ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩

বাংলামোটরে গোলাগুলি, গুরুতর আহত ১

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৪ পিএম
ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর বাংলামোটরে কথা কাটাকাটির জেরে সোহাগ (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে মাথায় আঘাত করে রক্তাক্ত করার অভিযোগ উঠেছে হাতিরঝিল থানার যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক ও বহিষ্কৃত নেতা ফেরদৌস আহাম্মেদ সাইমনের বিরুদ্ধে।

পরে সেখানে কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ার ঘটনাও ঘটে। আহত সোহাগ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে বর্তমানে বাসায় রয়েছেন।

‎‎বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাত ৮টা ১০ মিনিটে হাতিরঝিল থানাধীন বাংলামোটর মোড়ের উত্তর পাশের একটি গলিতে এ ঘটনা ঘটে।

‎হাতিরঝিল থানার ওসি মো. আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন, কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে মারধরের ঘটনা ঘটে। পরে এলাকাবাসী কয়েকজনকে ধাওয়া দিয়ে একটি ভবনের মধ্যে আটকে রেখে পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে এলাকাবাসী উত্তেজিত হয়ে পড়ে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ ও ডিবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে আসেন। পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে হলে এসআরবি ও সোয়াত সদস্যরা এসে কয়েকজনকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যান। পরে বিস্তারিত জানানো হবে।

‎‎ওসি বলেন, অভিযুক্তদের নিয়ে যেতে পুলিশকে হিমশিম খেতে হয়। ব্যারিকেডের সামনে থেকে এলাকাবাসীর একটি অংশ পুলিশের ওপর আক্রমণ এবং আটক ব্যক্তিদের মারধরের চেষ্টা করে।

‎‎স্থানীয় বাসিন্দাদের তথ্য অনুযায়ী, সোহাগের সঙ্গে ফেরদৌস আহাম্মেদ সাইমনের কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে তাকে মাথায় আঘাত করা হয়। এতে তার মাথা ফেটে রক্তাক্ত হয়। পরে সাইমন কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি করে ঘটনাস্থল থেকে চলে যাওয়ার সময় এলাকাবাসী তাদের ধাওয়া করে আটক করে। পরে তারা একটি ভবনের মধ্যে আশ্রয় নেন।

‎ভুক্তভোগী সোহাগ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সাইমন, তার ভাইসহ একটি গ্রুপ এলাকায় চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা ও আধিপত্য বিস্তার করে আসছে বলে অভিযোগ রয়েছে। গাড়ির পার্কিংসহ বিভিন্ন জায়গা থেকেও চাঁদাবাজি করা হয়।

বৃহস্পতিবার তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গলির মধ্যে তার সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। পরে সাইমনের সঙ্গে থাকা ৫ থেকে ৭ জন তাকে মারধর করেন। এতে তার মাথা ফেটে যায়।

‎‎তিনি বলেন, সাইমনসহ কয়েকজন মোটরসাইকেলে করে পালিয়ে যাওয়ার সময় এলাকাবাসী তাদের ধাওয়া করে আটকে ফেলে।

‎এলাকার বাসিন্দা মুক্তার বলেন, সাইমন, তার ভাই ওমর ও মিজানসহ তাদের পরিবারের কয়েকজনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, মারামারি, আধিপত্য বিস্তার ও মাদক কারবারে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। তাদের কর্মকাণ্ডে অতিষ্ঠ হয়ে এলাকাবাসী প্রতিবাদ করে তাদের পুলিশের হাতে তুলে দেয়।

‎স্থানীয়রা জানান, সাইমনের সঙ্গে থাকা ৫ থেকে ৭ জন একটি ভবনের ভেতরে ছিলেন। তাদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। এ সময় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী সাইমনের ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরে পুলিশ, ডিবি, এসআরবি ও সোয়াত সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।

‎স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যে জানা গেছে, সাইমন ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক যুবদল যুগ্ম আহ্বায়ক ও বহিষ্কৃত নেতা। তিনি বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা সাইফুল আলম নীরবের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তার মেজো ভাই ওমর, ভাই মিজান এবং বাবার নাম জামাল। সাইমন ওই পাম্পের গলিতে থাকেন এবং সেখানে তার নানির বাড়ি রয়েছে।

‎‎জানা গেছে, আহত সোহাগ মৃত শামসুদ্দিনের ছেলে। তিনি ৬২/এ নিউ ইস্কাটন, হাতিরঝিল, ঢাকা ঠিকানার বাসিন্দা।

