ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

পদ্মায় পানি বৃদ্ধি অব্যাহত, সন্ধ্যা হলেই ভাঙন শুরু

শরীয়তপুর প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৪ আগস্ট ২০২১, ১১:৩৭ পিএম
শরীয়থপুরে পদ্মা নদীর ভাঙন

শরীয়তপুরে পদ্মা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৩৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। শুরু হয়েছে নদী ভাঙন। গত চার-পাঁচ দিনের নদী ভাঙনে জাজিরা উপজেলার কুন্ডেরচর ইউনিয়নের ১ও ৩ নং ওয়ার্ড ও বাবুরচর এলাকায় ব্যাপক নদী ভাঙন হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কুন্ডেরচর ইউনিয়নের বাবুরচর এলাকার বেপারী কান্দি, খা কান্দি এবং ১ ও ২নং ওয়ার্ডের লুডু মাদবর কান্দি, আপতু বেপারী কান্দি ও মৃধা কান্দি গ্রামের পদ্মা তীরবর্তী এলাকায় ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে। গত চার দিনের ভাঙনে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে প্রায় দুইশ বাড়ি। এত দ্রুত ভাঙছে যে বাড়ি-ঘর সরিয়ে অন্যত্র নেয়ার সময়ও মিলছে না। সন্ধ্যার পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত পানি বেশি বৃদ্ধি পাওয়ায় এই সময় ভাঙন বেশি হয়।

মঙ্গলবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে কুন্ডেরচর ইউনিয়নের লুডু মাদবর কান্দি, আপতু বেপারী কান্দি ও বাবুরচর এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো তাদের বাড়িঘর ভেঙে ট্রলারে বা মাথায় করে অন্যত্র নিয়ে যাচ্ছেন। বাপ-দাদার ভিটে-মাটি ছেড়ে অন্যত্র চলে যাচ্ছেন তারা। তাদের চোখে মুখে শুধু বিষাদের ছাপ। মুখের দিকে তাকানো যায়না।

লুডু মাদবর কান্দি গ্রামের আব্দুল মান্নান রাঢ়ী আরটিভি নিউজকে জানান, কয়েকদিন ধরে আমাদের এখানে নদী ভাঙন শুরু হয়েছে। আমাদের আশপাশের সব বাড়ি-ঘর ভেঙে নিয়ে গেছে। আজ আমাদেরটাও নিয়ে গেল। এত দ্রুত ভাঙে যে, ঘর সরাইয়া অন্য জায়গায় নেওয়ার সুযোগ পাই না। এমনে ভাঙতে থাকলে আমাদের এলাকায় কোনো বাড়ি-ঘরই থাকব না। আমরা এখন বাজারের পাশে একটা খালি জায়গায় নিয়ে ঘরগুলো রাখছি।

নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত শহরবানু আরটিভি নিউজকে বলেন, সারাটা জীবন গেল ভাঙতে ভাঙতেই। এই জীবনে কতবার যে বাড়ি-ঘর ভাঙছে তার কোনো হিসাব নাই। মেম্বার-চেয়ারম্যানরা আসতো কিছু চাল-ডাল দিয়া যাইতো, ওই পর্যন্তই শেষ। আর কেউ কোনো খোঁজখবর নিতো না। প্রতিবারই বর্ষা আইলে ভাঙে। কোনো ত্রাণ বা সাহায্য-সহযোগিতা চাই না। এখন চাই শুধু নদী ভাঙন থেকে বাঁচতে। সরকারের কাছে আমাদের দাবি, আমাদের এইখানে যেন বেড়িবাঁধ কইরা দেয়। তাইলে আমরা পয়-পোলাপান নিয়ে থাকতে পারুম।

