
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষের পর শাহজালাল ও শাহ আমানত হলে তল্লাশি চালিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তল্লাশি চালিয়ে পাঁচ বহিরাগতকে আটক করা হয়েছে।
শুক্রবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাত ১০ টায় এ তল্লাশি শুরু হয়। চলে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত। তল্লাশি চলাকালে শাহ আমানত হল থেকে পাঁচ বহিরাগতকে ও শাহজালাল হল থেকে একটি রামদা, কয়েকটি লাঠিসোঁটা, লোহার রড ও স্টাম্প উদ্ধার করা হয়েছে।
গণমাধ্যমকে রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর নূরুল আজিম সিকদার।
তিনি জানান, তাৎক্ষণিক আটক পাঁচজনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তাঁদের হাটহাজারী থানায় নেওয়া হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এর আগে শুক্রবার (২২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ৭টার দিকে সংঘর্ষে উভয় পক্ষ নিজ নিজ হলে অবস্থান করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে।
তবে এ ঘটনায় রাতে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায় নি। সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) শাখা ছাত্রলীগের দুটি উপগ্রুপ রয়েছে। সংঘর্ষে লিপ্ত গ্রুপ দুটি হলো চুজ ফ্রেন্ডস উইথ কেয়ার (সিএফসি) এবং সিক্সটি নাইন।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেল থেকে কয়েক দফা সংঘর্ষে জড়ায় গ্রুপ দুটি। এতে চার ছাত্রলীগ কর্মী আহত হন।
সূত্র আরও জানায়, সিএফসি গ্রপ শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের অনুসারী হিসেবে ক্যাম্পাসে পরিচিত। যার নেতৃত্ব দেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সাদাফ খান।
অপরদিকে সিক্সটি নাইন গ্রুপ নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সিটি মেয়র আজম নাছির উদ্দীনের অনুসারী হিসেবে পরিচিতি। এই গ্রুপের নেতৃত্বে রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন টিপু।




