
দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পণ্য আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম ৭ দিন বন্ধ থাকার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে দুই দেশের আমদানি-রপ্তানিকারক ব্যবসায়ীরা আলোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আগামী ১৯-২৫ অক্টোবর পর্যন্ত এই বন্দরের মাধ্যমে কোনো ধরণের পণ্য আনা নেওয়া হবে না। তবে হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে দুই দেশে পাসপোর্টে যাত্রী পারাপার স্বাভাবিক থাকবে।
হিলি স্থলবন্দর আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন-উর রশিদ হারুন বলেন, শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ভারতের ব্যবসায়ীরা বন্দর দিয়ে দুই দেশের মধ্যে পণ্য আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধের জন্য একটি পত্র দেন। আমরা তাদের সঙ্গে আলোচনা করে বন্ধের সম্মতি দিয়েছি। এই ৭ দিন বন্দরের মাধ্যমে কোনো পণ্য আনা নেওয়া করা হবে না। বিষয়টি বন্দর সংশ্লিষ্টদের পত্রের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। আগামী ২৬ অক্টোবর সকাল থেকে পুনরায় হিলি বন্দর দিয়ে পণ্য আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য শুরু হবে।
হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ওসি শেখ আশরাফুল জানান, পূজা ও সরকারি ছুটিতে বন্দরে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে যাত্রী পারাপার অন্যান্য দিনের মতো স্বাভাবিক থাকবে। সকল ধরণের ছুটির আওতামুক্ত থেকে ইমিগ্রেশনের কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে। বৈধ পাসপোর্ট-ভিসা নিয়ে যাত্রীরা ভারত-বাংলাদেশে আসা-যাওয়া করতে পারবেন।
হিলি স্থলশুল্ক স্টেশনের উপকমিশনার বায়জিদ হোসেন জানান, ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত দূর্গাপুজার কারণে সরকারি ছুটি রয়েছে। এর পরের দিন কাস্টমস অফিসের কার্যক্রম চালু হবে। ব্যবসায়ীরা চাইলে বন্দরের অভ্যন্তরে থাকা তাদের আমদানি করা পণ্যের চালান শুল্ককর পরিশোধ করে খালাস করতে পারবেন।