শরীয়তপুর ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি (এসডিএস)-এর জোনাল ম্যানেজার মো. মনির হোসেন জানান, গত শুক্রবার থেকে কুন্ডেরচর এলাকায় নদী ভাঙন দেখা দেয়। শুরু থেকেই এসডিএস নদী ভাঙা মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। তাদের ঘর-বাড়ি অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার কোনো বাহন পাচ্ছিল না। আমরা তাৎক্ষণিক তাদের দুটি ট্রলারের ব্যবস্থা করে দিয়েছি। এছাড়া আমাদের কর্মকর্তা কর্মচারীরা তাদের সার্বক্ষণিক খোঁজখবর রাখছেন। আমরা সর্বোচ্চ সহযোগিতা করার চেষ্টা করছি। ইতোমধ্যে আমাদের তালিকা অনুযায়ী এখানে ১৬৬টি পরিবার নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী এসএম আহসান হাবীব আরটিভি নিউজকে বলেন, উজানের পানি নেমে এসে পদ্মা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় কুন্ডেরচর এলাকায় নদী ভাঙন দেখা দিয়েছে। ওই এলাকায় বালুমাটি হওয়ায় দ্রুত ভেঙে যায়। ভাঙন রোধে আমরা জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলার কার্যক্রম শুরু করছি। পরবর্তীতে বিভাগের আওতায় এনে ভাঙন রোধের চেষ্টা করব।

জাজিরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফুজ্জামান ভূঁইয়া আরটিভি নিউজকে বলেন, আমরা শুনেছি কুন্ডেরচর ইউনিয়নের পদ্মার ওই পারে কিছু এলাকায় ভাঙন শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে আমি মেম্বার-চেয়ারম্যানদের বলেছি তালিকা করে পাঠানোর জন্য। তারা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের তালিকা পাঠালে আমরা তাদের ত্রাণ সহায়তাসহ অন্যান্য সহায়তা দেয়ার চেষ্টা করব। এছাড়া আমি নিজেও ভাঙন কবলিত এলাকায় যাব এবং পরিদর্শন করে এসে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করব।

