আয়েশা ওজতেকিন তুরস্ক থেকে প্রেমিকের হাত ধরে এসেছেন ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায়। তুরস্কে একই প্রতিষ্ঠানে চাকরির সুবাধে পরিচয়, প্রেম অতঃপর বাংলাদেশে।
এরপর আয়েশা আরটিভি নিউজকে বলেন, ময়মনসিংহের মানুষ অনেক আন্তরিক। এখানে এত ভালোবাসা পাব ভাবিনি আমি।
গত শুক্রবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুরে রিকশায় করে ঘুরে বেড়ান বাঙালি বধূ সাজে আয়েশা ওস্তেকিন। মুক্তাগাছা পৌর এলাকার একটি কমিউনিটি সেন্টারে বাঙালি আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয় আয়েশা-হুমায়ুনের বিয়ের আয়োজন।
হুমায়ুন রংপুর ক্যাডেট কলেজ থেকে এইচএসসি শেষ করে ২০১০ সালে স্কলারশিপ নিয়ে পড়তে যান তুরস্কের আনকারা শহরের হাজেত্তেপে ইউনিভার্সিটিতে মেডিসিন বিভাগে পড়াশোনা করতে যান হুমায়ুন কবির।
নববধূ আয়েশা তার অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, আমার বাবা প্রথমে রাজি ছিলেন না আমাদের এই সম্পর্ক নিয়ে। কিন্তু পরে উভয়ের পরিবারই বিয়েতে সম্মতি দেয়। হুমায়ুন আমার অনেক কেয়ার করে। তার গুণ বলে শেষ করা যাবে না। আমি একটু একটু বাংলা ভাষায় কথা বলতে পারি। এখানকার মানুষ খুব ভালো। এ ছাড়া স্বামী সন্তান নিয়ে বাংলাদেশে থাকতে চাই।
হুমায়ুনের মামা শফিক বলেন, এটা শুধু বিবাহ নয় তুরস্ক ও বাংলাদেশের মধ্যে একটি মেলবন্ধন বলা যেতে পারে। দুটি পরিবারের সম্মতিতে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছে তারা। আয়েশা সবার সঙ্গে মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে। তাদের জন্য সবার কাছে দোয়া প্রার্থনা করছি।
ছেলের বিয়ে নিয়ে বাবা হাসান আলী বলেন, আমার ছেলে একটি নতুন ইতিহাস করল। আমরা এমন ভালো বউ পেয়ে অনেক খুশি। আয়েশা আমাদের সংস্কৃতি আচার-আচরণ নিয়ে অনেক খুশি।
এমআই/টিআই




