ঢাকা শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩

দরজায় তালা, খাটের নিচে রক্তাক্ত মরদেহ, উধাও স্বামী

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:২৩ পিএম
আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:২৪ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর কদমতলীতে একটি বাসা থেকে ইয়ানুর বেগম (২৫) নামে এক নারীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়ার পরদিন বাইরে থেকে তালাবদ্ধ ঘর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী জুয়েল পলাতক রয়েছেন।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কদমতলীর ৬৭০ নম্বর গলির জিএম কাদেরের পাঁচতলা ভবনের দ্বিতীয় তলার ডান পাশের একটি সাবলেট বাসা থেকে ইয়ানুরের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে বিকেলে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

কদমতলী থানার এসআই কামরুন নাহার জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ধারালো অস্ত্র দিয়ে ইয়ানুরের গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে তার স্বামী জুয়েলকে পাওয়া যাচ্ছে না।

পুলিশ ও নিহতের পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রায় তিন মাস আগে ইয়ানুর ও জুয়েল ওই বাসাটি ভাড়া নেন। বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়াঝাঁটি হতো। বৃহস্পতিবার রাতেও তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়। পরে বিষয়টি মাকে ফোন করে জানান ইয়ানুর।

শুক্রবার সকালে ইয়ানুরের ছোট ভাই মো. ইমাম হোসেন মোবাইল ফোনে বোনকে না পেয়ে ওই বাসায় যান। সেখানে গিয়ে বাইরে থেকে দরজায় তালা দেখতে পান তিনি। সন্দেহ হওয়ায় তালা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করেন। ভেতরে মেঝেতে রক্তের দাগ দেখতে পান তিনি। পরে খোঁজাখুঁজি করে খাটের নিচে ইয়ানুরের রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পান।

পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের পর থেকে জুয়েল পলাতক। তিনি পেশায় একটি গাড়ির সুপারভাইজার। তাকে খুঁজে বের করার পাশাপাশি হত্যাকাণ্ডের কারণ এবং এর সঙ্গে আর কেউ জড়িত কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

নিহত ইয়ানুর পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার গোয়াবাড়িয়া গ্রামের হানিফ হাওলাদারের মেয়ে। এর আগে তার আরেকটি বিয়ে হয়েছিল। সেই সংসারে বিচ্ছেদের পর তার পাঁচ বছর বয়সী একটি ছেলে রয়েছে। শিশুটি বর্তমানে নানা-নানির কাছে থাকে।

পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, জুয়েলের সঙ্গে ইয়ানুরের বিয়েটিও হয় পালিয়ে। নতুন সংসার শুরুর মাত্র তিন মাসের মধ্যেই হত্যাকাণ্ডের শিকার হলেন ইয়ানুর।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
মালিবাগের পর ঢাকার আরও দুই জায়গায় ককটেল বিস্ফোরণ
রাজধানীর মালিবাগে শপিং মলের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের পর এবার আরও দুই জায়গায় ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে দুর্বৃত্তরা। 
মালিবাগের পর ঢাকার আরও দুই জায়গায় ককটেল বিস্ফোরণ
গণতান্ত্রিক সমাজে মত ও সমালোচনা গ্রহণের মানসিকতা গুরুত্বপূর্ণ: আইনমন্ত্রী
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, গণতান্ত্রিক সমাজে মত ও সমালোচনা গ্রহণের মানসিকতা গুরুত্বপূর্ণ।
গণতান্ত্রিক সমাজে মত ও সমালোচনা গ্রহণের মানসিকতা গুরুত্বপূর্ণ: আইনমন্ত্রী
গোপন বৈঠক থেকে জঙ্গি সন্দেহে আটক ২৩
রাজধানীর ফার্মগেটে তেজগাঁও মসজিদে গোপন বৈঠক চলাকালে ২৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 
গোপন বৈঠক থেকে জঙ্গি সন্দেহে আটক ২৩
ঢাকায় ককটেল বিস্ফোরণ
রাজধানীর মালিবাগে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে দুর্বৃত্তরা। তবে তাৎক্ষণিকভাবে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় কেউ হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।
ঢাকায় ককটেল বিস্ফোরণ
কাটছে না সয়াবিন তেলের সংকট
রাজধানীর খুচরা বাজারে এখনো কাটেনি বোতলজাত সয়াবিন তেলের সংকট। দাম বাড়লেও অনেক মুদি দোকানেই মিলছে না তেল। দু-এক দোকানে পাওয়া গেলেও সেগুলো শুধু ২ বা ৫ লিটারের বোতল। আধা লিটার ও এক লিটারের তেলের বোতল নেই বললেই চলে। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে ও বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।  খুচরা বিক্রেতা ও তেলের পাইকারি সরবরাহকারীরা বলছেন, গত ২ সেপ্টেম্বর ভোজ্যতেলের দাম বাড়িয়েছে কোম্পানিগুলো। তারপরও তারা সরবরাহ স্বাভাবিক করেনি। মূলত ভোজ্যতেল পরিশোধনকারী কোম্পানিগুলো বোতলজাত সয়াবিন তেল বাজারে কম ছাড়ছে। বিক্রেতারা বলছেন, বাজারে বোতলজাত সয়াবিনের তীব্র সংকট হওয়ায় ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ ক্রেতারা। ক্রেতা ধরতে অনেক বিক্রেতা এখন খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি শুরু করেছেন। তেল কেনার জন্য ক্রেতারা ৪-৫টি দোকান ঘুরে একটিতে পাচ্ছেন, তাও কাঙ্খিত পরিমাণের বোতল মিলছে না। খুচরা বিক্রেতারা জানান, বাজারে সয়াবিনের আধা লিটার ও এক লিটার বোতলের সরবরাহ একেবারেই নেই বললে চলে। পরিবেশকদের কাছে বারবার তাগাদা দিয়েও তেল পাচ্ছেন না তারা। এখন শুধু দু-তিনটি কোম্পানি বোতলজাত সয়াবিন তেল বাজারে ছাড়ছে; যা চাহিদার তুলনায় সামান্য। তাও শুধু ২ ও ৫ লিটারের বোতলে। বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটারে ৫ টাকা বাড়িয়ে এখন প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম হয়েছে ২০৪ টাকা। অর্থাৎ, ২ লিটার তেল কিনতে এখন ক্রেতাকে একসঙ্গে গুনতে হচ্ছে ৪০৮ টাকা এবং পাঁচ লিটার তেলের জন্য ১০২০ টাকা। অন্যদিকে, খুচরা বিক্রেতারা জানিয়েছেন, তেল কোম্পানিগুলো তাদের বিক্রির কমিশন একবারে কমিয়ে দিয়েছে। এখন প্রতি লিটারে মাত্র এক টাকা কমিশন দিচ্ছে। রামপুরা এলাকায় ভাই ভাই স্টোরের দোকানি আফজাল হোসেন বলেন, ৫ লিটার তেল কিনলে এমনিই মানুষ ৫-১০ টাকা কম দিতে চায়। এখন আমাদের মুনাফাই ৫ টাকা। অর্থাৎ, হাজার টাকা ইনভেস্ট করে লাভ হচ্ছে ৫ টাকা। তাও কোম্পানি তেল দিচ্ছে না। সবাইকে জিম্মি করে রেখেছে। এদিকে, বোতলজাত তেলের এ সংকটে খোলা তেলের দাম হুহু করে বাড়ছে। প্রতি লিটার সয়াবিন এখন ২০৫-২০৮ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা যাচ্ছে। এছাড়া, পাম তেল বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ১৮৫ টাকা দরে। আরটিভি/এসআর
কাটছে না সয়াবিন তেলের সংকট
আরও পড়ুন
ঢাকায় নারী আনসারের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার, যা জানা যাচ্ছে