
মাদারীপুরের কালকিনির রমজানপুর ইউনিয়নের জজিরা নিম্ন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর চেয়ে শিক্ষক-কর্মচারীর সংখ্যা বেশি। তবে বছরের বেশির ভাগ সময়ই হয় না ক্লাস, নেই সাইনবোর্ডও।
রোববার (১১ ডিসেম্বর) সরেজমিনে গিয়ে এ তথ্য পাওয়া যায়। বিদ্যালয়টিতে শিক্ষার্থী ছয়জন হলেও শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন সাতজন।
জানা জানা গেছে, ১৯৫৩ সালে জজিরা নিম্ন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৮৪ এমপিওভুক্ত হয়ে সুনামের সঙ্গেই এলাকার শিক্ষার্থীদের পাঠদান করে আসছিল। বিগত দিনে শতাধিক শিক্ষার্থী থাকলেও বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির অবস্থা আগের মতো নেই। বিদ্যালয়ের অব্যবস্থাপনায় বর্তমানে মোট শিক্ষার্থী কমে দাঁড়িয়েছে ছয়জনে আর শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন সাতজন। প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষক চারজন, অফিস সহকারী একজন ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী একজন।
স্থানীয়রা জানান, প্রধান শিক্ষক প্রভাবশালী ও আওয়ামী লীগের নেতা হওয়ায় ঠিকমতো স্কুলে আসেন না। তার বিরুদ্ধে রয়েছে নানা অভিযোগ।
ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নুরুল হক রাড়ি জানান, সাবেক প্রধান শিক্ষককে বিভিন্নভাবে অপমান করতেন বর্তমান প্রধান শিক্ষক। তার অত্যাচারে স্কুল ছেড়ে যেতে বাধ্য হন তিনি। এরপর থেকে স্কুলে শিক্ষার্থী কমতে শুরু করে।
অভিযোগ অস্বীকার করে প্রধান শিক্ষক আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জানান, কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতি হয়নি। স্থানীয় রাজনৈতিক কারণে ও ম্যানেজিং কমিটি গঠন নিয়ে দ্বন্দ্বে এলাকার লোকজন তাদের সন্তানকে স্কুলে দিতে চান না।
এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. মাহবুবুর রহমান জানান, আমি জানতাম জজিরা নিম্ন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়টিতে শিক্ষার্থী কম। এত কম তা জানা ছিল না।




