ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

স্ত্রীর বিরুদ্ধে যৌতুক মামলা করল স্বামী, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

শরীয়তপুর প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৯ ডিসেম্বর ২০২১, ০৫:৩১ পিএম
ফাইল ছবি

শরীয়তপুরে এক স্ত্রী‌র বিরুদ্ধে যৌতুক মামলা করেছেন তার স্বামী। স্বামীর যৌতুক মামলায় আসামি স্ত্রীর গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

বুধবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুরে শরীয়তপুর পালং আমলি আদাল‌তের বিচারক মো. নেজবাউল এই আদেশ দেন।

স্ত্রী মাধবী সরকা‌র (২৪) য‌শোর জেলার বাঘারপাড়া উপ‌জেলার বাসুয়ারী ইউনিয়নের বিশ্ব‌জিত সরকা‌র ও অর্চনা সরকার দম্পতির মেয়ে। আর স্বামী নয়ন দা‌সের (২৭) শরীয়তপুর সদর পৌরসভার কাশা‌ভোগ গ্রা‌মের নান্টু দাসের ছেলে।

আদালত সূত্রে জানা যায়, গেল ১০ ন‌ভেম্বর শরীয়তপুর পালং আমলি আদাল‌তে যৌতুক নি‌রোধ আইনের ৩ ধারায় স্ত্রী মাধবীসহ ৩ জন‌কে আসামি ক‌রে মামলা‌টি দা‌য়ের করেন স্বামী নয়ন। আজ মামলার ৩ জন আসামি‌কে হা‌জির হওয়ার জন‌্য সমন জা‌রি ক‌রেন আদালত। আদালতে ২ ও ৩ নম্বর আসামি হা‌জির হলে তা‌দের‌কে জা‌মিন মঞ্জুর করা হয়। তবে ১ নম্বর আসামি মাধবী হা‌জির না হওয়ায় তার বিরু‌দ্ধে গ্রেপ্তারি প‌রোয়ানা জা‌রি ক‌রেন আদালত।

মামলার এজাহার সূ‌ত্রে জানা যায়, ভা‌লো‌বে‌সে ২০২০ সা‌লের জুলাই মা‌সে য‌শোরের মাধবী সরকা‌র সঙ্গে শরীয়তপুরের নয়ন দা‌সের বি‌য়ে হয়। বি‌য়ের সা‌ড়ে ৪ মাস পর থে‌কে নয়ন‌কে য‌শোরে অথবা গোপালগ‌ঞ্জ শহ‌রে বা‌ড়ি ক‌রে দি‌তে চাপ দি‌তে থা‌কে মাধবীর প‌রিবারের লোকজন। ত‌বে স্ত্রীর না‌মে বা‌ড়ি ক‌রে দি‌তে না পারায় স্বামীর বা‌ড়ি থে‌কে কৌশ‌লে মাধবীকে নি‌য়ে যান তা‌র মা-বাবা। ত‌বে যৌতুক ছাড়া সংসারে ফেরাতে গত এক বছর ধ‌রে স্ত্রীসহ তার প‌রিবার‌কে অনু‌রোধ ক‌রে আস‌ছিল স্বামীর প‌রিবা‌রের লোকজন। একপর্যা‌য়ে আইনজীবীর মাধ‌্যমে লিগ‌্যাল নো‌টিশ পাঠা‌নো হ‌লেও স্বামীর সংসা‌রে আসেনি স্ত্রী মাধবী সরকার। এরপর ১০ ন‌ভেম্বর শরীয়তপুর পালং আমলি আদাল‌তে যৌতুক নি‌রোধ আই‌ন ৩ ধারা ম‌তে না‌লিশি মামলা‌ দা‌য়ের ক‌রেন স্বামী নয়ন দাস।
মামলায় স্ত্রী মাধবী সরকার (২৪), তার মা অর্চনা সরকার (৩৭) ও বাবা বিশ্ব‌জিত সরকারকে (৪০) আসামি করা হয়। আজ ২৯ ডি‌সেম্বর অর্চনা ও বিশ্বজিত আদাল‌তে সশ‌রীরে হা‌জির হলে তাদের জামিন মঞ্জুর করে আদালত। আর মাধবী হা‌জির না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি প‌রোয়ানা জা‌রি ক‌রেন।

