
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে বনবিভাগের জমিতে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে। এ সময় স্থানীয়দের সঙ্গে অভিযান পরিচালনা কর্মকর্তাদের সংঘর্ষ ঘটে।
শুক্রবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার করেরহাট ইউনিয়নে এ সংঘর্ষ হয়। এতে স্বপ্না আক্তার, পারুল, নাসিমা আক্তার, ছেমনা আক্তার, নাসিমা খাতুন আয়েশা বেগম, নুরুল আলম, আব্দুল মন্নান, মমিনুল হক, শাহ আলম, শামসুল হকসহ অনেকেই আহত হন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কোনো প্রকারের পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই এ অভিযান চালানো হয়েছে। এছাড়া বন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে টাকা নেয়ার অভিযোগও করেন অনেকে। স্থানীয়রা জানান, সরকারি রিজার্ভের ১৩ শতক জায়গায় মাটি ভরাট করে চার বছর আগ থেকে জমিটিতে বসতঘর নির্মাণের প্রস্তুতি নেন জাহাঙ্গীর আলম। তিন মাস আগে ঘর নির্মাণের কাজ শুরু করেন তিনি। যা এখন প্রায় শেষের দিকে। এমন সময় পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই অভিযান চালানো হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
জাহাঙ্গীর আলম আরটিভি নিউজকে বলেন, ‘এক লক্ষ টাকার বিনিময়ে করের হাট বনবিভাগের স্টেশন অফিসার ময়েন উদ্দিন আমাকে ঘর করার অনুমতি দিয়েছেন। আমি পনের হাজার টাকা দিতে পেরিছে। বাকি টাকা দিতে না পারায় আমাকে উচ্ছেদ করা হলো। বাধা দিলে আমার পরিবারের উপর হামলা করেন তারা। হামলায় আমার পরিবারের ১০ থেকে ১২ জন গুরুতর আহত হয়েছে।’
করেরহাট বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক জামিল মোহাম্মদ খান বলেন, ‘আমরা সরকারি রিজার্ভ জমি উদ্ধার করতে অভিযান চালিয়েছি। এ সময় স্থানীয়দের সঙ্গে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এতে আমাদের কয়েকজন আহত হয়েছের।’ উচ্ছেদের আগে কোনো প্রকার নোটিশ দেয়া হয়নি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তে এ অভিযান চালানো হয়েছে।’ তবে টাকা নেয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন এই কর্মকর্তা।
এমএন




