
২০২২ সালের শেষ সূর্যাস্ত ও ২০২৩ সালের প্রথম সূর্যোদয় দেখতে পর্যটকের পদভারে মুখরিত কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত।
শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) শেষ বিকেলে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে এ দৃশ্য দেখা গেছে।
সন্ধ্যায় সাগরকন্যা কুয়াকাটায় বছরের শেষ সূর্যাস্তকে বিদায় জানিয়েছে হাজার হাজার পর্যটক। আগামীকাল নতুন বছরের সূর্যোদয়কে স্বাগত জানাবেন তারা। এখন কুয়াকাটায় দর্শনীয় স্থানসহ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোতেও পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়। হোটেল খালি না পেয়ে অনেকেই আশ্রয় নিয়েছেন সাত থেকে আট কিলোমিটার দূরের আবাসিক হোটেলে। কেউ কেউ বাসা-বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন।
নড়াইল থেকে ঘুরতে এসেছেন হামিদুল নিয়াজ ও ফাতেমাতুজ জহুরা দম্পত্তি। তারা বলেন, এই প্রথম কুয়াকাটায় এসেছি। এখানকার পরিবেশ দেখে মুগ্ধ হয়েছি। ২০২২ সালের শেষ সূর্যাস্ত দেখলাম। আগামীকাল ২০২৩ সালের নতুন সূর্যোদয় দেখার আশায় আছি। এবারের ভ্রমণ বেশ ভালো হয়েছে। সময় পেলে আবার আসব।
টুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব কুয়াকাটা (টোয়াক) সেক্রেটারি জহিরুল ইসলাম বলেন, বর্ষবরণ উপলক্ষে কুয়াকাটায় অনেক পর্যটক এসেছেন। হোটেল-মোটেল কক্ষ বুকিং হয়েছে। ডিসেম্বরে পর্যটকের সমাগম বেশি ছিল। ব্যবসায়ীরা করোনার ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে শুরু করছে।
কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আবদুল মোতালেব শরীফ বলেন, থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপন উপলক্ষে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত কানায় কানায় পূর্ণ হয়েছে। আবাসিক হোটেলগুলোতে কোনো কক্ষ খালি নেই।
টুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা জোনের সহকারী পুলিশ সুপার আব্দুল খালেক বলেন, ডিসেম্বর জুড়ে কুয়াকাটায় পর্যটকদের চাপ ছিল, আমরাও তৎপর ছিলাম। পর্যটকরা যাতে হয়রানির শিকার না হয় সেদিকে আমরা লক্ষ্য রাখছি।




