উদযাপন করা হয়। অথচ বাংলাদেশ যত্রতত্র হয়। সেই কারণেই এবার বন্ধ করা হয়েছে। ঢাকাবাসীকে তিনি অনুরোধ করে বলেন, আতশবাজি ও পটকা ফোটানো থেকে বিরত থাকুন। যত্রতত্র হর্ন বাজানো থেকে বিরত থাকুন। সবাইকে আশ্বস্ত করে বলেন, থার্টি ফার্স্ট নাইট ও ইংরেজি নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে কোনো হুমকি নেই।
আতশবাজি করলেই এক মাসের জেল: অতিরিক্ত সচিব
বছরের প্রথম দিন যেসব এলাকায় ১১ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না
রাজধানীর কয়েকটি এলাকায় আগামীকাল বুধবার সকাল ৯টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ১১ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।  মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গ্যাস পাইপলাইনের জরুরি কাজের জন্য বুধবার (১ জানুয়ারি) গ্যাস পাইপলাইন রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য সকাল ৯টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মোট ১১ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে। এলাকাগুলো হলো—পশ্চিম রাজাবাজার, ইন্দিরারোড, শুক্রবাদ। একই সময় আশপাশের এলাকায় গ্যাসের চাপ কম থাকবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধার জন্য তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ আগাম দুঃখ প্রকাশ করেছে। আরটিভি/এস
বছরের প্রথম দিন যেসব এলাকায় ১১ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না
‘প্রোক্লেমেশন অব জুলাই রেভল্যুশন’ ঘিরে ডিএমপির ট্রাফিক নির্দেশনা
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটি ‘প্রোক্লেমেশন অব জুলাই রেভল্যুশন’ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে। আগামীকাল মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) ওই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ট্রাফিক নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।  সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান। এতে বলা হয়েছে, গাবতলী হয়ে ঢাকা মহানগরে প্রবেশ করা যানবাহনগুলো মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ও আগারগাঁও এলাকার পুরাতন বাণিজ্য মেলা মাঠে পার্কিং করবে। সায়েদাবাদ ও যাত্রাবাড়ী প্রবেশপথ দিয়ে আসা যানবাহনগুলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খেলার মাঠ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস এলাকায় পার্কিং করবে। আবদুল্লাহপুর হয়ে প্রবেশ করা যানবাহনগুলো ৩০০ ফিট এলাকায় পার্কিং করবে। ঢাকা মহানগর এলাকা যানজটমুক্ত রাখতে ও সুষ্ঠু ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার স্বার্থে অনুষ্ঠানে আসা সবার সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেছে ডিএমপি। আরটিভি/এসএপি
‘প্রোক্লেমেশন অব জুলাই রেভল্যুশন’ ঘিরে ডিএমপির ট্রাফিক নির্দেশনা
আরও পড়ুন
মেট্রোরেল ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় ফানুস না উড়ানোর অনুরোধ
কুমিল্লা থেকে অপহৃত ছেলেশিশু জামালপুরে উদ্ধার
যাত্রীদের র‍্যাপিড পাস কেনার অনুরোধ মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষের
মেট্রোতে একক যাত্রায় বিকল্প হিসেবে কিউআর কোডের ব্যবস্থা