
ঢাকার ধামরাইয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি বাস বিশ ফুট গভীর খাদে পড়ে যাওয়ার অন্তত ২৪ ঘণ্টা পর ঘটনাস্থল থেকে দুই জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ধামরাইয়ের বালিথা এলাকায় ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশের একেএইস কারখানার সামনের একটি ডোবা থেকে এই মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে যাত্রীসেবা নামের ওই বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশের ডোবায় পরে উল্টে যায়।
নিহত মুক্তা আক্তার (২৫) সুতিপাড়া ইউনিয়নের শ্রীরামপুর এলাকার শাহজাহান মিয়ার মেয়ে। তিনি স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন এবং নিহত মো. আব্দুল বাতেন (৪৫) মানিকগঞ্জ জেলার দৌলতপুর থানার রুয়াইল এলাকার সোবহান মির্জার ছেলে৷ তিনি ওই বাসের কন্ডাক্টর ছিলেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে যাত্রীসেবা নামের একটি বাস ধামরাই বাড়বাড়িয়া বাসস্ট্যান্ড থেকে নয়ারহাট যাচ্ছিল। পথে ধামরাইয়ের বালিথা এলাকায় ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশে একেএইচ কারখানার সামনে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি একটি ডোবায় পড়ে যায়। পরে ধামরাই ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা রাতেই রেকার দিয়ে বাসটি উদ্ধারের চেষ্টা করলেও ডোবায় পানি থাকায় এবং অনেক রাত হয়ে যাওয়ায় বাসটি উদ্ধারে ব্যর্থ হোন।
পরে শুক্রবার সকাল থেকে আবার বাসটি তোলার চেষ্টা শুরু হয়। সন্ধ্যায় বাসটি ডোবা থেকে ওঠাতে সক্ষম হন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। বাসটি ওঠানোর সময় বাসের সঙ্গে মুক্তা আক্তারের মরদেহ ভেসে উঠে। পরে ডোবায় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা তল্লাশি চালিয়ে বাসের আব্দুল বাতেনের মরদেহও উদ্ধার করে।
ধামরাই ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা সোহেল রানা জানান, মরদেহ দুটি গোলড়া হাইওয়ে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।




