
চট্টগ্রামে নিরাপদ যাতায়াত ও যানজট নিরসনের জন্য নির্মাণ করা হয় চারটি ফ্লাইওভার। কিন্তু যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ ও নিরাপত্তার অভাবে ফ্লাইওভারগুলোর সুফল মিলছে না। এসব ফ্লাইওভারে অধিকাংশ সড়কবাতি নষ্ট। অন্ধকার নামার সঙ্গে সঙ্গে অপরাধীদের নিরাপদ জোনে পরিণত হয় এগুলো। ‘সুতার ফাঁদ’ পেতে মোটরসাইকেল চালকদের কাছ থেকে সর্বস্ব ছিনিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
ফ্লাইওভারগুলো ছিনতাইকারী ও অপরাধীদের আখড়ায় পরিণত হয়েছে। ছিনতাইয়ের কবলে পড়ে আহত হচ্ছে অনেকে।
চলতি বছরের ১৮ জুন নগরীর খুলশী থানাধীন আখতারুজ্জামান চৌধুরী ফ্লাইওভারে জিইসি অংশে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় তামিম নামের এক যুবক নিহত হন। তামিম হাটহাজারী উপজেলার ধলাই ইউনিয়নের কাজিরহাট এলাকার শাহ আলমের ছেলে।
ফ্লাইওভারে ছিনতাইকারীদের ফাঁদ সুতায় আটকে এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে অনেকে অভিযোগ করছেন। এছাড়া ফ্লাইওভারকে ঘিরে প্রতি মাসেই ঘটছে ছিনতাইয়ের নানা ঘটনা। গত ৬ মাসে র্যাব-পুলিশের অভিযানে চারটি ফ্লাইওভার থেকে অন্তত দেড় ডজন ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এরমধ্যে গত এক সপ্তাহে ফ্লাইওভার কেন্দ্রিক সক্রিয় সাত ছিনতাইকারীকে গ্রেপ্তার করেছে কোতোয়ালি থানা পুলিশ। এরপরও কমছে না ছিনতাই।
শনিবার (২ ডিসেম্বর) বিকেলে চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নেজাম উদ্দিন আরটিভি নিউজকে বলেন, ফ্লাইওভারে ছিনতাইয়ের ঘটনায় আমরা একটি চক্রকে আটক করেছি। তারা এখন জেলহাজতে রয়েছে। ফ্লাইওভারগুলোর পুলিশের টহল বাড়ানো হয়েছে।
এমআই/এসকে




