ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

থার্টিফার্স্ট নাইটে কাঙ্ক্ষিত পর্যটক নেই কক্সবাজারে !  

সাইফুর রহিম শাহীন, কক্সবাজার

প্রকাশ : ৩১ ডিসেম্বর ২০২১, ০৮:৩৮ পিএম
ফাইল ছবি

ইংরেজি নববর্ষ বরণে প্রতি বছর থার্টিফার্স্ট নাইটে পর্যটন শহর কক্সবাজারে লাখো পর্যটকের সমাগম হতো। কিন্তু এবার তেমন পর্যটক নেই। যে কারণে এ রকম একটি বিশেষ দিনেও কক্সবাজারের সাড়ে চার শতাধিক হোটেল-মোটেল গেস্ট হাউসে অর্ধেকেরও বেশি কক্ষ ফাঁকা রয়েছে। হোটেল মোটেল ফুল বুকিং থাকলেও আসেনি পর্যটকদল।
সম্প্রতি খাবারের দাম বেশি নেওয়া এবং পর্যটক নারীকে দলবেঁধে ধর্ষণ এ দুটি ঘটনায় এ রকম বিরূপ প্রভাব পড়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
হোটেল মোটেল ব্যবসায়ীরা বলছেন, প্রতি বছর থার্টিফার্স্ট নাইট ও নববর্ষ উদযাপনে কম হলেও লক্ষাধিক পর্যটক কক্সবাজার ভ্রমণে আসেন। কিন্তু এ বছর ভিন্ন চিত্র। যে কারণে তারা হতাশ।
শুক্রবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকালে সমুদ্র সৈকত ঘুরে দেখা যায়, থার্টি ফার্স্ট নাইটে সরকারি নির্দেশনার কারণে সৈকতে উন্মুক্ত স্থানে নেই কোন আয়োজন। তারপরও সাড়ে ৪ শতাধিক হোটেল, মোটেল, রিসোর্টে বুকিং হয়েছে প্রায় ৯০ শতাংশ। তার মধ্যে কিছু বিদেশী পর্যটকও দেখা যায়। আর পর্যটকদের নিরাপত্তায় সার্বক্ষণিক মাঠে থাকছে ২০৮ জন টুরিস্ট পুলিশ। আগতদের পর্যটন সুবিধা নিশ্চিতের জন্য ৭ দফা বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছেন জেলা প্রশাসন।
বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার। এই সৈকতে দাঁড়িয়ে বছরের শেষ সূর্যাস্তকে বিদায় জানাতে প্রতিবছর ছুটে আসেন হাজারো পর্যটক। তাই সাড়ে ৪ শতাধিক হোটেল, মোটেল ও রিসোর্টকে সাজানো হয় নতুন সাজে। সম্প্রতি নেতিবাচক কিছু ঘটনা ঘটেছে সৈকতের এই শহরে। যার কারণে পর্যটক সংকটে শঙ্কায় রয়েছেন অনেকে।
প্রতিবছর ইংরেজি পুরনো বছরকে বিদায় ও নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে ব্যানার-ফেস্টুন দিয়ে সাজানো হয় সব হোটেল ও মোটেলকে। কিন্তু এ বছর তা চোখে পড়ছে না। তবে তারকা মানের হোটেলগুলো সেজেছে নতুন রূপে। থার্টি ফার্স্ট নাইট কেন্দ্র করে প্রতিবছর তারকামানের হোটেলগুলোতে থাকে নানা আয়োজন। এবারেও তার ব্যতিক্রম হয়নি।
তারকামানের হোটেল কক্স টুডে’র ম্যানেজার আবু তালেব শাহ বলেন, পুরনো বছরকে বিদায় ও নতুন বছরকে বরণ করতে কক্সবাজারে প্রচুর পর্যটক আগমন হবে। ইতিমধ্যে আশানুরূপ বুকিং হয়েছে। আর আগত পর্যটকদের আনন্দ দিতে হোটেলের অভ্যন্তরে সংগীতানুষ্ঠানসহ নানা আয়োজন থাকছে। আশা করি, পর্যটকরা বেশ আনন্দ করতে পারবে।
সী গাল হোটেলের ফ্রন্ট ডেস্ক অফিস ম্যানেজার তারেক সিদ্দিকী বলেন, শতভাগ রুম বুকিং হয়েছে। হোটেলকেও সাজানো হয়েছে। আশা করি, পর্যটকরা কক্সবাজারে এসে পুরনো বছরকে বিদায় ও নতুন বছরকে ভালোভাবে বরণ করতে পারবে।
কলাতলীর হোটেল সী উত্তরার নির্বাহী কর্মকর্তা ওসমান গনি বলেন, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবারের চিত্র ভিন্ন। পুরো কক্সবাজারের কোনো হোটেল, মোটেল, গেস্ট হাউসে তেমন পর্যটক নেই। তিনি বলেন, করোনাকালের দীর্ঘ মন্দা কাটিয়ে আমরা মনে করছিলাম, পর্যটনে কিছুটা সুদিন আসবে।