এসআর/

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের স্মরণে দোয়া
ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে-বরগুনাগামী লঞ্চ অভিযানে অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের স্মরণে সভা ও আত্মার শান্তি কামনায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে পৌর মিনি পার্কে দোয়া মোনাজাতে (ভার্চুয়ালি) প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন ১৪ দলের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র, আমির হোসেন আমু এমপি।  এলাকাবাসীর আয়োজনে দোয়া মোনাজাত ও আলোচনা সভায় যুবলীগ নেতা মোঃ ছবির হোসেনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক মোঃ জোহর আলী,পৌর মেয়র লিয়াকত আলী তালুকদার, কাউন্সিলর হাবিবুর রহমান হাবিল,হাফিজ আল মাহমুদ। পরে নিহতদের আত্মার শান্তি কামনায় বিশেষ দোয়া মোনাজাত করা হয়।  দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন ঈদগাহ জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মোঃ গাজী শহীদুল ইসলাম। এলাকাবাসী লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যু ও আহতদের জন্য অর্থ সহায়তা প্রদান করে জলো প্রশাসকের কাছে। দোয়া মোনাজাতে নিহতদের স্বজনরাসহ শত শত মানুষ অংশগ্রহণ করে।  গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে ঝালকাঠির সুগন্ধা নদী অতিক্রমকালে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বরগুনাগামী এমভি অভিযান-১০ লঞ্চটিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে ৪৬ জনের প্রাণহানী ঘটেছে। প্রাণ বাঁচাতে নদীতে লাফিয়ে পড়ে নিখোঁজ রয়েছেন অনেকে। এমএন  
লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের স্মরণে দোয়া
সিরাজগঞ্জে বিএনপি-আ.লীগ সংঘর্ষ, ৪ মামলায় ৭ শতাধিক আসামি
সিরাজগঞ্জে আওয়ামী লীগ-বিএনপির মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় চারটি মামলা দায়ের হয়েছে। এসব মামলায় জেলা বিএনপির বেশকজন শীর্ষ নেতাসহ সাড়ে ৭শ জনকে আসামি করা হয়েছে। শুক্রবার (৩১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সিরাজগঞ্জ সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সাজ্জাদুর রহমান। তিনি বলেন, চার মামলার মধ্যে পুলিশ বাদী হয়ে তিনটি ও উজ্জল হোসেন নামে এক ব্যক্তি বাদী হয়ে অপর মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় আসামিদের মধ্যে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু, সহ-সভাপতি আজিজুর রহমান দুলাল, সহ-সভাপতি নাজমুল হাসান তালুকদার রানাসহ একাধিক শীর্ষ নেতা রয়েছেন। পরিদর্শক (তদন্ত) সাজ্জাদুর রহমান বলেন, উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোস্তাফিজুর রহমান বাদী হয়ে ২৯ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ১০০/১৫০ জনকে আসামি করে একটি, উপ-পরিদর্শক (এসআই) আলীম হোসাইন বাদী হয়ে ২৭ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ২০০/২৫০ জনকে আসামি করে একটি এবং উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাহমুদ হাসান বাদী হয়ে ২৫ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ২/৩শ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। অপরদিকে রেলওয়ে কলোনি মহল্লার আওয়ামী লীগ কর্মী উজ্জল হোসেন বাদী হয়ে ৪০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ৫০/৬০ জনকে আসামি করে আরও একটি মামলা দায়ের করেন। প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুরে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে সমাবেশে মিছিল নিয়ে আসার সময় বিএনপির সাথে যুবলীগ-ছাত্রলীগ কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, ককটেল বিস্ফোরণ, ইটপাটকেল নিক্ষেপের এক পর্যায়ে শহরের কলেজ রোড, ইলিয়ট ব্রীজ এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ৭০ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এমএন
সিরাজগঞ্জে বিএনপি-আ.লীগ সংঘর্ষ, ৪ মামলায় ৭ শতাধিক আসামি
কিডনি-লিভার বিক্রি চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার
কিডনি ও লিভার পাচার চক্রের মূল হোতাসহ তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র্যােব। বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) চট্টগ্রামের খুলশী থানার ইন্ডিয়ান ভিসা সেন্টারের পাশ থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। শুক্রবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেলে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা র্যা ব-৭ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন এসব তথ্য জানিয়েছেন র্যা বের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এ ইউসুফ। চক্রটি এখন পর্যন্ত ৩০-৪০ জন লোককে প্রলুব্ধ করে অবৈধভাবে কিডনি ও লিভার বিক্রির জন্য ভারতে পাচার করেছে বলে দাবি র্যা বের। গ্রেপ্তার তিনজন হলেন- মোহাম্মদ আলী ডালিম (৩৫), মো. আতিকুর রহমান রনি (৩৬) ও মো. আলম হোসেন (৩৮)। র্যা ব-৭ অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এ ইউসুফ বলেন, তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, বাংলাদেশে এ সিন্ডিকেটের মূল হোতা ডালিম। রনি আন্তর্জাতিক কিডনি ও লিভার পাচারকারী দলের সদস্য। ভারতে অবস্থান করেন শাহীন নামে আরেক বাংলাদেশি। তিনি রনি, আলমদের মাধ্যমে কিডনি ও লিভার বিক্রি করবে এমন লোকজন সংগ্রহ করে তাদের ওই দেশে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করেন। এ ক্ষেত্রে কিডনি ও লিভার দাতাদের ৪ থেকে সাড়ে ৪ লাখ টাকা দেয় চক্রটি। কিন্তু এসব কিডনি ও লিভার চক্রটি ভারতে ক্রেতাদের কাছে ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকায় বিক্রি করত।  