
রাজধানীর মিরপুর-১-এর রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি স্বাস্থ্যকেন্দ্রের মূল ফটক খুলে দেওয়া হয়েছে। এরপর ভাঙচুর করা ভবন পরিষ্কার করে সেখান থেকেই টিকাদানসহ সক্ষমতা অনুযায়ী অন্যান্য স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া শুরু করেন প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাড্ডা এমসিএইচ-এফপির নির্বাহী পরিচালক ডা. নাসরিন আখতার।
তিনি বলেন, সকালে এসে প্রথমে গেট খুলে দেওয়া হয়। এরপর ভাঙা ভবনগুলো পরিষ্কার করা হয়েছে। বর্তমানে টিকাদান কার্যক্রমসহ সক্ষমতা অনুযায়ী অন্যান্য স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হচ্ছে। ধীরে ধীরে ভবনগুলো মেরামত করে আবারও পুরোদমে সব কার্যক্রম চালু করা হবে।
স্বাস্থ্যকেন্দ্রটির কার্যক্রম স্বাভাবিক করতে সরকার সর্বাত্মক সহযোগিতা করছে বলেও জানান তিনি।
পুলিশ জানিয়েছে, রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ভাঙচুর করা ভবনের ভেতর থেকেই চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে। নিরাপত্তার জন্য সেখানে সার্বক্ষণিক পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছে। দ্রুত প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম পুরোপুরি স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছে পুলিশ। এ ঘটনায় সরকারও কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাত ১২টা থেকে ভোর ৪টা পর্যন্ত মিরপুর-১-এর রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এ সময় স্বাস্থ্যকেন্দ্রটির একটি পাকা ও তিনটি আধাপাকা ভবন ভেঙে দেওয়া হয়। লুট করা হয় ওষুধ, টিকা, চিকিৎসা সরঞ্জামসহ মালামাল।
এ ঘটনায় বিএনপি নেতা হানিফ মিয়াসহ ২০০ থেকে ২৫০ জনকে আসামি করে শাহ আলী থানায় মামলা করেন প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক ডা. নাসরিন আখতার। মামলায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদেরও আসামি করা হয়েছে। হামলা ও ভাঙচুরে প্রায় দেড় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছিলেন তিনি।
রাড্ডা এমসিএইচ-এফপির ১৫টি কক্ষে তিনজন চিকিৎসকসহ প্রায় ৩০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী কাজ করেন।
আরটিভি/ এসকেডি