এ বিষয়ে কলাতলী জোনের হোটেল রেইন ভিউ রিসোর্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও হোটেল মোটেল সমিতির নেতা মুকিম খান জানান, শুক্রবার (৩১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় জানান, কক্সবাজারে হোটেল মোটেল জোনের প্রায় ৪০ শতাংশ রুম খালি রয়েছে। তারমধ্যে ২০ শতাংশ বুকিং হওয়া পর্যটকরা আসেনি। অথচ অন্যান্য বছর এই সময়ে কোনো কক্ষই ফাঁকা থাকে না।
তিনি আরও জানান, সম্প্রতি খাবারের দাম বেশি নেওয়া আর ধর্ষণের ঘটনাটি দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচিত হয়েছে। যার জন্য কক্সবাজারের পর্যটন শিল্পে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। এমন অবস্থা কোনো সময় হয়নি।
কক্সবাজার হোটেল মোটেল গেস্ট হাউস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম সিকদার বলেন, বাস্তবে কক্সবাজারে কিন্তু পর্যটকদের নিরাপত্তাজনিত কোনো সমস্যা নেই। সম্প্রতি যেটি ঘটেছে এটি বিচ্ছিন্ন একটি ঘটনা। আমরা এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। তিনি আরও বলেন, খাবারের দাম বেশি নেওয়া এবং ধর্ষণ এ দুটি ঘটনায় কক্সবাজারের বড় ধরনের ক্ষতি হয়ে গেছে।
টুয়াকের সভাপতি আনোয়ার কামাল বলেন, পুরনো বছরকে বিদায় ও নতুন বছর বরণকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যে ৭০ শতাংশ রুম বুকিং হয়েছে। পর্যটকরা শুধু কক্সবাজার নয়, সেন্টমার্টিন ও ইনানীতে যাবে। যার কারণে প্রশাসনও নিরাপত্তা জোরদার করেছে।
এ বিষয়ে কক্সবাজার টুরিস্ট পুলিশের পুলিশ সুপার মো. জিল্লুর রহমান জানান, সাম্প্রতিক ঘটনার কিছুটা প্রভাব রয়েছে। তবে এ ধরনের ঘটনার যেন কোনোভাবেই আর পুনরাবৃত্তি না ঘটে সেজন্য টুরিস্ট পুলিশ সজাগ রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, থার্টিফার্স্ট নাইটকে কেন্দ্র করে সমুদ্র সৈকত ছাড়াও আশপাশের যেসব পর্যটন কেন্দ্র রয়েছে সেখানেও টুরিস্ট পুলিশের তৎপরতা আগের চেয়ে বাড়ানো হয়েছে।
কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মামুনুর রশীদ জানান, সমুদ্র সৈকতসহ আশপাশের বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে টুরিস্ট পুলিশের পাশাপাশি জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে একাধিক ভ্রাম্যমান টিম কাজ করছে। তাদের সকলের লক্ষ্য পর্যটকদের নিরাপত্তা দেওয়া। তিনি আরও জানান, পর্যটকদের আগমনকে ঘিরে নতুন করে পর্যটকদের পর্যটন সুবিধা নিশ্চিতের জন্য ৭ দফা বিশেষ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
এমএন

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের স্মরণে দোয়া
ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে-বরগুনাগামী লঞ্চ অভিযানে অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের স্মরণে সভা ও আত্মার শান্তি কামনায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে পৌর মিনি পার্কে দোয়া মোনাজাতে (ভার্চুয়ালি) প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন ১৪ দলের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র, আমির হোসেন আমু এমপি।  