তিনি আরও বলেন, আসামি ডালিমের নেতৃত্বে চক্রের সদস্যরা প্রথমে কিডনি ডোনেট সেন্টারসহ বিভিন্ন নামে ফেসবুক পেজ খোলে। পেজে বিভিন্ন পোস্টের মাধ্যমে ডোনারদের নানাভাবে কিডনিও লিভার বিক্রির (ডোনেশনের) ব্যাপারে প্রলোভন দেখানো হয়। কিডনি বা লিভার টাকার বিনিময়ে বিক্রি করবে এমন ব্যক্তি পাওয়া গেলে তাদের পাসপোর্ট তৈরি ও ইন্ডিয়ান ভিসা লাগানোর ব্যবস্থা করে দেয় চক্রটি। তারপর ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাদের রক্ত, কিডনি ও লিভারের পরীক্ষা করানো হয়। রিপোর্ট ঠিক থাকলে তাদের ভারতে পাচার করে। এরপর ভারতে অবস্থানরত শাহীন ওই দেশে আবারও পরীক্ষা নিরীক্ষা করে কিডনি ও লিভার সংগ্রহের ব্যবস্থা করে।  এ চক্রটি এখন পর্যন্ত ৩০ থেকে ৪০ জন লোককে প্রলুব্ধ করে অবৈধভাবে কিডনি ও লিভার দেওয়ার ব্যবস্থা করে বলেও জানায় র্যা ব। এমএন 
কিডনি-লিভার বিক্রি চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার
ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড সার্ভে ইন্সটিটিউটের শতবর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন
রাজশাহীতে ২ দিন ব্যাপী ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড সার্ভে ইন্সটিটিউটের শতবর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন হয়েছে। শুক্রবার (৩১ ডিসেম্বর)সকালে নগরীর বড় বনগ্রাম ইনস্টিটিউট এর প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে আলোচনা সভার প্রথম পর্বে মিলিত হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। এরপর বিকেলে ২য় পর্বের আলোচনা সভায় রাজশাহী জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী সরকারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোস্তাফিজুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোয়াজ্জেম হোসেন, জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল জলিল। এ সময় বক্তব্য রাখেন ইন্সটিটিউটের প্রাক্তন শিক্ষার্থী আইডিএসইবি কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব সরদার জাহাঙ্গীর হোসেনসহ বেশ কয়েকজন প্রাক্তন শিক্ষার্থী। ২ দিন ব্যাপী ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড সার্ভে ইন্সটিটিউটের শতবর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠানের মিডিয়া পার্টনার হিসেবে রয়েছে আরটিভি। এমএন
ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড সার্ভে ইন্সটিটিউটের শতবর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন
ভোটের লড়াইয়ে দুই জা
পঞ্চম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জের তাড়াশে ভোটের লড়াইয়ে মাঠে নেমেছেন দুই জা। তারা একই এলাকায় সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। দুই জায়ের এমন ভোটযুদ্ধকে বেশ ইতিবাচকভাবেই দেখছেন স্থানীয় ভোটাররাও। এক পরিবারের মানুষ হয়েও দুজনই ভোটের মাঠে নিজেদেরকে তুলে ধরছেন আলাদা প্রতীকে। ওই দুই প্রার্থী হলেন, তাড়াশ উপজেলার দেশিগ্রাম ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর গ্রামের শ্রী বিকাশ চন্দ্র সাহার স্ত্রী শ্রীমতি কনিকা রানী এবং শ্রী বিকাশ চন্দ্র সাহার ছোট ভাই শ্রী বিমান চন্দ্র সাহার স্ত্রী শ্রীমতি সাধনা রানী (সাথী)।   নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, গুড়পিপুল দেশিগ্রাম ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে বড় জা বর্তমান ইউপি সদস্য শ্রীমতি কনিকা রানী মাইক প্রতীক ও ছোট জা শ্রীমতি সাধনা রানী (সাথী) হেলিকপ্টার প্রতীকে লড়ছেন। একই পদে দুই জা ছাড়াও রহিমা খাতুন কলম প্রতীকে এবং মেঘনা আক্তার সূর্যমুখী ফুল প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ওই এলাকায় ভোটার সংখ্যা ৫ হাজার ৫৫৯জন। এ নিয়ে বর্তমান ইউপি সদস্য বড় জা শ্রীমতি কনিকা রানী আরটিভি নিউজকে বলেন, এ ওয়ার্ডের মানুষ আমাকে ভালোবেসে দুইবার তাদের সেবা করার সুযোগ দিয়েছে। এবারও নির্বাচনে অংশ নিতে আমি আগে থেকেই মাঠে গণসংযোগ করে আসছিলাম। কিন্তু আমার জা প্রতিহিংসার কারণে নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করেছেন। এখন ভোটাররাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন। ছোট জা শ্রীমতি সাধনা রানী (সাথী) আরটিভি নিউজকে বলেন, রাজনীতিতে কোন আত্মীয় স্বজন নেই। কোন প্রতিহিংসা নয়, নির্বাচনে জয়লাভ করলে গরিব অসহায় মানুষের পাশে থেকে সেবা করবো। এমএন
ভোটের লড়াইয়ে দুই জা
আরও পড়ুন
বিয়ের এক সপ্তাহের মধ্যে এমন কী হলো সুবাহ’র সংসারে (ভিডিও)
সুস্মিতা-রোহমানের প্রেমে ভাঙন!
পদ্মায় নিখোঁজ কিশোরের মরদেহ উদ্ধার
হুমকির মুখে নড়াইল শহর