মামলার বাদী নয়ন দাস ব‌লেন, ভালো‌বে‌সে বি‌য়ে করেও যৌতুক দি‌তে না পারায় গত এক বছর ধ‌রে স্ত্রীর প‌রিবা‌রের নির্যাতনের শিকার হ‌চ্ছি। মীমাংসার জন‌্য ওদের স্থানীয় ইউনিয়ন প‌রিষ‌দে একা‌ধিকবার বসা হ‌লেও স্ত্রীর প‌রিবার গ্রাম‌্য আদাল‌তের আদেশ মা‌নে নাই। অব‌শে‌ষে যৌতুক ছাড়া সংসা‌রে ফেরা‌তে ব্যর্থ হ‌য়ে কোনোপ প্রকার মীমাংসা না কর‌তে পে‌রে আদাল‌তের আশ্রয় নি‌য়ে‌ছি। ত‌বে ওরা প্রভাবশালী হওয়ায় আমি ন‌্যায় বিচার পাচ্ছি না। আসামিরা যাওয়ার সময় মামলা প্রত‌্যাহা‌র না কর‌লে আমার খবর আছে ব‌লে হুমকি দি‌য়ে গে‌ছে।

বাদী প‌ক্ষের আইনজীবী মুরাদ হো‌সেন মু‌ন্সি ব‌লেন, ভা‌লো‌বে‌সে বি‌য়ের সা‌ড়ে চার মাস পর থে‌কে স্বামীর নয়ন দা‌সকে বা‌ড়ি ক‌রে দি‌তে দশ লাখ টাকা যৌতুক দাবি ক‌রে স্ত্রীসহ তার মা-বাবা। কিন্তু স্বামীর প‌রিবার তা‌দের দাবি মেটা‌তে না পারায় গত ক‌য়েক মাস ধ‌রে স্বামীর সংসার কর‌বে না ব‌লে বি‌ভিন্নভা‌বে হুম‌কি-ধাম‌কি দি‌য়ে আস‌ছিল স্ত্রী মাধবী সরকার ও তার প‌রিবার। অব‌শে‌ষে একা‌ধিকবার ‌মীমাংসায় ব্যর্থ হ‌য়ে স্বামী নয়ন দাস যৌতুক নি‌রোধ আই‌ন ৩ ধারায় মামলা দা‌য়ের ক‌রলে আদালত দুই আসামি হা‌জির হ‌লে তা‌দের‌কে জা‌মিন মঞ্জুর ক‌রলেও ১ নম্বর আসামি মাধবী হা‌জির না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি প‌রোয়ানা জা‌রি করে।

এদিকে আসামি পক্ষের আইনজীবী মো. তারিকুল ইসলাম সোহাগ বলেন, পারিবারিক বিরোধের কারণে আমার তিনজন মক্কেলকে মামলা দিয়ে আসামি করা হয়েছে। আদালতে জামিন আবেদন করলে দুইজনকে জামিন মঞ্জুর করেন বিচারক। একজন হা‌জির না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি প‌রোয়ানা জা‌রি ক‌রা হয়।