আরটিভি/ এসকেডি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
‘কাজের খোঁজে গিয়ে’ মোবাইল নিয়ে উধাও, সিসিটিভি ফুটেজে যা দেখা গেল
রাজধানীর শান্তিনগরে গৃহকর্মী দেওয়ার কথা বলে একটি বাসা থেকে মোবাইল ফোন চুরির অভিযোগ উঠেছে। 
‘কাজের খোঁজে গিয়ে’ মোবাইল নিয়ে উধাও, সিসিটিভি ফুটেজে যা দেখা গেল
প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণ, ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার
রাজধানীর মিরপুরে দখলমুক্ত ফুটপাত পরিদর্শনের সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অনুসরণের অভিযোগে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের এক সাবেক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণ, ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার
প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো দুর্গাপূজা
‎প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। ছয় দিনের পূজা-অর্চনা, আনন্দ-উৎসব, সাংস্কৃতিক আয়োজনের পর দেবী দুর্গাকে বিদায় জানান তারা। বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর ওয়াইজঘাটে বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে হাজারো ভক্তের উপস্থিতিতে দেবী দুর্গার প্রতিমাগুলো বিসর্জন দেওয়া হয়।   দুপুর থেকেই ঢাক-ঢোল, কাঁসর-ঘণ্টার বাদ্যের তালে তালে রাজধানীর বিভিন্ন মন্দির ও মহল্লা থেকে শোভাযাত্রা করে প্রতিমাগুলো বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে আনা হয়। পরে নৌকাযোগে সেগুলো নদীর মাঝখানে নিয়ে বিসর্জন দেওয়া হয়।এ সময় চারদিকে ছিল বিষাদের সুর। ভক্তদের কারো চোখে দেখা যায় অশ্রু, কারো ঠোঁটে শোনা যায় দেবীর বন্দনা। কেউ শেষ মুহূর্তে মায়ের কাছে মঙ্গল কামনা করেন। কেউবা নদীর পানি নিজের ও পরিবারের সদস্যদের শরীরে ছিটিয়ে নেন। মহাখালী থেকে বাবার সঙ্গে ওয়াইজঘাটে প্রতিমা বিসর্জন দেখতে আসা নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী প্রিয়স্মিতা বলে, দশমীর লগ্ন শুরু হয়ে যাওয়া মানেই মন খারাপের শুরু। খুব কষ্ট লাগছে, মা চলে যাচ্ছেন। এই কয়েক দিন মা ছিলেন, তাই আনন্দে কেটেছে। মায়ের কাছে চাওয়া, মা যেন এ দেশ থেকে সব ধরনের অপশক্তি দূর করে দেশকে শান্তিময় করেন। সবাইকে ভালো রাখেন। পুরান ঢাকার হাজারীবাগ গণকটুলী থেকে আসা রীমা রানী জানান, এই কয়েকটা দিন ছিল খুবই আনন্দের। মা দুর্গা তাদের মাঝে ছিলেন, তাই চারপাশ আনন্দে ভরে উঠেছিল। কিন্তু আজ মা চলে যাচ্ছেন, সেই কষ্টে বুকটা ভরে উঠছে। আবারও এক বছর মায়ের আসার জন্য অপেক্ষা করতে হবে। এবারের পূজায় তিনি বিশেষ প্রার্থনা করেছেন, যেন দেশ শান্তিময় হয় এবং সবার জীবনে সুখ ও সমৃদ্ধি নেমে আসে। ধানমন্ডি থানা পূজা উদযাপন কমিটির যুগ্ম সম্পাদক শ্রী রাজিব কুন্ডু বলেন, আমরা ভারাক্রান্ত হৃদয়ে মাকে বিদায় জানাতে এসেছি। মা আমাদের মঙ্গলের জন্য, অসুর বধ করার জন্য ধরাধামে এসেছিলেন। আমরা মায়ের কাছে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ চাই, যাতে অশুভ শক্তি মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে। অন্যায়-অপরাধ দূর হোক। আগামীতে দেশ যেন সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হয় এবং সব মানুষের মঙ্গল হয়, এটাই মায়ের কাছে প্রার্থনা। দশমীর সকালে মণ্ডপ ও মন্দিরে পূজার অন্যতম প্রধান আচারে অংশ নেন নারীরা। দুর্গার পায়ে সিঁদুর নিবেদন করে তারা দেবীর শক্তির প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এরপর একে অপরের গায়ে সিঁদুর মেখে জীবনের সমৃদ্ধি কামনা করেন। প্রতিমা বিসর্জন ঘিরে রাজধানীতে নেওয়া হয় কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা। বিসর্জন কার্যক্রম শেষ না হওয়া পর্যন্ত কয়েক স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা থাকবে। প্রতিমা বিসর্জনের শোভাযাত্রায় পুলিশের বিশেষ দল সোয়াট ও গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সদস্যদের পাশাপাশি ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কয়েক শ সদস্য নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছেন। এ ছাড়া আনসার গার্ড ব্যাটালিয়ন, ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলসহ অন্যান্য দলের সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করছেন। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম কমিশনার (ক্রাইম) ফারুক হোসেন বলেন, প্রতিমা বিসর্জনকে কেন্দ্র করে ওয়াইজঘাটসহ সংশ্লিষ্ট এলাকায় পর্যাপ্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পোশাকধারী ও সাদাপোশাকের পুলিশের পাশাপাশি বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। পুলিশের পাশাপাশি নৌ পুলিশ, কোস্টগার্ড ও অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও কাজ করছে। তিনি বলেন, গতবার বিসর্জনের জন্য একটি স্থান থাকলেও এবার তিনটি স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া সড়ক একমুখী করা হয়েছে, যাতে প্রতিমা নিয়ে আসা ট্রাকগুলো নির্ধারিত পথে প্রবেশ করতে পারে এবং বিসর্জন শেষে সহজে বের হয়ে যেতে পারে। প্রতিমা বিসর্জন নির্বিঘ্ন করতে পর্যাপ্ত ট্রাফিক ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে। আরটিভি/টিআর
প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো দুর্গাপূজা
ঢাকার ৩৩ পয়েন্টে প্রতিমা বিসর্জন, নিরাপত্তায় ১৬ হাজারের বেশি পুলিশ
বিসর্জন কার্যক্রম নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন স্থানে ১৬ হাজারের বেশি পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে
ঢাকার ৩৩ পয়েন্টে প্রতিমা বিসর্জন, নিরাপত্তায় ১৬ হাজারের বেশি পুলিশ
ঢাকেশ্বরী মন্দির থেকে বিজয়া শোভাযাত্রা শুরু
‎প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হচ্ছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। ছয় দিনের পূজা-অর্চনা, আনন্দ-উৎসব, সাংস্কৃতিক আয়োজন ও দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখর পূজামণ্ডপগুলোতে এখন দেবী দুর্গাকে বিদায় জানানোর প্রস্তুতি। বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকাল ৪ টার দিকে ‎রাজধানীর ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির থেকে বিজয়া শোভাযাত্রা শুরু হয়। মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির নেতৃত্বে শোভাযাত্রাটি ওয়াইজঘাটে গিয়ে শেষ হবে। পরে ঢাকার ১১টি ঘাটে প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হবে। এদিকে রাজধানীর ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে বুধবার সকালে দশমী বিহিত পূজা, দর্পণ বিসর্জন, দেবীর বরণ এবং সিঁদুর খেলার মধ্য দিয়ে শারদীয় দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছে। এরপর মন্দিরে দেবীকে বরণ ও সিঁদুর খেলার আয়োজন করা হয়। সকালে মন্দিরে ভক্তরা ধূপ, ফুল, বেলপাতা ও প্রদীপ দিয়ে দেবীর পূজা করেন। এ সময় অনেকে পরিবার-পরিজনের মঙ্গল, সবার সুস্থতা এবং দেশের শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে প্রার্থনা করেন। পূজার আনুষ্ঠানিকতা শেষে নারীরা দেবীকে সিঁদুর দিয়ে বরণ করেন। পরে তারা একে অপরের কপালে ও মুখে সিঁদুর মাখিয়ে সিঁদুর খেলায় অংশ নেন। মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির সিনিয়র সহসভাপতি তাপস কুমার পাল বলেন, দশমী পূজা ও অঞ্জলি শেষে দর্পণ বিসর্জনের মাধ্যমে শাস্ত্রীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছে। পরে ঢাকেশ্বরী মন্দিরের পুকুরে ঘট বিসর্জন দেওয়া হয়। মন্দিরে আসা ভক্ত প্রিতিলতা সেন বলেন, দেবী চলে যাওয়ায় তার মন খারাপ। আগামী বছর আবারও দেবীর আগমন হবে বলে তিনি আশা করেন। একই সঙ্গে সবার সুস্থতা, পরিবারের মঙ্গল ও দেশের ভালো থাকার জন্য প্রার্থনা করেন তিনি। মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির সাধারণ সম্পাদক শুভাশীষ কুমার বিশ্বাস জানান, এ বছর ঢাকায় ২৫৮টি মণ্ডপে দুর্গাপূজার আয়োজন করা হয়েছে। প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবারের শারদীয় দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিকতা। আরটিভি/টিআর
ঢাকেশ্বরী মন্দির থেকে বিজয়া শোভাযাত্রা শুরু
আরও পড়ুন
এনসিপি কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ
পাকিস্তানে পুলিশ সদর দপ্তরে তুমুল গোলাগুলি, ১৬ পুলিশসহ নিহত ৩১
বেলটাউনে একদিনে তিন জায়গায় গোলাগুলি, কিশোরসহ নিহত ৩
মিরপুর বিহারি ক্যাম্পে দু'পক্ষের ভয়াবহ সংঘর্ষ-গোলাগুলি