
সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে গরুর ধান খাওয়াকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের সংঘর্ষে এক কৃষক নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন আরও ১০ জন।
রোববার (১২ ডিসেম্বর) রাতে সিলেটের এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এর আগে রোববার (১২ ডিসেম্বর) সকালে দোয়ারাবাজার উপজেলার মান্নরগাঁও-জালালপুর গ্রামের মধ্যবর্তী আমন ধানের জমিতে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে মান্নারগাঁও গ্রামের মদরিছ মিয়া (৫২) ও তার ভাই মক্কবির হোসেনকে (৪৫) রাতেই আটক করেছে পুলিশ।
নিহত কৃষক মান্নারগাঁও ইউনিয়নের জালালপুর গ্রামের মৃত মেহের বখতের ছেলে নজির হোসেন (৫০)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা, রোববার (১২ ডিসেম্বর) সকালে মান্নারগাঁও গ্রামের মদরিছ মিয়ার একটি গরু পার্শ্ববর্তী জালালপুর গ্রামের কৃষক নজির হোসেনর আমন খেতে ঢুকে ধান খেয়ে ফেলে। এতে নজির হোসেন গরুটিকে ধান খেত থেকে বের করে মারপিট করলে ক্ষিপ্ত হন মদরিছ মিয়া। এ নিয়ে প্রথমে দুজনের মধ্যে তর্কাতর্কি ও কথা কাটাকাটি হয়। পরে মান্নারগাঁও ও জালালপুর দুই গ্রামের মধ্যে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে ঘন্টাব্যাপী সংঘর্ষ হয়। এ সংঘর্ষে কৃষক নজির হোসেনসহ ১১ জন আহত হন। পরে আহতদের সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে নজির হোসেন অবস্থা গুরুত্বর হওয়ায় তাকে রাতেই সিলেটের এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পরে গভীর রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
দোয়ারাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেব দুলাল ধর জানান, গরুর ধান খাওয়া নিয়ে গ্রামের দুই পক্ষের সংঘর্ষে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ দুজনকে আটক করেছে। দুই গ্রামের পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে।
জিএম/এসকে