এসএস/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের স্মরণে দোয়া
ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে-বরগুনাগামী লঞ্চ অভিযানে অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের স্মরণে সভা ও আত্মার শান্তি কামনায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে পৌর মিনি পার্কে দোয়া মোনাজাতে (ভার্চুয়ালি) প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন ১৪ দলের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র, আমির হোসেন আমু এমপি।  এলাকাবাসীর আয়োজনে দোয়া মোনাজাত ও আলোচনা সভায় যুবলীগ নেতা মোঃ ছবির হোসেনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক মোঃ জোহর আলী,পৌর মেয়র লিয়াকত আলী তালুকদার, কাউন্সিলর হাবিবুর রহমান হাবিল,হাফিজ আল মাহমুদ। পরে নিহতদের আত্মার শান্তি কামনায় বিশেষ দোয়া মোনাজাত করা হয়।  দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন ঈদগাহ জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মোঃ গাজী শহীদুল ইসলাম। এলাকাবাসী লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যু ও আহতদের জন্য অর্থ সহায়তা প্রদান করে জলো প্রশাসকের কাছে। দোয়া মোনাজাতে নিহতদের স্বজনরাসহ শত শত মানুষ অংশগ্রহণ করে।  গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে ঝালকাঠির সুগন্ধা নদী অতিক্রমকালে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বরগুনাগামী এমভি অভিযান-১০ লঞ্চটিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে ৪৬ জনের প্রাণহানী ঘটেছে। প্রাণ বাঁচাতে নদীতে লাফিয়ে পড়ে নিখোঁজ রয়েছেন অনেকে। এমএন  
লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের স্মরণে দোয়া
সিরাজগঞ্জে বিএনপি-আ.লীগ সংঘর্ষ, ৪ মামলায় ৭ শতাধিক আসামি
সিরাজগঞ্জে আওয়ামী লীগ-বিএনপির মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় চারটি মামলা দায়ের হয়েছে। এসব মামলায় জেলা বিএনপির বেশকজন শীর্ষ নেতাসহ সাড়ে ৭শ জনকে আসামি করা হয়েছে। শুক্রবার (৩১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সিরাজগঞ্জ সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সাজ্জাদুর রহমান। তিনি বলেন, চার মামলার মধ্যে পুলিশ বাদী হয়ে তিনটি ও উজ্জল হোসেন নামে এক ব্যক্তি বাদী হয়ে অপর মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় আসামিদের মধ্যে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু, সহ-সভাপতি আজিজুর রহমান দুলাল, সহ-সভাপতি নাজমুল হাসান তালুকদার রানাসহ একাধিক শীর্ষ নেতা রয়েছেন। পরিদর্শক (তদন্ত) সাজ্জাদুর রহমান বলেন, উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোস্তাফিজুর রহমান বাদী হয়ে ২৯ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ১০০/১৫০ জনকে আসামি করে একটি, উপ-পরিদর্শক (এসআই) আলীম হোসাইন বাদী হয়ে ২৭ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ২০০/২৫০ জনকে আসামি করে একটি এবং উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাহমুদ হাসান বাদী হয়ে ২৫ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ২/৩শ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। অপরদিকে রেলওয়ে কলোনি মহল্লার আওয়ামী লীগ কর্মী উজ্জল হোসেন বাদী হয়ে ৪০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ৫০/৬০ জনকে আসামি করে আরও একটি মামলা দায়ের করেন। প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুরে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে সমাবেশে মিছিল নিয়ে আসার সময় বিএনপির সাথে যুবলীগ-ছাত্রলীগ কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, ককটেল বিস্ফোরণ, ইটপাটকেল নিক্ষেপের এক পর্যায়ে শহরের কলেজ রোড, ইলিয়ট ব্রীজ এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ৭০ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এমএন
সিরাজগঞ্জে বিএনপি-আ.লীগ সংঘর্ষ, ৪ মামলায় ৭ শতাধিক আসামি
কিডনি-লিভার বিক্রি চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার
কিডনি ও লিভার পাচার চক্রের মূল হোতাসহ তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র্যােব। বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) চট্টগ্রামের খুলশী থানার ইন্ডিয়ান ভিসা সেন্টারের পাশ থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। শুক্রবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেলে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা র্যা ব-৭ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন এসব তথ্য জানিয়েছেন র্যা বের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এ ইউসুফ। চক্রটি এখন পর্যন্ত ৩০-৪০ জন লোককে প্রলুব্ধ করে অবৈধভাবে কিডনি ও লিভার বিক্রির জন্য ভারতে পাচার করেছে বলে দাবি র্যা বের। গ্রেপ্তার তিনজন হলেন- মোহাম্মদ আলী ডালিম (৩৫), মো. আতিকুর রহমান রনি (৩৬) ও মো. আলম হোসেন (৩৮)। র্যা ব-৭ অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এ ইউসুফ বলেন, তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, বাংলাদেশে এ সিন্ডিকেটের মূল হোতা ডালিম। রনি আন্তর্জাতিক কিডনি ও লিভার পাচারকারী দলের সদস্য। ভারতে অবস্থান করেন শাহীন নামে আরেক বাংলাদেশি। তিনি রনি, আলমদের মাধ্যমে কিডনি ও লিভার বিক্রি করবে এমন লোকজন সংগ্রহ করে তাদের ওই দেশে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করেন। এ ক্ষেত্রে কিডনি ও লিভার দাতাদের ৪ থেকে সাড়ে ৪ লাখ টাকা দেয় চক্রটি। কিন্তু এসব কিডনি ও লিভার চক্রটি ভারতে ক্রেতাদের কাছে ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকায় বিক্রি করত।  