এলাকাবাসীর আয়োজনে দোয়া মোনাজাত ও আলোচনা সভায় যুবলীগ নেতা মোঃ ছবির হোসেনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক মোঃ জোহর আলী,পৌর মেয়র লিয়াকত আলী তালুকদার, কাউন্সিলর হাবিবুর রহমান হাবিল,হাফিজ আল মাহমুদ। পরে নিহতদের আত্মার শান্তি কামনায় বিশেষ দোয়া মোনাজাত করা হয়।  দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন ঈদগাহ জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মোঃ গাজী শহীদুল ইসলাম। এলাকাবাসী লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যু ও আহতদের জন্য অর্থ সহায়তা প্রদান করে জলো প্রশাসকের কাছে। দোয়া মোনাজাতে নিহতদের স্বজনরাসহ শত শত মানুষ অংশগ্রহণ করে।  গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে ঝালকাঠির সুগন্ধা নদী অতিক্রমকালে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বরগুনাগামী এমভি অভিযান-১০ লঞ্চটিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে ৪৬ জনের প্রাণহানী ঘটেছে। প্রাণ বাঁচাতে নদীতে লাফিয়ে পড়ে নিখোঁজ রয়েছেন অনেকে। এমএন  
লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের স্মরণে দোয়া
সিরাজগঞ্জে বিএনপি-আ.লীগ সংঘর্ষ, ৪ মামলায় ৭ শতাধিক আসামি
সিরাজগঞ্জে আওয়ামী লীগ-বিএনপির মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় চারটি মামলা দায়ের হয়েছে। এসব মামলায় জেলা বিএনপির বেশকজন শীর্ষ নেতাসহ সাড়ে ৭শ জনকে আসামি করা হয়েছে। শুক্রবার (৩১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সিরাজগঞ্জ সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সাজ্জাদুর রহমান। তিনি বলেন, চার মামলার মধ্যে পুলিশ বাদী হয়ে তিনটি ও উজ্জল হোসেন নামে এক ব্যক্তি বাদী হয়ে অপর মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় আসামিদের মধ্যে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু, সহ-সভাপতি আজিজুর রহমান দুলাল, সহ-সভাপতি নাজমুল হাসান তালুকদার রানাসহ একাধিক শীর্ষ নেতা রয়েছেন। পরিদর্শক (তদন্ত) সাজ্জাদুর রহমান বলেন, উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোস্তাফিজুর রহমান বাদী হয়ে ২৯ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ১০০/১৫০ জনকে আসামি করে একটি, উপ-পরিদর্শক (এসআই) আলীম হোসাইন বাদী হয়ে ২৭ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ২০০/২৫০ জনকে আসামি করে একটি এবং উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাহমুদ হাসান বাদী হয়ে ২৫ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ২/৩শ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। অপরদিকে রেলওয়ে কলোনি মহল্লার আওয়ামী লীগ কর্মী উজ্জল হোসেন বাদী হয়ে ৪০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ৫০/৬০ জনকে আসামি করে আরও একটি মামলা দায়ের করেন। প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুরে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে সমাবেশে মিছিল নিয়ে আসার সময় বিএনপির সাথে যুবলীগ-ছাত্রলীগ কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, ককটেল বিস্ফোরণ, ইটপাটকেল নিক্ষেপের এক পর্যায়ে শহরের কলেজ রোড, ইলিয়ট ব্রীজ এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ৭০ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এমএন