তিনি আরও বলেন, আসামি ডালিমের নেতৃত্বে চক্রের সদস্যরা প্রথমে কিডনি ডোনেট সেন্টারসহ বিভিন্ন নামে ফেসবুক পেজ খোলে। পেজে বিভিন্ন পোস্টের মাধ্যমে ডোনারদের নানাভাবে কিডনিও লিভার বিক্রির (ডোনেশনের) ব্যাপারে প্রলোভন দেখানো হয়। কিডনি বা লিভার টাকার বিনিময়ে বিক্রি করবে এমন ব্যক্তি পাওয়া গেলে তাদের পাসপোর্ট তৈরি ও ইন্ডিয়ান ভিসা লাগানোর ব্যবস্থা করে দেয় চক্রটি। তারপর ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাদের রক্ত, কিডনি ও লিভারের পরীক্ষা করানো হয়। রিপোর্ট ঠিক থাকলে তাদের ভারতে পাচার করে। এরপর ভারতে অবস্থানরত শাহীন ওই দেশে আবারও পরীক্ষা নিরীক্ষা করে কিডনি ও লিভার সংগ্রহের ব্যবস্থা করে।  এ চক্রটি এখন পর্যন্ত ৩০ থেকে ৪০ জন লোককে প্রলুব্ধ করে অবৈধভাবে কিডনি ও লিভার দেওয়ার ব্যবস্থা করে বলেও জানায় র্যা ব। এমএন 
কিডনি-লিভার বিক্রি চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার
ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড সার্ভে ইন্সটিটিউটের শতবর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন
রাজশাহীতে ২ দিন ব্যাপী ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড সার্ভে ইন্সটিটিউটের শতবর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন হয়েছে। শুক্রবার (৩১ ডিসেম্বর)সকালে নগরীর বড় বনগ্রাম ইনস্টিটিউট এর প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে আলোচনা সভার প্রথম পর্বে মিলিত হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। এরপর বিকেলে ২য় পর্বের আলোচনা সভায় রাজশাহী জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী সরকারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোস্তাফিজুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোয়াজ্জেম হোসেন, জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল জলিল। এ সময় বক্তব্য রাখেন ইন্সটিটিউটের প্রাক্তন শিক্ষার্থী আইডিএসইবি কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব সরদার জাহাঙ্গীর হোসেনসহ বেশ কয়েকজন প্রাক্তন শিক্ষার্থী। ২ দিন ব্যাপী ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড সার্ভে ইন্সটিটিউটের শতবর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠানের মিডিয়া পার্টনার হিসেবে রয়েছে আরটিভি। এমএন
ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড সার্ভে ইন্সটিটিউটের শতবর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন
ভোটের লড়াইয়ে দুই জা
পঞ্চম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জের তাড়াশে ভোটের লড়াইয়ে মাঠে নেমেছেন দুই জা। তারা একই এলাকায় সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। দুই জায়ের এমন ভোটযুদ্ধকে বেশ ইতিবাচকভাবেই দেখছেন স্থানীয় ভোটাররাও। এক পরিবারের মানুষ হয়েও দুজনই ভোটের মাঠে নিজেদেরকে তুলে ধরছেন আলাদা প্রতীকে। ওই দুই প্রার্থী হলেন, তাড়াশ উপজেলার দেশিগ্রাম ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর গ্রামের শ্রী বিকাশ চন্দ্র সাহার স্ত্রী শ্রীমতি কনিকা রানী এবং শ্রী বিকাশ চন্দ্র সাহার ছোট ভাই শ্রী বিমান চন্দ্র সাহার স্ত্রী শ্রীমতি সাধনা রানী (সাথী)।   নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, গুড়পিপুল দেশিগ্রাম ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে বড় জা বর্তমান ইউপি সদস্য শ্রীমতি কনিকা রানী মাইক প্রতীক ও ছোট জা শ্রীমতি সাধনা রানী (সাথী) হেলিকপ্টার প্রতীকে লড়ছেন। একই পদে দুই জা ছাড়াও রহিমা খাতুন কলম প্রতীকে এবং মেঘনা আক্তার সূর্যমুখী ফুল প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ওই এলাকায় ভোটার সংখ্যা ৫ হাজার ৫৫৯জন। এ নিয়ে বর্তমান ইউপি সদস্য বড় জা শ্রীমতি কনিকা রানী আরটিভি নিউজকে বলেন, এ ওয়ার্ডের মানুষ আমাকে ভালোবেসে দুইবার তাদের সেবা করার সুযোগ দিয়েছে। এবারও নির্বাচনে অংশ নিতে আমি আগে থেকেই মাঠে গণসংযোগ করে আসছিলাম। কিন্তু আমার জা প্রতিহিংসার কারণে নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করেছেন। এখন ভোটাররাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন। ছোট জা শ্রীমতি সাধনা রানী (সাথী) আরটিভি নিউজকে বলেন, রাজনীতিতে কোন আত্মীয় স্বজন নেই। কোন প্রতিহিংসা নয়, নির্বাচনে জয়লাভ করলে গরিব অসহায় মানুষের পাশে থেকে সেবা করবো। এমএন
ভোটের লড়াইয়ে দুই জা
আরও পড়ুন
গাঁজা কিনতে গিয়ে জাল টাকাসহ যুবক আটক
নৌ-আদালতে হাজির হলেন সেই লঞ্চের দুই স্টাফ
আদালতে খালেদা জিয়ার প্রতি ন্যায়বিচার হয়নি : গয়েশ্বর 
পালিয়ে যাওয়া গৃহবধূদের ঠাঁই হয়নি শ্বশুরবাড়িতেও