সিরাজগঞ্জে বিএনপি-আ.লীগ সংঘর্ষ, ৪ মামলায় ৭ শতাধিক আসামি
কিডনি-লিভার বিক্রি চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার
কিডনি ও লিভার পাচার চক্রের মূল হোতাসহ তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র্যােব। বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) চট্টগ্রামের খুলশী থানার ইন্ডিয়ান ভিসা সেন্টারের পাশ থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। শুক্রবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেলে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা র্যা ব-৭ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন এসব তথ্য জানিয়েছেন র্যা বের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এ ইউসুফ। চক্রটি এখন পর্যন্ত ৩০-৪০ জন লোককে প্রলুব্ধ করে অবৈধভাবে কিডনি ও লিভার বিক্রির জন্য ভারতে পাচার করেছে বলে দাবি র্যা বের। গ্রেপ্তার তিনজন হলেন- মোহাম্মদ আলী ডালিম (৩৫), মো. আতিকুর রহমান রনি (৩৬) ও মো. আলম হোসেন (৩৮)। র্যা ব-৭ অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এ ইউসুফ বলেন, তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, বাংলাদেশে এ সিন্ডিকেটের মূল হোতা ডালিম। রনি আন্তর্জাতিক কিডনি ও লিভার পাচারকারী দলের সদস্য। ভারতে অবস্থান করেন শাহীন নামে আরেক বাংলাদেশি। তিনি রনি, আলমদের মাধ্যমে কিডনি ও লিভার বিক্রি করবে এমন লোকজন সংগ্রহ করে তাদের ওই দেশে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করেন। এ ক্ষেত্রে কিডনি ও লিভার দাতাদের ৪ থেকে সাড়ে ৪ লাখ টাকা দেয় চক্রটি। কিন্তু এসব কিডনি ও লিভার চক্রটি ভারতে ক্রেতাদের কাছে ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকায় বিক্রি করত।  তিনি আরও বলেন, আসামি ডালিমের নেতৃত্বে চক্রের সদস্যরা প্রথমে কিডনি ডোনেট সেন্টারসহ বিভিন্ন নামে ফেসবুক পেজ খোলে। পেজে বিভিন্ন পোস্টের মাধ্যমে ডোনারদের নানাভাবে কিডনিও লিভার বিক্রির (ডোনেশনের) ব্যাপারে প্রলোভন দেখানো হয়। কিডনি বা লিভার টাকার বিনিময়ে বিক্রি করবে এমন ব্যক্তি পাওয়া গেলে তাদের পাসপোর্ট তৈরি ও ইন্ডিয়ান ভিসা লাগানোর ব্যবস্থা করে দেয় চক্রটি। তারপর ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাদের রক্ত, কিডনি ও লিভারের পরীক্ষা করানো হয়। রিপোর্ট ঠিক থাকলে তাদের ভারতে পাচার করে। এরপর ভারতে অবস্থানরত শাহীন ওই দেশে আবারও পরীক্ষা নিরীক্ষা করে কিডনি ও লিভার সংগ্রহের ব্যবস্থা করে।  এ চক্রটি এখন পর্যন্ত ৩০ থেকে ৪০ জন লোককে প্রলুব্ধ করে অবৈধভাবে কিডনি ও লিভার দেওয়ার ব্যবস্থা করে বলেও জানায় র্যা ব। এমএন 
কিডনি-লিভার বিক্রি চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার
ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড সার্ভে ইন্সটিটিউটের শতবর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন
রাজশাহীতে ২ দিন ব্যাপী ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড সার্ভে ইন্সটিটিউটের শতবর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন হয়েছে। শুক্রবার (৩১ ডিসেম্বর)সকালে নগরীর বড় বনগ্রাম ইনস্টিটিউট এর প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে আলোচনা সভার প্রথম পর্বে মিলিত হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। এরপর বিকেলে ২য় পর্বের আলোচনা সভায় রাজশাহী জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী সরকারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোস্তাফিজুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোয়াজ্জেম হোসেন, জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল জলিল। এ সময় বক্তব্য রাখেন ইন্সটিটিউটের প্রাক্তন শিক্ষার্থী আইডিএসইবি কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব সরদার জাহাঙ্গীর হোসেনসহ বেশ কয়েকজন প্রাক্তন শিক্ষার্থী। ২ দিন ব্যাপী ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড সার্ভে ইন্সটিটিউটের শতবর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠানের মিডিয়া পার্টনার হিসেবে রয়েছে আরটিভি। এমএন
ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড সার্ভে ইন্সটিটিউটের শতবর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন
ভোটের লড়াইয়ে দুই জা
পঞ্চম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জের তাড়াশে ভোটের লড়াইয়ে মাঠে নেমেছেন দুই জা। তারা একই এলাকায় সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। দুই জায়ের এমন ভোটযুদ্ধকে বেশ ইতিবাচকভাবেই দেখছেন স্থানীয় ভোটাররাও। এক পরিবারের মানুষ হয়েও দুজনই ভোটের মাঠে নিজেদেরকে তুলে ধরছেন আলাদা প্রতীকে। ওই দুই প্রার্থী হলেন, তাড়াশ উপজেলার দেশিগ্রাম ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর গ্রামের শ্রী বিকাশ চন্দ্র সাহার স্ত্রী শ্রীমতি কনিকা রানী এবং শ্রী বিকাশ চন্দ্র সাহার ছোট ভাই শ্রী বিমান চন্দ্র সাহার স্ত্রী শ্রীমতি সাধনা রানী (সাথী)।   নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, গুড়পিপুল দেশিগ্রাম ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে বড় জা বর্তমান ইউপি সদস্য শ্রীমতি কনিকা রানী মাইক প্রতীক ও ছোট জা শ্রীমতি সাধনা রানী (সাথী) হেলিকপ্টার প্রতীকে লড়ছেন। একই পদে দুই জা ছাড়াও রহিমা খাতুন কলম প্রতীকে এবং মেঘনা আক্তার সূর্যমুখী ফুল প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ওই এলাকায় ভোটার সংখ্যা ৫ হাজার ৫৫৯জন। এ নিয়ে বর্তমান ইউপি সদস্য বড় জা শ্রীমতি কনিকা রানী আরটিভি নিউজকে বলেন, এ ওয়ার্ডের মানুষ আমাকে ভালোবেসে দুইবার তাদের সেবা করার সুযোগ দিয়েছে। এবারও নির্বাচনে অংশ নিতে আমি আগে থেকেই মাঠে গণসংযোগ করে আসছিলাম। কিন্তু আমার জা প্রতিহিংসার কারণে নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করেছেন। এখন ভোটাররাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন। ছোট জা শ্রীমতি সাধনা রানী (সাথী) আরটিভি নিউজকে বলেন, রাজনীতিতে কোন আত্মীয় স্বজন নেই। কোন প্রতিহিংসা নয়, নির্বাচনে জয়লাভ করলে গরিব অসহায় মানুষের পাশে থেকে সেবা করবো। এমএন
ভোটের লড়াইয়ে দুই জা
আরও পড়ুন
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে আনন্দে মাতোয়ারা বিদেশি পর্যটকরা
নববর্ষে যে দোয়া পড়বেন
নাচ-গান, আতশবাজিতে বর্ষবরণে প্রস্তুত সৌদিরা
সাংবাদিকের স্ত্রীর অন্তরঙ্গ ছবি প্রকাশ করে আরেক সাংবাদিক গ্রেপ্তার